বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

কলারোয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন অনুপস্থিত ৪৭

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন অনুপস্থিত ৪৭

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় এইচএসসি, সমমান আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষা-২০২৬ প্রথম দিন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বছর উপজেলার বিভিন্ন কলেজ ও মাদরাসা থেকে প্রথম দিন বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ৫টি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৪৭২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৪২৫ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। অনুপস্থিত ৪৭ জন পরীক্ষার্থী।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এইচএসসি, সমমান আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষা ৫টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলারোয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ২২৫ জনের মধ্যে ২২১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। অনুপস্থিত ৪ জন। শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ২৬০ জনের মধ্যে ২৫৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন। অনুপস্থিত ৬ জন। কলারোয়া মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ৬৯৫ জনের মধ্যে ৬৭২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। অনুপস্থিত ২৩ জন। কলারোয়া আলিয়া মাদরাসায় ভোকেশনাল কেন্দ্রে ১৪৯ জনের মধ্যে ১৪৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। অনুপস্থিত ৫ জন এবং শেখ আমানুল্লাহ কলেজে আলিম পরীক্ষা কেন্দ্রে ১৪৩ জনের মধ্যে ১৩৪ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। অনুপস্থিত ৯ জন। পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সভাপতি কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম বলেন, সারা দেশের ন্যায় কলারোয়ায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বছর প্রত্যেক বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা হচ্ছে। প্রথমদিন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই কলারোয়ায় শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Ads small one

সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ কেন্দ্রে চরম গাফিলতি: ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ কেন্দ্রে চরম গাফিলতি: ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে (কেন্দ্র কোড: সাতক্ষীরা- ২৬২) এক নজিরবিহীন ও চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনেই ২০২৬ সালের নিয়মিত এক পরীক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে বাংলা প্রথম পত্র (বিষয় কোড: ১০১) পরীক্ষা নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, যশোর বোর্ডের অধীনে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের নিয়মিত বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মো: এজাজ আহমেদ (রোল নং: ৫২০০৮০, রেজিস্ট্রেশন নং: ২১১৩৩১৫২৬৬, সেশন: ২০২৪-২০২৫) সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে বসেন। পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তিনি একজন সম্পূর্ণ নিয়মিত পরীক্ষার্থী। অথচ পরীক্ষার হলে তাকে ২০২৬ সালের নিয়মিত সিলেবাসের পরিবর্তে [২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী] মুদ্রিত ‘ঘ’ সেটের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়।
এদিকে শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনাবলী সম্বলিত অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ ছিল যে নিয়মিত (সেশন: ২০২৪-২০২০) পরীক্ষার্থীরা ২০২৬ সালের অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। অনিয়মিত/মানোন্নয়ন (সেশন: ২০২৩-২০২৪ ও পূর্বের) পরীক্ষার্থীরাই কেবল ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
কিন্তু কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতির কারণে নিয়মিত পরীক্ষার্থীর হাতে অনিয়মিতদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নপত্র তুলে দেওয়া হয়।
অভিভাবক আবুল কালাম বলেন, বোর্ডের এত কড়া নির্দেশনার পরও কেন্দ্র সচিব আর হল পরিদর্শকরা কীভাবে এত বড় ভুল করলেন, তা আমাদের মাথায় আসছে না। আমার ছেলের পুরো বছরের কষ্ট, পড়াশোনা আর ভবিষ্যৎ এখন এই চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে হুমকির মুখে পড়েছে। আমরা এখন তীব্র উদ্বেগের মধ্যে আছি। আমরা যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে জোরালো দাবি জানাচ্ছি, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আমার ছেলের খাতা যেন বিশেষ বিবেচনায় সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়।
এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের একজন শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীর পরীক্ষা হয়তো পুরোটা বাতিল হবে না, তবে ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হবে। যেহেতু সে নিয়মিত শিক্ষার্থী, তাই নিয়মানুযায়ী বোর্ডের কম্পিউটারে তার উত্তরপত্র ২০২৬ সালের নিয়মিত সিলেবাসের সেট কোড অনুযায়ী মূল্যায়ন করা হবে। কিন্তু তার পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে ২০২৫ সালের সিলেবাসের প্রশ্নে। দুই সিলেবাসের মধ্যে বেশ কিছু অধ্যায়ের পার্থক্য রয়েছে, যার কারণে ২০২৬ সালের উত্তরপত্রের সমাধানের সাথে তার দেওয়া উত্তর মিলবে না। ফলে ফলাফল বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা শতভাগ।
তিনি আরও বলেন, এখানে সরাসরি কেন্দ্র সংশ্লিষ্টদের গাফিলতি রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ রক্ষায় দ্রুত বোর্ডে যোগাযোগ করতে হবে। সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ এবং সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজের কেন্দ্র সচিবের মাধ্যমে দ্রুত যশোর শিক্ষা বোর্ডে লিখিতভাবে বিষয়টি জানাতে হবে। পরীক্ষার্থীর রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং খাতার নম্বর উল্লেখ করে কলেজের অফিসিয়াল প্যাডে বোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে যে, অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে এই শিক্ষার্থী ২০২৫ সালের সিলেবাসের প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে। বোর্ডকে আগে থেকে লিখিতভাবে না জানালে রেজাল্ট প্রকাশের সময় এটি আর সংশোধন করা সম্ভব হবে না।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজের অধ্যক্ষ একেএম সফিকুজ্জামান বলেন, পরীক্ষার হলে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণের বিষয়টি আমাকে আগে জানানো হয়নি। এ ধরনের ক্ষেত্রে যদি কোনো কক্ষ পরিদর্শক ভুলক্রমে ভুল সিলেবাসের প্রশ্ন দিয়েও থাকেন, তবে পরীক্ষার্থীর নিজেরই তো সবার আগে বোঝার কথা। কারণ, পরীক্ষার শুরুতে কক্ষ পরিদর্শকদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানতে চাওয়া হয় যে, কারা কোন সিলেবাসের পরীক্ষার্থী এবং সেই অনুযায়ীই প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। একই বেঞ্চে দুই সিলেবাসের শিক্ষার্থী পাশাপাশি বসে পরীক্ষা দেওয়ার সময় কোনো শিক্ষার্থী ভুল প্রশ্ন পেলে তাৎক্ষণিকভাবেই তার পরিদর্শককে জানানো উচিত ছিল যে সে এই সিলেবাসের শিক্ষার্থী নয়।
পরীক্ষা শেষে এখন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের আর কিছু করার নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরীক্ষার্থীর প্রশ্নপত্র পাওয়ার পর ২-১০ মিনিটের মধ্যেই ভুলটি বুঝে ওঠার কথা ছিল। এখন পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পর আমাদের আসলে কিছু করার নেই। এটি পরীক্ষার্থীর অসচেতনতা ও ত্রুটি হিসেবেই গণ্য হবে। পরীক্ষা হয়ে যাওয়ার পর কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের পক্ষে এখন এই ভুল সংশোধন বা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। তবে আগামী দিনের পরীক্ষাগুলোতে যাতে এ ধরনের ভুল আর না ঘটে, সে ব্যাপারে আমরা কক্ষ পরিদর্শক ও শিক্ষকদের আরও বেশি সতর্ক থাকার নির্দেশ দেব।

 

 

 

কলারোয়ায় বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার ও রেকর্ড সংশোধনের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার ও রেকর্ড সংশোধনের দাবি

সংবাদদাতা: কলারোয়া উপজেলার পিছলাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে নিবন্ধিত ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।

আবেদনপত্র সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়টির মোট জমির পরিমাণ ৭৩ শতক। এর মধ্যে ৫৮ শতক জমি ২ নম্বর খতিয়ানে এবং ১৫ শতক জমি ২/১ নম্বর খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত। ১৯৭৩ সালে দুটি পৃথক নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ১৫ শতক জমি ক্রয় করা হয়, যা বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে নিবন্ধিত রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে আরএস রেকর্ড প্রকাশের সময় ২/১ নম্বর খতিয়ানের ৯৬৫ নম্বর দাগের ১৫ শতক জমির মধ্যে ৯ শতক জমি ভুলবশত ‘পিছলাপোল ঈদগাহ ময়দান’-এর নামে রেকর্ড করা হয়। অথচ দলিল অনুযায়ী এই জমির প্রকৃত মালিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই রেকর্ড সংশোধন বিধিসম্মতভাবে করার দাবি জানানো হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন, বিদ্যালয় চত্বরের প্রায় মাঝখানে ঈদগাহ ময়দান থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের চলাচল ও খেলাধুলায় নানা সমস্যা হচ্ছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই জমি পুনরুদ্ধার করা প্রয়োজন।

উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম আবেদনপত্রটি পর্যালোচনা করে জমি উদ্ধারের পক্ষে সুপারিশ করেছেন।

 

কেশবপুরে স্কুলছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু: ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
কেশবপুরে স্কুলছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু: ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এক মেধাবী ছাত্রীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
নিহত কিশোরীর নাম ফারিয়া ইয়াসমিন তিশা (১৬)। সে উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের বাগদহা গ্রামের ঠিকাদার মো. আলমগীর হোসেনের ছোট মেয়ে এবং ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১ জুলাই (বুধবার) তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একই গ্রামের মো. আহাদ আলীর ছেলে রাজিদুর রহমান নিশানের (২১) সঙ্গে ওই কিশোরীর দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের দাবি, রাজিদুর কৌশলে কিশোরীর কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে এবং পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করে। এই মানসিক নির্যাতন সইতে না পেরেই তিশা আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করছে তার পরিবার।
আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। ময়নাতদন্তের (পোস্টমর্টেম) প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। প্রতিবেদন পেতে আনুমানিক ৩০ দিনের মতো সময় লাগতে পারে। তবে পুলিশ বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভিন্ন আলোচনার বিষয়ে এসআই শহিদুল ইসলাম আরও বলেন, অনেক সময় না জেনে অপতথ্য ছড়ানো হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসার আগে কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য তিনি সবাইকে অনুরোধ জানান।
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা, যাতে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়।