শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩

কলারোয়ার চন্দনপুর ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা থেকে মোটরসাইকেল চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
কলারোয়ার চন্দনপুর ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা থেকে মোটরসাইকেল চুরি

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ার চন্দনপুর ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে চন্দনপুর ভাটার সামনের মাঠে ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানস্থল থেকে ওই মোটরসাইকেলটি চুরি হয় বলে মোটরসাইকেলের মালিক জানিয়েছেন।

চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি Suzuki Gixxer FI ABS মডেলের, যার রং সিলভার-অরেঞ্জ। মোটরসাইকেলটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর সাতক্ষীরা ল-১৩-৮২৮৪।

মোটরসাইকেলের মালিক জানান, এ ঘটনায় ইতোমধ্যে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের কাজ চলছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে।

কেউ মোটরসাইকেলটির অবস্থান বা চুরির ঘটনার বিষয়ে কোনো তথ্য জানলে অনুগ্রহ করে ০১৫৭১২৩২৩১৮ নং -এ দ্রুত যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তথ্যদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে এবং তার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।

 

Ads small one

রক্তাক্ত রাজপথ থেকে গণঅভ্যুত্থানের গল্প/ ‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
রক্তাক্ত রাজপথ থেকে গণঅভ্যুত্থানের গল্প/ ‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

 ‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎‎বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের ইতিহাসে স্লোগান সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। স্লোগান কেবল কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, এটি মানুষের আবেগ, প্রতিবাদ, আশা, ক্ষোভ এবং ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ। ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে গণআন্দোলন ও গণজাগরণে স্লোগান জনমত গঠন এবং মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে। জুলাইয়ের আন্দোলনও এর ব্যতিক্রম ছিল না।

‎গণঅভ্যুত্থানের গল্প বলতে গেলে এটি শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনার বিবরণ নয়, এটি মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার এবং পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার গল্প। ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে, ছোট একটি দাবি বা নির্দিষ্ট কোনো ইস্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলন একসময় বৃহত্তর জনআকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। মানুষের ক্ষোভ, বঞ্চনা এবং প্রত্যাশা যখন একত্রিত হয়, তখন তা গণজাগরণের রূপ লাভ করে।

‎জুলাইয়ের আন্দোলনের সূচনাও হয়েছিল শিক্ষার্থীদের একটি দাবিকে কেন্দ্র করে। শুরুতে এটি ছিল ন্যায্যতা, সমঅধিকার এবং বৈষম্যহীন ব্যবস্থার দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাপ্রবাহ পরিবর্তিত হতে থাকে। বিভিন্ন সংঘাত, উত্তেজনা, দমন-পীড়নের অভিযোগ এবং রাজপথে সহিংস পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ফলে আন্দোলন ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীদের গ-ি পেরিয়ে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে।

‎যখন কোনো আন্দোলনের দাবি মানুষের হৃদয়ের দাবি হয়ে ওঠে, তখন সেটি আর একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহেও সেই বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, শ্রমজীবী মানুষ, পেশাজীবী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে শুরু করেন। ফলে আন্দোলন একটি বৃহত্তর সামাজিক চেতনার প্রতীকে রূপ নেয়।

‎এই সময়ে রাজপথে জন্ম নিতে থাকে অসংখ্য স্লোগান। এসব স্লোগান কোনো আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনার ফল ছিল না, বরং মানুষের অনুভূতি, প্রতিবাদ এবং ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা থেকেই এগুলোর জন্ম। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, শহরের প্রধান সড়ক এবং জনসমাগমস্থল স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। আন্দোলনকারীদের কণ্ঠে উচ্চারিত সেই স্লোগান দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

‎স্লোগানের অন্যতম শক্তি হলো এটি জটিল বার্তাকে খুব অল্প কথায় মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারে। একটি স্লোগান মুহূর্তের মধ্যে হাজারো মানুষের অনুভূতির প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হয়। আন্দোলনের সময় রাজপথে উচ্চারিত স্লোগানগুলো আন্দোলনকারীদের সাহস জুগিয়েছে, তাদের মধ্যে ঐক্যের বোধ সৃষ্টি করেছে এবং আন্দোলনের বার্তা আরও বিস্তৃত পরিসরে পৌঁছে দিয়েছে।

