যশোর-চুকনগর আঞ্চলিক মহাসড়ক সংস্কারের তিন বছরেই খানা-খন্দ
এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): যশোর-চুকনগর আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ তিন বছর যেতে না যেতেই কেশবপুর শহরের প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কের সিসি ঢালাই বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গেচুরে ছোট বড় শতাধিক গর্তে পরিণত হয়েছে। সড়কটি দ্রুত সংস্কারক করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য মোংলা ও ভোমরা স্থল বন্দরের সাথে সহজ যোগাযোগের জন্য সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখে চলেছে।
বিগত সরকারের শেষের দিকে ১শ ৬৬ কোটি টাকা ব্যায়ে সড়কের সংস্কার কাজ করা হয়। সংস্কারের ৩ বছর যেতেই ৩৮ কিলোমিটার সড়কে বিভিন্ন অংশে ৬ ইঞ্চি থেকে ৮/১০ ইঞ্চি গর্ত হওয়ায় মারাত্মক ঝুকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। বিশেষ করে গত বর্ষা মৌসুমে অবস্থা আরো খারাপ হয়। এরফলে কেশবপুর এবং মনিরামপুর পৌরশহরের মধ্যে ও কেশবপুর থেকে চুকনগরমুখি সড়কে বড় বড় গর্ত ভারি যান চলাচলে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
যশোরের রাজারহাট খেকে খুলনার চুকনগর পর্যন্ত ৩৮কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজের বিটুমিন উঠে গর্ত হয়ে পানি জমে অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কেশবপুর ও মনিরামপুর পৌর শহরের মধ্য দিয়ে যাওয়া অংশের অবস্থা সব থেকে খারাপ। কংক্রিট এর ঢালাই উঠে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগ জরুরী মেরামত করলেও কদিন না যেতেই পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।
এছাড়া সড়কটিতে নেই পর্যাপ্ত গাইড ওয়াল বা রাস্তার সীমানা মার্কিং রঙ্গিন খুঁটি। যার ফলে প্রতিনিয়ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে।
এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে সড়কটিকে দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর যশোরের প্রধান প্রকৌশলী (চঃ দাঃ) শাম্মী সুলতানা বলেন, সম্প্রতি ৩৮কিঃ সড়ক পরিদর্শনের পর দ্রুত স্বল্প মেয়াদী সংস্কারের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়ায় পাঠানো হয়ছে। আগামী ২/৩ সপ্তাহের মধ্যে টেন্ডার সম্পান্ন হলে সংস্কার কাজ শুরু হবে।









