শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শাকিরার জাদুতে মাতল অ্যাজটেকা: ঐতিহ্যের ক্যানভাসে বিশ্বকাপের বর্ণিল সাংস্কৃতিক মহোৎসব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
শাকিরার জাদুতে মাতল অ্যাজটেকা: ঐতিহ্যের ক্যানভাসে বিশ্বকাপের বর্ণিল সাংস্কৃতিক মহোৎসব

মেক্সিকো সিটির আকাশ তখন উৎসবের আলোয় রঙিন। ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে তিল ধারণের জায়গা নেই। ফুটবল বিশ্বের চোখ তখন মেক্সিকোতে। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পর্দা উঠল ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের। তবে প্রথম বাঁশি বাজার আগের ৯০ মিনিট ফুটবলপ্রেমীরা ডুবে রইলেন এক অনন্য সাংস্কৃতিক মহোৎসবে, যেখানে ল্যাটিন ঐতিহ্য, আদিবাসী সংস্কৃতি এবং আধুনিক পপ মিউজিকের এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধন দেখল বিশ্ব।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম তিনটি ভিন্ন দেশে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে, যার প্রথমটি সম্পন্ন হলো মেক্সিকোতে। আর এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেবল একটি কনসার্ট নয়, বরং উত্তর আমেরিকার সংস্কৃতির এক বিশাল প্রদর্শনী হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

 

আদিবাসী ঐতিহ্যের নান্দনিকতা ও ‘পাপেল পিকাডো’র জাদু
সাংস্কৃতিক পরিবেশনার শুরুতেই গ্যালারি ও মাঠজুড়ে মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্প ‘পাপেল পিকাডো’ (কাগজ কেটে তৈরি বিশেষ নকশা)-এর আদলে তৈরি চোখধাঁধানো ভিজ্যুয়াল ফুটিয়ে তোলা হয়। মেক্সিকোর নিজস্ব সাংস্কৃতিক শেকড়কে সম্মান জানাতে মঞ্চে হাজির হন দেশটির আদিবাসী পারফর্মাররা। ঐতিহ্যবাহী পোশাকে তাদের লোকনৃত্য এবং সমসাময়িক ফোকলোর অ্যাক্টের নান্দনিক কোরিওগ্রাফি পুরো স্টেডিয়ামকে এক মায়াবী আবহে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। বর্ণিল পোশাক আর প্রযুক্তিনির্ভর থ্রিডি মঞ্চসজ্জা উদ্বোধনী আয়োজনের নান্দনিকতাকে নিয়ে যায় এক ভিন্ন উচ্চতায়।

 

মঞ্চ মাতালেন শাকিরা-বার্না বয়: প্রথমবার লাইভে ‘দাই দাই’
বিশ্বকাপের মঞ্চ আর কলম্বিয়ান পপ কুইন শাকিরা—এই দুটি নাম যেন একে অপরের পরিপূরক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণই ছিল এই পপ তারকার উপস্থিতি। মঞ্চে তার নাম ঘোষণা হতেই গ্যালারিতে রীতিকতো করতালির ঝড় ওঠে। নাইজেরিয়ান সুপারস্টার বার্না বয়ের সাথে মঞ্চে এসে শাকিরা পরিবেশন করেন ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল অ্যান্থেম বা থিম সং ‘দাই দাই’ । এই প্রথম গানটি কোনো লাইভ মঞ্চে পরিবেশন করলেন এই দুই গ্লোবাল আইকন। আফ্রোবিট আর ল্যাটিন পপের এই অনবদ্য ফিউশন দর্শকদের নাচতে বাধ্য করে।

 

ল্যাটিন ও মেক্সিকান তারকাদের মেলা
শুধু শাকিরা বা বার্না বয়-ই নন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে রঙিন করতে মেক্সিকোর ঘরের তারকা এবং বিশ্বখ্যাত ল্যাটিন শিল্পীদের এক বিশাল লাইনআপ জড়ো করেছিল ফিফা। কলম্বিয়ান তারকা জে বালভিন মঞ্চে ঝড় তোলেন তার জনপ্রিয় ট্র্যাকগুলো দিয়ে। বিশেষ করে তরুণদের ক্রেজ রায়ান কাস্ত্রো মঞ্চে এসে জে বালভিনের সাথে এক যুগল পরিবেশনায় মেতে ওঠেন।

মেক্সিকোর নিজস্ব সঙ্গীত ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে মঞ্চে আসেন গ্র্যামি জয়ী কিংবদন্তি পপ-রক ব্যান্ড ‘মানাঁ’। এছাড়া বেলিন্ডা, ড্যানি ওশান, লিলা ডাউনস এবং লস অ্যাঞ্জেলেস আজুলসের মতো জনপ্রিয় মেক্সিকান ও ল্যাটিন শিল্পীদের একের পর এক পরিবেশনা অনুষ্ঠানটিকে একটি আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ দেয়।

আবেগঘন জাতীয় সঙ্গীত ও সালমা হায়েকের উপস্থিতি
সাংস্কৃতিক আয়োজনের অন্যতম আবেগঘন মুহূর্তটি তৈরি হয় যখন মেক্সিকোর অন্যতম জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী আলেহান্দ্রো ফার্নান্দেজ স্বদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। অন্যদিকে উদ্বোধনী ম্যাচের অপর দল দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে শোনান দক্ষিণ আফ্রিকান তরুণ সেনসেশন টাইলা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের এই বিশাল আয়োজনে বিশেষ অতিথি ও ফিফা বিশ্বকাপের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে মাঠে উপস্থিত ছিলেন মেক্সিকান-আমেরিকান একাডেমি অ্যাওয়ার্ড মনোনীত বিখ্যাত অভিনেত্রী ও পরিচালক সালমা হায়েক পিনল্ট। তিনি স্টেডিয়ামে উপস্থিত বিশ্বজুড়ে কোটি ফুটবল ভক্তকে মেক্সিকোর মাটিতে স্বাগত জানান এবং ফুটবলের একতার বার্তা ছড়িয়ে দেন।

বিশ্বরেকর্ড ও তিন দেশের ত্রয়ী আয়োজন
মেক্সিকোর এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইতিহাস গড়ে ফেলল অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম। বিশ্বের প্রথম স্টেডিয়াম হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের (১৯৭০, ১৯৮৬ এবং ২০২৬) উদ্বোধনী ম্যাচ বা অনুষ্ঠান আয়োজনের অনন্য কীর্তি গড়ল পেলে-ম্যারাডোনার স্মৃতিবিজড়িত এই ঐতিহাসিক মাঠ।

ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই আয়োজনকে ‘পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ শো’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। মেক্সিকোর এই বর্ণিল সাংস্কৃতিক যজ্ঞের পর বিশ্বকাপের উদ্বোধনী রেশ ছড়াবে কানাডার টরন্টো এবং যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে। যেখানে মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মরিসেট এবং কেটি পেরির মতো তারকারা নিজ নিজ দেশের সংস্কৃতির ডালি নিয়ে হাজির হবেন। তবে প্রথম রাতটি যে শাকিরা, বার্না বয় এবং মেক্সিকোর চোখধাঁধানো লোকজ সংস্কৃতির ছোঁয়ায় ফুটবল ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় হয়ে রইল, তা বলাই বাহুল্য।

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে চৌদ্দ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে চৌদ্দ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শুক্রবার (১২ জুন ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ভোমরা, কাকডাঙ্গা, মাদরা ও হিজলদী বিওপি এবং ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকসহ চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঔষধ, চিংড়ি মাছের রেনুপোনা ও ১৫ বোতল মদ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর জানায়, ভোমরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার বাদামতলী হতে ৪ লাখ টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে কলারোয়া থানার কেড়াগাছি ও ভাদিয়ালি হতে ৩ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় ঔষধ ও মদ আটক করে।

 

মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার রাজপুর হতে ৩ লাখ ৬১ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। হিজলদী বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বড়ালি হতে ১ লাখ ২৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর আভিযানে কলারোয়া থানার বোয়ালিয়া হতে ২ লাখ টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে।
আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

চোটে বিশ্বকাপ শেষ জাপান অধিনায়কের, তারপর অবসর ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
চোটে বিশ্বকাপ শেষ জাপান অধিনায়কের, তারপর অবসর ঘোষণা

চোটের কারণে আসন্ন বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন জাপান অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দো। হতাশায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দলের প্রথম ম্যাচের মাত্র তিন দিন আগে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকেও অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন অভিজ্ঞ এই মিডফিল্ডার। তার অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেবেন ডিফেন্ডার কো ইতাকুরা।

পায়ের চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে না পারায় টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন লিভারপুলের এই মিডফিল্ডার। তার পরিবর্তে জাপান দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বোরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখের শুতো মাচিনোকে। তার পরেই ৩৩ বছর বয়সী এন্দো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, বিশ্বকাপে খেলতে না পারায় তিনি ‘হতাশ’। তবে গ্রুপ ‘এফ’-এ নেদারল্যান্ডস, তিউনিসিয়া ও সুইডেনের বিপক্ষে জাপান ভালো করবে বলেই বিশ্বাস তার।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এন্দো লিখেছেন, ‘ভবিষ্যতে এমন একটা সময় অবশ্যই আসবে, যখন জাপান বিশ্বকাপ জিতবে। তাই আসুন, আমরা সেই বিশ্বাস ধরে রাখি এবং দলকে সমর্থন করি।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপেই যেন সেই স্বপ্ন বাস্তব হয়, সে জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে জাপানের শক্তি হয়ে দাঁড়াতে হবে।’

জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে এন্দো লিখেছেন, ‘আমি জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন থেকে আমি শুধু একজন সমর্থক হিসেবে জাপানকে সমর্থন জানাব।’

গত ফেব্রুয়ারিতে সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে লিভারপুলের হয়ে খেলতে গিয়ে পায়ের চোটে পড়েন এন্দো। তবে ৩১ মে টোকিওতে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ১-০ গোলের জয়ে তিনি জাপান দলে ফিরেছিলেন। সেই ম্যাচে বিরতির সময় মাঠ ছাড়েন তিনি। পরে মেক্সিকোতে জাপানের বিশ্বকাপ-পূর্ব প্রস্তুতি ক্যাম্পেও অস্বস্তি অনুভব করেন। সেখানে কোনও পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি। সোমবার জাপান দল বিশ্বকাপ ক্যাম্প ন্যাশভিলে পৌঁছানোর পর তিনি অনুশীলনে অংশ নিলেও, টুর্নামেন্টের আগে প্রয়োজনীয় ফিটনেস ফিরে পাননি। এন্দো নিজের শারীরিক ফিটনেস নিয়ে জানান, ‘চোট পাওয়ার পর থেকে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তাই আমার কোনও আক্ষেপ নেই।’

আক্ষেপ না থাকলেও কষ্টটা লুকাননি এন্দো, ‘অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলতে না পারার কষ্ট আছে। তবে তার চেয়েও বড় বিষয় হলো, কাতার বিশ্বকাপের পর থেকে আমি এই দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং দলকে এমন এক জায়গায় নিতে পেরেছি, যেখানে বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করাটা স্বাভাবিক বলে মনে হয়। এজন্য আমি গর্বিত।’

২০১৫ সালে জাপানের হয়ে অভিষেক হয় এন্দোর। জাতীয় দলের জার্সিতে ৭৩ ম্যাচ খেলে চারটি গোল করেছেন তিনি। ছিলেন ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে জাপান দলের সদস্য। কাতার বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনের বিপক্ষে জাপানের স্মরণীয় জয়ের দিনও খেলেছিলেন তিনি।

দেড় লাখ টাকা খরচ করে নিজের বাড়িকে বানালেন ‘ব্রাজিল বাড়ি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
দেড় লাখ টাকা খরচ করে নিজের বাড়িকে বানালেন ‘ব্রাজিল বাড়ি’

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় মাতোয়ারা পুরো বিশ্ব। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটেই চলছে। এমনই এক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ছতুরা-চান্দপুর গ্রামের রুবেল মিয়া।

রুবেল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক। তাই নিজের পুরো বাড়িটির রঙ করিয়েছেন, নিজদল ব্রাজিলের পতাকার আদলে। বাড়ির সীমানা দেওয়ালে ব্রাজিলের পতাকার পাশাপাশি সে দেশের খেলোয়াড়দের ছবি এঁকেছেন। বাড়ির ভবনে আঁকা হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও।

এদিকে বাড়িটিকে একনজর দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ব্রাজিল সমর্থকরা ছুটে আসছেন। ব্রাজিল ছাড়া অন্য দলের সমর্থকরাও বাড়িটির প্রশংসা করছেন। পুরো উপজেলাজুড়ে এমন বাড়ি নেই বলে দাবি করছেন মালিক রুবেল। বাড়িটির কারণে এলাকার নামও চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে ব্রাজিল বাড়ি বলে।

বাড়ির মালিক রুবেল মিয়া বলেন, ব্রাজিলের খেলা আমার পছন্দ। আমি ছোট বেলা থেকে ব্রাজিল সাপোর্ট করে আসছি। আর এই কারণেই ব্রাজিলের পতাকার আদলে বাড়ির ভবন ও সীমানা দেয়াল রঙ করিয়েছি। খেলোয়াড়দের ছবিও আঁকিয়েছি। গত ১৬ দিন ধরে কাজ চলছে। এখনও কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। রঙ করতে প্রায় দেড় লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। অনেকে আসছেন বাড়িটি দেখতে। আমি মনে করি আমার প্রিয় দল ব্রাজিল এবার বিশ্বকাপে ভালো করবে এবং শিরোপা জয়লাভ করবে।

তিনি তার প্রিয় দল ব্রাজিল দলের জন্যে সবার কাছে দোয়া চান।