সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩

বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ
বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব!

অনলাইন ডেস্ক: জ্বালানি তেল ও এলপি গ্যাসের পর এবার বিদ্যুতের দামও বাড়তে পারে। আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

 

মন্ত্রিসভার সম্মতি পেলে সেই অনুযায়ী প্রস্তাব পাঠানো হবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি)। তবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বলছেন, বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

 

বৈশ্বিক সংকটের কারণে দেশে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যেই ১৮ দিনের ব্যবধানে দুই দফায় এলপি গ্যাসের দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কিন্তু মানুষের আয় সেই হারে না বাড়ায় ব্যয়ের চাপ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

সাধারণ মানুষ বলছেন, গ্যাসের দাম একাধিকবার বাড়ায় নিম্ন আয়ের মানুষ এমনিতেই কষ্টে পড়ছে। এরমধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়লে সেটি হবে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। কারণ বিদ্যুৎ বিল বাড়লে বাড়িভাড়াও বাড়বে, ফলে জীবনযাত্রার চাপ আরও বেড়ে যাবে।

মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য তৈরি বিদ্যুৎ বিভাগের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে এই খাতে ঘাটতি দাঁড়াতে পারে প্রায় সাড়ে ৫৬ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি কমাতে তিনটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়িয়ে ৫ হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি লাইফলাইন গ্রাহক বাদে অন্যান্য আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রিসভার সম্মতির পর এসব প্রস্তাব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে পাঠানো হবে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেন, বিষয়টি এখনো খুব প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, চূড়ান্ত কিছু হয়নি।

বিদ্যুতের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কতটা বাড়বে এবং অর্থনীতিতে এর প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ অবস্থায় দাম না বাড়িয়ে ব্যয় কমিয়ে ঘাটতি সমন্বয়ের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শামসুল আলম বলেন, ঘাটতি বাড়ার মূল কারণ অপচয় ও অযৌক্তিক ব্যয়। এই ব্যয়ের উৎস খুঁজে বের করে সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মুনাফা বাদ দিয়ে বিদ্যুতের প্রকৃত ব্যয় নির্ধারণ করতে হবে। আগে ঘাটতির প্রকৃত চিত্র পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করতে হবে। তারপরই সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত কীভাবে সেই ঘাটতি সমন্বয় করা হবে।

তবে দাম না বাড়িয়ে কীভাবে ঘাটতি কমানো সম্ভব, সে পথও বাতলে দিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের এই জ্বালানি উপদেষ্টা। তিনি আরও বলেন, যদি কয়লার সরবরাহ বাড়ানো যায় এবং কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা পুরোপুরি ব্যবহার করা সম্ভব হয়, তাহলে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎসহ ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুতের প্রয়োজন কমে যাবে। এতে বড় অঙ্কের খরচ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। এভাবে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় করা যেতে পারে।

এদিকে বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের বিষয়ে অর্থমন্ত্রীকে প্রধান করে একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের নথিতে বলা হয়েছে, দুই বছরের মধ্যে দাম না বাড়ানোর পরিকল্পনা থাকলেও বৈশ্বিক সংকট ও জ্বালানি পরিস্থিতির কারণে এখন বিকল্প চিন্তা করতে হচ্ছে সরকারকে।

Ads small one

শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা খুঁজে বের করছে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” আবেদন ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা খুঁজে বের করছে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” আবেদন ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত

সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তৃণমূল পর্যায়ের ১২-১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দক্ষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়াধীন ক্রীড়া পরিদপ্তর কর্তৃক ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস’ নামে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিভা অন্বেষণে জনপ্রিয় ৮টি ইভেন্টে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা খুঁজে বের করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সুযোগ রয়েছে। এসব ইভেন্টগুলো হলো ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাঁবা, মার্শাল আর্ট ও সাঁতার।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তরের এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের নিয়মাবলী ও সুযোগ সুবিধা উল্লেখ করা হয়েছে।

১। ১২-১৪ বছর বয়সী ছাত্র-ছাত্রীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। বয়স প্রমাণের জন্য অনলাইন ভেরিফাইড জন্মনিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক।

২। একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ ২ টি ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারবে। তবে দলগত ইভেন্টের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

৩। আবেদনের জন্য জন্মনিবন্ধন সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়নপত্র, পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি এবং অভিভাবকের সম্মতিপত্র প্রয়োজন হবে।

৪। প্রতিযোগিতাটি মোট ৪ টি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। যথা- ক) উপজেলা পর্যায় খ) জেলা পর্যায় গ) আঞ্চলিক পর্যায় ঘ) জাতীয় পর্যায়।

