শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

যশোর-চুকনগর আঞ্চলিক মহাসড়ক সংস্কারের তিন বছরেই খানা-খন্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
যশোর-চুকনগর আঞ্চলিক মহাসড়ক সংস্কারের তিন বছরেই খানা-খন্দ

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): যশোর-চুকনগর আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ তিন বছর যেতে না যেতেই কেশবপুর শহরের প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কের সিসি ঢালাই বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গেচুরে ছোট বড় শতাধিক গর্তে পরিণত হয়েছে। সড়কটি দ্রুত সংস্কারক করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য মোংলা ও ভোমরা স্থল বন্দরের সাথে সহজ যোগাযোগের জন্য সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখে চলেছে।

বিগত সরকারের শেষের দিকে ১শ ৬৬ কোটি টাকা ব্যায়ে সড়কের সংস্কার কাজ করা হয়। সংস্কারের ৩ বছর যেতেই ৩৮ কিলোমিটার সড়কে বিভিন্ন অংশে ৬ ইঞ্চি থেকে ৮/১০ ইঞ্চি গর্ত হওয়ায় মারাত্মক ঝুকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। বিশেষ করে গত বর্ষা মৌসুমে অবস্থা আরো খারাপ হয়। এরফলে কেশবপুর এবং মনিরামপুর পৌরশহরের মধ্যে ও কেশবপুর থেকে চুকনগরমুখি সড়কে বড় বড় গর্ত ভারি যান চলাচলে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

যশোরের রাজারহাট খেকে খুলনার চুকনগর পর্যন্ত ৩৮কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজের বিটুমিন উঠে গর্ত হয়ে পানি জমে অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কেশবপুর ও মনিরামপুর পৌর শহরের মধ্য দিয়ে যাওয়া অংশের অবস্থা সব থেকে খারাপ। কংক্রিট এর ঢালাই উঠে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগ জরুরী মেরামত করলেও কদিন না যেতেই পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

এছাড়া সড়কটিতে নেই পর্যাপ্ত গাইড ওয়াল বা রাস্তার সীমানা মার্কিং রঙ্গিন খুঁটি। যার ফলে প্রতিনিয়ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে।

এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে সড়কটিকে দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর যশোরের প্রধান প্রকৌশলী (চঃ দাঃ) শাম্মী সুলতানা বলেন, সম্প্রতি ৩৮কিঃ সড়ক পরিদর্শনের পর দ্রুত স্বল্প মেয়াদী সংস্কারের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়ায় পাঠানো হয়ছে। আগামী ২/৩ সপ্তাহের মধ্যে টেন্ডার সম্পান্ন হলে সংস্কার কাজ শুরু হবে।

 

Ads small one

ব্র্যাকের পর নতুন যাত্রায় মিথিলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
ব্র্যাকের পর নতুন যাত্রায় মিথিলা

অভিনয়ের পাশাপাশি একজন উন্নয়নকর্মী হিসেবেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। দীর্ঘ দুই দশক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের সঙ্গে কাজ করার পর এবার তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে পেশাগত জীবনের এই সুখবরের কথা জানিয়েছেন তিনি।

পোস্টে মিথিলা বলেন, ‘আমার পেশাগত জীবনে এক নতুন অধ্যায়ে পা দিচ্ছি। ব্র্যাকের সাথে দুই দশকের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর—যার মধ্যে ১৫ বছরই কেটেছে ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের হয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন খাতে—এবার একটা নতুন প্রফেশনাল জার্নি শুরু করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ‘আর্ভিং ইনস্টিটিউট ফর ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ট্রান্সলেশনাল রিসার্চ’-এ অ্যাসোসিয়েট রিসার্চ সায়েন্টিস্ট বা সহযোগী ‘গবেষণা বিজ্ঞানী’ হিসেবে জয়েন করছি আজ (১ অক্টোবর) থেকে।’

এই গবেষণায় মিথিলা কী কাজ করবেন পোস্টে সেটিও জানান। তার ভাষ্য, ‘এখানে আমার কাজ হবে নিউইয়র্ক এ অবস্থিত ‘আর্লি চাইল্ডহুড অ্যান্ড ফ্যামিলি হাব’ প্রজেক্টের ডিজাইন এবং মূল্যায়নে নেতৃত্ব দেওয়া। এই উদ্যোগটি, প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, পারিবারিক সম্পৃক্ততা এবং কমিউনিটি স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে; যেখানে একদম ছোট বাচ্চাদের (জন্ম থেকে পাঁচ বছর বয়স) পরিবারগুলোকে তাদের বেড়ে ওঠার জন্য দরকারি সব সুযোগ-সুবিধা আর পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।’

অভিনেত্রী পোস্টে লেখেন, ‘স্থানীয় মানুষের চাহিদার সাথে গবেষণার লক্ষ্যগুলোর মেলবন্ধন ঘটাতে এবং ডেটা ও প্রমাণ তৈরির মাধ্যমে এই কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে আমার গ্লোবাল এক্সপেরিয়েন্সকে কলাম্বিয়ায় কাজে লাগাতে পারবো বলে আশা করছি।’

গবেষণার পাশাপাশি সেখানে শিক্ষকতাও করবেন জানিয়ে মিথিলা বলেন, ‘আমি সিটি ইউনিভার্সিটি অফ নিউ ইয়র্ক-এ ‘অ্যাডজাংন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর’ হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেছি। আমি সেখানে ‘ননপ্রফিট ম্যানেজমেন্ট’ পড়াচ্ছি, যেখানে আমি শিক্ষার্থীদের বাস্তব জগতের ননপ্রফিট সংস্থাগুলোর কাজের ধারণার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি।’

