বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিশ্ব মানব পাচারবিরোধী দিবস ২০২৬ : প্রতারণার ফাঁদে বন্দী, মানব পাচার রোধে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
বিশ্ব মানব পাচারবিরোধী দিবস ২০২৬ : প্রতারণার ফাঁদে বন্দী, মানব পাচার রোধে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ

সাকিবুর রহমান বাবলা
মানব পাচার একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ সংগঠিত অপরাধ এবং মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন। দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়েছে বহু আগেই, কিন্তু আধুনিক বিশ্বে মানব পাচার সেই দাসত্বেরই নতুন ও আরও জটিল রূপ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। জাতিসংঘের ভাষায়; মানব পাচার হলো প্রতারণা, প্রলোভন, জবরদস্তি, বলপ্রয়োগ বা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে শোষণের উদ্দেশ্যে নিয়োগ, পরিবহন, আশ্রয়দান বা স্থানান্তর করা। এই শোষণ হতে পারে জোরপূর্বক শ্রম, যৌন শোষণ, গৃহদাসত্ব, অঙ্গপাচার, ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা কিংবা অপরাধমূলক কর্মকা-ে ব্যবহার করার মাধ্যমে।
মানব পাচারের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভুক্তভোগীদের অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সামনে আনতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০১৩ সালে ৩০ জুলাইকে বিশ্ব মানব পাচারবিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্যÑ ঞৎধঢ়ঢ়বফ ইবযরহফ ঃযব ঝপধস বা “প্রতারণার ফাঁদে বন্দী”Ñ মানব পাচারের একটি নতুন ও দ্রুত বিস্তারমান রূপের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছে, যেখানে আন্তঃদেশীয় অপরাধচক্র চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে অনলাইন প্রতারণা, আর্থিক জালিয়াতি ও সাইবার অপরাধে জোরপূর্বক সম্পৃক্ত করছে।
বর্তমানে এ অপরাধ কেবল সীমান্ত অতিক্রম করে মানুষ স্থানান্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে তথাকথিত “সাইবার স্ক্যাম কমপাউন্ড”-এ অসংখ্য মানুষকে আটকে রেখে অনলাইন প্রতারণা পরিচালনা করতে বাধ্য করা হচ্ছে। পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সংঘটিত প্রতারণামূলক কর্মকা-ের কারণে ২০২৩ সালে আনুমানিক ১৮ থেকে ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক কার্যালয় উল্লেখ করেছে।
বর্তমানে বিশ্বেজুড়ে আন্তর্জাতিক অভিবাসীর সংখ্যা প্রায় ২৮ কোটিরও বেশি। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ওখঙ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ওঙগ-এর বহুল উদ্ধৃত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ৫ কোটি মানুষ আধুনিক দাসত্বের বিভিন্ন রূপের শিকার। নারী, শিশু, অভিবাসী শ্রমিক এবং সংঘাতপীড়িত অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পুরুষদের জোরপূর্বক শ্রম এবং অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকা-ে ব্যবহারের ঘটনাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশ তার ভৌগোলিক অবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও বিভিন্ন সামাজিক-অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনিয়মিত ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচারকারী চক্র ও অবৈধ দালাল নেটওয়ার্ক বহু মানুষকে বিদেশে পাঠিয়ে শোষণ, নির্যাতন, আইনি জটিলতা, জীবনের ঝুঁকি এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। একসময় নারী ও শিশুরা এ অপরাধের প্রধান শিকার হলেও বর্তমানে বিদেশগামী তরুণ শ্রমশক্তিও আন্তর্জাতিক মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান চক্রের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশি অভিবাসী বা প্রবাসীর সংখ্যা প্রায় ১.৩-১.৫ কোটি। মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, জাতীয় কর্মপরিকল্পনা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জোরদারকরণ এবং ভুক্তভোগীদের সহায়তা ও পুনর্বাসনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সরকার বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন ২০১৩ এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমও পরিচালনা করছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল হলো জাতিসংঘের পালের্মো প্রোটোকল। এই প্রোটোকল মানব পাচারের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা নির্ধারণ, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা এবং অপরাধীদের বিচারের জন্য একটি বৈশ্বিক কাঠামো প্রদান করেছে। টঘঙউঈ, ওঙগ, ওখঙ এবং টঘওঈঊঋ বিশ্বব্যাপী প্রতিরোধ, উদ্ধার, পুনর্বাসন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
মানব পাচার একটি অনৈতিক ও অমানবিক কার্যক্রম, যা মানুষের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণœ করে। এটি রোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজ জনসচেতনতা বৃদ্ধি, আইনি সহায়তা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অপরাধচক্রের নেটওয়ার্ক উন্মোচনে সহায়তা করে। সাইবার প্রতারণা ও অনলাইন জালিয়াতির ফাঁদ এড়াতে তরুণ প্রজন্মসহ বিদেশগামীদের মাঝে ডিজিটাল লিটারেসি বা প্রযুক্তিসচেতনতা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে।
একই সঙ্গে পাচার থেকে উদ্ধার হওয়া ভুক্তভোগীদের দীর্ঘমেয়াদী ট্রমা কাটাতে মনোসামাজিক কাউন্সেলিং এবং নিবিড় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। কার্যকর প্রতিরোধ ও সুরক্ষার জন্য সচেতনতা সৃষ্টি, নিরাপদ অভিবাসন, কর্মসংস্থান এবং আইনের সঠিক প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। তাই বিদেশে যাওয়ার আগে সরকারি অনুমোদিত সংস্থার মাধ্যমে তথ্য যাচাই এবং সন্দেহজনক দালালদের বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা একান্ত প্রয়োজন।
২০২৬ সালের বিশ্ব মানব পাচারবিরোধী দিবসের প্রতিপাদ্য আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে প্রতারণার আড়ালে লুকিয়ে থাকা মানব পাচারের নতুন রূপ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি জটিল ও বিপজ্জনক। প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণা ও আন্তঃদেশীয় অপরাধচক্রের বিস্তারের এই সময়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, সীমান্ত-অতিক্রমী বিচারিক সমন্বয়, আধুনিক তদন্ত ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতার সমন্বিত উদ্যোগই পারে এ অপরাধ মোকাবিলা করতে। প্রতারণার ফাঁদে বন্দী প্রতিটি মানুষের মুক্তি, সুরক্ষা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করাই হোক বিশ্ব মানব পাচারবিরোধী দিবস ২০২৬-এর অঙ্গীকার।

