শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মেধা ও উদ্ভাবনে খুদে বিজ্ঞানীদের চমক: সাতক্ষীরায় বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
মেধা ও উদ্ভাবনে খুদে বিজ্ঞানীদের চমক: সাতক্ষীরায় বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনী

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ সবার আগে বাংলাদেশ’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সদর উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ‘স্টার্টআপ বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী’ শুক্রবার (১২ জুন) সকালে সাতক্ষীরা নবারুণ বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (ইইএসএস), এসইডিপি এবং ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে ও সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহযোগিতায় এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

মেলা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর কবীর এবং সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আবুল হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন নবারুণ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল মালেক গাজী, সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আব্বাস আলী সরদার এবং সাবেক প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ মনজুরুল হক। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উপমা আহমেদ নাবিলা।

খুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন ও প্রকল্প মূল্যায়নে বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক নিত্যানন্দ কুমার, আইসিটি বিভাগের প্রভাষক দেবাশীষ দাস এবং সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক মোঃ আফজাল করিম।
উপজেলা পর্যায়ের এই বিজ্ঞান প্রদর্শনীতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১৮টি স্টল স্থান পায়। মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। স্টলগুলোতে খুদে বিজ্ঞানীরা তাদের চমৎকার সব উদ্ভাবনী আইডিয়া ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করে নজর কাড়েন সবার।

মেলার প্যান্ডেলে ঢুকতেই প্রথমেই চোখে পড়ে বাঁকাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্টল। কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়া থেকে কার্বন শোষণ করে কীভাবে বাতাসে সাদা ধোঁয়া ছাড়া যায় এবং পরিবেশ সুরক্ষিত রাখা যায়, সেই প্রযুক্তি প্রদর্শন করে তারা নজর কেড়েছে। একই ধরনের প্রযুক্তি প্রদর্শন করেছে সাতক্ষীরা পলাশপোল হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরাও।

সাতক্ষীরা প্রাণনাথ হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা বর্জ্য ব্যবহার করে কীভাবে শক্তি উৎপাদন করা যায়, তা প্রদর্শন করে। অন্যদিকে, সাতক্ষীরা টাউন গার্লস হাইস্কুলের স্টলে প্রদর্শন করা হয় পরিবেশবান্ধব বায়োগ্যাস প্রযুক্তি।
দেশের সীমান্ত রক্ষা ও নিরাপত্তা জোরদারে অটো রাডার ও মিসাইল সিস্টেম কীভাবে কাজ করে, তা প্রযুক্তির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছে সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

চমৎকার পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনায় একটি সমৃদ্ধ আধুনিক কৃষি ও খামার প্রকল্প প্রদর্শন করে নজর কেড়েছে দ্য পোল স্টার অ্যান্ড পৌর হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা। ভিন্নধর্মী এক আইডিয়া নিয়ে হাজির হয়েছিল পল্লী মঙ্গল হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা। রাস্তার ওপর দিয়ে মানুষ হাঁটলে বা চাপ পড়লেই কীভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা সম্ভব, তা দেখিয়েছে তারা।
মেলায় নবারুণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একটি মেগা প্রকল্প প্রদর্শন করে। আগামী ৫০ বছর পর সাতক্ষীরা শহর কেমন হতে পারে-তার একটি দারুণ চিত্র তুলে ধরেছে তারা। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানি ও খাদ্য, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং বাসস্থানের আধুনিক রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়।

ফসলের মাঠ বা টবের মাটি শুকিয়ে গেলে কীভাবে মানুষের সাহায্য ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেচ দেওয়া সম্ভব, সেই অভিনব প্রযুক্তি দেখিয়েছে ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা। আর পানি বিশুদ্ধকরণের সহজ প্রযুক্তি প্রদর্শন করেছে সাতক্ষীরা নবজীবন ইনস্টিটিউটের খুদে বিজ্ঞানীরা। বল্লী আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছে কীভাবে পানির সাহায্যে রকেট উড্ডয়ন করা যায়। একই সাথে তারা সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণের উপায়ও প্রদর্শন করে। অন্যদিকে, সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে কাজ করেছে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

মেলায় বেশ নান্দনিক উপস্থাপনা ছিল সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। অতিরিক্ত লোড বা ওজনের কারণে পিচের রাস্তা নষ্ট হওয়া রোধে তারা একটি প্রযুক্তি প্রদর্শন করে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো যানবাহন অতিরিক্ত লোড নিলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে থেমে যাবে এবং চালক আগাম সতর্কবার্তা পেয়ে যাবেন। এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ও ট্রাফিক জ্যাম নিয়ন্ত্রণেও তারা পৃথক প্রদর্শনী করে সবার নজর কাড়ে।
খুদে বিজ্ঞানীদের এমন সব উদ্ভাবনী ও আধুনিক চিন্তাভাবনা মেলায় আসা শিক্ষক, বিচারক ও দর্শনার্থীদের ভীষণভাবে মুগ্ধ করেছে।

সাতক্ষীরা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আলমগীর কবীর জানান, জেলার সাতটি উপজেলায় ১৯৪টি স্টলে শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীল প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে। আগামী ১৪ জুন অনুষ্ঠিত হবে জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা। এরপর জাতীয় পর্যায়ে জেলা থেকে বিজয়ী দল অংশ নিবে। জাতীয় পর্যায়ে সারা দেশ থেকে ১০০টি দল অংশগ্রহণ করবে। সেখান থেকে সেরা ১০টি দলকে পুরস্কৃত করা হবে।

 

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে চৌদ্দ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে চৌদ্দ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শুক্রবার (১২ জুন ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ভোমরা, কাকডাঙ্গা, মাদরা ও হিজলদী বিওপি এবং ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকসহ চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঔষধ, চিংড়ি মাছের রেনুপোনা ও ১৫ বোতল মদ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর জানায়, ভোমরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার বাদামতলী হতে ৪ লাখ টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে কলারোয়া থানার কেড়াগাছি ও ভাদিয়ালি হতে ৩ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় ঔষধ ও মদ আটক করে।

 

মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার রাজপুর হতে ৩ লাখ ৬১ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। হিজলদী বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বড়ালি হতে ১ লাখ ২৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর আভিযানে কলারোয়া থানার বোয়ালিয়া হতে ২ লাখ টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে।
আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

চোটে বিশ্বকাপ শেষ জাপান অধিনায়কের, তারপর অবসর ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
চোটে বিশ্বকাপ শেষ জাপান অধিনায়কের, তারপর অবসর ঘোষণা

চোটের কারণে আসন্ন বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন জাপান অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দো। হতাশায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দলের প্রথম ম্যাচের মাত্র তিন দিন আগে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকেও অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন অভিজ্ঞ এই মিডফিল্ডার। তার অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেবেন ডিফেন্ডার কো ইতাকুরা।

পায়ের চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে না পারায় টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন লিভারপুলের এই মিডফিল্ডার। তার পরিবর্তে জাপান দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বোরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখের শুতো মাচিনোকে। তার পরেই ৩৩ বছর বয়সী এন্দো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, বিশ্বকাপে খেলতে না পারায় তিনি ‘হতাশ’। তবে গ্রুপ ‘এফ’-এ নেদারল্যান্ডস, তিউনিসিয়া ও সুইডেনের বিপক্ষে জাপান ভালো করবে বলেই বিশ্বাস তার।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এন্দো লিখেছেন, ‘ভবিষ্যতে এমন একটা সময় অবশ্যই আসবে, যখন জাপান বিশ্বকাপ জিতবে। তাই আসুন, আমরা সেই বিশ্বাস ধরে রাখি এবং দলকে সমর্থন করি।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপেই যেন সেই স্বপ্ন বাস্তব হয়, সে জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে জাপানের শক্তি হয়ে দাঁড়াতে হবে।’

জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে এন্দো লিখেছেন, ‘আমি জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন থেকে আমি শুধু একজন সমর্থক হিসেবে জাপানকে সমর্থন জানাব।’

