সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

সড়ক সংস্কারে অপ্রয়োজনীয় অংশ উচ্ছেদ না করার দাবিতে কুলিয়ায় মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৪:৫০ অপরাহ্ণ
সড়ক সংস্কারে অপ্রয়োজনীয় অংশ উচ্ছেদ না করার দাবিতে কুলিয়ায় মানববন্ধন

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি সড়কের আলিপুর-কুলিয়া এলাকায় রাস্তার উন্নয়ন কাজের জন্য সড়কের দু’পাশে সরকারি জমি শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় অংশ ছাড়া বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন উচ্ছেদ অভিযানে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ভূমিহীনরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন সেই আশঙ্কা থেকে এই মানববন্ধনের ডাক দেওয়া হয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ১০ঘটিকায় সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়ার ঐতিহ্যবাহী শহীদ মিনার চত্বরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কুলিয়ার স্থানীয় ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়।

মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মেহেদী হাসান সবুজ, কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি শিক্ষক সাদিকুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন এর সভাপতি মাওলানা রুহুল আমিন, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল ও সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা, কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আবু সাঈদ ও কুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসেন আলী প্রমুখ।

দেবহাটা উপজেলা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আগামী ২৪ ও ২৫ তারিখে আলিপুর থেকে কুলিয়া পর্যন্ত রাস্তার উন্নয়ন কাজের জন্য রাস্তার দু’পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার কথা রয়েছে। উক্ত উচ্ছেদ অভিযানে সড়ক বড় করার জন্য সরকারের যতটুকু জমি প্রয়োজন, ততটুকু অবশ্যই ব্যবহার করা হোক, এতে কারও কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত অংশ উচ্ছেদ করলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সম্পূর্ণ নিঃশ্ব হয়ে পড়বেন।

 

রোজগারের অভাবে তাদের পরিবারের প্রতি নেমে আসবে চরম দুর্দশা ও হতাশা। সর্বপরি গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর একটি বড় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। “উন্নয়নের স্বার্থে রাস্তা বড় করা হোক, আমরা সকলে সেটা প্রত্যাশা করি। কিন্তু সড়কের প্রয়োজনে যতটুকু দরকার, ঠিক ততটুকুই উচ্ছেদ করা হোক। বাকি অংশ উচ্ছেদ না করে ব্যবসায়ীদের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ দেওয়া হোক।” অপ্রয়োজনীয় অংশ উচ্ছেদ না করেও সড়ক উন্নয়নের কাজ সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া শতভাগ সম্ভব।

বক্তারা আরও জোর দিয়ে বলেন, সওজের এই অভিযানের কারণে অনেকেই বাস্তুচ্যুত বা ভূমিহীন হয়ে পড়বেন, উচ্ছেদের আগে বা অবিলম্বে তাদের সরকারি উদ্যোগে পূর্ণবাসন নিশ্চিত করতে হবে। পুনর্বাসন ছাড়া আকস্মিক এই উচ্ছেদ অভিযান স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তুলবে। মানববন্ধন থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসন ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রতি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিবেচনা করার জোর দাবি জানানো হয়।

 

 

Ads small one

খুলনায় আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
খুলনায় আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টিপ্রিনিউরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) এপিসিইউ-ডিএএম অংগ’ প্রকল্পের আওতায় আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা আজ (সোমবার) খুলনা সিএসএস আভা সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এম. এম. আরিফ পাশা।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি বলেন, কৃষি দেশের প্রধান চালিকা শক্তি। দেশের ৪৫ শতাংশ মানুষ সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু আমাদের কৃষি ব্যবস্থা সেই পুরনো রয়ে গেছে। বর্তমানে বাজারমুখি বিশ^ব্যবস্থার সাথে তাল মেলাতে গেলে আমাদের সনাতন কৃষি ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের আমদানি কমাতে হবে এবং কোয়ালিটি ফুড উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করতে হবে।

খুলনা কৃষি বিপণন কার্যালয়ের উপপরিচালক মোছা: শাহনাজ বেগমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো: রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজ সিফাত মেহনাজ ও পার্টনারের এজেন্সি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. মুহাম্মদ আব্দুলাহ আল ফারুক। কর্মশালায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পার্টনারের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার তৌহিদ মো: রাশেদ খান ও খুলনা কৃষি বিপণন কার্যালয়ের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সুমন হোসাইন। কৃষি বিপণন কার্যালয় এই কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা তাদের কার্যক্রম বিষয়ক মতামত তুলে ধরেন।
পার্টনার প্রোগ্রামের মাধ্যমে কৃষি ব্যবসায় যুবক ও নারীদের উৎসাহিত করার জন্য সারাদেশে ২০ হাজার জনকে অন-দ্যা-জব প্রশিক্ষণ প্রদান ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ইনকিউবেশন সাপোর্ট প্রদান করা হবে। যার মধ্যে রয়েছে ১২ হাজার নারী ও আট হাজার যুবক।

 

২০ হাজারের মধ্যে ছয় হাজার পাঁচশত ৭৫ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে, যার মধ্যে তিন হাজার আটশত ১৫ জন নারী উদ্যোক্তা এবং দুই হাজার সাতশত ৬০ জন পুরুষ উদ্যোক্তা। এই প্রকল্পটি দেশের আটটি বিভাগে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভাসহ ৬৪টি জেলা ও ২০৮টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষি উদ্যোক্তা, ম্যাবস সদস্য, আড়তদাররা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ছাত্রশিবিরের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ছাত্রশিবিরের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষের প্রায় ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখা। সোমবার (২২ জুন) সকাল ৯টায় কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জিয়াউর রহমান ফাহিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, শিক্ষাজীবন শুধু সনদ অর্জনের জন্য নয়, বরং নিজেকে একজন আদর্শ, নৈতিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলারও গুরুত্বপূর্ণ সময়। তিনি শিক্ষার্থীদের মাদক, সন্ত্রাস ও সকল ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে দেশের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান এবং সেক্রেটারি মো. নুরুন্নবী।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, শহর জামায়াতের আমির জাহিদুল ইসলাম বকুল, সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক আব্দুর রহিম, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুবায়ের রহমান এবং জেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমিন।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইতিবাচক সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কার্যক্রমের বিকল্প নেই। তারা নবীনদের শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই সময়ের সঠিক ব্যবহার, একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জন এবং সমাজকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
এসময় সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ, অর্থ সম্পাদক হাফেজ আনিসুর রহমান, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক আবু সালেহ সাদ্দাম, তথ্য ও মিডিয়া সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল রাজিব, প্রকাশনা ও গবেষণা সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন আফজাল, মাদরাসা কার্যক্রম সম্পাদক মো. শাহনেওয়াজ, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রচার সম্পাদক মো. ওয়ালীউল্লাহ, এইচআরডি সম্পাদক মো. মাসুদুজ্জামান, ক্রীড়া সম্পাদক হাফেজ এবাদুল ইসলাম, ব্যবসা শিক্ষা সম্পাদক শামীম হোসেন এবং আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক মো. আতিক মুজাহিদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। এছাড়া সাংগঠনিক পরিচিতি, দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।

শ্যামনগরে স্থাপনার মধ্যভাগ দিয়ে ড্রেন নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে স্থাপনার মধ্যভাগ দিয়ে ড্রেন নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

শ্যামনগর প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের অর্থায়নে নির্মিত শ্যামনগরের একমাত্র চিংড়ি পোনা (পিএল) ক্রয়-বিক্রয় কেন্দ্রের মধ্যভাগ দিয়ে ড্রেন তৈরীর প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়েছে। সোমবার সকালে বংশীপুর বাস্ট্যান্ডে চিংড়ি পোনা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে ক্রেতা-বিক্রেতাসহ সাধারণ মানুষ অংশ নেয়।

কমিউনিটি বেইজড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ফিসারিজ এ্যান্ড অ্যাকোয়াকালচার ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় দুই বছর আগে ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে উক্ত স্থাপনা নির্মিত হয়।

সমিতির সভাপতি এম. কে কামরুজ্জামান কচির সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আব্দুল কাদের গাজী, ফারুক হোসেন, আবু বক্কার সিদ্দিক বাবু, আব্দুল আহাদ প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পরিবর্তিত জলবায়ু পরিস্থিতির কারনে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চিংড়ি খাতের জন্য বংশীপুর চিংড়ি পোনা ক্রয়-বিক্রয় কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিদিন এখানে বিপুল পরিমাণ চিংড়ি পোনা ক্রয়-বিক্রয় হয়, যা স্থানীয় স্থানীয় ও জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখছে। অথচ সওজ কতৃপক্ষ অপরিকল্পিত ড্রেন নির্মানের স্বার্থে উক্ত স্থাপনার মধ্যভাগ খুঁড়ে ফেলতে চাইছে। যা বাস্তবায়িত হলে শতাধিক ব্যবসায়ীর পাশাপাশি হাজারও শ্রমিক জীবিকা হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে।

এমতাবস্থায় উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি জনস্বার্থ ও বাস্তবতা উপলব্ধির আহবান জানান বক্তারা। একইসাথে তারা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকাসহ ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতির বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে পরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণের দাবি করেন।

শ্যামনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তৌহিদ হাসান এর ভাষ্য, উপকুলবর্তী চারটি উপজেলার মানুষ উক্ত স্থাপনা হতে পিএল ক্রয়-বিক্রয়ে জড়িত। প্রতিদিন প্রায় কোটি টাকা লেনদেনের কারনে অর্থনীতিতে তার যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে- দাবি করে তিনি বিকল্পভাবে সড়কের সম্প্রসারণ কাজ সম্পন্নের কথা জানান।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রাফিউজ্জামান জানান প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় সংশ্লিষ্টরা দায়িত্বশীল হলে এমন সমস্যা তৈরি হতো না। তারপরও উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।