মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার নিশ্চিত না হলে জুলাই বিপ্লব সার্থক হবে না: আতিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
শ্রমজীবী মানুষের অধিকার নিশ্চিত না হলে জুলাই বিপ্লব সার্থক হবে না: আতিকুর রহমান

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেছেন, দেশের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার নিশ্চিত না হলে জুলাইয়ের বিপ্লব সার্থক হবে না। শ্রমজীবী মানুষ আজও নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত। তাদের মুক্তির জন্য শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, ইসলামী শ্রমনীতিই শ্রমজীবী মানুষের স্থায়ী মুক্তির পথ দেখাতে পারে। তাই ইসলামী শ্রমনীতির আন্দোলনকে জোরদার করতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনকে আরও শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যূনতম মজুরি ২৮ হাজার টাকা নির্ধারণের জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট সভাপতি-সভানেত্রী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সাতক্ষীরা জেলার সহ-সভাপতি মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মুহা. ইজ্জতউল্লাহ এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মাস্টার শফিকুল আলম, জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের প্রধান উপদেষ্টা উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক খান গোলাম রসূল, অঞ্চল টিম সদস্য মো. আজিজুর রহমান ও মো. আলফিদা হোসেন।

সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি আব্দুল গফফারের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বক্তব্য দেন সাবেক জেলা সভাপতি ও শ্রমিক নেতা শেখ নূরুল হুদা, অ্যাডভোকেট আব্দুস সোবহান মুকুল, অ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুল জলিল, জাহিদুর রহমান, খোরশেদ আলম, মাওলানা রুহুল আমীন, অধ্যাপক আব্দুল ওহাব সিদ্দিকী, মাওলানা আব্দুর রহমান, তরিকুজ্জামান তুষার, ফিরোজ আওয়াল, মাওলানা রুহুল কুদ্দুস, মাস্টার মেহেরুল্লাহ, মাস্টার সালাউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক শাহজাহান আলী, মাওলানা রুহুল আমীর, মাস্টার আমিনুর রহমান, মাস্টার আব্দুর রশীদ, মাওলানা রবিউল ইসলাম, ট্রেড ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুর রহমান, মাওলানা মশিউর রহমান, হাফিজুর রহমান, মেহেরুল্লাহ, বেকারহান উদ্দিন, মিজানুর রহমান, মশিউর রহমান, হাফেজ আব্দুর রব, শহীদুল ইসলাম, ফজলে মাহমুদ, আবু হুরায়রা, আইউব আলীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান আরও বলেন, অতিতে শ্রমিক আন্দোলনে সৎ নেতৃত্বের অভাবে শ্রমিক সমাজ সীমাহীন জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এ সংকট দূর করতে শ্রমিকদেরই এগিয়ে আসতে হবে। শ্রমিকরা বারবার রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকার নিশ্চিত হয়নি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায় ও ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্দোলন করছে। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত, শ্রমিকদের হক আদায় এবং বৈষম্য দূর করতে সবাইকে নিরলসভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সমাজতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদ—কোনোটিই শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে পারেনি। তাই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে প্রত্যেককে উন্নত নৈতিক চরিত্র গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে সমাজে দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

 

Ads small one

পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবেই বেশ জনপ্রিয়তা পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তবে এখন নায়িকা হিসেবেই তিনি নিয়মিত কাজ করছেন। এর মধ্যে কয়েকটি সিনেমাতে প্রধান নায়িকা হিসেবে দেখা গেছে তাকে।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দীঘি জানান, জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির বায়োপিকে তিনি কাজ করতে চান। এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ হবে বলেও মন্তব্য করেন নায়িকা।

কেন পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান সেটিও তিনি জানান। তার কথায়, কোনও একটি অনুষ্ঠানে পরীমণি জানিয়েছেন তার বায়োপিকে তিনি নিজেই অভিনয় করবেন। কারণ অন্য কেউ পারবে না। সে চ্যালেঞ্জ থেকেই দীঘি কাজটি করতে আগ্রহী।

দীঘির ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় তার (পরীমণি) বায়োপিক যদি হয় তাহলে এটি দারুণ একটি এন্টারটেইমেন্ট বায়োপিক হবে।’

নায়িকা হিসেবে দীঘির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সিনেমা হলো-‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’, ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ও ‘শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়’। এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত ‘বিদায়’ সিনেমাটি। এটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান হৃদয়।

আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৩ পূর্বাহ্ণ
আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

বাংলাদেশ নারীদের এশিয়া কাপে বাঁচা মরার ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ১০৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে । তবে এদিন শুরুতেই বাংলাদেশকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল তুলনামূলক খর্ব শক্তির দল।

বিশেষ করে আগে ব্যাট করতে নেমে চাপে থাকা বাংলাদেশ যখন ৫৫ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। তবে শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তার ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ভর করে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের।

টাইগ্রেস ওপেনার দিলারা আক্তার রানের খাতা খোলার আগে প্রথম ওভারেই বিদায় নিয়েছেন। ৩ বলে ০ রান করেন দিলারা। তিনে নেমে ব্যর্থ ছিলেন সোবহানা মোস্তারীও। ৬ বলে ৩ রান করেছেন তিনি। টিকে থাকা ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস কিছুটা চেষ্টা চালিয়েছেন। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১ রান তোলে বাংলাদেশ।

পাওয়ারপ্লে শেষে ২০ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফিরে গেছেন জুয়াইরিয়া। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি থেমেছেন ২৮ বলে ২৩ রান করে। স্বর্ণা আক্তার এবং ফাহিমা খাতুন মেরেছেন গোল্ডেন ডাক। আউট হন পরপর দুই বলে। মাত্র ৫ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।

শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তা ঝড় তোলেন। ৩১ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও খেলেন শারমিন। তাতেই একশ পার করার রসদ পায় বাংলাদেশ। এছাড়া নাহিদা আক্তার ২৬ বলে ১৬ রান করে টিকে ছিলেন। ৪ বলে ৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন রাবেয়া খান। নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানের পুঁজি দাঁড় করায় বাংলাদেশ।

 

পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

আইসিসি পাকিস্তান অধিনায়ক ফাতিমা সানাকে জরিমানা করেছে এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে। ফাতিমা আইসিসির খেলোয়াড় এবং সহযোগী স্টাফদের আচরণবিধির ২ দশমিক ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন বলে প্রমাণিত হয়। এতে পাকিস্তানি এই অধিনায়ককে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি, ফাতিমার শৃঙ্খলা রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। ২৪ মাসের মধ্যে এটি ছিল তার দ্বিতীয় অপরাধ, যার ফলে এই ২৪ মাসের সময়সীমার মধ্যে তার মোট ডিমেরিট পয়েন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুইয়ে। ফাতিমা তার আগের ডিমেরিট পয়েন্টটি পেয়েছিলেন ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ চলাকালীন।

সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে, যখন ফাতিমা ওপেনার শেফালি বর্মাকে আউট করার পর প্যাভিলিয়নের দিকে ইশারা (অঙ্গভঙ্গি) করেছিলেন।

ফাতিমা নিজের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন এবং এমিরেটস আইসিসি ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অব ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাসের প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নিয়েছেন, যার ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। অন-ফিল্ড আম্পায়ার নিমালি পেরেরা ও সাথিরা জাকির জেসী, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার রাবাব আহসান এই অভিযোগটি আনেন।