মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ
বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব!

অনলাইন ডেস্ক: জ্বালানি তেল ও এলপি গ্যাসের পর এবার বিদ্যুতের দামও বাড়তে পারে। আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

 

মন্ত্রিসভার সম্মতি পেলে সেই অনুযায়ী প্রস্তাব পাঠানো হবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি)। তবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বলছেন, বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

 

বৈশ্বিক সংকটের কারণে দেশে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যেই ১৮ দিনের ব্যবধানে দুই দফায় এলপি গ্যাসের দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কিন্তু মানুষের আয় সেই হারে না বাড়ায় ব্যয়ের চাপ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

সাধারণ মানুষ বলছেন, গ্যাসের দাম একাধিকবার বাড়ায় নিম্ন আয়ের মানুষ এমনিতেই কষ্টে পড়ছে। এরমধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়লে সেটি হবে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। কারণ বিদ্যুৎ বিল বাড়লে বাড়িভাড়াও বাড়বে, ফলে জীবনযাত্রার চাপ আরও বেড়ে যাবে।

মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য তৈরি বিদ্যুৎ বিভাগের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে এই খাতে ঘাটতি দাঁড়াতে পারে প্রায় সাড়ে ৫৬ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি কমাতে তিনটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়িয়ে ৫ হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি লাইফলাইন গ্রাহক বাদে অন্যান্য আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রিসভার সম্মতির পর এসব প্রস্তাব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে পাঠানো হবে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেন, বিষয়টি এখনো খুব প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, চূড়ান্ত কিছু হয়নি।

বিদ্যুতের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কতটা বাড়বে এবং অর্থনীতিতে এর প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ অবস্থায় দাম না বাড়িয়ে ব্যয় কমিয়ে ঘাটতি সমন্বয়ের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শামসুল আলম বলেন, ঘাটতি বাড়ার মূল কারণ অপচয় ও অযৌক্তিক ব্যয়। এই ব্যয়ের উৎস খুঁজে বের করে সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মুনাফা বাদ দিয়ে বিদ্যুতের প্রকৃত ব্যয় নির্ধারণ করতে হবে। আগে ঘাটতির প্রকৃত চিত্র পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করতে হবে। তারপরই সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত কীভাবে সেই ঘাটতি সমন্বয় করা হবে।

তবে দাম না বাড়িয়ে কীভাবে ঘাটতি কমানো সম্ভব, সে পথও বাতলে দিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের এই জ্বালানি উপদেষ্টা। তিনি আরও বলেন, যদি কয়লার সরবরাহ বাড়ানো যায় এবং কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা পুরোপুরি ব্যবহার করা সম্ভব হয়, তাহলে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎসহ ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুতের প্রয়োজন কমে যাবে। এতে বড় অঙ্কের খরচ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। এভাবে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় করা যেতে পারে।

এদিকে বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের বিষয়ে অর্থমন্ত্রীকে প্রধান করে একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের নথিতে বলা হয়েছে, দুই বছরের মধ্যে দাম না বাড়ানোর পরিকল্পনা থাকলেও বৈশ্বিক সংকট ও জ্বালানি পরিস্থিতির কারণে এখন বিকল্প চিন্তা করতে হচ্ছে সরকারকে।

Ads small one

সাতক্ষীরা সদর জামায়াতের রুকন বৈঠক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সদর জামায়াতের রুকন বৈঠক

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদার এবং মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন (সদস্য) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় সাতক্ষীরার কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল।
বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শেখ নুরুল হুদা ও সহকারী সম্পাদক অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ। উপজেলা জামায়াতের সম্পাদক মাওলানা হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় বৈঠকে উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা এবং ভোমরা, আলীপুর, ধুলিহর, ব্রহ্মরাজপুর, লাবসা ও ফিংড়ী ইউনিয়নের রুকনরা অংশ নেন।

দেবহাটায় বসন্তপুর ও সুশীলগাতীকে ‘ইকো ভিলেজ’ ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় বসন্তপুর ও সুশীলগাতীকে ‘ইকো ভিলেজ’ ঘোষণা

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: “সবুজ ও সহনশীল গ্রাম, সুন্দর ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ”Ñএই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার দেবহাটায় দুটি গ্রামকে ‘সবুজ ও সহনশীল ইকো ভিলেজ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় দেবহাটা সদর ইউনিয়নের বসন্তপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সুশীলনের আয়োজনে এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের অর্থায়নে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউপি সদস্য আব্দুল হাই।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের স্পন্সরশিপ ও চাইল্ড প্রটেকশন অফিসার পল্টন বিশ্বাস এবং দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল। সুশীলনের কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য কামাল হোসেন ও সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য রেহেনা পারভিন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে দেবহাটা সদর ইউনিয়নের বসন্তপুর ও সুশীলগাতী গ্রামকে পরিবেশবান্ধব, পরিচ্ছন্ন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় প্রতিটি পরিবারকে পরিবেশবান্ধব করতে বাড়ির আঙিনায় সবজি বাগান তৈরি, সোলার প্যানেল স্থাপন ও বৃক্ষরোপণের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

দেবহাটায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

Oplus_131072

কেএম রেজাউল করিম, দেবহাটা: “মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা”Ñএই প্রতিপাদ্য নিয়ে সাতক্ষীরার দেবহাটায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা গণস্বাস্থ্য কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার ম-ল, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা সিদরাতুল মুনতাহা, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, নওয়াপাড়া ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, কেবিএ কলেজের শিক্ষক আবুল তালেব, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল ও সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম রেজাউল করিম। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, এনজিওকর্মী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সাক্ষরতা কেবল পড়তে ও লিখতে শেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি মানুষের সচেতনতা, দক্ষতা ও আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধির অন্যতম হাতিয়ার। দেশের টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য সমাজের প্রতিটি মানুষকে শিক্ষার আওতায় আনা জরুরি।