মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

জ্বালানি সংকটে বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানীর সমাধানে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
জ্বালানি সংকটে বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানীর সমাধানে সংবাদ সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিনিধি: “জ্বালানি ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ” অস্থির বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানীতে স্বনির্ভরতা অর্জনই সমাধানের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সাতক্ষীরা পরিবেশ উন্নয়ন ফোরামের আয়োজনে স্বদেশের নিজস্ব কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা ও মহাপ্রভাকেন্দ্রিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব সহলরাসরি এসে পড়ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তায়। যা সকল স্তরে উদ্বেষ সৃষ্টি করেছে, সৃষ্টি করেছে অস্থিরতা। এই বিষয়ে উদ্বেগে প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করেন এবং তা কার্যকর সমাধানের উপায় হিসাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরের জন্য আহবান জানান।
আরো বলা হয়, ইরান যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালীর অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের মতো আমধানিনির্ভর দেশের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিভিন্ন তরের পেশাজীবি ও বিশেষজ্ঞদের সমন্নয়ে তুলানামূলক সাশ্রয়ী নীতি ঘোষনা, সংকট মোকাবেলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন, এখনই একই সাথে জ্বালানি সংকটের সময় বিকল্প জ্বালানি হিসাবে নবায়ানোযাগ্য জ্বালানী বিশেষ করে সৌরশক্তি ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রধান করে কৌশলগতভাবে দ্রুত বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি জানানো হয়।
 বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা স্বদেশ এবং বিডব্লিউব্লিইডি এর সহযোগিতায় প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরাম- সাতক্ষীরা এর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করছি মাধব চন্দ্র দত্ত নির্বাহি পরিচালক স্বদেশ ও সদস্য সচিব প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরাম, ফোরামের এ সভাপতি আব্দুল হামিদ। আরও উপস্থিত ছিলেন ফোরাম সদস্য আবু জাফর সিদ্দিকী।
মাধব চন্দ্র দত্ত বলেন, দক্ষিন অঞ্চলে জ্বালানী তেল ও প্রেট্রোলের অভাব দৃঢ়ভাবে প্রকট। বৈশ্বিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান থেকে আমদানিকৃত জ্বালানিয় ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে সরাসরি সরবরাহ সংকটে পড়ে। ইতোমধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, মূল্যস্ফীতি এবং আমদানি ব্যয়ের ওপর এর চাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের শুরুতেই জ্বালানি আমদানি বায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে চলতি হিসাবের ঘাটতি বাড়ায়েজ, যা টাকার মান কমানো এবং মূল্যস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।
দেশের জ্বালানি ব্যবস্থায় গত এক দশকে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়ায় আমদানিকৃত এলএনজি, এলপিজি ও পেট্রোলিয়ামের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল, ৬৫ শতাংশ এলএনজি এবং অর্ধেকের বেশি এলপিজি হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। ফলে ওই অঞ্চলে যেকোনো উত্তেজনা সরাসরি জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলে।
বর্তমানে দক্ষিন অঞ্চলে জ্বালানী সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার বড় অংশ অচল হয়ে পড়ছে ১০টির মধ্যে ৬টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ হয়েগেছে। শিল্প উৎপাদন কমছে, পরিবহন খরচ বাড়ছে এবং কৃষিতে সেচব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে। জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হলে তা সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা আসবে। প্রতিবছর আমদের জ্বালানি আমদানিতে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি বাড়ছে। ২০১৮ সালে এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর পর থেকে বাংলাদেশ একটি ব্যয়বহুল জ্বালানি কাঠামোর মধ্যে আটকে গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের অস্থিরতা দেশের
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে এলএনজি ও তেলের দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয়ও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর আমাদের স্বনির্ভরতা অর্জন করতে হবে। ফিলিপাইন, পাকিস্তানের সৌরবিদ্যুৎ বিপ্লব একটি কার্যকর উদাহরণ, যেখানে স্বল্প সময়ে ব্যাপক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করে আমদানি নির্ভরল কমানো সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশেও প্রায় ৪ কোটির বেশি পরিবারের একটি বড় অংশ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডের উপর চাপ কমাতে পারে। তাদের মতে, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব যা জ্বালানি আমদানি কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি ভবন এবং কৃষিখাতে সৌরশক্তি ব্যাবহারের মাধ্যমে আরও বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।
এছাড়া জ্বালানি সংকট সমাধানে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির যন্ত্রপাতির আমদানিতে কর ও ভ্যাট প্রত্যাহার, সরকারী-বেসরকারী ভবনে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচি বাস্তবায়ন, কৃষি কাজে সৌরচালিত সেচ পাম্প বৃদ্ধি, গণপরিবহনে বৈদ্যুতিক যান চালু এবং নবায়নযোগ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য স্বল্প সুদে ঋনের হার বাড়ানো। এছাড়া জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কাঠামো পুনর্বিন্যাস এবং দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে গুরুত্ব দেওয়ারও সুপারিশ করা হলো।

