মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ব জুড়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠী ক্রমাগত ঝুঁকিতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
বিশ্ব জুড়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠী ক্রমাগত ঝুঁকিতে

প্রকাশ ঘোষ বিধান

বিশ্বজুড়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠী তাদের ভূমি অধিকার হরণ, জলবায়ু পরিবর্তন, ভাষার বিলুপ্তি, প্রান্তিকীকরণ এবং সাংস্কৃতিক বিলুপ্তির মতো মারাত্মক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। আধুনিকায়নের চাপে এবং রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে তাদের নিজস্ব ভাষা, ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক পরিচয় দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে।

আদিবাসী জনগোষ্ঠী আধুনিক উন্নয়ন ও বন ধ্বংসের ফলে তাদের ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রা ও অস্তিত্ব আজ মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন ও বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার মাত্র ৬.২ শতাংশ আদিবাসী। বিশ্বের ৯০টি দেশে প্রায় ৫০ কোটি আদিবাসী বসবাস করলেও তারা ক্রমাগত তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

১৯৯২ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের উন্নয়ন ও সংরক্ষণ উপকমিশনের কর্মকর্তারা তাদের প্রথম সভায় বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৯৩ সালকে জাতিসংঘ প্রথমবার বিশ্বে আদিবাসী বর্ষ ঘোষণা করে। পরের বছর ১৯৯৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতি বছর ৯ আগস্টকে বিশ্ব আদিবাসী দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৯৯৪ সালে বিশ্বে প্রথমবারের মতো আদিবাসী দিবসটি পালিত হয়। বিশ্বের সব আদিবাসীর অধিকার, শত বছরের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে সুরক্ষার লক্ষ্যে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হয়।

আদিবাসী জনগোষ্ঠী বলতে কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বা ভূখন্ডে উপনিবেশ স্থাপন বা অন্য কোনো অঞ্চলের মানুষের অভিবাসনের পূর্বে যারা প্রথাগতভাবে সেখানে বসবাস করে আসছে, তাদের বংশধরদের বোঝায়। এরা সাধারণত নিজস্ব সংস্কৃতি, সামাজিক নিয়ম, ভাষা এবং ঐতিহ্যের অধিকারী হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীবাংলাদেশ এবং প্রাচীন বাংলার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে বিভিন্ন সমৃদ্ধ আদিবাসী বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সন্ধান পাওয়া যায়। ভৌগোলিক অবস্থানভেদে এদের প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন পাহাড় ও সমতাল। পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীরা চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, ম্রো, বম, পাংখোয়া, খিয়াং, খুমি, লুসাই এবং চাক। সমতল অঞ্চলের আদিবাসীরা সাঁওতাল, গারো, খাসিয়া, মুন্ডা, ওরাওঁ, হাজং, রাজবংশী, কোচ, কোল এবং ডালু।

বাংলাদেশে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো, সাঁওতাল, মণিপুরি, ম্রো, তঞ্চঙ্গা প্রভৃতি ১৪ জনগোষ্ঠী প্রাচীনকাল থেকেই আদিবাসী হিসেবে বিশ্বে পরিচিত। কিন্তু বর্তমান সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আদিবাসী শব্দকে বিলুপ্ত করে ৫০টি জাতিগোষ্ঠীকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সম্প্রতি গেজেট প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ সরকারের তালিকা অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ৫০ জাতের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছেন। তারা হলো চাকমা,ওরাঁও, কোচ, কোল, খাসিয়া বা খাসি, খিয়ং, খুমি, গারো, চাক, ডালু, তঞ্চঙ্গা, ত্রিপুরা, পাংখোয়া বা পাংখো, বর্মণ, বম, মণিপুরী, মারমা, পাহাড়ি বা মালপাহাড়ি, মুন্ডা, ম্রো, রাখাইন, লুসাই, সাঁওতাল, হাজং, মাহাতো বা কুর্মি মাহাতো বা বেদিয়া মাহাতো, কন্দ, কড়া, গঞ্জু, গড়াইত, গুর্খা, তেলী, তুরি, পাত্র, বাগদী, বানাই, বড়াইক বা বাড়াইক, বেদিয়া, ভূমিজ ভূইমালী, ডিল, মালো বা ঘাসিমালো, মাহালী, মুসহর, রাজোয়াড়, লোহার, শবর, হুদি, হো, খারিয়া বা খাড়িয়া এবং খারওয়ার বা খেড়োয়ার। এসব নৃগোষ্ঠী বা আদিবাসী লোকজনের অধিকাংশই পাহাড়ে ও সামান্য কিছু সমতলে নানা বঞ্চনা ও হয়রানির শিকার হয়ে যুগ যুগ ধরে বসবাস করছে। তবে সংবিধানে উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শব্দগুলো পরিবর্তন করে সরাসরি আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি এখনও জোরালো।

জল, জঙ্গল আর পাহাড়ের সাথে তাদের জীবন ও অর্থনীতি নিবিড়ভাবে জড়িত। অধিকাংশ সম্প্রদায়েরই নিজস্ব মৌখিক বা লিখিত মাতৃভাষা রয়েছে। বিজু, সাংগ্রাই, ওয়ানগালা, সোহরাই ইত্যাদি তাদের নিজস্ব প্রধান উৎসব। নিজস্ব সমাজ পরিচালনা ও বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য প্রথাগত রাজা বা হেডম্যান ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকে। বর্তমান প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহভূমির অধিকার সংকট, প্রথাগত জমির মালিকানা হারানো এবং উচ্ছেদ হওয়া বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় সমস্যা। নিজস্ব ভাষার লিখিত রূপের অভাব এবং চর্চা কমে যাওয়ায় অনেক ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রধান প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো হলো; বহুজাতিক কর্পোরেশন ও প্রভাবশালী মহলের কারণে আদিবাসীরা তাদের পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি হারাচ্ছে। অনেক দেশে আদিবাসীদের প্রথাগত ভূমি অধিকারের কোনো আইনি দলিল বা স্বীকৃতি নেই। আধুনিকতার চাপ এবং রাষ্ট্রীয় অবহেলার কারণে আদিবাসীদের নিজস্ব মাতৃভাষা ও মৌখিক ঐতিহ্য দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। মূলধারার সংস্কৃতির আধিপত্যের কারণে তরুণ আদিবাসীরা তাদের নিজস্ব ঐতিহ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।

গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও আলাস্কার মতো অঞ্চলের উপকূলীয় ক্ষয় আদিবাসীদের বাস্তুচ্যুত করছে। আমাজনের দাবানল ও নির্বিচারে বন উজাড়ের কারণে আদিবাসীরা তাদের জীবন ধারণের মূল উৎস হারাচ্ছে। শিক্ষা, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপদ কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে তারা চরমভাবে বঞ্চিত। বিশ্বজুড়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠী সাধারণ জনসংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি দারিদ্র্যের মধ্যে জীবনযাপন করে।

এই বৈশ্বিক সংকটগুলোর সমাধানে প্রতি বছর ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করা হয়। বিশ্ব জুড়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠী তাদের জমি ও সম্পদ নিয়ে হুমকি, তাদের অধিকার ক্ষুণ্ণতার চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তারা সাংস্কৃতিক বিলুপ্তি, প্রান্তিকীকরণ ও বর্জনের ক্রমাগত ঝুঁকিতে থাকে। বিশ্বজুড়ে আদিবাসী দিবসের আলোচনা ও বৈশ্বিক ফোরামগুলোতে তাদের সুরক্ষার বিষয়টি এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

 

Ads small one

আশাশুনিতে বৃষ্টির মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে বৃষ্টির মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর

oplus_0

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের একটি সিমেন্টের খুঁটি আকস্মিকভাবে ভেঙে পড়ে একটি ইজিবাইকের ওপর। এতে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি থেকে রক্ষা পেয়েছেন পথচারী, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও হোটেলে অবস্থানরত লোকজন। তবে খুঁটির নিচে চাপা পড়ে ইজিবাইকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় আশাশুনি বাজার ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকার ডিস ও ওয়াইফাই লাইনসহ বিভিন্ন সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে আশাশুনি সদরের জনতা ব্যাংক মোড়ে আজহারুলের হোটেলের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ বিকট শব্দে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটিটি ভেঙে রাস্তার ওপর পড়ে যায়। এ সময় খুঁটির সঙ্গে থাকা বিপুলসংখ্যক বৈদ্যুতিক, ডিস ও ইন্টারনেটের তার ছড়িয়ে পড়ে পুরো সড়কে। খুঁটিটি ধান্যহাটি গ্রামের গণেশ মন্ডলের ছেলে ঝন্টু মন্ডলের একটি ইজিবাইকের ওপর পড়লেও সৌভাগ্যক্রমে ওই সময় ইজিবাইকে কোনো যাত্রী বা চালক ছিলেন না। ফলে অল্পের জন্য বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়। পাশের হোটেল ও সড়কে থাকা লোকজনও দৌড়ে নিরাপদে সরে গিয়ে রক্ষা পান।

স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার পর সড়কের ওপর অসংখ্য বৈদ্যুতিক ও ইন্টারনেটের তার ছড়িয়ে পড়ায় জনসাধারণের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে আশাশুনি বাজার ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় ডিস ও ওয়াইফাই সেবা বন্ধ হয়ে যায়।

খবর পেয়ে আশাশুনি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিদ্যুৎ সংযোগ ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ভেঙে পড়া খুঁটি অপসারণ এবং সংস্কারের কাজ শুরু করেন।

আশাশুনি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, “লবণাক্ততার কারণে সিমেন্টের পোলটিতে লোনা ধরে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছিল। এরই মধ্যে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে পোলটি ভেঙে পড়ে। দ্রুত সংস্কারের কাজ চলছে।”

স্থানীয়দের দাবি, জনবহুল আশাশুনি বাজার এলাকায় দীর্ঘদিনের পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং তারগুলো দ্রুত পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হবে।

আশাশুনিতে দুই আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে দুই আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভোরে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-আশাশুনি উপজেলার ১১ নম্বর কাদাকাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কাদাকাটির সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান দীপঙ্কর সরকার দ্বীপ (৫১) এবং আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক এসএম জমির উদ্দিন গাজী (৪৯)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আশাশুনি থানার মামলা নং-২২/১০৯, তারিখ ২১ জুন ২০২৬-এর তদন্তে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৬/৭/৮/৯/১০/১১/১২/১৩ ধারায় প্রাপ্ত সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সোমবার দিবাগত গভীর রাতে দীপঙ্কর সরকার দ্বীপকে কাদাকাটি ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি এবং এসএম জমির উদ্দিন গাজীকে দরগাহপুর ইউনিয়নের খরিয়াটি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত দুই জনকে পুলিশি প্রহরায় সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আশাশুনিতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

oplus_0

আশাশুনি প্রতিনিধি: পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে উপজেলা যুবদল।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আশাশুনি সদরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন যুবদলের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জনতা ব্যাংক চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবাদ সমাবেশ।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আব্দুর রহিম ছোট। বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও বুধহাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু জাহিদ সোহাগ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সরদার রুহুল আমিন।

এ সময় উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের যুবদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে একটি পক্ষ নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্টের অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।