শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় স্পেন, গড়ল বড় রেকর্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় স্পেন, গড়ল বড় রেকর্ড

স্পেনের অবশেষে নকআউটে জয়ের খরা কাটাল। রাউন্ড অব থার্টি-টুর ম্যাচে আজ অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে স্পেন। সেইসঙ্গে ২০১০ সালের ফাইনালের পর এই প্রথম নকআউট ম্যাচ জিতল তারা।

স্পেনের হয়ে জোড়া গোল করেছেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। মার্ক কুকুরেয়ার পাসে ম্যাচের প্রথম গোলটি তিনি করেন প্রথমার্ধের ৩৬ মিনিটে। এরপর দ্বিতীয় গোলটি করেন ৮৯ মিনিটে। এটিও এসেছে কুকুরেয়ার সহায়তায়।

ওইয়ারসাবালের দুই গোলের মাঝে অন্য গোলটি করেছেন পেদ্রো পোরো। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে আলেক্স বায়েনার ক্রসে জোরাল হেডে বল জালে জড়ান এই ডিফেন্ডার।

৩-০ গোলে জেতা এই ম্যাচটিতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়েছে স্পেন। ম্যাচে ৬৪ শতাংশ বলের দখল রাখা স্পেন ২৩ শটের ১০টিই লক্ষ্যে রাখে, অন্য দিকে অস্ট্রিয়া ৫টি শট নিলেও কোনোটি লক্ষ্যে ছিল না। বলা যায়, ম্যাচজুড়ে অস্ট্রিয়া স্পেনকে তেমন কোনো বিপদই তৈরি করতে পারেনি। স্বস্তির এক জয় নিয়েই নকআউটের প্রথম পর্ব পার করল ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা।

২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে একটি নকআউট ম্যাচও জিততে পারেনি স্পেন। অথচ, ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি ইউরো ২০০৮, বিশ্বকাপ ২০১০ ও ইউরো ২০১২—টানা তিনটি বড় শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়েছিল স্পেনের সোনালি প্রজন্ম। কিন্তু সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বিশ্বকাপে আর ধরে রাখতে পারেনি তারা।

২০১৪ সালে শিরোপাধারী হিসেবে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় স্পেন। এরপর ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে ও ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে যথাক্রমে রাশিয়া ও মরক্কোর কাছে টাইব্রেকারে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় তাদের।

এবারও বিশ্বকাপে শুরুটাও প্রত্যাশামতো হয়নি। কেপ ভার্দের সাথে গোলশূন্য ড্র করে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। তবে পরের দুই ম্যাচে সৌদি আরব ও উরুগুয়েকে হারিয়ে গ্রুপ ‘এইচ’-এর শীর্ষ দল হিসেবে নকআউটে জায়গা করে নেয়। এবার নকআউটেও জয়ের স্বাদ পেল তারা।

শুধু তাই নয়? সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে স্পেন এখন টানা ৩৫ ম্যাচ অপরাজিত। আজ অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে ২০০৭ থেকে ২০০৯ সালে গড়া নিজেদের টানা ৩৫ ম্যাচের অপরাজিত থাকার রেকর্ড স্পর্শ করেছে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।

Ads small one

অনেক নাটকীয়তার পর পর্তুগাল পেল শেষ ষোলোর টিকিট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
অনেক নাটকীয়তার পর পর্তুগাল পেল শেষ ষোলোর টিকিট

চলমান বিশ্বকাপে নাটকীয়তার শেষ ছিল না টরন্টো স্টেডিয়ামে। গনসালো রামোসের ৯৪ মিনিটের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও স্বস্তিতে থাকতে পারেনি পর্তুগাল। যোগ করা সময়ের ১০ মিনিট পেরিয়ে গেলে সমতাসূচক গোল পেয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। গোল হতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন লুকা মদরিচরা। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। অফসাইডে সেই গোল বাতিল হয়। নাটকীয় শেষ মুহূর্তের পর ২–১ ব্যবধানে জেতে পর্তুগাল।

ম্যাচে প্রথমে ৫৩ মিনিটে ইভান পেরিসিচের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। এরপর ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আর যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে রাফায়েল লিয়াওয়ের ক্রস থেকে গনসালো রামোসের হেডে আসে জয়সূচক গোল।

৫৩ মিনিটে ইভান পেরিসিচের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। দ্রুত নেওয়া এক থ্রো-ইন থেকে গড়ে ওঠা আক্রমণে ইয়োসিপ স্তানিশিচের বাড়ানো বল পেয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে গোল করেন অভিজ্ঞ এই উইঙ্গার।

তবে ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে পর্তুগালকে সমতায় ফেরান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ৬০ মিনিটে একবার বল জালে পাঠিয়েও অফসাইডের কারণে গোলবঞ্চিত হয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত অবশ্য স্কোরশিটে নাম তুলতে ভুল করেননি।

এরপর রামোসের শেষ মুহূর্তের গোলে ২–১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে পর্তুগাল।

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে কাঁদলেন ও কাঁদালেন আনোয়ারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ
শিল্পী সমিতির নির্বাচনে কাঁদলেন ও কাঁদালেন আনোয়ারা

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন মানেই এক নতুন উত্তেজনা, প্যানেলে প্যানেলে লড়াই আর উৎসবের আমেজ। তবে এবারের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচনে সব আলোচনা আর প্রচারণাকে ছাপিয়ে গেছে একটি মাতৃত্বের আবেগ ও অশ্রু। ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম সফল ও শক্তিমান অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগমের জীবনের শেষ ইচ্ছা—তার সুযোগ্য কন্যা রুমানা ইসলাম মুক্তি যেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে সাধারণ শিল্পীদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন।

‘চাঁদের আলো’ এবং ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ খ্যাত নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি দীর্ঘদিন রুপালি পর্দা থেকে দূরে থাকলেও সবসময় এফডিসির শিল্পীদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন। বর্তমানে সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মুক্তি এবার সরাসরি আরমান-মুক্তি পরিষদ থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন।

এই নির্বাচনি আমেজের মধ্যেই গত বুধবার রাতে আরমান-মুক্তি পরিষদের প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানে নেমে এলো পিনপতন নীরবতা, যা পরে রূপ নেয় এক আবেগঘন মুহূর্তে। ঢালিউডের সোনালি যুগের অন্যতম জনপ্রিয় ও নন্দিত অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম তার মেয়ে চিত্রনায়িকা মুক্তির জন্য ভোট চাইতে এসে প্রকাশ্যেই চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

জানা গেছে, মুক্তি নিজে থেকে এই নির্বাচনে আসতে চাননি; বরং তার মা আনোয়ারার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা, সাধারণ সদস্যদের আগ্রহ এবং মায়ের স্বপ্নপূরণ করতেই তিনি এবার ভোটে দাঁড়িয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে চলচ্চিত্রে পর্দার আড়ালে থাকা এই মায়ের একটাই চাওয়া—তার মেয়ে যেন চলচ্চিত্র জগতের মানুষদের পাশে দাঁড়াতে পারে এবং তাদের কল্যাণে কাজ করতে পারে।

প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানের মঞ্চে যখন প্রবীণ অভিনেত্রী আনোয়ারাকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য মাইক্রোফোন দেওয়া হয়, তখন তিনি পুরোনো দিনের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। এফডিসির সঙ্গে তার জীবনের বহু বছরের স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। জীবনের এই শেষ সময়ে এসে মেয়ের জন্য সবার কাছে ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করার সময় তিনি আর নিজের কান্না চেপে রাখতে পারেননি। মাইক্রোফোনের সামনেই তিনি ডুকরে কেঁদে ওঠেন এবং বলেন, ‘আমার মেয়ে আপনাদেরই বোন, মেয়ে এবং সহকর্মী। ও আমার স্বপ্নপূরণ করতে এখানে এসেছে। আপনাদের জন্য কাজ করতে চায়। আপনারা ওকে ফিরিয়ে দেবেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার অস্তিত্ব আমার মেয়ে। মুক্তি শিল্পীদের জন্য কতটা উপযুক্ত, তা আপনারা নিশ্চয়ই মুক্তির কাজের মাধ্যমে এরই মধ্যে প্রমাণ পেয়েছেন। আশা করি, আমার শিল্পী সমিতির ভালোবাসার মানুষরা মুক্তিকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন। সবাই আরমান-মুক্তি প্যানেলের সঙ্গে থাকবেন। আমার মেয়েকে ভোট দেওয়া মানে আমাকে ভোট দেওয়া। আমার মেয়ের বিজয় মানে আমার বিজয়। মুক্তি হারলে আমি হেরে যাবো। তাই আমার প্রাণের শিল্পীরা আমার সম্মান রাখবেন।’

কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা এখন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন। বয়সের ভারে আগের মতো এফডিসিতে নিয়মিত আসতে না পারলেও মেয়ের জন্য তার মন পড়ে রয়েছে চলচ্চিত্রের আঙিনায়। মেয়ের নির্বাচনী প্রচারণা এবং তার প্রতি সহকর্মীদের ভালোবাসা দেখে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এই প্রবীণ অভিনেত্রী।

চলচ্চিত্রের মানুষদের কাছে নিজের মেয়ের জন্য ভোট ও দোয়া চাইতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন আনোয়ারা। তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রের মানুষই আমার আসল পরিবার। আর এই পরিবারের কল্যাণে আমার মেয়ে মুক্তি যেন আজীবন কাজ করে যেতে পারে, সেটাই আমার জীবনের শেষ আকাঙ্ক্ষা।’ একজন মায়ের এই কান্নায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে ঢাকাই সিনেমার তারকারাও।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, নির্বাচনী প্রচারণায় কাদা ছোড়াছুড়ি বা মারমুখী আচরণের বাইরে আনোয়ারার এই মাতৃত্বের টান এবং কান্না ভোটারদের হৃদয়ে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। মায়ের এই অশ্রুসজল আবেদন ভোটের মাঠে মুক্তির পক্ষে কতটা জোয়ার তৈরি করে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে শিল্পী সমিতির নির্বাচন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে শিল্পী সমিতির নির্বাচন

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। তবে দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত জুমার নামাজের জন্য ১ ঘণ্টার একটি বিরতি থাকবে।

এবারের নির্বাচনে নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে মোট ৫৭৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। সকাল থেকেই এফডিসি চত্বরে বিরাজ করছে এক উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত পরিবেশ। প্রিয় প্রার্থীদের ভোট দিতে এবং সমর্থন জানাতে সকাল থেকেই চলচ্চিত্র তারকা, ভোটার ও তাদের সমর্থকদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে উঠেছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে সব ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।

এবারের মেয়াদে ২১ সদস্যের কমিটিতে জায়গা পেতে দুটি প্যানেল একে অপরের মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এর মধ্যে একটি প্যানেলের নেতৃত্বে আছেন আরমান (সভাপতি) ও রুমানা ইসলাম মুক্তি (সাধারণ সম্পাদক)। এই প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি পদে লড়ছেন বর্ষীয়ান চিত্রনায়িকা নূতন ও ইলিয়াস কোবরা। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে রিনা খান, চুন্নু, এম এ পারভেজ চৌধুরী আবীর, রাসেল মিয়া, মারুফ আকিব এবং কামরুজ্জামান কমল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কার্যনির্বাহী সদস্য পদে রয়েছেন মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, দুলারী ও নাসরিনসহ আরও বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ।

অন্যদিকে, পরিবর্তনের হাওয়া বইয়ে দিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে শিবা সানু ও জয় চৌধুরী পরিষদ। এই প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি পদে লড়ছেন ডি এ তায়েব ও রোজিনা। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে সুব্রত, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সনি রহমান এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে লড়ছেন চিত্রনায়িকা পলি। এছাড়া এই প্যানেলের হয়ে কার্যনির্বাহী সদস্য পদের জন্য মাঠে নেমেছেন আলীরাজ, শিপন মিত্র, ইয়ামীন হক ববি, কাবিলা ও শিরিন শিলার মতো জনপ্রিয় তারকারা।

এবারের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আছেন কামাল মো. কিবরিয়া লিপু। তাকে সহযোগিতা করছেন নির্বাচন কমিশনার খোরশেদ আলম খসরু ও বি এইচ নিশান। এখন পর্যন্ত কোনো কাদা ছোড়াছুড়ি ছাড়াই বেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ভোট উৎসব উপভোগ করছেন ঢালিউডের শিল্পীরা।