গত ফেব্রুয়ারিতে সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে লিভারপুলের হয়ে খেলতে গিয়ে পায়ের চোটে পড়েন এন্দো। তবে ৩১ মে টোকিওতে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ১-০ গোলের জয়ে তিনি জাপান দলে ফিরেছিলেন। সেই ম্যাচে বিরতির সময় মাঠ ছাড়েন তিনি। পরে মেক্সিকোতে জাপানের বিশ্বকাপ-পূর্ব প্রস্তুতি ক্যাম্পেও অস্বস্তি অনুভব করেন। সেখানে কোনও পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি। সোমবার জাপান দল বিশ্বকাপ ক্যাম্প ন্যাশভিলে পৌঁছানোর পর তিনি অনুশীলনে অংশ নিলেও, টুর্নামেন্টের আগে প্রয়োজনীয় ফিটনেস ফিরে পাননি। এন্দো নিজের শারীরিক ফিটনেস নিয়ে জানান, ‘চোট পাওয়ার পর থেকে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তাই আমার কোনও আক্ষেপ নেই।’

আক্ষেপ না থাকলেও কষ্টটা লুকাননি এন্দো, ‘অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলতে না পারার কষ্ট আছে। তবে তার চেয়েও বড় বিষয় হলো, কাতার বিশ্বকাপের পর থেকে আমি এই দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং দলকে এমন এক জায়গায় নিতে পেরেছি, যেখানে বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করাটা স্বাভাবিক বলে মনে হয়। এজন্য আমি গর্বিত।’

২০১৫ সালে জাপানের হয়ে অভিষেক হয় এন্দোর। জাতীয় দলের জার্সিতে ৭৩ ম্যাচ খেলে চারটি গোল করেছেন তিনি। ছিলেন ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে জাপান দলের সদস্য। কাতার বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনের বিপক্ষে জাপানের স্মরণীয় জয়ের দিনও খেলেছিলেন তিনি।

দেড় লাখ টাকা খরচ করে নিজের বাড়িকে বানালেন ‘ব্রাজিল বাড়ি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
দেড় লাখ টাকা খরচ করে নিজের বাড়িকে বানালেন ‘ব্রাজিল বাড়ি’

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় মাতোয়ারা পুরো বিশ্ব। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটেই চলছে। এমনই এক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ছতুরা-চান্দপুর গ্রামের রুবেল মিয়া।

রুবেল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক। তাই নিজের পুরো বাড়িটির রঙ করিয়েছেন, নিজদল ব্রাজিলের পতাকার আদলে। বাড়ির সীমানা দেওয়ালে ব্রাজিলের পতাকার পাশাপাশি সে দেশের খেলোয়াড়দের ছবি এঁকেছেন। বাড়ির ভবনে আঁকা হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও।

এদিকে বাড়িটিকে একনজর দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ব্রাজিল সমর্থকরা ছুটে আসছেন। ব্রাজিল ছাড়া অন্য দলের সমর্থকরাও বাড়িটির প্রশংসা করছেন। পুরো উপজেলাজুড়ে এমন বাড়ি নেই বলে দাবি করছেন মালিক রুবেল। বাড়িটির কারণে এলাকার নামও চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে ব্রাজিল বাড়ি বলে।

বাড়ির মালিক রুবেল মিয়া বলেন, ব্রাজিলের খেলা আমার পছন্দ। আমি ছোট বেলা থেকে ব্রাজিল সাপোর্ট করে আসছি। আর এই কারণেই ব্রাজিলের পতাকার আদলে বাড়ির ভবন ও সীমানা দেয়াল রঙ করিয়েছি। খেলোয়াড়দের ছবিও আঁকিয়েছি। গত ১৬ দিন ধরে কাজ চলছে। এখনও কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। রঙ করতে প্রায় দেড় লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। অনেকে আসছেন বাড়িটি দেখতে। আমি মনে করি আমার প্রিয় দল ব্রাজিল এবার বিশ্বকাপে ভালো করবে এবং শিরোপা জয়লাভ করবে।

তিনি তার প্রিয় দল ব্রাজিল দলের জন্যে সবার কাছে দোয়া চান।