 

Ads small one

ডি পল খোলা চিঠিতে আসল মেসিকে তুলে ধরলেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ
ডি পল খোলা চিঠিতে আসল মেসিকে তুলে ধরলেন

ফুটবল বিশ্বে তৈরি হয়েছে নস্টালজিয়া ও আবেগের আবহ,লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণায়। দীর্ঘদিনের সতীর্থ রদ্রিগো ডি পলও মেসির বিদায়ের সিদ্ধান্তে আবেগাপ্লুত। আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির সঙ্গে কাটানো সময় এবং অধিনায়কের প্রতি নিজের গভীর শ্রদ্ধার কথা উঠে এসেছে তার খোলা চিঠিতে।

ইন্টার মায়ামি ও আটলান্টা ইউনাইটেডের ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হওয়ার আগে মেসির সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলেন ডি পল। তিনি বলেন, দেশের জন্য মেসি যা করেছেন, তা অতুলনীয়। তার ভেতরে এখন মূলত বিষণ্ণতা কাজ করছে এবং জাতীয় দলে মেসির প্রতিটি মুহূর্ত তার কাছে ভীষণ প্রিয়। মেসির অবসরের সিদ্ধান্ত আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে কতটা আবেগ তৈরি করেছে, সেটিও তুলে ধরেন ডি পল। তার ভাষায়, আর্জেন্টাইন হিসেবে এটি তাদের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন সময়।

মেসিকে মাঠে দেখতে পাওয়া সবসময়ই তাদের জন্য বিশেষ কিছু ছিল। বিশ্বজুড়ে আর্জেন্টিনার জার্সির জনপ্রিয়তার পেছনেও মেসির বড় অবদান দেখেন ডি পল। তিনি বলেন, পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে আর্জেন্টিনার জার্সি দেখা যায় এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ১০ নম্বর। বিষয়টি তাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। গত ৩১ আগস্ট মেসি নিশ্চিত করেন, আর্জেন্টিনার হয়ে আর মাঠে নামবেন না তিনি। এর মধ্য দিয়ে ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানেন এই তারকা।

ঘোষণার পর সতীর্থদের কাছ থেকে একের পর এক বিদায়ী বার্তা আসতে থাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেসিকে প্রথম দিকেই বিদায়ী বার্তা জানান ডি পল। তিনি মেসির সুখী জীবন কামনা করেন এবং তাদের সামনে থাকা সময়টুকু উপভোগ করার কথা বলেন। মেসিকে দেওয়া খোলা চিঠিতে ডি পল লিখেছেন, ‘দেশের প্রতি তার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, হার না মানার মানসিকতা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ধৈর্য এবং অসাধারণ নেতৃত্বের জন্য কেবল ধন্যবাদই দেওয়া যায়।’

মেসিকে সর্বকালের সেরা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মানুষের মুখে মেসি যে হাসি ফুটিয়েছেন, তা অকল্পনীয় এবং তিনি চিরন্তন।’ চিঠিতে মাঠের বাইরের মেসিকেও তুলে ধরেছেন ডি পল। তিনি লিখেছেন, ‘সবসময় চেয়েছেন আর্জেন্টাইনরা জানুক, ক্যামেরা বা স্টেডিয়াম না থাকলে মেসি আসলে কেমন। মেসি কখনো নিজের কথা বলতে পছন্দ করতেন না; বরং চাইতেন তার বুটই মাঠে তার হয়ে কথা বলুক।’ মেসির সেই পর্দার আড়ালের দিনগুলো দেখার সুযোগ পাওয়াকে নিজের সৌভাগ্য মনে করেন ডি পল। ফাইনালের আগের রাতগুলোতে মেসির ওপর থাকা চাপ, ভয়, দ্বিধা ও সমালোচনাও খুব কাছ থেকে দেখেছেন বলে জানান তিনি।

অন্য কেউ হলে হয়তো ভেঙে পড়ত, কিন্তু মেসি পরদিন সকালে উঠে আবার মাঠে নামতেন। তার জার্সি ও দেশের প্রতি ভালোবাসা কখনো বদলায়নি। তাই জাতীয় দলের হয়ে মেসির অবদান শুধু গোল বা শিরোপা দিয়ে বিচার করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন ডি পল। বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতিও চিঠিতে তুলে ধরেছেন তিনি।

এমবাপ্পের আত্মবিশ্বাসী দাবি, আমিই বিশ্বের সেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ
এমবাপ্পের আত্মবিশ্বাসী দাবি, আমিই বিশ্বের সেরা