‎বাংলাদেশের ইতিহাসে স্লোগানের শক্তি নতুন কোনো বিষয় নয়। ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধের সময়কার জনমত গঠন এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে স্লোগান মানুষের চেতনা জাগিয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সেসব আন্দোলনের মতো জুলাইয়ের আন্দোলনেও স্লোগান ছিল প্রতিবাদের অন্যতম ভাষা।

‎একটি আন্দোলনের সাফল্যের পেছনে নেতৃত্ব, সংগঠন এবং কৌশলের পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে স্লোগান কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। কারণ স্লোগান মানুষের অনুভূতিকে এক সুতোয় গেঁথে দেয় এবং তাদের একটি অভিন্ন লক্ষ্য ও প্রত্যাশার দিকে ঐক্যবদ্ধ করে। জুলাইয়ের আন্দোলনে রাজপথে ধ্বনিত হওয়া স্লোগানগুলো সেই ভূমিকা পালন করেছে বলেই অনেক পর্যবেক্ষক মনে করেন।

‎গণঅভ্যুত্থান কখনো শুধু রাজপথের ঘটনা নয়, এটি মানুষের মনের ভেতরে জমে থাকা প্রত্যাশা, বেদনা এবং পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ। যখন মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করে যে তাদের কণ্ঠস্বর গুরুত্বপূর্ণ, তখন আন্দোলন নতুন শক্তি অর্জন করে। ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায়ে এই বাস্তবতা দেখা গেছে এবং জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহও সেই ধারারই অংশ।

‎আজ সময় এগিয়ে গেছে, কিন্তু সেই উত্তাল দিনের স্মৃতি এখনো অনেক মানুষের মনে জীবন্ত। আন্দোলনের নানা ঘটনা নিয়ে মতভেদ থাকতে পারে, বিশ্লেষণ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু একটি বিষয় অস্বীকার করার উপায় নেই সেই সময়ের স্লোগানগুলো মানুষের আবেগ ও প্রত্যাশার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন হয়ে উঠেছিল। এগুলো শুধু আন্দোলনের মুহূর্তকে ধারণ করেনি, বরং একটি সময়ের সামাজিক বাস্তবতা এবং জনগণের মানসিক অবস্থারও প্রতিচ্ছবি হয়ে রয়েছে।

‎ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে, মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্নে প্রতিবাদের ভাষা কখনো হারিয়ে যায় না। সেই ভাষা কখনো বক্তৃতায়, কখনো লেখায়, কখনো গান বা কবিতায়, আবার কখনো স্লোগানে প্রকাশ পায়। জুলাইয়ের স্লোগানগুলোও তেমনই এক সময়ের স্পন্দন বহন করে। এগুলো কেবল কিছু শব্দ নয়, এগুলো একটি প্রজন্মের অনুভূতি, প্রতিবাদী চেতনা এবং গণজাগরণের স্মারক। ভবিষ্যতে ইতিহাস যখন জুলাইয়ের দিনগুলোকে মূল্যায়ন করবে, তখন রাজপথে ধ্বনিত সেই স্লোগানগুলোও একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে স্মরণ করা হবে। ‎

লেখক: সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা

 

পাইকগাছায় গৃহবধূর আত্মহত্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় গৃহবধূর আত্মহত্যা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছায় এক সন্তানের জননী রিংকু সরদার(২৫) গলায় রশিতে আত্মহত্যা করেছেন। নিহত রিংকু গড়ইখালী ইউনিয়নের উত্তর বাইনবাড়ীয়ার নিবারন সরদারের স্ত্রী।

৩ জুলাই শুক্রবার ভোরে বাড়ীর গরুর গোয়ালের আড়ায় গঁলায় রশিতে ঝুলানো অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত রিংকুর পিতা আমুরকাটার উপানন্দ সরদার ও তার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, জামাই নিবারণ একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি। প্রায় সময় মেয়ের উপর শারীরিক ও মানসিক ভাবে অত্যাচার চালাতো, যা সবাই জানে।

প্রাথমিক ভাবে জানাগেছে, স্বামী স্ত্রীর দাম্পত্য কলহে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে, এটা আত্মহত্যা না হত্যাকান্ড তা এ মুহুর্তে পুলিশ নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি।

পাইকগাছার বাইনবাড়ীয়া পুলিশ ক্যাম্পের আইসি খায়রুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহ উদ্ধার করে লাশের সুরোতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন করেছেন। পুলিশ জানিয়েছেন,এটা হত্যা না আত্মহত্যার ঘটনা তা নিশ্চিত হতে ময়না তদন্তের রিপোর্ট ছাড়া আগাম মন্তব্য করা ঠিক হবেনা। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

পাইকগাছায় উন্নয়ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ, ইউএনও’র পরিদর্শনে মিললো সত্যতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় উন্নয়ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ, ইউএনও’র পরিদর্শনে মিললো সত্যতা

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা): পাইকগাছা পৌরসভায় সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার না করে অনিয়মের আশ্রয় নেওয়ার এক নজিরবিহীন অভিযোগ সামনে এসেছে। পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ আরসিসি ঢালাই রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণকাজে প্রাক্কলন (সিডিউল) অমান্য করার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। সিডিউলের তোয়াক্কা না করে ঠিকাদারের এমন কাজের ধরনে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জানা যায়, পৌরসভার টোল আনারের বাড়ি থেকে বিদ্যুৎ কুমার রায়ের বাড়ি পর্যন্ত আনুমানিক ১০৮ মিটার সিসি সড়ক ও ড্রেন নির্মাণকাজটি বরাদ্দের চুক্তি পায় ‘আখি এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে সাব-ঠিকাদার হিসেবে ইউসুফ আলী সরদার নামের এক ব্যক্তি কাজটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করেন। গত ২৮ জুন সড়কটির ঢালাই কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই মূলত কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সিডিউল অনুযায়ী আরসিসি রাস্তায় ৪ ইঞ্চি পুরুত্ব (থিকনেস) ঢালাই দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বাস্তবে দেওয়া হয়েছে মাত্র আড়াই থেকে সর্বোচ্চ ৩ ইঞ্চি; এমনকি কোনো কোনো অংশে মাত্র ২ ইঞ্চি ঢালাই দেওয়া হয়েছে। আরও অভিযোগ উঠেছে, ড্রেনের স্লাবের (ঢাকনা) ভেতরে বাধ্যতামূলকভাবে রডের খাঁচা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও, তা লঙ্ঘন করে রড ছাড়াই গ্রেফ বালু ও সিমেন্টের প্রলেপে ঢালাই করা হয়েছে। পরবর্তীতে স্থানীয় জনতা ১০টি অব্যবহৃত রডের খাঁচাও উদ্ধার করেন। এছাড়া নির্মাণকাজে লবণাক্ত বালু এবং নিম্নমানের খোয়া ব্যবহারের পাশাপাশি সিমেন্টের পরিমাণ এতটাই কম ছিল যে, ঢালাইয়ের মাত্র দুই দিন পরেই তা হাত দিয়ে ভেঙে ফেলা যাচ্ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা একে অপরের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেন। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী নুর আহাম্মদ জানান, তিনি মূলত সাতক্ষীরা পৌরসভায় কর্মরত এবং পাইকগাছায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, তাই বিস্তারিত উপসহকারী ও কার্যসহকারী বলতে পারবেন। অন্যদিকে, উপসহকারী প্রকৌশলী লিংকন জানান, সিডিউল অনুযায়ী কাজ না হয়ে থাকলে ত্রুটিপূর্ণ অংশ ভেঙে পুনরায় নির্মাণ করা হবে। তবে কার্যসহকারী বিদ্যুৎ কুমার রায় নিজের দায় এড়াতে দাবি করেন, ঠিকাদার তার নির্দেশনা না মেনে জোর করে কাজ সম্পন্ন করেছেন।

বিষয়টি পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর নজরে আসলে তিনি তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন। গত ১ জুলাই বিকাল ৪টায় অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী নুর আহাম্মদকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে সংবাদে উল্লি¬খিত অভিযোগগুলোর প্রাথমিক সত্যতা পান ইউএনও।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ইউএনও ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জনস্বার্থে নির্বাহী প্রকৌশলীকে অনতিবিলম্বে পুরো ত্রুটিপূর্ণ ঢালাই ও ড্রেন ভেঙে সিডিউল মোতাবেক সম্পূর্ণ নতুন করে এবং মানসম্মতভাবে কাজ সম্পন্ন করার জন্য কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন।