বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু হাজার ছাড়ালো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু হাজার ছাড়ালো

সারা দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ১১৯ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে এবং ৬৯ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯০২ জনের।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে একজন ঢাকা বিভাগের এবং দুজন ময়মনসিংহ বিভাগের।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৩৪ জন এবং চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯৬৯ জন।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৯ হাজার ৯০৪ জনের শরীরে।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯৩ জন রোগী। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৮১৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৭২ হাজার ৩৮ জনের এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১২ হাজার ১৯৫ জনের শরীরে। সন্দেহজনক হামে এ বিভাগে মোট ৪০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। এ বিভাগে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৩২ হাজার ৯৩৬ জনের এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৭১১ জনের শরীরে। বরিশাল, সিলেট, খুলনা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগেও হাম ও হামের উপসর্গের রোগী শনাক্ত হয়েছে।

সন্দেহজনক হাম রোগীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে আধিক্য দেখা গেছে। ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলায় এবং ঢাকা জেলায় সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি।

এদিকে জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে মোট লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন। এর বিপরীতে টিকা পেয়েছেন ১ কোটি ৯৭ লাখ ৪৬ হাজার ৭৭৩ জন। জাতীয় পর্যায়ে টিকাদানের কাভারেজ ১০৯ দশমিক ৬ শতাংশ।

বিভাগগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহে টিকাদানের কাভারেজ সবচেয়ে বেশি, ১১৫ শতাংশ। সিলেটে সবচেয়ে কম ১০৪ দশমিক ৩ শতাংশ হলেও সেখানেও কাভারেজ ১০০ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৯ লাখ ৫ হাজার ৯৫০ জন। এর বিপরীতে টিকা পেয়েছেন ২০ লাখ ৬৯ হাজার ৯১১ জন। সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকাদানের কাভারেজ ১০৮ দশমিক ৬ শতাংশ। এর মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে কাভারেজ সর্বোচ্চ ১১৫ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনে সর্বনিম্ন ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ।

 

Ads small one

মেঘমল্লার বসু লাইফ সাপোর্টে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
মেঘমল্লার বসু লাইফ সাপোর্টে

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও ন্যাশনাল পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য মেঘমল্লার বসু ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার (৯ সে‌প্টেম্বর) বিকালে তাকে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের আইসিইউতে নেওয়া হয়।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আইসিইউর মেডিক্যাল অফিসার ডা. হাসান আল বান্না বলেন, ‘মেঘমল্লার বসুকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। আমরা চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছি।’

হাসপাতাল সূত্র জানায়, সোমবার (৮ সে‌প্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেট এলাকা থেকে মেঘমল্লার বসুকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তার পরিচিত লোকজন তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা বিষক্রিয়ার আশঙ্কায় তার পাকস্থলী ওয়াশ করেন।

ঢা‌মেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘চিকিৎসকরা মনে করেছেন তাকে আইসিইউতে নেওয়া দরকার। মঙ্গলবার বিকাল থেকে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ যাচ্ছিল। এ কারণেই চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউতে দিয়েছেন।’

জানা গে‌ছে, প্রথমে মেঘমল্লার বসুকে ঢা‌মেক হাসপাতালের ৬০২ নম্বর কক্ষের ৩ নম্বর বেডে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখা‌ন থে‌কে আইসিউতে স্থানান্তর করা হয় তাকে।

বিশ্বকাপে যেতে হলে জাপানকে হারাতেই হবে বাংলাদেশকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপে যেতে হলে জাপানকে হারাতেই হবে বাংলাদেশকে

এশিয়া কাপ জুনিয়র হকিতে নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ দল। এই হারে টুর্নামেন্টের পঞ্চম-অষ্টম স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। সেখানে লাল সবুজের প্রতিনিধিদের প্রতিপক্ষ জাপান।

সেই ম্যাচ জিতলে যুব বিশ্বকাপে খেলার টিকিট মিলবে। জাপান ম্যাচকে তাই ডু অর ডাই হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ মওদুদুর রহমান শুভ। তিনি বলেছেন, ‘আমরা জাপানের বিপক্ষে জয় ছাড়া আর কিছু ভাবছি না। শেষ ম্যাচে আর কোনো ভুল করা যাবে না। আমরা আশাবাদী। এখনো টিকে আছি এবং জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করার চেষ্টা করবো।’

টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক চীনের কাছে ৩-২ গোলে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৪-২ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। গতকাল নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে কাজাখস্তানের বিপক্ষে ৪-২ গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নেওয়ার পর আজকে আবার হারের মুখ দেখলো লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

বুধবার চীনে ম্যাচের শুরুতেই দুই গোল হজম করে বাংলাদেশ। ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারে এগিয়ে যায় পাকিস্তান। নবম মিনিটে রানা ওয়ালিদের ফিল্ড গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ১২ মিনিটে আবারও গোল করেন তিনি। প্রথম কোয়ার্টার শেষেই ২-০ ব্যবধানে লিড নেয় পাকিস্তান।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোয়ার্টারে অবশ্য বাংলাদেশ নিজেদের রক্ষণ সামলে লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে। পাকিস্তানের আক্রমণ প্রতিহত করার পাশাপাশি গোলের সুযোগ তৈরির চেষ্টা করলেও স্কোরলাইনে পরিবর্তন আনতে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

৫২ মিনিটে বাংলাদেশের প্রতিরোধ ভাঙে পাকিস্তান। মোস্তফা গুলাম ফিল্ড গোলে ব্যবধান ৩-০ করেন। এরপর আর কোনো গোল না হওয়ায় এই ব্যবধানেই ম্যাচ শেষ হয়।

অভিষেকেই তাণ্ডব, ১৫০ করে বিশ্ব রেকর্ড ছুঁলেন হারমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
অভিষেকেই তাণ্ডব, ১৫০ করে বিশ্ব রেকর্ড ছুঁলেন হারমান

ওয়ানডেতে অভিষেক আর সেই ম্যাচেই ব্যাট হাতে তাণ্ডব। মাত্র ১২৬ বলে ১৫০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেললেন জর্ডান হারমান। তাতে নামের পাশে যোগ হয়েছে বিরল এক রেকর্ডও। ওয়ানডে অভিষেকে সর্বোচ্চ রান করা সতীর্থ ম্যাথিউ ব্রিটজকের বিশ্ব রেকর্ডে ভাগ বসালেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই ওপেনার।

নামিবিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে হারমানের ব্যাটে দেখা গেছে চার-ছক্কার ঝড়। ১৫০ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১৭টি চার ও ৩টি ছক্কায়। গত বছর ওয়ানডে অভিষেকেই ১৫০ রান করে রেকর্ড গড়েছিলেন ব্রিটজকে। এবার সেই তালিকায় নিজের নাম তুললেন হারমানও।

এ বছরই টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল তার। এবার উইন্ডহোকে নামিবিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক। কনর এস্টারহুইজেনকে সঙ্গে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের সূচনা করেন। শুরুতেই এক উইকেট হারানোর পর অভিজ্ঞ টনি ডি জর্জির সঙ্গে জুটি বেঁধে নামিবিয়ার বোলারদের ওপর চড়াও হন। দুজন মিলে মাত্র ১৬৭ বলে গড়েন ১৯০ রানের বিশাল জুটি।

প্রথম পঞ্চাশে যেতে হারমান খেলেছেন ৬১ বল। এরপর যেন অন্য রূপে হাজির হন তিনি। পরের ৫০ রান করেছেন মাত্র ৩২ বলে। তাতেই পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি।

তবে সেখানেই থামেননি। ১০০ থেকে ১৫০, পরের ৫০ রানও এসেছে মাত্র ৩২ বলে। ওয়ানডে অভিষেকে ১৫০ রান করা মাত্র দ্বিতীয় ব্যাটার হয়ে ইতিহাসে নাম লেখান হারমান।

রেকর্ড ছোঁয়া সেই ইনিংস অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৫০ রানের পরের বলেই রুবেন ট্রাম্পেলম্যানের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

হারমানের ঝড়ের পাশাপাশি ডি জর্জি করেন ৭২ রান। ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের ৩৩ ও করবিন বশের ৩৯ রানের কার্যকর ইনিংসে ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকা ৬ উইকেটে ৩৪৮ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায়।