কিলিয়ান এমবাপ্পে এবার মেসি-রোনালদোদের সঙ্গে সেরার লড়াইয়ে নিজেকেই সবার ওপরে রাখলেন। বর্তমান বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে- এমন প্রশ্নের জবাবে ফরাসি তারকা বলেন, তিনি সবসময় নিজেকেই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় মনে করেন।
তবে সেরার বিচারে মানুষের মত ভিন্ন হতে পারে বলেও জানান তিনি। গত মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৪৪ ম্যাচে ৪২ গোল করেছেন ২৭ বছর বয়সী এমবাপ্পে। দল কোনো ট্রফি না পেলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে ছিলেন দুর্দান্ত। বিশ্বকাপে ফ্রান্সের হয়ে ১০ গোল করে জিতেছেন গোল্ডেন বুট।

বিশ্বকাপে তার মোট গোল এখন ২২, যা টুর্নামেন্টটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। দারুণ এই পারফরম্যান্সের সুবাদে ব্যালন ডি’অরের আলোচনাতেও জোরালোভাবে উঠে এসেছে এমবাপ্পের নাম। এ বিষয়ে তিনি বলেন, রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেললে স্বাভাবিকভাবেই মানুষ ব্যালন ডি’অরের সঙ্গে খেলোয়াড়দের নাম যুক্ত করে, কারণ রিয়াল বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাব।

গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতায় ইতিহাস গড়েছেন উল্লেখ করে এবার ব্যালন ডি’অর জয়ের ভালো সুযোগ দেখছেন তিনি। তবে শেষ সিদ্ধান্ত ভোটারদের ওপরই থাকবে বলে মনে করিয়ে দিয়েছেন এমবাপ্পে। তার ভাষায়, মানুষ নিজেদের বিবেচনা অনুযায়ী ভোট দেবে।

 

আ বিউটিফুল লাই’-তে ফিরছেন মৌসুমী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
আ বিউটিফুল লাই’-তে ফিরছেন মৌসুমী

প্রায় তিন বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি অভিনয় থেকেও পুরোপুরি দূরে থাকেননি তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে বিভিন্ন সময় ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন এই অভিনেত্রী।

এবার নতুন একটি সিনেমায় যুক্ত হলেন মৌসুমী। ‘আ বিউটিফুল লাই’ নামের সিনেমাটি নির্মাণ করছেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। ইতোমধ্যে সিনেমাটির চিত্রনাট্য তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। নির্মাতার পরিকল্পনা অনুযায়ী, শিগগিরই এর শুটিং শুরু হতে পারে।

সিনেমাটি প্রসঙ্গে মৌসুমী বলেন, ‘আ বিউটিফুল লাই’ মূলত একটি রোড ট্রিপের গল্প। এতে থ্রিলারের আবহ রয়েছে। গল্পের ঘটনাগুলো একটি মিথ্যাকে কেন্দ্র করে এগিয়ে যায়। সেই মিথ্যার মধ্যেই তৈরি হয় নানা উপভোগ্য মুহূর্ত।

মৌসুমীর ভাষ্য, শুরুতে টেলিফিল্ম হিসেবে নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তী সময়ে এটি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমায় রূপ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত যে মাধ্যমেই নির্মিত হোক, দর্শক একটি উপভোগ্য গল্প পাবেন বলে আশা করছেন তিনি।

নির্মাতা নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলও শুরুতে ‘আ বিউটিফুল লাই’ টেলিফিল্ম হিসেবে নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে গল্পের পরিসর ও সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমানে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা হিসেবে নির্মাণের জন্য চিত্রনাট্য চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমায় অভিনয় করেন মৌসুমী। সিনেমাটি মুক্তির আগে পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে মৌসুমী ও তার স্বামী অভিনেতা ওমর সানীর দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে।

পরিচালকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগও তোলেন মৌসুমী ও ওমর সানী। তাদের দাবি ছিল, নাটক নির্মাণের কথা বলে মৌসুমীকে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ প্রকল্পে যুক্ত করা হয়। পরে সেই নাটককেই সিনেমায় রূপান্তর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এদিকে সিনেমাটির শিল্পী জেবা জান্নাতের অভিযোগের পর ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সার্টিফিকেশন আটকে দেওয়া হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। তবে মুক্তির পর দর্শকদের মধ্যে প্রত্যাশিত সাড়া ফেলতে পারেনি সিনেমাটি।

সেই বিতর্ক ও আলোচনা-সমালোচনার পর এবার নতুন সিনেমায় মৌসুমীর যুক্ত হওয়ার খবর সামনে এলো। ‘আ বিউটিফুল লাই’ সিনেমাটির মাধ্যমে আবারও নতুন গল্পে দর্শকদের সামনে হাজির হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই অভিনেত্রী।