শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শিমুলবাড়ীয়ায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় দুইজনকে কুপিয়ে জখম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ
শিমুলবাড়ীয়ায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় দুইজনকে কুপিয়ে জখম

নিজস্ব প্রতিনিধি : ফিংড়ী ইউনিয়নের শিমুলবাড়ীয়া গ্রামে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে হত্যার উদ্দেশ্য দুইজনকে কুপিয়ে গুরুতর যখম করার অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, শিমুলবাড়ীয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের পুত্র আ: রহমান বাবলু ও আ: রাশেদ সরদার এবং আ: রহমান বাবলুর পুত্র শাহরিয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা করে আসছিল। তাদের মাদক ব্যবসার কারনে গ্রামবাসীরা অতিষ্ঠ হয়ে মেম্বার, চেয়ারম্যান ও এমপির সুপারিশসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে গণস্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ৪এপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে শিমুলবাড়ীয়া ক্লাবের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ ছয়ফুল্লাহ সরদারের পুত্র জয়নাল সরদার ও শুকুর আলীর পুত্র হাবিবুর রহমানকসহ আরও কয়েকজনকে চায়নিজ কুড়াল, লোহার রড বাঁশের লাঠি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্য কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে।

মারাত্মক আহত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

বিষয়টি জানতে চাইলে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান এ প্রতিনিধিকে জানান-শিমূলবাড়ীয়ার ঘটনায় এজাহার পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Ads small one

চৌবাড়িয়ার ক্রিকেট যুদ্ধে সেরা ও রানার্স-আপ দল পেল দুই বড় রাজহাঁস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
চৌবাড়িয়ার ক্রিকেট যুদ্ধে সেরা ও রানার্স-আপ দল পেল দুই বড় রাজহাঁস

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চৌবাড়িয়া ভাগ্নারকুড় মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দলীয় নকআউট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা।

শুক্রবার (১২জুন) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হওয়া এ প্রতিযোগিতার ফাইনালে সাতক্ষীরা লিজেন্ড ক্রিকেট একাদশ দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। দলটির অধিনায়ক ছিলেন ফিরোজ হোসেন। চ্যাম্পিয়ন দলকে পুরস্কার হিসেবে দুটি রাজহাঁস প্রদান করা হয়। অন্যদিকে স্বাগতিক চৌবাড়িয়া লিজেন্ড ক্রিকেট একাদশ রানার্স-আপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে। দলটির অধিনায়ক ছিলেন আবুল হাসান। রানার্স-আপ দলের জন্য পুরস্কার হিসেবে একটি রাজহাঁস প্রদান করা হয়।

খেলা শেষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুস্থ সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজন তরুণদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে সহায়ক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোমরা ইউনিয়ন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বাবলু, ভোমরা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রোকনুজ্জামান, ভোমরা ইউনিয়ন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি শাহিনুর রহমান এবং মাগফুর রহমান।

খেলায় ধারাভাষ্য প্রদান করেন সিরাজুল ইসলাম। খেলা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন আম্পায়ার আব্দুল্লাহ ও বকুল। খেলা শেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ী ও রানার্স-আপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

স্থানীয় ক্রীড়ামোদীরা জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে এমন ক্রীড়া আয়োজন তরুণদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের টুর্নামেন্টের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: সাতক্ষীরায় সেমিনার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ
আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: সাতক্ষীরায় সেমিনার

Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিনিধি: কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্পর্কে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় এক বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে ‘আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে কারিগরি শিক্ষার ভূমিকা’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সরকারের এ্যাসেট প্রকল্প এবং সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে জেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সিনিয়র শিক্ষকেরা অংশ নেন।

​সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “স্মার্ট ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। আর এর জন্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের এই শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে শিক্ষকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।”

​সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ফেরদৌস আরেফীন বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক বাজারে প্রথাগত শিক্ষার চেয়ে কর্মমুখী শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি। শিক্ষার্থীদের শুধু জিপিএ-৫ পাওয়ার প্রতিযোগিতায় না নামিয়ে, তাদের বাস্তবমুখী ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।

​সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আলমগীর কবীর মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়গুলোতে কারিগরি শিক্ষার প্রচার ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, শিক্ষকেরা যদি শিক্ষার্থীদের সঠিক সময়ে সঠিক দিকনির্দেশনা দেন, তবে কারিগরি শিক্ষার প্রতি সমাজ ও অভিভাবকদের দৃষ্টিভঙ্গিতে দ্রুত ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ এমদাদুল ইসলাম, শিক্ষক নেতা মোঃ মিজানুর রহমান, আব্দুল জব্বার, মোমিনুল ইসলাম শামীম, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, নাসরিন খান লিপি, মমিনুর রহমান মুকুল, হাসানুর রহমান, আব্দুস ছালাম, সুপার মাওলানা মহসীনুল ইসলাম, মাওলানা আজাদুল ইসলাম, মাওলানা আবু সাইদসহ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও তাদের প্রতিনিধিগণ।

​অনুষ্ঠানে এ্যাসেট প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত করতেই এই প্রকল্প দেশজুড়ে কাজ করে যাচ্ছে।

​সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী জি. এম. আজিজুর রহমান। তিনি সমাপনী বক্তব্যে সেমিনারে অংশ নেওয়ার জন্য সকল বিদ্যালয় প্রধান ও সিনিয়র শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলো আধুনিক প্রযুক্তির ল্যাব ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে প্রস্তুত রয়েছে, এখন প্রয়োজন তৃণমূল পর্যায় থেকে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ তৈরি করা।

​সেমিনারে মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষকেরা কারিগরি শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দেন এবং এই ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১৪ বাংলাদেশি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১৪ বাংলাদেশি

Oplus_131072

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সাজাভোগ শেষে ১৪ বাংলাদেশি নারী ও পুরুষকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে ভারত। গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে হস্তান্তর করেন।

 

দেশে ফেরা ব্যক্তিরা হলেন- আবু সাকের, আলাউদ্দিন, জামের আলী, খালিদ হোসাইন, ময়না বেগম, সানোয়ার আলী, রিনা বেগম, মিনহাজ মিয়া, ইসমাইল হোসেন, মোহাম্মদ তামিম, মোহাম্মদ ফাহিম, নাজমিন আক্তার, বাদশা মিয়া, মোস্তফা কামাল। এদের মধ্যে ১৩ জন সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা এবং একজন যশোরের শার্শা উপজেলার বাসিন্দা।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফেরত আসা বাংলাদেশিরা বিভিন্ন সময় দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। অনুপ্রবেশের দায়ে দেশটির পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়। পরে ভারতের পাঞ্জাব সেন্ট্রাল জেল খানায় দুই থেকে তিন বছর মেয়াদে সাজাভোগ শেষে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের ফেরত পাঠায়।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ সৈয়দ মোর্তজা আলী জানান, বিজিবি, বিএসএফ ও উভয় দেশের পুলিশের উপস্থিতিতে ১৪ জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে দেশে পাঠানো হয়েছে। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বেনাপোল পোর্ট থানায় এদেরকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর শরিফুল ইসলাম বলেন, চাকরির প্রলোভনে তারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদেরকে আগামীকাল নিজ নিজ দায়িত্বে বাড়ির উদ্দেশ্যে ছেড়ে দেওয়া হবে।