শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কলারোয়া পৌরসভার পশুহাট মোড়, ২বছর ধরে মরণফাঁদে লাখো মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়া পৌরসভার পশুহাট মোড়, ২বছর ধরে মরণফাঁদে লাখো মানুষ

সংবাদদাতা: পৌরসভা আছে ঠিকই, কিন্তু জনগণের ভোগান্তি লাঘবে কিংবা নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের কোনো তৎপরতা নেই। সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রধান সড়ক দীর্ঘ দুই বছর ধরে চরম সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিশেষ করে কলারোয়া পশুহাট মোড়ের এই স্থানটির পিচ-খোয়া পুরোপুরি উঠে গিয়ে বিশাল ও গভীর খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে, যা বর্তমানে নোংরা পানির এক স্থায়ী ‘কৃত্রিম পুকুরে’ এবং পথচারীদের জন্য এক ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

 

দীর্ঘ দুই বছর ধরে এই নরকযন্ত্রণা সহ্য করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ। সামান্য বৃষ্টি হোক বা না হোক, ড্রেনেজ ব্যবস্থার চরম ত্রুটি ও রাস্তার মাঝখানে বিশাল গর্তের কারণে এখানে বারো মাসই নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি জমে থাকে। এই জলমগ্ন মরণফাঁদে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত পড়ে যাচ্ছে ভ্যান, ইজিবাইক, মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল। প্রায় প্রতিদিনই এখানে উল্টে যাচ্ছে পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী যানবাহন, ঘটছে ছোট-বড় নানা দুর্ঘটনা।

 

কলারোয়া পশুহাট মোড়টি এখন সাধারণ পথচারী ও চালকদের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, কলারোয়া পশুহাট মোড়টি অত্র অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্থনৈতিক কেন্দ্র। এখানে প্রতি সপ্তাহে বিশাল পশুর হাট বসে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত শত ব্যবসায়ী ও খামারিরা আসেন। কিন্তু রাস্তার এই মরণফাঁদের কারণে কোনো যানবাহনে করে পশু নিয়ে ওই স্থানটুকু পার হওয়া সম্ভব হয় না।

 

অনেক সময় পশু বোঝাই ভ্যান বা গাড়ি গর্তে উল্টে গিয়ে পশু মারাত্মক জখম হয়। ফলে ব্যবসায়ী ও খামারিদের চরম লোকসান ও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্থানীয় অর্থনীতিতে। রাস্তার এই বেহাল দশার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এই নোংরা পানি ও কাদার ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিনিয়ত দ্রুতগামী যানবাহনের চাকায় ময়লা পানি ছিটকে তাদের স্কুল ইউনিফর্ম, বই-খাতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

 

প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্ন পোশাক কাদায় একাকার হওয়ার ঘটনা ঘটছে। বাধ্য হয়ে অনেক শিক্ষার্থীকে জুতো-মোজা হাতে নিয়ে নোংরা কাদা-পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও দুঃখজনক। স্থানীয় ব্যবসায়ী, চালক ও পথচারীদের অভিযোগ-পৌর কর্তৃপক্ষ জনগণের এই চরম অসুবিধা ও নিত্যদিনের ভোগান্তি দেখেও না দেখার ভান করে অন্ধ সেজে আছে।

 

মাসের পর মাস পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঠিকই জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতন তুলছেন, কিন্তু এই জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তার বেহাল দশা ও মরণফাঁদ দূর করার কোনো উদ্যোগ নেই। ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী বলেন, কলারোয়া পৌরসভা এখন জনগণের সেবা দেওয়ার চেয়ে কেবলই এক ‘নামসর্বস্ব’ সংস্থায় পরিণত হয়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষের এমন চরম উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।

 

এই দীর্ঘস্থায়ী ভোগান্তি ও মরণফাঁদ থেকে মুক্তি পেতে এবং কলারোয়া পশুহাট মোড়ের এই বিপজ্জনক স্থানটি দ্রুত জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের জন্য কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফুল ইসলামের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও সুদৃষ্টি কামনা করেন ভুক্তভোগী পথচারী, ব্যবসায়ী এবং সচেতন এলাকাবাসী।

 

এ বিষয়ে শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতা প্রকাশ করেন। তিনি পথচারী ও ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে বলেন, “জনসাধারণের ভোগান্তির বিষয়টি আমি জেনেছি। জনস্বার্থে ওই বিপজ্জনক স্থানটি দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” ইউএনও’র এমন আশ্বাসে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন কলারোয়ার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে চৌদ্দ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে চৌদ্দ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শুক্রবার (১২ জুন ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ভোমরা, কাকডাঙ্গা, মাদরা ও হিজলদী বিওপি এবং ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকসহ চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঔষধ, চিংড়ি মাছের রেনুপোনা ও ১৫ বোতল মদ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর জানায়, ভোমরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার বাদামতলী হতে ৪ লাখ টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে কলারোয়া থানার কেড়াগাছি ও ভাদিয়ালি হতে ৩ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় ঔষধ ও মদ আটক করে।

 

মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার রাজপুর হতে ৩ লাখ ৬১ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। হিজলদী বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বড়ালি হতে ১ লাখ ২৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর আভিযানে কলারোয়া থানার বোয়ালিয়া হতে ২ লাখ টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে।
আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

চোটে বিশ্বকাপ শেষ জাপান অধিনায়কের, তারপর অবসর ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
চোটে বিশ্বকাপ শেষ জাপান অধিনায়কের, তারপর অবসর ঘোষণা

চোটের কারণে আসন্ন বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন জাপান অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দো। হতাশায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দলের প্রথম ম্যাচের মাত্র তিন দিন আগে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকেও অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন অভিজ্ঞ এই মিডফিল্ডার। তার অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেবেন ডিফেন্ডার কো ইতাকুরা।

পায়ের চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে না পারায় টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন লিভারপুলের এই মিডফিল্ডার। তার পরিবর্তে জাপান দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বোরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখের শুতো মাচিনোকে। তার পরেই ৩৩ বছর বয়সী এন্দো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, বিশ্বকাপে খেলতে না পারায় তিনি ‘হতাশ’। তবে গ্রুপ ‘এফ’-এ নেদারল্যান্ডস, তিউনিসিয়া ও সুইডেনের বিপক্ষে জাপান ভালো করবে বলেই বিশ্বাস তার।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এন্দো লিখেছেন, ‘ভবিষ্যতে এমন একটা সময় অবশ্যই আসবে, যখন জাপান বিশ্বকাপ জিতবে। তাই আসুন, আমরা সেই বিশ্বাস ধরে রাখি এবং দলকে সমর্থন করি।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপেই যেন সেই স্বপ্ন বাস্তব হয়, সে জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে জাপানের শক্তি হয়ে দাঁড়াতে হবে।’

জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে এন্দো লিখেছেন, ‘আমি জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন থেকে আমি শুধু একজন সমর্থক হিসেবে জাপানকে সমর্থন জানাব।’

গত ফেব্রুয়ারিতে সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে লিভারপুলের হয়ে খেলতে গিয়ে পায়ের চোটে পড়েন এন্দো। তবে ৩১ মে টোকিওতে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ১-০ গোলের জয়ে তিনি জাপান দলে ফিরেছিলেন। সেই ম্যাচে বিরতির সময় মাঠ ছাড়েন তিনি। পরে মেক্সিকোতে জাপানের বিশ্বকাপ-পূর্ব প্রস্তুতি ক্যাম্পেও অস্বস্তি অনুভব করেন। সেখানে কোনও পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি। সোমবার জাপান দল বিশ্বকাপ ক্যাম্প ন্যাশভিলে পৌঁছানোর পর তিনি অনুশীলনে অংশ নিলেও, টুর্নামেন্টের আগে প্রয়োজনীয় ফিটনেস ফিরে পাননি। এন্দো নিজের শারীরিক ফিটনেস নিয়ে জানান, ‘চোট পাওয়ার পর থেকে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তাই আমার কোনও আক্ষেপ নেই।’

আক্ষেপ না থাকলেও কষ্টটা লুকাননি এন্দো, ‘অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলতে না পারার কষ্ট আছে। তবে তার চেয়েও বড় বিষয় হলো, কাতার বিশ্বকাপের পর থেকে আমি এই দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং দলকে এমন এক জায়গায় নিতে পেরেছি, যেখানে বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করাটা স্বাভাবিক বলে মনে হয়। এজন্য আমি গর্বিত।’

২০১৫ সালে জাপানের হয়ে অভিষেক হয় এন্দোর। জাতীয় দলের জার্সিতে ৭৩ ম্যাচ খেলে চারটি গোল করেছেন তিনি। ছিলেন ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে জাপান দলের সদস্য। কাতার বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনের বিপক্ষে জাপানের স্মরণীয় জয়ের দিনও খেলেছিলেন তিনি।

দেড় লাখ টাকা খরচ করে নিজের বাড়িকে বানালেন ‘ব্রাজিল বাড়ি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
দেড় লাখ টাকা খরচ করে নিজের বাড়িকে বানালেন ‘ব্রাজিল বাড়ি’

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় মাতোয়ারা পুরো বিশ্ব। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটেই চলছে। এমনই এক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ছতুরা-চান্দপুর গ্রামের রুবেল মিয়া।

রুবেল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক। তাই নিজের পুরো বাড়িটির রঙ করিয়েছেন, নিজদল ব্রাজিলের পতাকার আদলে। বাড়ির সীমানা দেওয়ালে ব্রাজিলের পতাকার পাশাপাশি সে দেশের খেলোয়াড়দের ছবি এঁকেছেন। বাড়ির ভবনে আঁকা হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও।

এদিকে বাড়িটিকে একনজর দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ব্রাজিল সমর্থকরা ছুটে আসছেন। ব্রাজিল ছাড়া অন্য দলের সমর্থকরাও বাড়িটির প্রশংসা করছেন। পুরো উপজেলাজুড়ে এমন বাড়ি নেই বলে দাবি করছেন মালিক রুবেল। বাড়িটির কারণে এলাকার নামও চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে ব্রাজিল বাড়ি বলে।

বাড়ির মালিক রুবেল মিয়া বলেন, ব্রাজিলের খেলা আমার পছন্দ। আমি ছোট বেলা থেকে ব্রাজিল সাপোর্ট করে আসছি। আর এই কারণেই ব্রাজিলের পতাকার আদলে বাড়ির ভবন ও সীমানা দেয়াল রঙ করিয়েছি। খেলোয়াড়দের ছবিও আঁকিয়েছি। গত ১৬ দিন ধরে কাজ চলছে। এখনও কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। রঙ করতে প্রায় দেড় লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। অনেকে আসছেন বাড়িটি দেখতে। আমি মনে করি আমার প্রিয় দল ব্রাজিল এবার বিশ্বকাপে ভালো করবে এবং শিরোপা জয়লাভ করবে।

তিনি তার প্রিয় দল ব্রাজিল দলের জন্যে সবার কাছে দোয়া চান।