বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরার বাইপাস মোড়ে যেন ‘এক খন্ড কাশ্মীর’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরার বাইপাস মোড়ে যেন ‘এক খন্ড কাশ্মীর’

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রবাদ আছে, ‘আঙ্গুর ফল টক’। শখের বসে বাড়ির আঙিনায় বা ছাদে দু-একটি গাছ লাগিয়ে যখন মিষ্টি ফল পাওয়া যায় না, তখন অনেকেই হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দেন। কিন্তু সাতক্ষীরার হেলাল উদ্দীন প্রমাণ করেছেন, অদম্য ইচ্ছা থাকলে উপকূলের মাটিতেও বিদেশের মতো মিষ্টি আঙুর ফলানো সম্ভব। তাঁর বাগানে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল, খয়েরি আর সবুজ আঙুর। সাতক্ষীরা শহরের প্রবেশদ্বার লাবসা বাইপাস মোড়ের এই বাগানটি দেখে দর্শনার্থীরা বলছেনÑ এ যেন সাতক্ষীরার বুকে ‘এক খন্ড কাশ্মীর’।

পেশায় ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দীনের শুরুটা হয়েছিল কৌতূহল থেকে। ইউটিউবে আঙুর চাষের ভিডিও দেখে দুই বছর আগে বাড়িতে পরীক্ষামূলকভাবে দুটি চারা রোপণ করেন তিনি। সেখানে ফলন ভালো ও মিষ্টি হওয়ায় আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় তাঁর। এরপর বাণিজ্যিকভাবে চাষের উদ্দেশ্যে আট মাস আগে ১৫ কাঠা জমি লিজ নেন।

বর্তমানে সেই জমিতেই গড়ে তুলেছেন বিশাল আঙুর বাগান। মাচায় মাচায় নেটের ওপর ছড়িয়ে পড়েছে আঙুরের লতা। হেলাল উদ্দীন জানান, “শুরুতে আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। প্রথম বছরের ফলন বিক্রি করেই সেই টাকা উঠে আসবে বলে আশা করছি। দ্বিতীয় বছর থেকে খরচ না থাকলেও আয় হবে প্রায় ৫ লাখ টাকা।”

তিনি আরও জানান, একটি আঙুর গাছ একবার লাগালে প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত ফল দিতে পারে। সাফল্যের ধারা বজায় রাখতে তিনি নতুন আরও জমিও প্রস্তুত করছেন।

হেলাল উদ্দীনের এই উদ্যোগের সারথি তাঁর স্ত্রী আলেয়া বেগমও। তিনি মনে করেন, বেকার যুবকরা যদি এভাবে আঙুর চাষে এগিয়ে আসেন, তবে বিদেশ থেকে আর আঙুর আমদানি করতে হবে না। এতে দেশের টাকা দেশে থাকবে এবং পুষ্টির চাহিদাও পূরণ হবে।

বাগানটি দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ আবার নিজে বাগান করার পরামর্শ নিচ্ছেন। দর্শনার্থীরা লতায় লতায় ঝুলে থাকা আঙুরের সমারোহ দেখে মুগ্ধ। তাঁদের মতে, উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় এমন দৃশ্য আগে কখনো দেখা যায়নি।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তিনি জানান, সাতক্ষীরার মাটি বৈচিত্র্যময় ফসলের জন্য উপযোগী। হেলাল উদ্দীনের পাশাপাশি জেলায় আরও একটি বাগান করা হয়েছে। এই পরীক্ষামূলক চাষ পুরোপুরি সফল হলে ভবিষ্যতে জেলায় আঙুর চাষ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেবে কৃষি বিভাগ। প্রয়োজনে বড় অংকের ব্যাংক ঋণের জন্য সুপারিশ করার আশ্বাসও দিয়েছেন এই কর্মকর্তা। সাতক্ষীরার এই আঙুর চাষ শুধু হেলাল উদ্দীনের ভাগ্য বদলের গল্প নয়, এটি দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিতে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার।

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা

অনলাইন ডেস্ক: সাতক্ষীরায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত দুই দিনে জেলায় নতুন করে ২৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে গত ৬ সেপ্টেম্বর ১৫ জন, ৭ সেপ্টেম্বর ১৩ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। এ সময়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সাত জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র প্রেরণ করা হয়।

 

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় ২৩৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। বিভিন্ন হাসপাতালে এখনো চিকিৎসাধীন ৩২ জন। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় জেলার হাসপাতালগুলোতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথাসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

 

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত কুমার সরকার বলেন, “জেলা সদর ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে রোগী ভর্তি হচ্ছেন। ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ডা. জয়ন্ত বলেন, “বাড়িঘর ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে।”

পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবেই বেশ জনপ্রিয়তা পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তবে এখন নায়িকা হিসেবেই তিনি নিয়মিত কাজ করছেন। এর মধ্যে কয়েকটি সিনেমাতে প্রধান নায়িকা হিসেবে দেখা গেছে তাকে।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দীঘি জানান, জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির বায়োপিকে তিনি কাজ করতে চান। এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ হবে বলেও মন্তব্য করেন নায়িকা।

কেন পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান সেটিও তিনি জানান। তার কথায়, কোনও একটি অনুষ্ঠানে পরীমণি জানিয়েছেন তার বায়োপিকে তিনি নিজেই অভিনয় করবেন। কারণ অন্য কেউ পারবে না। সে চ্যালেঞ্জ থেকেই দীঘি কাজটি করতে আগ্রহী।

দীঘির ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় তার (পরীমণি) বায়োপিক যদি হয় তাহলে এটি দারুণ একটি এন্টারটেইমেন্ট বায়োপিক হবে।’

নায়িকা হিসেবে দীঘির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সিনেমা হলো-‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’, ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ও ‘শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়’। এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত ‘বিদায়’ সিনেমাটি। এটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান হৃদয়।

আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৩ পূর্বাহ্ণ
আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

বাংলাদেশ নারীদের এশিয়া কাপে বাঁচা মরার ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ১০৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে । তবে এদিন শুরুতেই বাংলাদেশকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল তুলনামূলক খর্ব শক্তির দল।

বিশেষ করে আগে ব্যাট করতে নেমে চাপে থাকা বাংলাদেশ যখন ৫৫ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। তবে শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তার ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ভর করে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের।

টাইগ্রেস ওপেনার দিলারা আক্তার রানের খাতা খোলার আগে প্রথম ওভারেই বিদায় নিয়েছেন। ৩ বলে ০ রান করেন দিলারা। তিনে নেমে ব্যর্থ ছিলেন সোবহানা মোস্তারীও। ৬ বলে ৩ রান করেছেন তিনি। টিকে থাকা ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস কিছুটা চেষ্টা চালিয়েছেন। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১ রান তোলে বাংলাদেশ।

পাওয়ারপ্লে শেষে ২০ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফিরে গেছেন জুয়াইরিয়া। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি থেমেছেন ২৮ বলে ২৩ রান করে। স্বর্ণা আক্তার এবং ফাহিমা খাতুন মেরেছেন গোল্ডেন ডাক। আউট হন পরপর দুই বলে। মাত্র ৫ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।

শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তা ঝড় তোলেন। ৩১ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও খেলেন শারমিন। তাতেই একশ পার করার রসদ পায় বাংলাদেশ। এছাড়া নাহিদা আক্তার ২৬ বলে ১৬ রান করে টিকে ছিলেন। ৪ বলে ৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন রাবেয়া খান। নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানের পুঁজি দাঁড় করায় বাংলাদেশ।