বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

এল নিনোর সতর্কবার্তা: বাংলাদেশসহ ৬ দেশে বন্যা, খরা ও রোগের আশঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
এল নিনোর সতর্কবার্তা: বাংলাদেশসহ ৬ দেশে বন্যা, খরা ও রোগের আশঙ্কা

দ্রুত শক্তিশালী হতে থাকা এল নিনো আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশসহ পূর্ব আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য ভয়াবহ বন্যা, খরা, ভূমিধস ও রোগব্যাধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি) সতর্ক করে বলেছে, জলবায়ুজনিত এ সংকট এমন এক সময়ে দেখা দিচ্ছে, যখন বহু দেশ আগে থেকেই খরা, সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ার কারণে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১৩ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরসি জানায়- কেনিয়া, উগান্ডা, সোমালিয়া, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের লাখো মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশে চলতি মৌসুমি বৃষ্টিতে প্রাণহানি, বন্যা ও বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে।

আইআরসির জরুরি পরিস্থিতি-বিষয়ক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বব কিচেন বলেন, আমরা একসঙ্গে কয়েকটি জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হতে দেখছি। যেসব এলাকার আরেকটি ধাক্কা সামলানোর মতো ন্যূনতম সক্ষমতা নেই, মূলত তারাই এখন সবচেয়ে বড় বিপদের মুখে।

সংস্থাটির মতে, এল নিনোর প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় আবহাওয়ার বৈরিতা আরও বাড়তে পারে। বাংলাদেশে ভারী বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি অব্যাহত থাকবে এবং দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা
গত ৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাইমেট প্রেডিকশন সেন্টার জানিয়েছে, এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী হচ্ছে এবং ১৯৫০ সালের পর এটি অন্যতম শক্তিশালী রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা ৮১ শতাংশ। এর সর্বোচ্চ প্রভাব অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে দেখা যেতে পারে।

এর আগে, জুলাইয়ের শুরুতে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছিল, এল নিনো পরিস্থিতি ইতোমধ্যে সৃষ্টি হয়েছে এবং জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এটি আরও শক্তিশালী হতে পারে।

পূর্ব আফ্রিকায় বাড়ছে উদ্বেগ
আইআরসি জানিয়েছে, পূর্ব আফ্রিকার পরিস্থিতি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। সোমালিয়ার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ৬০ শতাংশ। দীর্ঘস্থায়ী খরা ও বাস্তুচ্যুতির কারণে দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ৪৮ লাখ মানুষের জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। এমন পরিস্থিতিতে এল নিনোজনিত বন্যা সংকটকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

 

সংস্থাটি স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, ২০২৩ সালের বন্যায় সোমালিয়ায় প্রায় ১৩ হাজার টন ফসল নষ্ট হয়েছিল এবং বহু শহর ও জনপদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এবার একই ধরনের বন্যা হলে ক্ষয়ক্ষতি আরও ভয়াবহ হতে পারে, কারণ দেশটির মানুষ ইতোমধ্যেই খরা ও আন্তর্জাতিক সহায়তা কমার কারণে চরম দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।

বাংলাদেশে কেন এত বৃষ্টি
দেশে ৫ জুলাই থেকে ব্যাপক বৃষ্টিপাত শুরু হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মাসের প্রথম ১১ দিনেই জুলাই মাসের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৭৫ শতাংশ হয়ে গেছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, এর প্রধান কারণ ছিল সক্রিয় মৌসুমি বায়ু। এ বছর মৌসুমি বায়ু স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অন্তত সাত দিন দেরিতে এলেও জুলাইয়ের শুরুতেই তা সক্রিয় হয়ে ওঠে, ফলে অল্প সময়ের মধ্যে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদের মতে, এ বৃষ্টিপাতের আরও দুটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ স্বাভাবিক গতিপথ অনুসরণ না করে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল বা চট্টগ্রাম বিভাগের দিকে অগ্রসর হয়েছে। ফলে জলীয় বাষ্পপূর্ণ বাতাস ওই অঞ্চলে বেশি বৃষ্টি ঘটিয়েছে। দ্বিতীয়ত, এল নিনোর একটি বিপরীতমুখী বৈশিষ্ট্য হলো স্বল্প সময়ে অতিবৃষ্টি। এতে সাময়িকভাবে তাপপ্রবাহের প্রশমন ঘটলেও দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরও বেড়ে যায়।

তার মতে, চলতি বছরের ভারী বৃষ্টিপাতকে এল নিনোর এ ধরনের প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

এল নিনো কী
এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার একটি স্বাভাবিক পরিবর্তন, যা সাধারণত দুই থেকে সাত বছর পরপর ঘটে। স্বাভাবিক অবস্থায় বাণিজ্যিক বায়ু উষ্ণ পানিকে পশ্চিম দিকে ঠেলে দেয়। কিন্তু এ বায়ু দুর্বল হয়ে পড়লে উষ্ণ পানি মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটায়। ফলে কোথাও অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টিপাত, কোথাও আবার তীব্র খরা দেখা দেয়। পূর্ব আফ্রিকায় সাধারণত বছরের মাঝামাঝি শুষ্ক আবহাওয়া এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের প্রবণতা তৈরি হয়। আবহাওয়াবিদদের মতে, ভারত মহাসাগরের তাপমাত্রাজনিত আরেকটি পরিবর্তনের কারণে চলতি বছর এল নিনোর প্রভাব আরও তীব্র হতে পারে।

কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তায় বড় ঝুঁকি
চলতি বছরের বৃষ্টিতে দেশে এক লাখ হেক্টরেরও বেশি কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে। বিশ্বব্যাংকের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, এল নিনো পুরোপুরি বিকশিত হলে দক্ষিণ এশিয়া ও পূর্ব আফ্রিকার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে ধানের ফলন ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। যেহেতু এসব অঞ্চলের কোটি মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা ধানের ওপর নির্ভরশীল, তাই খাদ্যসংকট ও মূল্যস্ফীতির ঝুঁকিও বাড়বে।

বিশ্বব্যাংক আরও ইঙ্গিত দিয়েছে, এমন এক সময়ে এ জলবায়ুগত সংকট তৈরি হচ্ছে যখন ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ এবং তেহরানের পাল্টা হামলার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জ্বালানি ও সারের বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা চাপে পড়েছে এবং সার উৎপাদনের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কৃষি উৎপাদন আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আগাম প্রস্তুতির আহ্বান
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় আইআরসি দাতা সংস্থা ও বিভিন্ন সরকারের প্রতি এখনই আগাম দুর্যোগ প্রস্তুতিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির মতে, দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে নগদ সহায়তা, বিশুদ্ধ পানি এবং কার্যকর আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়া গেলে প্রাণহানি, সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি ও মানবিক দুর্ভোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে চরম আবহাওয়ার ঘটনা ক্রমেই ঘন ঘন ও তীব্র হচ্ছে। তাই শুধু দুর্যোগ-পরবর্তী ত্রাণ নয়, বরং আগাম প্রস্তুতি, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বাড়ানো এখন সময়ের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।

Ads small one

ইংল্যান্ডকে বিদায় করে আবারও ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ
ইংল্যান্ডকে বিদায় করে আবারও ফাইনালে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইউরোপের অন্যতম পরাশক্তি ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে আবারও ফাইনালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। পুরো ম্যাচজুড়েই মাঠের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল মেসিরা। এই নিয়ে সপ্তমবারের মত ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল আলবিসেলেস্তারা।

খেলার ৮৫ মিনিটে লিওনেল মেসির প্রথম অ্যাসিস্টে বল পেয়ে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে আর্জেন্টিনাকে ১-১ সমতায় ফেরান চেলসি তারকা এনজো ফের্নান্দেস। এরপর ম্যাচ যখন নিশ্চিতভাবে অতিরিক্ত সময়ের দিকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে লিওনেল মেসির জাদুকরী পাস (দ্বিতীয় অ্যাসিস্ট) থেকে বল পেয়ে ইংল্যান্ডের জাল কাঁপিয়ে দেন বদলি নামা স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেস। তার গোলেই ফাইনালের টিকিট কাটে আলবিসেলেস্তারা।

এর আগে ১৯৩০, ১৯৭৮, ১৯৮৬, ১৯৯০, ২০১৪ ও সর্বশেষ ২০২২ সালে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছে তারা। এর মধ্যে ১৯৭৮ সালে নেদারল্যান্ডসকে ৩-১ গোলে, ১৯৮৬ সালে পশ্চিম জার্মানিকে ৩-২ গোল এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে মোট ৩ বার বিশ্বকাপের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছিল লাতিন আমেরিকার এই দেশটি।

২০২৬ বিশ্বকাপে আজকের খেলাসহ এ পর্যন্ত মোট ৮ টি ম্যাচ খেলেছে মেসিরা। এর মধ্যে সব ম্যাচেই জয় পেয়েছে স্কালোনির শিষ্যরা।

আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ফাইনালে ৮ম বারের মত খেলবে মেসি- মার্টিনেজরা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ইউরোপিয়ান জায়েন্ট স্পেন। এখন দেখার অপেক্ষে কে হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন নাকি আর্জেন্টিনা।

১৬ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ৪০ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

 

২-১ গোলে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:০০ পূর্বাহ্ণ
২-১ গোলে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা

অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দেখা মিলেছে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিতে ৫৫ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। গোলটি করেন অ্যান্থনি গর্ডন। তবে ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের গোলে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। তার পর ৯০+২ মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজের গোলে স্কোর ২-১ করেছে আর্জেন্টিনা।

দলীয় আক্রমণের মাধ্যমে যার সূচনা করেন হ্যারি কেইন। মাঝমাঠে নেমে মরগান রজার্সকে বল বাড়ানোর চেষ্টা করলেও দুর্দান্ত অ্যাক্রোবেটিক ক্লিয়ারেন্সে তা প্রতিহত করেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। তবে বিপদ কাটাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ফিরতি বল কুড়িয়ে নিয়ে ডেকলান রাইস সেটি বাড়ান রজার্সের কাছে। ইংলিশ উইঙ্গারের নিখুঁত ক্রসে বক্সে দারুণভাবে জায়গা করে নেন অ্যান্থনি গর্ডন। এরপর এক ছোঁয়ায় এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করে বল জড়িয়ে দেন জালে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্জেন্টিনা একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোল করেছে ইংল্যান্ডই।

প্রথমার্ধ গোলশূন্যতে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। ৪৭ মিনিটে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের লম্বা ক্লিয়ারেন্স থেকে দুর্দান্তভাবে বল নামিয়ে দেন জুলিয়ানো সিমিওনে। সেখান থেকে বল পেয়ে ডিজেড স্পেন্সকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন হুলিয়ান আলভারেজ।

তার জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। তবে বিপদ তখনও কাটেনি। ফিরতি বল আবারও পেয়ে যান আলভারেজ। কিন্তু তার দ্বিতীয় প্রচেষ্টা ইংল্যান্ডের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা পায় থ্রি লায়ন্স।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা, চলছে অতিরিক্ত সময়ের খেলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা, চলছে অতিরিক্ত সময়ের খেলা

সমতা ফেরানোর পর এগিয়ে যেতে খুব বেশি অপেক্ষা করতে হলো না আর্জেন্টিনাকে। প্রথমে ম্যাক আলিস্টারের প্রচেষ্টা ফিরে আসে পোস্টে লেগে। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির ক্রসে দারুণ এক হেডে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন লাওতারো মার্তিনেজ।