সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা ৩৩ প্রাইমারী শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ের শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড অর্জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ২:০৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা ৩৩ প্রাইমারী শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ের শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড অর্জন

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ স্কাউটসের সর্বোচ্চ কাব স্বীকৃতি ‘শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে সাতক্ষীরা জেলার ৩৩ জন কাব স্কাউট। ২০২৫ সালের জাতীয় পর্যায়ের মূল্যায়নে জেলার বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ গৌরব অর্জন করে।

 

বাংলাদেশ স্কাউটসের কাব শাখায় অসামান্য দক্ষতা, শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও সমাজসেবামূলক কর্মকা-ে অংশগ্রহণের ভিত্তিতে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন পারদর্শিতা ব্যাজ অর্জন এবং সাঁতার দক্ষতাসহ নির্ধারিত শর্ত পূরণ করেই কাব স্কাউটরা এ স্বীকৃতি লাভ করে।

 

জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়া, শ্যামনগর ও তালা উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ বছর শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে। এর মধ্যে সদর উপজেলার সিলভার জুবিলী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কামালনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নেহালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইটাগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে।

 

কলারোয়া উপজেলার কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চন্দনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও জাতীয় পর্যায়ে কৃতিত্ব অর্জন করেছে। এছাড়া শ্যামনগরের খ্যাগড়াদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হায়বাতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী এ সম্মাননা পেয়েছে। তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপালডাংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হরিশ্চন্দ্রকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তালিকায় স্থান পেয়েছে।

 

শিক্ষক ও অভিভাবকরা বলছেন, এ অর্জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে আরও উৎসাহ জোগাবে। একই সঙ্গে জেলার স্কাউটিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত সাতক্ষীরা সদরের শিক্ষার্থীরা: আয়েশা সিদ্দিকা, অদিতি রায়, রিজিত মজুমদার ঋদ্ধি, আরিফ বিল্লাহ, জারিন সুবাহ, রনবীর দত্ত, ফারিদুত তাসনীম, জান্নাতুল ফেরদৌস, জান্নাতুল তাসনিয়া, মো. সাদিক হাসান, মোছা. জান্নাতী ও মাহির মুস্তাহিদ শান।

কলারোয়া: আজমাইন আদিল রাইয়্যান, রাশীদ আরিফ, নাসিফ এস মাহী ও মোছা. তাসনিম জারিন।
শ্যামনগর: সুবাইতা মারজানা, ওয়ারদা সাবাহাত, সানজিদা মাহমুদ, মরিয়াম ইসলাম, শারফিয়া মরিয়ম, মারিয়াম হোসেন, মো. মিয়ারাজ হোসেন ও সাজ্জাদুল শরীফ সেজান।

তালা: মো. জোহাইর আলফি, ফাহিম মুনতাছির তাসিন, দামিনী হালদার, মো. তাওহিদ মাসুম, টুসু সরকার, অজিত কুমার মন্ডল, সুবীদ কুমার মন্ডল, হিমেশ মন্ডল ও সৌমী পাল।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন বলেন, “শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা জেলার জন্য গর্ব বয়ে এনেছে। স্কাউটিং শিশুদের শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের এ ধরনের সহশিক্ষা কার্যক্রমে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে কাজ করা হবে।”

Ads small one

সুন্দরবনে বনবিভাগের ছোড়া গুলিতে কাঁকড়া আহরণকারী জেলের মৃত্যুর অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে বনবিভাগের ছোড়া গুলিতে কাঁকড়া আহরণকারী জেলের মৃত্যুর অভিযোগ

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর সোরা এলাকার বাসিন্দা আকসেদ গাজীর ছেলে আমিনুর রহমান (৪৫) নামে এক কাঁকড়া জেলে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৮ মে) সকালে সুন্দরবনের খুলনা রেঞ্জের শতমুখি খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সঙ্গে থাকা জেলেরা।

সহযোগী জেলেদের দাবি, তারা সুন্দরবনের শতমুখি খালে কাঁকড়া ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় বনবিভাগের খুলনা স্মার্ট পেট্রোল টিমের সদস্যরা তাদের ডাক দেন। জেলেরা কাছে না গেলে বনবিভাগের সদস্যরা গুলি ছোড়ে বলে অভিযোগ করেন তারা। এতে আমিনুর রহমান গুলিবিদ্ধ হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান সঙ্গীরা।

ঘটনার বিষয়ে বনবিভাগের কাছে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তারা ঘটনাটি সম্পর্কে খবর পেয়েছেন এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। বনবিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, “সুন্দরবনের ভেতরে বর্তমানে বনদস্যু নির্মূলে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে। সেখানে বনবিভাগ, কোস্টগার্ডসহ অন্যান্য বাহিনী একযোগে দায়িত্ব পালন করছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

এ বিষয়ে গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম বলেন, তিনি ইতোমধ্যে খুলনার ডিএফও, সাতক্ষীরার এসিএফ, শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানাকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, “বনবিভাগের ডিএফও আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের পাশাপাশি ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

পত্রদূত ডেস্ক: সোমবার (১৮ মে ২০২৬) সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।

কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অধিকাংশ সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানসহ বাকি সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। পুলিশ সুপার সকল অফিসার ফোর্সদের উদ্দেশ্যে সার্ভিসরুলস মেনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে ডিউটি করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। মেসে উন্নত খাবার পরিবেশন, ড্রেসরুলস মেনে পোশাক পরিধান করা, ছুটি ও টিএ বিলে ন্যায্যতা রাখা, স্বাস্থ্য সচেতনতা, ব্যক্তিগত ও আবাসস্থলের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বিদ্যুৎ এর সঠিক ব্যবহার এবং জনসাধারণের সাথে উত্তম ব্যবহারসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

পরবর্তীতে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এরআগে সভার শুরুতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ শাহীনুর চৌধুরী বিগত মাসের কার্যবিবরণীর গৃহীত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেন এবং চলতি মাসে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন আবেদনসমূহ উপস্থাপন করেন।


সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এসএম রাজু আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোঃ আমিনুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মিথুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল) মোঃ রাজীব, সহকারী পুলিশ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (তালা সার্কেল) শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) খালিদ মোঃ আরাফাত, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) মোঃ ইমরান খান, ডাঃ আবু হোসেনসহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের সকল পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ।

তনু হত্যায় ডিএনএ পরীক্ষায় উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ণ
তনু হত্যায় ডিএনএ পরীক্ষায় উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে আরও তথ্য পেয়েছে তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

এর আগে সিআইডি তনুর পোশাক থেকে নেওয়া নমুনার ডিএনএ পরীক্ষায় তিন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল। এবার ডিএনএ নমুনায় পরীক্ষায় আরও এক পুরুষের রক্ত পাওয়ার তথ্য জানিয়েছে পিবিআই। রবিবার (১৭ মে) রাতে তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা কার্যালয়ের পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘আগে তিন পুরুষের শুক্রাণু তথ্য আমাদের কাছে ছিল। এখন নতুন করে আরও একজন পুরুষের আলামত পাওয়ার তথ্য ডিএনএ ল্যাব থেকে আমাদের দেওয়া হয়েছে।’

পিবিআই জানায়, গত ৬ এপ্রিল এ মামলায় তিন সন্দেহভাজন- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচ করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়।

আদালতের আদেশ পেয়ে গত ২১ এপ্রিল রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে হাফিজুরকে আটক করা হয়। এরপর তাকে তনু হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পরদিন ঢাকায় ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর বিকালে কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হয়। সেদিন তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

সিআইডির ডিএনএ ল্যাবরেটরি অব বাংলাদেশ পুলিশের ডিএনএ পরীক্ষক নুসরাত ইয়াসমিনের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সোহাগী জাহান তনু হত্যার ঘটনায় মোট ২৪টি আলামত পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে নিহত তনুর কালো, লাল ও হলুদ প্রিন্টের কামিজ, বেগুনি রঙের ওড়না, কালো রঙের সালোয়ার, লাল ও হালকা বেগুনি রঙের অন্তর্বাস, চারটি দাঁত, ভ্যাজাইনাল সোয়াব, ৫ ফুট ও ১০ ফুট লম্বা খাকি ও হলুদ টেপ, পুরুষের একজোড়া ছেড়া জুতা, বলপেন ও এক টুকরো কাপড় ছিল। বাকি ১৩টি নমুনা ছিল সন্দেহভাজন ১৩ ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল।

নুসরাত ইয়াসমিনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওড়না, সালোয়ার ও আন্ডারওয়্যারে মানুষের বীর্যের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। এসব আলামতের বিভিন্ন স্থানে তিন জন ভিন্ন ভিন্ন পুরুষের পূর্ণাঙ্গ ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এক টুকরো কাপড়ে রক্তের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। তাতে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির পূর্ণাঙ্গ ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া যায়। সালোয়ার, ওড়না ও আন্ডারওয়্যারে পাওয়া বীর্যের সঙ্গে এই ডিএনএ প্রোফাইলের মিল নেই।

এদিকে মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, নতুন করে আরও একজন পুরুষের রক্ত রিপোর্ট পাওয়ায় মামলার তদন্তে আরও অগ্রগতি হয়েছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে মামলাটির তদন্ত তদারকি করা হচ্ছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘মামলার তদন্তে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। সবকিছু এখনই বলার সময় আসেনি। এখন নতুন করে আরও একজনের রক্ত পাওয়ায় সন্দেহভাজনদের সঙ্গে আরও ৩ জনের ডিএনএ ম্যাচ করাতে হবে। ইতিপূর্বে একজনের (হাফিজুর) ডিএনএ নমুনা নেওয়া হয়েছে।’

এর আগে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করাতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে বহু খোঁজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলের মধ্যে তার লাশ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। শুরুতে থানা পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করেও কোনও রহস্য বের করতে পারেনি।

তবে ২০১৭ সালের মে মাসে সিআইডি তনুর পোশাক থেকে নেওয়া নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করে তিন জন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল।
সর্বশেষ পুলিশ সদরদফতরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর তনু হত্যা মামলার নথি পিবিআইয়ের ঢাকা সদরদফতরে হস্তান্তর করে সিআইডি। গত প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেছেন পিবিআই সদরদফতরের পুলিশ পরিদর্শক মজিবুর রহমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলাটির ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম।