শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের আছে আইডি কার্ড, চিনতে পেরেছে পরিবার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের আছে আইডি কার্ড, চিনতে পেরেছে পরিবার

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়াকামালপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ঠেলে পাঠানো বৃদ্ধ নিজের পরিচয় দিয়েছেন বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কাছে। তাকে ভিডিওতে দেখে চিনতে পেরেছেন পরিবারের সদস্যরাও।

ওই বৃদ্ধের নাম ষষ্টি চন্দ্র বর্মন (৬৮)। তার বাড়ি রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ি উপজেলার চাঁন্দলাই গ্রামে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে শূন্যরেখা থেকে তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার সকালে সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলার এলাকায় দিয়ে ওই বৃদ্ধকে বাংলাদেশে পাঠানোর (পুশইন) চেষ্টা করেন বিএসএফ সদস্যরা। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবির সদস্যরাও সেখানে অবস্থান নেন। এ সময় বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে বাগবিতণ্ডাও চলে। পরে স্থানীয় বাসিন্দারাও বিজিবির সঙ্গে যোগ দেন। বিএসএফ সদস্যরা ওই বৃদ্ধকে সীমান্তের শূন্যরেখায় রেখে চলে যান। মাঝে শূন্যরেখায় আটকে থাকেন ষষ্টি চন্দ্র বর্মণ।

জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক ইমাম হোসেন বলেন, ওই বৃদ্ধ তার বাড়ি রাজশাহী বলে জানিয়েছিলেন। পরে খোঁজখবর নেওয়া হয় এবং পরিবারের সদস্যরা ভিডিও দেখে তাকে চিনতে পারেন। তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং বাংলাদেশি ভোটার আইডি কার্ডও আছে। শূন্যরেখা থেকে তাকে উদ্ধার করে খাবার দেওয়ার পাশাপাশি জামালপুরের বকশীগঞ্জ থানা হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

পরিবারের লোকজন আইনি প্রক্রিয়া মেনে ওই বৃদ্ধকে নিতে আসছেন বলেও জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিএসএফ কোথাও পুশইনের চেষ্টা করেনি এবং সীমান্ত শান্ত আছে। বর্তমানে উদ্বেগজনক কোনও পরিস্থিতি না থাকলেও যেকোনও ধরনের অনুপ্রবেশ বা পুশইনের চেষ্টা প্রতিরোধে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে আছে।

Ads small one

সে মালা তোমার জন্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
সে মালা তোমার জন্য

কিশোরীমোহন সরকার
এখনও অনেকটা পথ হাঁটা বাকি
পেরুতে হবে গোটাকয়েক টিলা, দুটো পাহাড়
একটা সাগর, অর্ধেকটা মরুভূমি;
ছোটখাট কয়েকটি খরস্রোতা নদীও জানাচ্ছে আহ্বান!
তুমি হাত বাড়ালে ভাবতাম না
বিশ্বাস করো, আদৌ ভাবতাম না!
পার হয়ে যেতাম-কুয়াশা, রোদ্দুর, মেঘ, বৃষ্টি, ঢেউ…
হাতছানি দিচ্ছে আর্মস্ট্রং, উৎসাহ যোগাচ্ছে রবার্ট ব্রুস
মন্ত্র দিচ্ছে মৌমাছি, মালা গেঁথে দাঁড়িয়ে প্রতীতি।
গিরি, তুমি না চাইলেও মালা আমি পরবই!

সে মালা তোমার জন্যে-
‘তোমায় সাজাব যতনে কুসুম রতনে…’

শেষ বেঞ্চের ছেলেটা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
শেষ বেঞ্চের ছেলেটা

তারিক মোহাম্মদ ত্বকী
রাফি ক্লাস এইটে পড়ে। ওর সবচেয়ে বড় ভয় হলো সবার সামনে কথা বলা।
স্কুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রতিটা ক্লাস থেকে একটা করে কবিতা আবৃত্তি করতে হবে। স্যার রাফির নাম ডেকে বললেন, “তুমি করবা।”
রাফির বুকের ভিতর ধড়াস করে উঠলো। ওর হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেলো। ক্লাসের সবাই হাসাহাসি শুরু করলো। শেষ বেঞ্চের রাফি, ও আবার কবিতা বলবে!
বাসায় এসে রাফি আয়নার সামনে দাঁড়ালো। মুখ দিয়ে কথা বের হয় না। আব্বু পাশে এসে দাঁড়ালেন। আব্বু কিছু বললেন না। শুধু রাফির কাঁধে হাত রাখলেন।
পরদিন থেকে রাফি ছাদে গিয়ে কবিতা বলা শুরু করলো। প্রথম দিন গাছের সাথে। দ্বিতীয় দিন পাখির সাথে। তৃতীয় দিন আব্বুর সামনে। আব্বু শুধু হাসলেন।
অনুষ্ঠানের দিন এলো। রাফির সিরিয়াল সবার শেষে। স্টেজে উঠে রাফি দেখলো, পুরা হল ভরা মানুষ। ওর গলা শুকিয়ে কাঠ। মনে পড়লো লেখক তারিক মোহাম্মদ ত্বকীর কথা, “ভয় পেলে পিছিয়ে যাবি, ভয় না পেলে এগিয়ে যাবি।
রাফি একবার চোখ বন্ধ করলো। তারপর চোখ খুলে কবিতা শুরু করলো।
প্রথম দুই লাইন তোতলালো। তিন নাম্বার লাইনে গিয়ে গলা পরিষ্কার হলো। শেষ লাইন শেষ হতেই পুরা হল তালিতে ফেটে পড়লো।
স্যার স্টেজে এসে রাফির মাথায় হাত রাখলেন। বললেন, শেষ বেঞ্চের ছেলেরাই একদিন সামনের বেঞ্চে বসে ইতিহাস গড়ে।
সেদিন রাফি বুঝলো, ভয়টা আসলে কিছুই না। ভয়টা শুধু মনের ভিতর। তাকে জয় করলেই মানুষ যোদ্ধা হয়।

‘প্রকৃত হাসি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
‘প্রকৃত হাসি’

 

শহীদুল্লা হক ভূইয়া
হাসি হাসি হাসি
মিষ্টি হাসি রাশি রাশি
তার শুবাস বড় ভালবাসি।

কে যেন ভাই বলে
দুঃখ ঘটে হাসির ছলে
সুখী জীবন নিরবতায় মিলে।

আমি বলি বার বার
হাসি ছাড়া নয় কিছু আর
চির শান্তি আছে সেই হাসিতে আবার।

জ্ঞানী গুনী জন হাসিতে দিয়া মন
অন্তরালে হাসি হাসে সারাক্ষন
সেই হাসি স্বার্থক এই মোদের পণ।

আমার কেবলি মনে হয়
প্রকাশ্যে হাসি ফেটে রয়
নির্জনে দুঃখের পরিচয়।