বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

আগের দিনটাই ভালো ছিল!/ শেখ আমিনুর রহমান কাজল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
আগের দিনটাই ভালো ছিল!/ শেখ আমিনুর রহমান কাজল

শেখ আমিনুর রহমান কাজল

একটা সময় ছিল, যখন আনন্দ মানেই ছিল একসাথে থাকা। প্রযুক্তি ছিল কম, কিন্তু মানুষের মধ্যে হৃদ্যতা ছিল অনেক বেশি। আজ সবকিছু হাতের মুঠোয় চলে এসেছে, কিন্তু সেই প্রাণখোলা আনন্দ, সেই মিলেমিশে থাকার উষ্ণতা যেন কোথাও হারিয়ে গেছে।

আগে টিভি ছিল গ্রামের বা পাড়ার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। একটা-দুটো বাড়িতে টিভি থাকত, আর সন্ধ্যা নামলেই আশেপাশের মানুষজন সেখানে জড়ো হতে শুরু করত। কেউ মাদুর নিয়ে আসত, কেউ চাটাই, কেউবা একটা ছোট্ট টুল। ঘরের ভেতর জায়গা না হলে উঠোনে বসেই টিভি দেখা হতো। টিভির পর্দার চেয়ে বেশি প্রাণবন্ত ছিল মানুষের মুখের হাসি, গল্প আর উচ্ছ্বাস।

বিশ্বকাপ ফুটবল এলে পুরো পাড়া যেন উৎসবের নগরীতে পরিণত হতো। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স, মেক্সিকো কিংবা ক্যামেরুন—প্রতিটি দলেরই আলাদা সমর্থক ছিল। খেলা শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকেই চলত তর্ক-বিতর্ক, ভবিষ্যদ্বাণী আর খুনসুটি।

কারো বাড়ির ছাদে উড়ত ব্রাজিলের পতাকা, কারো উঠোনে আর্জেন্টিনার। জার্মানির সমর্থকরা নিজেদের দলকে সবচেয়ে শৃঙ্খলাবদ্ধ বলে গর্ব করত, ইতালির সমর্থকরা বলত তাদের রক্ষণভাগের তুলনা নেই। ফ্রান্সের সমর্থকরা তারকাদের নিয়ে আলোচনা করত, আর ক্যামেরুন বা মেক্সিকোর সমর্থকরা নিজেদের দলকে আন্ডারডগ হিসেবে সাহস দিত।

খেলা চলাকালে গোল হলে পুরো পাড়া কেঁপে উঠত। ব্রাজিল গোল দিলে একদল লাফিয়ে উঠত, আর্জেন্টিনা গোল দিলে আরেকদল আনন্দে চিৎকার করত। কেউ বাঁশি বাজাত, কেউ পটকা ফুটাত, কেউ আবার দৌড়ে গিয়ে বন্ধুদের খোঁচা দিত। পরাজয়ের পরও মন খারাপের মাঝেও ছিল এক ধরনের আনন্দ, কারণ পরদিন আবার নতুন করে তর্ক শুরু হবে।

রাত জেগে খেলা দেখার সেই দিনগুলো ছিল অন্যরকম। মাঝরাতে চা বানানো হতো, মুড়ি, চানাচুর, বিস্কুট আর বাদাম ভাগাভাগি করে খাওয়া হতো। কারো চোখে ঘুম চলে এলে পাশের জন ধাক্কা দিয়ে বলত, “এই ওঠ! খেলার আসল মজা এখন শুরু!” মনে হতো পুরো বিশ্বকাপটাই যেন আমাদের পাড়ার মাঠে হচ্ছে।

শুধু খেলা নয়, পিকনিকের আনন্দও ছিল অসাধারণ। শীতের সকালে ট্রাক বা বাস ভাড়া করে সবাই মিলে পিকনিকে যাওয়া হতো। রান্নার দায়িত্ব একদল, খেলাধুলার দায়িত্ব আরেকদল। কেউ মাংস কাটছে, কেউ সবজি ধুচ্ছে, কেউ আগুন জ্বালাচ্ছে। রান্না শেষ হওয়ার আগেই সবাই দশবার জিজ্ঞেস করত, “খাওয়া কবে হবে?”