জন্মদিনে জেমস: জীবনকে জটিলভাবে ভাবার দরকার নেইজন্মদিনে জেমস: জীবনকে জটিলভাবে ভাবার দরকার নেই
দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ব্র্যাকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মিথিলা বলেন, ‘আমার এই প্রফেশনাল জার্নির জন্য আমি ব্র্যাকের কাছে মনেপ্রাণে কৃতজ্ঞ। কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির মতো বিশ্বের অন্যতম সেরা রিসার্চ ইনফাস্ট্রাকচার ও মেধাবী গবেষকদের টিমের সাথে কাজ করতে পারা আশা করি আমার কর্ম অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।’

ভারতে সৈকতে ডুবে ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
ভারতে সৈকতে ডুবে ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ভারতের মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র দিবেগার সমুদ্রসৈকতে সাগরে ডুবে পুণের আট শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের সবার বয়স ১৬ বছর। পুলিশ জানিয়েছে, সাগর থেকে আট জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

নিহতরা পুণে জেলার আলান্দির একটি বেসরকারি কোচিং সেন্টার উইনার্স অ্যাকাডেমির শিক্ষার্থী ছিলেন। ভ্রমণের জন্য তারা প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দূরে দিবেগারে গিয়েছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ২৫ ছেলে, ১৭ মেয়ে ও ছয় শিক্ষকসহ মোট ৪৮ জনের একটি দল বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সমুদ্রসৈকতে পিকনিকে যায়। একপর্যায়ে আট শিক্ষার্থী সাগরে নামেন। পানির গভীরতা ও স্রোতের তীব্রতা বুঝতে না পারায় তারা স্রোতে ভেসে যান।

খবর পেয়ে দিবেগারে ভাউ মারুতি সালুনখে মহাকালী ওয়াটার স্পোর্টস-এর মালিক ভাউ সালুনখে ও তার দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। নিজেদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে ওয়াটার স্পোর্টস দলের সদস্যরা সাগর থেকে আট শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে দিঘি সাগরি বোরলি পঞ্চতান থানার সহকারী পুলিশ পরিদর্শক সন্তোষ আওয়াতি একটি দল নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় পুলিশ মরদেহগুলো নিজেদের হেফাজতে নেয়। পরে ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মরদেহগুলো বোরলি পঞ্চতানের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়।

নিহত শিক্ষার্থীরা হলেন, তন্ময় দত্তাত্রেয় ভাহিলে, সুমিত ভারত আহিরে, প্রণব রামদাস বানসোদে, কৈবল্য সতীশ ওয়াসানকার, রাজবীর যুবরাজ ভাহিলে, যশ কিরণ ওয়াংখেড়ে, সোহম তুকারাম ভান্ধওয়ালকর এবং কৌস্তুভ সন্দীপ দৌন্ড।

ঘটনায় শোক প্রকাশ করে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাদনাভিস এক্সে দেওয়া পোস্টে ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক’ বলে উল্লেখ করেছেন। নিহতদের মরদেহ আলান্দিতে ফিরিয়ে নিতে স্থানীয় প্রশাসন সমন্বয় করছে বলেও জানান তিনি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী গিরিশ মহাজন এ ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। কোচিং অ্যাকাডেমিকে এ ঘটনার জন্য জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। স্কুলের শিক্ষা সফরের জন্য রাজ্য সরকার শিগগিরই নতুন নিরাপত্তা নির্দেশিকা জারি করবে বলেও জানান তিনি।

পবিত্র মদিনায় মসজিদে নববিতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কেন্দ্রে ড্রোন হামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
পবিত্র মদিনায় মসজিদে নববিতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কেন্দ্রে ড্রোন হামলা

সৌদি আরবের মদিনা শহরের একটি বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে চলতি সপ্তাহের ড্রোন হামলার জন্য হুথি বিদ্রোহীদের দায়ী করেছে ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বৃহস্পতিবার এই অভিযোগ করা হয়। তুরস্কভিত্তিক বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এ খবর জানিয়েছে।

জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ১১ মিনিটে (০২১১ জিএমটি) তাইবাহ বিদ্যুৎ বিতরণ স্টেশনটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।

অপারেশনাল পর্যালোচনা এবং ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করে এই পরিকল্পনা ও হামলার পেছনে হুথিদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে আল-মালিকি একে একটি ‘কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ বলে আখ্যায়িত করেন।

তিনি জানান, হামলায় একটি ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে গেলেও বিদ্যুৎ গ্রিডে এর কোনও প্রভাব পড়েনি। এই সুবিধাটি মদিনার মসজিদে নববিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।

আল-মালিকি হুথিদের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা এবং পবিত্র মক্কা ও মদিনা নগরীকে লক্ষ্য করে মুসলমানদের উসকানি দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, হুথিদের আক্রমণ প্রতিহত করতে এবং দুই পবিত্র মসজিদ ও মক্কা-মদিনার আগত দর্শনার্থীদের সুরক্ষায় জোট তাদের ব্যবস্থা অব্যাহত রাখবে।

এদিকে এই হামলায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে হুথিরা। হুথি নিয়ন্ত্রিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সামরিক সূত্র সাবা নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছে, মদিনার একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ওই গোষ্ঠী হামলা চালিয়েছে বলে সৌদি আরবের করা অভিযোগটি ‘ভিত্তিহীন’।

এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর মক্কার দক্ষিণে হুথিদের একটি ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ধ্বংস করার দাবি করেছিল সৌদি আরব, যা নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই প্রতিহত করা হয়। তবে এই অভিযোগও অস্বীকার করেছিল গোষ্ঠীটি। যদিও এর আগে সৌদি আরামকো ফ্যাসিলিটি ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো সাম্প্রতিক কিছু হামলার দায় স্বীকার করেছে এই হুথি বিদ্রোহীরা।