রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

শ্যামনগরে সূর্যমুখী চাষ এক সম্ভবনাময় ফসল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে সূর্যমুখী চাষ এক সম্ভবনাময় ফসল

রনজিৎ বর্মন, সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর): উপকূলের সাতক্ষীরার সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামনগর উপজেলায় সূর্যমুখী চাষের অপার সম্ভবনা রয়েছে। এটি নতুন করে লবনাক্ত শ্যামনগরে নতুন সম্ভবনাময় এক কৃষি ফসল। উপজেলার ভূরুলিয়া ইউপিসহ অন্যান্য ইউপিতে সূর্যমুখী চাষ করে কৃষকরা ভাল ফলন পেয়েছেন। এটাতে একদিকে কৃষকের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা অন্যদিকে এলাকায় হলুদ ফুলের চমৎকার সমারোহ এবং এটি দর্শনার্থীদের জন্য এক দর্শনীয় স্থান হয়ে দেখা দিচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে প্রকাশ, শ্যামনগর উপজেলায় ৬০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী ফসলের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে ভূরুলিয়া ইউপিতে। বারটি ইউপির মধ্যে এখানে ২০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে। ধান কাটার পর পতিত জমি কাজে লাগিয়ে তুলনামূলক কমসময়ে উৎপাপদনযোগ্য ও লাভজনক ফসল হিসাবে চাষ করছেন কৃষকরা সূর্যমুখী। বিশেষ করে লবন সহিষ্ণু হাইসান-৩৬ জাতের সূর্যমুখী চাষের ভালো ফলন ও বাজার মূল্যে পাওয়ার আশায় তারা আগ্রহী। উপকূলীয় শ্যামনগরে লবনাক্ত হওয়ায় কৃষি ফসল চাষে চ্যালেঞ্জ রয়েছে তার মধ্যেও সূর্যমুখী স্থান করে নিয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায় সূর্যমুখী লবনসহনশীল কৃষি ফসল।

উপজেলার ভূরুলিয়া ইউপির কৃষক শমন মন্ডল ও ধানখালী গ্রামের কৃষক রমেশ সরকার বলেন, আগে জমি ধান কাটার পর ফেলে রাখা হত বা অন্য ফসলের চাষ কোন কোন সময় করা হত। বর্তমানে সূর্যমুখী চাষ করে ভাল ফলন পাওয়া যাচ্ছে। খরচ তেমন বেশি না উল্লেখ করে বলেন সামান্য খরচ ও পরিশ্রমে লাভবান হওয়া যায়। কারণ সূর্যমুখী তেলের মূল্য অনেক বেশি। দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে সূর্যমুখীর বীজ তেল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে অনেক স্থানীয় কৃষকের সূর্যমুখীর বীজ থেকে তেল বের করার প্রক্রিয়া ও বাজারজাত করণ বিষয়ে ধারণা কম রয়েছে। কৃষকদের দাবী সহজ প্রক্রিয়ায় বীজ থেকে তেল বের করা ও শোধন করার প্রক্রিয়া সহজলভ্য হলে মাঠে মাঠে সূর্যমুখীর চাষ আরও দ্বিগুন ভাবে হবে।

উপজেলার বিভিন্ন কৃষকের ক্ষেত পরিদর্শন করে দর্শনার্থীরা হলুদ ফুলের সমারোহের মধ্যে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন অনেকে। এর ফলে স্থানীয়রা মত প্রকাশ করে অনেকে বলছেন শ্যামনগরে সূর্যমুখী চাষে অপার সম্ভবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন মন্ডল ,উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিউদ্দীন বলেন সূর্যমুখী চাষ শ্যামনগরে এক সম্ভবনাময় ফসল। তারা বলেন ভূরুলিয়া ইউনিয়নে কৃষকদের সহায়তায় বড় ধরনের প্রদর্শনী প্লট করা হয়েছে। এখানে প্রণোদনার মাধ্যমে সূর্যমুখীর বীজ থেকে তেল বের করা ও শোধনের জন্য একটি মেশিন প্রদান করা হয়েছে। যার মাধ্যমে কৃষকরা এই সুবিধা গুলি পাবেন।

অভিজ্ঞরা মনে করেন শ্যামনগরে সূর্যমুখী চাষে প্রয়োজনীয় সরকারি-বেসরকারী সহায়তা প্রদান করা হলে উপকূলীয় এলাকায় কৃষি ফসল উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনসহ দেশের অর্থনৈতিক খাত সমৃদ্ধি হবে।

 

Ads small one

তীব্র দাবদাহে মৌসুমী ফল ও ফসল বিপর্যয়ের শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তীব্র দাবদাহে মৌসুমী ফল ও ফসল বিপর্যয়ের শঙ্কা

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): তীব্র তাপপ্রবাহের ফলে পাইকগাছায় ফসলি জমির ফসল পুড়েছে ও মৌসুমী ফল গাছ থেকে ঝরে পড়ছে। শুকিয়ে যাচ্ছে সবজি গাছ। আম, লিচু ও কাঁঠালের মুচি ও গুটি তীব্র গরমে শুকিয়ে ঝরে পড়ছে, যা বাগান মালিকদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ। তাপদাহ, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও সেচের পানির অভাবে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বৈশাখের শুরুতে প্রচন্ড তাপদাহ শুরু হয়েছে। তীব্র খরায় যেন পুড়ছে দেশ। খুলনার ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে তাপপ্রবাহ। বৃষ্টির দেখা নেই। উপকূলে লবন হাওয়ায় তাপমাত্রা আরও বেশী অনুভূত হচ্ছে। বৃষ্টির অভাবে আমের গুটি, লিচু, কাঠালের মুচি ঝরে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষি ও বাগান মালিকরা। পাকগাছায় টানা প্রায় এক মাস ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। যার কারণে বিপর্যয় ক্রমশই বাড়ছে। ক্ষেতের করলা, শসা, লালশাক, পুঁইশাক, ঢেঁড়স, বেগুন, পটল, লাউ, ঝিঙ্গে, কচুসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল ক্ষতির মুখে পড়েছে। এ কারণে মৌসুমে ফলন বিপর্যয় দেখা দেওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে ধারণা করছে কৃষকরা।

তীব্র দাবদাহের কারণে পানির স্তর দিন দিন মাটির নিচে নেমে যাচ্ছে। জমিতে সেচ দিয়েও কৃষকরা তাদের ফসল রক্ষা করতে পারছেন না। অতিরিক্ত তাপের কারণে বোরো ধান চিটা হয়েছে, লেগছে মাজরা পোকা। উপজেলার হিতামপুর ব্লকের কৃষক রফিফুল বলেন, ৬ বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করি। ধানে ফুল আসার পরে পানির অভাবে ঠিক মত পানি দিতে পারিনি। গরমে ধানে মাজরা পোকা দেখা দেয়।ধানে চিটার পরিমান বেশী হয়েছে।

 

উপকূলের এলাকায় চিৎড়ি ঘেরর পরিমান বেশী। ত্ব্রী গরমে পুকুর ও মৎস্য ঘেরের অল্প পানিতে মাছ মরে যাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবীদ মোঃ একরামুল হোসেন বলেন, দাবদাহের কারণে ফলের গুটি ঝরে যাচ্ছে। তাপমাত্রা বাড়ার পরেও গুটি যেটুকু ঝরছে সেটা স্বাভাবিক। গুটি বেশি ঝরছে মনে হলে এ সময় আমসহ বিভিন্ন ফল গাছের গোড়া মাটি দিয়ে গোল করে বেধে বেশি করে পানি দিলে আমের গুটি কম ঝরবে।

জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের কেন্দ্রীয় সহ.সাধারণ সম্পাদক কলারোয়ার জয়তু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের কেন্দ্রীয় সহ.সাধারণ সম্পাদক কলারোয়ার জয়তু

জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ.সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত হয়েছেন সাতক্ষীরার কলারোয়ার সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম জয়তু। তিনি রাজধানী ঢাকায় আইটি খাতের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।

অতিসম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল। এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে ড. কে এম আই মন্টিকে। কমিটিতে ১নং সদস্য হিসেবে নাম রয়েছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।

সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী করতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ওই কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জয়তু।

রফিকুল ইসলাম জয়তু সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের শাকদাহ গ্রামের মরহুম মুন্সী আব্দুল জব্বার ও মিসেস ছকিনা খাতুনের পুত্র। তিনি শাকদাহ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসরাঈল হোসেন ও ডিবি হেড কোয়ার্টারে কর্মরত এএসআই শফিকুল ইসলামের ভাই।

রফিকুল ইসলাম জয়তুর রাজনৈতিক হাতেখড়ি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে। ছাত্রজীবনে তিনি কলারোয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নেতা ছিলেন। যশোর এমএম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গেলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির গণসংযোগ ও প্রচার উপ-কমিটির সদস্য ছিলেন ৯০ গণ আন্দোলনের এই অংশীজন। সর্বশেষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধের প্রজন্ম কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হলেন।

রাজনৈতিক জীবনের বাইরে রফিকুল ইসলাম জয়তু সামাজিক, সাংস্কৃতিক, জনসেবামূলক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। থেকেছেন মানুষের পাশে, রয়েছেন এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে। দেশ-বিদেশে ঘুরে সাতক্ষীরার কলারোয়াকে পরিচিতি করিয়েছেন। রাজধানীতে বসবাস করলেও কলারোয়া ও কলারোয়ার মানুষকে রেখেছেন নিজের কাছে। তিনি সামাজিক সংগঠন কলারোয়া উপজেলা সমিতি, ঢাকার সাধারণ সম্পাদক; সাতক্ষীরা জেলা সমিতি, ঢাকার নির্বাহী সদস্য ও বৃহত্তর খুলনা সমিতি, ঢাকার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি, ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এমপি ও সাধারণ সম্পাদক ড. কে এম আই মন্টিকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে রফিকুল ইসলাম জয়তু জানান, আগামীতে খুলনা বিভাগের অধীনস্থ সকল জেলা-উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়নসহ সকল ইউনিটের কমিটি দ্রুত সম্পন্ন করতে সকলের দোয়া ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

 

সাংবাদিক বাবলুর ভাইয়ের মৃত্যুতে প্রেসক্লাবের শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
সাংবাদিক বাবলুর ভাইয়ের মৃত্যুতে প্রেসক্লাবের শোক

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক খবর বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু ও বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি শেখ রবিউল ইসলাম রবি’র ছোট ভাই শেখ শফিকুল ইসলাম সোহেল (৪৫) মস্তিস্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে শনিবার মৃত্যুবরণ করেছেন।

 

তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন গোলদার, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুর জামান সুমন, সাহিত্য সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ, আসাদুজ্জামান সরদার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি