সোমবার, ৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

তালায় প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীদের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
তালায় প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীদের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য নতুন আবেদনকারীদের তথ্য যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এই কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে আবেদনকারীদের প্রতিবন্ধিতার ধরন ও মাত্রা সরেজমিনে পরীক্ষা করা হয়।
তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কারিগরি প্রশিক্ষক তৌফিক ইমরানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তালা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দার ফারুক হোসেন, সমাজসেবক এম এম মারুফ উল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ছায়াবীথি’র সভাপতি সাঈদুর রহমান সাঈদ এবং জনপ্রতিনিধি আলমগীর ও তোয়াহিরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ বছর তালা উপজেলায় প্রতিবন্ধী ভাতার অন্তর্ভুক্ত হতে মোট ৬৮৬ জন ব্যক্তি আবেদন করেছেন। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় শারীরিক প্রতিবন্ধিতার পাশাপাশি আবেদনকারীর আর্থ-সামাজিক অবস্থা, বয়স, লিঙ্গ ও ভূমিহীনতার বিষয়গুলোকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জানান, প্রকৃত যোগ্য ও অসচ্ছল ব্যক্তিরা যাতে এই সরকারি সুবিধার আওতায় আসেন, তা নিশ্চিত করতেই এই সরেজমিন যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। চূড়ান্ত তালিকায় নাম আসার পর নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকারীরা ভাতার অর্থ পাবেন।

 

 

Ads small one

শুভেন্দুর দাবী: ৪৮০০ জনকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
শুভেন্দুর দাবী: ৪৮০০ জনকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬

অনলাইন ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রোববার বলেছেন, রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে স্থাপিত হোল্ডিং সেন্টারগুলো থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জন তথাকথিত ‘অবৈধ অভিবাসী’কে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া, আরও ৮৩৬ জন বর্তমানে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

শুভেন্দু অধিকারী এই সংখ্যা জানালেও কবে, কখন এবং কোন সীমান্তে দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে সেই বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। একই সঙ্গে, এসব ‘অবৈধ অভিবাসী’র পরিচয় কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে সেই বিষয়ে এখনো ভারত সরকার বা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজেপির বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবির উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ মোকাবিলা এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষিত করা তার সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানান, সীমান্তের যে ৫৫৬ কিলোমিটার অংশে এখনো বেড়া নির্মাণ করা বাকি রয়েছে, তার মধ্যে প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকায় বেড়া নির্মাণের জন্য রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কাছে জমি হস্তান্তর করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায় ১০০ কিলোমিটার জমি বিএসএফকে দিয়েছি এবং উত্তরবঙ্গের চিকেনস নেক করিডরকে অগ্রাধিকার দিয়েছি।’

 

সিলিগুড়ি করিডর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে বেশি পরিচিত, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে দেশের বাকি অংশের সংযোগ রক্ষাকারী একটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অঞ্চল। সরকারের প্রত্যাবাসন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে অধিকারী বলেন, যেসব অবৈধ অভিবাসী নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় পড়েন না, তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের বিধি অনুসারে সরাসরি বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

 

তিনি অভিযোগ করেন, দেশের অন্যান্য অংশে এ ধরনের বিধান কার্যকর করা হলেও পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকার এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে অবৈধ অভিবাসীরা সরকারি খরচে রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে অবস্থান করার সুযোগ পেয়েছে।

 

এদিকে, গতকাল রোববার পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করা ১০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে প্রায় ৭০ ঘণ্টা পর নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সোমবার দিবাগত রাতে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগের পর তাদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় সীমান্তের ফ্লাডলাইটও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সোমবার দিবাগত রাতে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগের পর তাদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় সীমান্তের ফ্লাডলাইটও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

যশোরে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, ১০ জন আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ
যশোরে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, ১০ জন আটক

অনলাইন ডেস্ক: যশোরের ধর্মতলা এলাকায় ফের যুবলীগের ঝটিকা মিছিল হয়েছে। রোববার বিকেলে ২০-২৫ জনের একটি দল যুবলীগের ব্যানার নিয়ে নানা স্লোগান দিয়ে মিছিল শুরু করে। ব্যানারে লেখা ছিলো সার্বিক ব্যবস্থাপনায় হাজী আলমগীর কবীর সুমন। এ সময় পুলিশ ধাওয়া দিলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

 

পরে সেখানে ডিবি পুলিশ, কোতোয়ালি থানা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হয়। সন্দেহজনকভাবে সেখান থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে যশোর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে সন্দেহভাজন হিসেবে ১০ জনকে আটক করা হয়। তদন্তের স্বার্থে এখনি নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

 

উল্লেখ্য, এরআগে শহরের বাবলাতলা, গরীবশাহ, পোস্ট অফিসপাড়ায় যুবলীগের ব্যানারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নানা শ্লোগান দিয়ে মিছিল করা। এসব ঘটনায়ও জড়িতথাকার অভিযোগে অসংখ্য নেতাকর্মীকে আটক করে।

পাইকগাছায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১:০৩ পূর্বাহ্ণ
পাইকগাছায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আলোচনা সভা

তালা প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা ও তীব্র তাপদাহের ফলে এই অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা ও সম্পদ প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই ক্ষতি মোকাবিলা এবং অভিযোজনের জন্য উন্নত ও দায়ী দেশগুলোর কাছ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিবছর ৩১০ থেকে ৩৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ আদায় করে তা ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বন্টন করতে হবে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রোববার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনার পাইকগাছায় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘প্রকৃতির জন্য অনুপ্রাণিত। জলবায়ুর জন্য। আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘অ্যাওসেড’ ও ‘পাইকগাছা ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরাম’ যৌথভাবে এই সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে।
পাইকগাছা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন পাইকগাছা ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরামের সভাপতি অখিল চন্দ্র ম-ল। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাওসেড-এর হেড অব প্রোগ্রাম শংকর রঞ্জন সরকার এবং মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সংস্থার নলেজ ম্যানেজমেন্টের টিম লিডার মোসালাউদ্দিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অ্যাওসেড-এর উপ-নির্বাহী পরিচালক হেলেনা খাতুন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য, শ্যামাপদ ম-ল, নুরুন্নাহার পারভীন, শেখ জুলি, সুভাষ চন্দ্র ম-ল, নুর ইসলাম গাজী, মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডা. বাসুদেব রায় ও মানিক ভদ্র। আলোচনা সভা শেষে স্থানীয় শহীদ এম. এ. গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে চারটি ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়।