বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

জিয়া খাল পুনঃখনন উদ্বোধন ২৭ এপ্রিল: শার্শায় প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
জিয়া খাল পুনঃখনন উদ্বোধন ২৭ এপ্রিল: শার্শায় প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী

Oplus_131072

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): দীর্ঘ ৫০ বছর পর অবশেষে পুনঃখনন হতে যাচ্ছে যশোরের শার্শা উপজেলার ঐতিহাসিক জিয়া খাল। আগামী ২৭ এপ্রিল এই খনন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও উদ্বোধন কর্মসূচি উপলক্ষে শুক্রবার দুপুরে উলাশী এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আল ফরহাদ হোসেন আজাদ।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রকল্পের অগ্রগতি ও প্রস্তুতির খোঁজখবর নেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব এ কে এম শাহাবুদ্দিন।
খবর নিয়ে জানা গেছে, জিয়া খালটি এই অঞ্চলের কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে সংস্কার না হওয়ায় এটি ভরাট হয়ে গিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে শার্শা উপজেলাসহ পুরো যশোর জেলাজুড়ে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে কৃষকদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক আশোক হাসান, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটনসহ প্রশাসন ও দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খালটি পুনঃখনন করা হলে অত্র অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসন হবে এবং হাজার হাজার একর জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে। তারা এখন অধীর আগ্রহে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের প্রতীক্ষা করছেন।

Ads small one

পাইকগাছায় বৃদ্ধা নারীকে কুপিয়ে জখম করল দুর্বৃত্তরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বৃদ্ধা নারীকে কুপিয়ে জখম করল দুর্বৃত্তরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় বৃদ্ধা নারী সুমিত্রা ঘোষ (৭০) কে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। হামলার শিকার গুরুতর আহত সুমিত্রা ঘোষ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৩ জুন মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের সলুয়া গ্রামের মৃত রঞ্জন ঘোষের স্ত্রী বৃদ্ধা সুমিত্রা ঘোষের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা। হামলায় তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপে রক্তাক্ত জখম হয়েছে।

 

আহত অবস্থায় স্বজনরা দ্রুত তাকে তালা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় প্রেরণ করেন। আহতের বড় ছেলে নারায়ন ঘোষ জানান, হামলায় তার মায়ের মাথায় মারাত্মক আঘাত লেগেছে এবং মাথার ভেতরের অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ রাতে একই পরিবারের বড় ছেলে নারায়ন ঘোষের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা ওই সময় বাড়িতে ঢুকে নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। পরপর একই পরিবারে এমন ঘটনায় ঘটায় চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে পরিবারটি।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

রাফাতের রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
রাফাতের রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার সেতরপুর এলাকায় মুরগির ফার্মকর্মী রাফাত হোসেন (১৮) এর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নিহতের পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসী।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনের বক্তারা রাফাতের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

নিহত রাফাত হোসেন কালিগঞ্জ উপজেলার বারোদা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি প্রায় ছয় থেকে সাত মাস ধরে আশাশুনি উপজেলার সেতরপুর গ্রামের একটি মুরগির ফার্মে কর্মরত ছিলেন। পরিবারের দাবি, কর্মস্থলে নির্যাতনের শিকার হয়ে গত ১৩ জুন রাফাত বাড়িতে ফিরে আসে। পরে তাকে আবার ফার্মে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পরদিন তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের অভিযোগ, এটি আত্মহত্যা নয়; বরং পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। তারা জানান, মরদেহে আঘাতের চিহ্ন ও নির্যাতনের আলামত ছিল। তাই তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বারোদা গ্রামের আব্দুল লতিফ সরদার, রুহুল কুদ্দুস গাজী ও আজিজুল ইসলাম।

 

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের বক্তব্য নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলা বিএনপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের বক্তব্য নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলা বিএনপি

পত্রদূত ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কিছু অনলাইন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক বলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি।

 

দলটির জেলা আহবায়ক এইচ এম রহমতুল্লাহ পলাশ ও সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে ব্যবহৃত ‘ধর্মান্ধ’ শব্দটি কোনো ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীকে খাটো, হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেননি। বরং তিনি রাষ্ট্রের নীতি ও চেতনাকে ধারণ করে যুব সমাজে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকান্ডের প্রসারের গুরুত্ব তুলে ধরার প্রেক্ষিতে এ মন্তব্য করেছেন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, দুঃখজনকভাবে, তাঁর বক্তব্যকে আংশিক ও বিবৃতভাবে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি মনে করে, কোনো বক্তব্যকে তার প্রকৃত প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য বিবেচনা না করে ভিন্নভাবে প্রচার করা অনাকাঙ্খিত এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী।

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং সকলকে বিষয়টি বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়নের আহ্বান জানাচ্ছে।