৫। বিজয়ীদের জন্য মেডেল, ট্রফি এবং সনদপত্র থাকবে। এছাড়াও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকেএসপিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ এবং ভর্তির সুযোগ প্রদান করা হবে।

৬। নিবন্ধিত খেলোয়াড় দ্বারা স্ব-স্ব উপজেলা দল গঠিত হয়ে জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণ করবে।
আবেদনের তারিখ ১২ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত।

ওয়েব সাইটের ঠিকানা: https://notunkurisports.gov.bd

সাতক্ষীরায় ৬৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ১ মাদক জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ৬৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ১ মাদক জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিলসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতের নাম গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস (২৮)। সে সাতক্ষীরা সদর থানার হাড়দ্দাহ এলাকার দিলীপ বিশ্বাসের ছেলে। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর থানার হাড়দ্দাহ দক্ষিণপাড়া এলাকা থেকে ৬৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ তাকে আটক করা হয়।

র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্প জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর থানার হাড়দ্দাহ দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় গোপাল চন্দ্র বিশ্বাসকে আটক করা হয় এবং ৬৩০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু পূর্বক উদ্ধারকৃত মাদক ও আসামিকে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষ

oplus_0

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলে সুপেয় পানির দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী ম্যারাথন ‘রান ফর ওয়াটার-২.o’।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দুই শতাধিক তরুণ-তরুণী ও পরিবেশকর্মী  উপকূলের মানুষের পানি সংগ্রহের সংগ্রামকে ফুটিয়ে তুলতে মাটির কলস নিয়ে এই ম্যারাথনে অংশ নেন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টায় উপজেলার মুন্সিগঞ্জ গ্যারেজ বাজার থেকে শুরু হয়ে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আবাদচন্ডিপুর গাজী বাড়ি ঈদগাহ মাঠে গিয়ে শেষ হয় এই ম্যারাথন।

সুপেয় পানি নিশ্চিতের দাবিতে স্থানীয় যুব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শরুব ইয়ুথ টিম এই ম্যারাথনের আয়োজন করে।

কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে একশনএইড বাংলাদেশ। এছাড়া ৩০টিরও বেশি যুব সংগঠন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এতে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেয়। আর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে দ্য এডিটরস।

ম্যারাথনে প্রথম স্থান অধিকার করেন গাবুরার জি.কে সাব্বির হোসেন, দ্বিতীয় হন বুড়িগোয়ালিনীর সাগর হোসেন এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন সাতক্ষীরা সদরের ওয়াছিমুল ইসলাম তপু।

ম্যারাথন শেষে আবাদচন্ডিপুর গাজী বাড়ি ঈদগাহ মাঠে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য দেন একশনএইড বাংলাদেশ-এর ডেপুটি ম্যানাজার (ইয়ুথ অ্যান্ড জাস্ট সোসাইটি) মুসতাহিদ জামি, ডেপুটি ম্যানাজার (পার্টনারশিপ এবং প্রোগ্রাম) আরিফ সিদ্দিকী, সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাস, বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মোঃ শাহিন আলম, বাধন সংস্থার প্রতিনিধি শেখ ইমরান ও এসসিএফ এর সহকারী নির্বাহী পরিচালক হাবিবুল্ল্যাহ আল মামুন।

তারা পানি সংকটের দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বক্তারা বলেন, এই ম্যারাথন শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি উপকূলীয় জনপদের পানির অধিকার ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা তৈরির এক অনন্য প্রচেষ্টা।

আয়োজকেরা জানান, ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া এবং ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাসের কারণে তীব্র পানিসংকটে ভুগছেন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের উপকূলীয় এই জনপদের বাসিন্দারা। তাই এই ম্যারাথন আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং নিরাপদ পানির দাবি তুলে ধরা হয়েছে।

শরুব ইয়ুথ টিমের পরিচালক এস এম জান্নাতুল নাঈম বলেন, এই দৌড়ের মাধ্যমে আমরা স্থানীয়ভাবে যেমন সচেতনতা বাড়াতে চাই, তেমনি জাতীয় পর্যায়েও সুপেয় পানির সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ পানি মানুষের মৌলিক অধিকার হলেও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত। অনেক নারীকে কয়েক কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে পানি সংগ্রহ করতে হয়, আবার অনেকেই বাধ্য হয়ে পানি কিনে ব্যবহার করেন। এই বাস্তবতা তুলে ধরতেই আমাদের এই আয়োজন।