Ads small one

প্রায় ৭৫ হাজার মামলা বিচারাধীন: বিচারক ১০ গুণ বাড়ালেও জট নিরসন সম্ভব নয়: সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
প্রায় ৭৫ হাজার মামলা বিচারাধীন: বিচারক ১০ গুণ বাড়ালেও জট নিরসন সম্ভব নয়: সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ

বদিউজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলায় বর্তমানে প্রায় ৭৫ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিদ্যমান বিচারকের সংখ্যার চেয়ে দশ গুণ বেশি বিচারক নিয়োগ দেওয়া হলেও শুধু প্রচলিত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাঙ্খিত সময়ে এসব মামলার নিষ্পত্তি সম্ভব হবে না। তাই আদালতের মামলা জট কমাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) এবং লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আপসযোগ্য মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আপসযোগ্য মামলাগুলো লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে উভয় পক্ষের সম্মতিতে নিষ্পত্তি করা গেলে শুধু একটি মামলারই অবসান ঘটে না, বরং দুই পরিবারের মধ্যে বিরাজমান বিরোধ ও তিক্ততারও অবসান ঘটে। এতে সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আদালতের ওপর মামলার চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।
তিনি আরও বলেন, বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও সহজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার জাতীয় আইনগত সহায়তা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করেছে। এ লক্ষ্যে আইন সংশোধনের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বর্তমানে বেশ কিছু ধরনের মামলা আদালতে দায়েরের আগে বাধ্যতামূলকভাবে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে আপসের উদ্যোগ গ্রহণের বিধান রয়েছে। এই উদ্যোগকে সফল করতে বিচারক, আইনজীবী, সরকারি কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান এবং জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু। এছাড়া বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মোঃ জাহারুল ইসলাম, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি শেখ আলমগীর আশরাফ, প্যানেল আইনজীবী খায়রুল বদিউজ্জামান, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মুনিরউদ্দিন, অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন লিমা, অ্যাডভোকেট নাজমুন নাহার ঝুমুর, অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান, অ্যাডভোকেট আকরাম আলীসহ অন্যান্যরা। সভায় সাতক্ষীরা বিচার বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারক, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির প্যানেল আইনজীবী এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সভায় পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে লিগ্যাল এইড আইন সংশোধন-সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া বিভিন্ন আইনে আপসযোগ্য মামলার পরিধি, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির আইনি কাঠামো এবং আপসের কার্যকর পদ্ধতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ নয়ন বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
সভায় বক্তারা বলেন, আদালতের মামলা জট নিরসন, বিচারপ্রার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে হবে। এ জন্য বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমাজ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি পুনর্গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি পুনর্গঠন

চার কর্মকর্তার পদত্যাগের পর সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কার্যকরী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। এর আগে গত ২৬ জুলাই রাতে আলিপুর ট্রাক টার্মিনালে সমিতির কার্যালয়ে সভাপতি তাহমিদ শাহেদ চয়নের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় শেখ সাঈদ আহমেদ, বিপুল মমিন খান চৌধুরী, তহিদুজ্জামান ও আবু হাসানের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়। পরবর্তীতে সর্বসম্মতিক্রমে কুতুব উদ্দিনকে কার্যকরী সভাপতি, আকবর আলীকে সহসভাপতি, রজত হাজরাকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং শেখ মহিবুল ইসলাম দুলালকে প্রচার সম্পাদক মনোনীত করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধানের দাবিতে পরিবারের জিডি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধানের দাবিতে পরিবারের জিডি

পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়েছেন সাতক্ষীরা শহরের গড়কান্দা গ্রামের চা পরিবেশক ও ব্যবসায়ী আবদুল হাকিম (শাহজাহান ম-লের ছেলে)। গত ২৪ ঘণ্টায় তাঁর কোনো সন্ধান না পেয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে পরিবার। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুলাই কালীগঞ্জে পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন আবদুল হাকিম। এরপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি এবং তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তবে কয়েকটি অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে পরিবারের কাছে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা দাবি করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর বাবা শাহজাহান ম-ল আজ ২৯ জুলাই সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি জিডি (নং-১৮৮২) দায়ের করেছেন। নিখোঁজ ব্যবসায়ী আবদুল হাকিম দীর্ঘদিন ধরে চায়ের ডিলারের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ২৪ ঘণ্টা পার হলেও তাঁর কোনো খোঁজ না পাওয়ায় স্বজনেরা গভীর উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি