বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

ভোমরা বন্দরে বিদায়ী অর্থবছরে ৬০ হাজার ৪৮২ মেট্রিকটন শুকনো ঝাল আমদানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
ভোমরা বন্দরে বিদায়ী অর্থবছরে ৬০ হাজার ৪৮২ মেট্রিকটন শুকনো ঝাল আমদানি

এম শফিকুল ইসলাম: সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দর দিয়ে বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশীয় মুদ্রায় ১ হাজার ৬৬৫ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ভারত থেকে ৬০ হাজার ৪৮২ মেট্রিকটন শুকনা ঝাল আমদানি হয়েছে। রান্নার কাজে ব্যবহৃত শুকনা ঝালের চাহিদা মেটাতে সরকার ভোমরা বন্দর দিয়ে ভারত থেকে বিগত বছরের জুলাই থেকে আমদানিকারকদের শুকনা ঝাল আমদানির অনুমতি দেয়।

 

অনুমোদনপ্রাপ্ত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান জুলাই থেকে এ বন্দর ব্যবহার করে নিয়মিত শুকনা ঝাল আমদানি করে। কাস্টমস হাউজের রাজস্ব শাখার কর্তৃপক্ষ প্রাপ্ত নিশ্চিত করেছেন। বন্দর ব্যবসায়ীরা বলছেন, পর্যাপ্ত শুকনাঝাল আমদানি হলেও গ্রাম বা শহর অঞ্চলের হাট বাজারগুলোতে সরবরাহ একেবারেই কম। ফলে স্থানীয় বাজারে এর কোন প্রভাব পড়েনি।

 

ক্রেতা সাধারণ অভিযোগ করে বলছেন, বন্দরে আমদানিকৃত শুকনা ঝাল স্থানীয় হাটবাজারে না আসায় ক্রয়মূল্যে পরিবর্তন হয়নি। এখনও কেজিপতি শুকনা ঝাল ৪০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। যা কিছুদিন আগে প্রতি কেজি ৩০০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, নিত্যপণ্য শুকনা ঝালের মূল্য স্থিতিশীল ও চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত পরিমাণ আমদানি করলেও সাধারণ ক্রেতারা ক্রয়মূল্যের সুবিধা পাচ্ছে না।

 

গ্রামের অধিকাংশ হাট বাজার ঘুরে দেখা গেছে, যেমন ভোমরা, শ্রীরামপুর, কুলিয়া, শাঁখরা, মাহুদপুর, ভাড়–খালী, ঘোনা, কাথন্ডা, বৈকারী ও কুশলে বাজারে কোন অংশে কমিনি শুকনা ঝালের দাম। বরং দিন দিন মূল্য বৃদ্ধি ছাড়া কমার কোন সম্ভাবনা নেই। একাধিক পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানিকৃত ঝালের লট জেলার বাইরে চলে যাওয়ায়ে স্থানীয় বাজারে এর তেমন কোন প্রভাব নেই। ফলে মূল্য কমার কোন সম্ভাবনা নেই।

 

আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা বলছেন, অর্থ বছর থেকে শুরু হওয়ার শুকনো ঝালের আমদানি এখনো চলমান রয়েছে। শুকনা জলের সংকট হওয়ার কথা না। তবে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা শুকনো ঝালের সংকট দেখিয়ে বাজারে মূল্য বৃদ্ধির অশুভ পায়তারা চালাতে পারে। কেননা, রান্নার কাজে শুকনো বা গুরুঝালের চাহিদা থাকায় ঝালের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মূল্য বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।

Ads small one

কয়রায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে সাংবাদিক রিয়াজুলকে হত্যার হুমকি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
কয়রায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে সাংবাদিক রিয়াজুলকে হত্যার হুমকি

সংবাদদাতা: খুলনার কয়রায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে দৈনিক পত্রদূত এর কয়রা প্রতিনিধি জি এম রিয়াজুল আকবরকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন আমাদী ইউনিয়নের খেওয়া গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মোঃ হাফিজুর রহমান (মন্টু) ও মোঃ লতিফুর রহমান (লান্টু)।

 

এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে কয়রা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন সাংবাদিক জি এম রিয়াজুল আকবর। যার জিডি নং ১৩৯৭। তারিখ ২৮-৭-২০২৬ ইং। জিডি সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের খেওনা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে হাফিজুর রহমান মন্টু ও লতিফুর রহমান লাল্টুর বিরুদ্ধে গত ১৫ জুলাই একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনের সংবাদ ১৬ জুলাই দৈনিক পত্রদূত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদের জের ধরে তারা সাংবাদিক রিয়াজুল আকবরকে বিভিন্ন ভাবে খুন জখমের হুমকি প্রদান করতে থাকে।

 

যার জের ধরে গত ২৭ জুলাই আনুমানিক সাড়ে ৪ টার দিকে সাংবাদিক রিয়াজুল আকবর পেশাগত কারণে দক্ষিণ খেওনা গ্রামের কালভার্ট ব্রিজে পৌঁছালে তারা সাংবাদিক রিয়াজুল আকবরকে অবরোধ করে অকথ্য ভাষায় মানহানি কর গালি-গালাজ করে। এ সময় তিনি প্রতিবাদ করলে তারা তাকে উপস্থিত মানুষের সামনে খুন জখমের হুমকি দিয়ে মারপিট করতে উদ্যত হয়। তাদের উদ্বত্বপূর্ণ আচারণ ও হুমকির কারনে সাংবাদিক রিয়াজুল আকবর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

এ ব্যাপারে জানতে মোঃ হাফিজুল ইসলাম (মন্টু) ও লতিফুর রহমান (লান্টু) মুঠোফোন কল দিলে বন্ধ পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা কয়রা থানার এ এস আই মোঃ আব্দুর রহিম বলেন, জিডির কপি পেয়েছি। ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজন পরিষদ মিলনায়তনে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।

সভায় বক্তৃতা করেন, সরকারি পাইকগাছা কলেজের অধ্যক্ষ সমরেশ রায়, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, পাইকগাছা টিটিসির অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ হাবিবুর রহমান, থানার ওসি (অপারেশন) জুলফিকার আলী, কপিলমুনি কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুল্লাহ বাহার, ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) উৎপল কুমার বাইন, খুলনা প্রতœতত্ত্ব বিভাগের উপ-সহকারী পরিচালক মুহিদুল ইসলাম, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মীর নুরে আলম সিদ্দিকী, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সভাপতি প্রকাশ ঘোষ বিধান, পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, জামাত নেতা, মোঃ আব্দুল মোমিন সানা, অ্যাডভোকেট মোর্তুজা জামান রুলু, রাড়ুলী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হাসেম মোড়ল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম এমদাদুল হক, তুষার কান্তি মন্ডল, সাংবাদিক আহম্মদ আলী বাচা, পূর্ণ চন্দ্র মন্ডলসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ ও সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

সভায় আগামী ২ আগস্ট আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ঐদিন সকালে খুলনা জেলার পাইকগাছায় আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্মস্থান পরিদর্শন, তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা, পিসি রায়ের জীবন ও কর্মের ওপর তথ্যচিত্র প্রদর্শন, শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান বিষয়ক উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ।

 

শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ভবঘুরে পারুল সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ভবঘুরে পারুল সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পারুল রানী(৫০) নামে এক প্রতিবন্ধী ভবঘুরে নারী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার সদরের কৃষি অফিস সংলগ্ন সড়কে ঘটনাটি ঘটে। উপজেলার বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা পারুল দীর্ঘদিন ধরে শ্যামনগর পৌরসদরে অবস্থান করছিল। খবর পেয়ে ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ সাতক্ষীরা মর্গে প্রেরণ করে।

ঘটনার প্রতক্ষদর্শী জাকির হোসেন ও গোলাম মোস্তফাসহ স্থানীয়রা জানান বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে পারুল সরকারি পুকুর থেকে গোসল করে উপরে উঠছিলেন। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার গাড়ী নিয়ে চালক গ্যারেজের দিকে ফিরছিলেন। একপর্যায়ে পারুল কাপড় নেয়ার জন্য দ্রুত রাস্তা পারাপারের চেষ্টার মুহুর্তে অসতর্কতার কারনে গাড়ির সামনে চলে আসে।

 

এসময় চালক প্রচল্ড চেষ্টায় গাড়ী ব্রেক করতে পারলেও তাৎক্ষনিক ধাক্কায় পারুল পাশের রাস্তায় ছিটকে পড়ে। এসময় চালক তার গাড়ীযোগে ঐ নারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে বর্তি করে। তবে দুপুর তিনটার দিকে চিকিৎসকরা পারুলের মৃত্যুর ঘটনাটি নিশ্চিত করে।

এদিকে দুঘৃটনার খবর পেয়ে পারুল রানীর ভাতিজা শ্যামনগরে পৌছে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মৃতদেহ বাড়ি নিতে চাইলেও পুলিশের পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়। এবিষয়ে নিহত পারুলের ভাতিজা ফনিন্দ্র জানান তার ফুফুর সকল নিকটজন ভারতে বসবাস করে। ফুফুর একমাত্র অবলম্বন ছিলেন তিনি। লিগ্যাল অভিভাবক হিসেবে তিনি পারুল রানীর স্ম্যার্ট ও প্রতিবন্ধী কার্ডসহ বিভিন্ন কাগজপত্র পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন। ফুফুর অসতর্কতায় ফুফুর মৃত্যুর ঘটনায় তিনি কাউকে দায়ী করতে চান না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক শাকির হোসেন জানান পারুলেরন বুকের ডানপাশে আঘাত লাগে এবং ধাক্কায় হাঁড় ফেঙে গেছে। বয়স্ক হওয়ার কারনে তিনি আগে থেকে অনেক দুর্বল ছিলেন।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম জানান মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করার চেষ্টা চলছে। নিহতের একমাত্র স্বজন ফনি ময়না তদন্ত ছাড়াই মৃতদেহ দাবি করেছে।