খাওয়ার পর শুরু হতো গান, কৌতুক, লটারির খেলা, দৌড় প্রতিযোগিতা আর দলবেঁধে ছবি তোলা। তখন ছবি তুলতে মোবাইলের শত শত ক্যামেরা ছিল না, কিন্তু প্রতিটি ছবির পেছনে ছিল শত শত স্মৃতি।

ঈদ, পূজা, নববর্ষ কিংবা যে কোনো উৎসব মানেই ছিল একসাথে আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। বিকেলে মাঠে আড্ডা, রাতে গল্প, আর ছোট ছোট বিষয় নিয়েই অনেক বড় আনন্দ।

তারপর ধীরে ধীরে সময় বদলালো। ঘরে ঘরে টিভি এলো। এরপর এলো স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, ইউটিউব, ফেসবুক আর অসংখ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। এখন খেলার স্কোর মোবাইলে, সিনেমা মোবাইলে, খবর মোবাইলে, বিনোদন মোবাইলে। এমনকি অনেক সময় সম্পর্কও এখন মোবাইলের পর্দার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

আগে মানুষ মানুষকে খুঁজত, এখন খোঁজে ওয়াই-ফাইয়ের পাসওয়ার্ড। আগে বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে খেলা দেখা হতো, এখন একই বাড়িতে থেকেও সবাই আলাদা আলাদা স্ক্রিনে ব্যস্ত।

আগে বিশ্বকাপের ফাইনাল মিস হয়ে গেলে কষ্ট লাগত। এখন সবাই বলে, “সমস্যা কী? পরে হাইলাইটস দেখে নেব।” কিন্তু হাইলাইটস কি সেই উত্তেজনা ফিরিয়ে দিতে পারে? সেই একসাথে চিৎকার করা, সেই বুক ধড়ফড় করা মুহূর্তগুলো কি আর ফিরে আসে?

প্রযুক্তি আমাদের অনেক সুবিধা দিয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। কিন্তু সেই সঙ্গে অজান্তেই কে যেন আমাদের কাছ থেকে কিছু মূল্যবান জিনিস নিয়ে গেছে—একসাথে বসে হাসার সময়, গল্প করার সময়, সম্পর্কের উষ্ণতা আর প্রাণখোলা আনন্দ।

আগে টিভি কম ছিল, কিন্তু মানুষ বেশি ছিল। এখন টিভি বেশি, মোবাইল বেশি, ইন্টারনেট বেশি—কিন্তু একসাথে বসে আনন্দ করার মানুষ যেন একটু কমে গেছে।

আজও যখন কোনো পুরোনো বিশ্বকাপের কথা মনে পড়ে, ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সেই তর্কের কথা মনে পড়ে, জার্মানি-ইতালির সমর্থকদের উল্লাস মনে পড়ে, পিকনিকের সেই হাসির শব্দ কানে ভেসে আসে—তখন মনটা অদ্ভুত এক নস্টালজিয়ায় ভরে ওঠে।

তখন সত্যিই মনে হয়Ñ আগের দিনগুলোতে হয়তো প্রযুক্তি কম ছিল, কিন্তু জীবনটা ছিল অনেক বেশি জীবন্ত। সুবিধা কম ছিল, কিন্তু সুখ ছিল বেশি। বিনোদনের মাধ্যম কম ছিল, কিন্তু আনন্দ ছিল অফুরন্ত।

তাই আজও হৃদয়ের গভীর থেকে একটি কথাই বারবার ভেসে আসেÑ “আগের দিনটাই ভালো ছিল; কারণ তখন মানুষ একে অপরের অনেক বেশি কাছাকাছি ছিল।”

লেখক: শিক্ষক

 

 

Ads small one

প্রায় ৭৫ হাজার মামলা বিচারাধীন: বিচারক ১০ গুণ বাড়ালেও জট নিরসন সম্ভব নয়: সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
প্রায় ৭৫ হাজার মামলা বিচারাধীন: বিচারক ১০ গুণ বাড়ালেও জট নিরসন সম্ভব নয়: সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ

বদিউজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলায় বর্তমানে প্রায় ৭৫ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিদ্যমান বিচারকের সংখ্যার চেয়ে দশ গুণ বেশি বিচারক নিয়োগ দেওয়া হলেও শুধু প্রচলিত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাঙ্খিত সময়ে এসব মামলার নিষ্পত্তি সম্ভব হবে না। তাই আদালতের মামলা জট কমাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) এবং লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আপসযোগ্য মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আপসযোগ্য মামলাগুলো লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে উভয় পক্ষের সম্মতিতে নিষ্পত্তি করা গেলে শুধু একটি মামলারই অবসান ঘটে না, বরং দুই পরিবারের মধ্যে বিরাজমান বিরোধ ও তিক্ততারও অবসান ঘটে। এতে সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আদালতের ওপর মামলার চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।
তিনি আরও বলেন, বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও সহজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার জাতীয় আইনগত সহায়তা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করেছে। এ লক্ষ্যে আইন সংশোধনের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বর্তমানে বেশ কিছু ধরনের মামলা আদালতে দায়েরের আগে বাধ্যতামূলকভাবে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে আপসের উদ্যোগ গ্রহণের বিধান রয়েছে। এই উদ্যোগকে সফল করতে বিচারক, আইনজীবী, সরকারি কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান এবং জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু। এছাড়া বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মোঃ জাহারুল ইসলাম, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি শেখ আলমগীর আশরাফ, প্যানেল আইনজীবী খায়রুল বদিউজ্জামান, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মুনিরউদ্দিন, অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন লিমা, অ্যাডভোকেট নাজমুন নাহার ঝুমুর, অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান, অ্যাডভোকেট আকরাম আলীসহ অন্যান্যরা। সভায় সাতক্ষীরা বিচার বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারক, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির প্যানেল আইনজীবী এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সভায় পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে লিগ্যাল এইড আইন সংশোধন-সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া বিভিন্ন আইনে আপসযোগ্য মামলার পরিধি, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির আইনি কাঠামো এবং আপসের কার্যকর পদ্ধতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ নয়ন বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
সভায় বক্তারা বলেন, আদালতের মামলা জট নিরসন, বিচারপ্রার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে হবে। এ জন্য বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমাজ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি পুনর্গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি পুনর্গঠন

চার কর্মকর্তার পদত্যাগের পর সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কার্যকরী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। এর আগে গত ২৬ জুলাই রাতে আলিপুর ট্রাক টার্মিনালে সমিতির কার্যালয়ে সভাপতি তাহমিদ শাহেদ চয়নের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় শেখ সাঈদ আহমেদ, বিপুল মমিন খান চৌধুরী, তহিদুজ্জামান ও আবু হাসানের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়। পরবর্তীতে সর্বসম্মতিক্রমে কুতুব উদ্দিনকে কার্যকরী সভাপতি, আকবর আলীকে সহসভাপতি, রজত হাজরাকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং শেখ মহিবুল ইসলাম দুলালকে প্রচার সম্পাদক মনোনীত করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধানের দাবিতে পরিবারের জিডি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধানের দাবিতে পরিবারের জিডি

পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়েছেন সাতক্ষীরা শহরের গড়কান্দা গ্রামের চা পরিবেশক ও ব্যবসায়ী আবদুল হাকিম (শাহজাহান ম-লের ছেলে)। গত ২৪ ঘণ্টায় তাঁর কোনো সন্ধান না পেয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে পরিবার। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুলাই কালীগঞ্জে পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন আবদুল হাকিম। এরপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি এবং তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তবে কয়েকটি অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে পরিবারের কাছে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা দাবি করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর বাবা শাহজাহান ম-ল আজ ২৯ জুলাই সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি জিডি (নং-১৮৮২) দায়ের করেছেন। নিখোঁজ ব্যবসায়ী আবদুল হাকিম দীর্ঘদিন ধরে চায়ের ডিলারের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ২৪ ঘণ্টা পার হলেও তাঁর কোনো খোঁজ না পাওয়ায় স্বজনেরা গভীর উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি