সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

শ্যামনগরে ট্রাক্টর দিয়ে ফুটবল মাঠ চাষ, বাঁধা দেওয়ায় হামলা, আহত ১৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে ট্রাক্টর দিয়ে ফুটবল মাঠ চাষ, বাঁধা দেওয়ায় হামলা, আহত ১৩

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ফুটবল মাঠ চাষ করার ঘটনায় প্রতিবাদ করতে যেয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় দুই নারীসহ ১৩ জন আহত হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌর সদরের দেবালয় গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে পুলিশও হামলার শিকার হয়। আহতদের মধ্যে আহসান হাবীব (১২), রাশিদুল ইসলাম (২৭), সাইমুম (১৯) ও আবু হানিফা (১৮)কে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সাইফুল ও তার রমজান হামলায় নেতৃত্ব দেন বলে দাবি ভুক্তোভোগীদের।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রাশিদুল ইসলামের ভাষ্য দেবালয় মৌজাভুক্ত সরকারি প্রায় ১৮ বিঘা জমি দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে ভোগদখল করছিলেন মরহুম খাজা নাজিমউদ্দীনের পুত্র সাইফুল ও তার স্বজনরা। গ্রামবাসীদের দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা সহকারী কমিশানর (ভুমি) কয়েক মাস আগে সেখান থেকে প্রায় ৮ বিঘা জমি খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় তরুনরা উক্ত জমি ফুটবল খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহার করতে থাকে।

 

সোমবার সকালে সাইফুল ও রমজানের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ৩৫/৪০ জন ব্যক্তি ৩টি ট্রাক্টর নিয়ে সেখানে পৌছে মাঠ চাষ শুরু করে। এসময় গ্রামবাসীরা বাঁধা দিতে গেলে কাশিপুর ও খাগড়াদানা গ্রাম থেকে আগত ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা স্থানীয়দের উপর হামলা করে। এসময় সন্তানদের রক্ষায় এগিয়ে এলে মরিয়ম খাতুন (২৩) ও আয়েশা বেগম (৪২) নামে দুই নারীও আহত হয়। অপর আহতরা হলো শাহাজালাল (১৮), সাইদ (৩০), সাগর (২০), রেজাউল (৩৫), মিজান (৩২), শাহিন(২৪), মোস্তাফিজুর (২৭)।

অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামের মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া গেলেও রমজান আলী জানান, সামান্য ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। মাঠ চাষ করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন দীর্ঘদিন যাবত উক্ত জমি তাদের দখলে। সরকার ইচ্ছে করলেই জমি অন্যকে দিতে পারে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাশেদ হোসাইন জানান উক্ত জমি সরকারি। স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে সামান্য কিছু জমি খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। তবে সোমবার সকালে কিছু ব্যক্তি একাধিক ট্রাক্টর নিয়ে জোরপুর্বক ঐ জমি চাষ করতে যেয়ে বাঁধা পেয়ে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলাকার সাথে জড়িতরা শ্যামনগর থানা পুলিশের সাথেও মারাত্মক দুর্ব্যবহার করেছে। এহাজার জমা হলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Ads small one

ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়

আরিফ মাহমুদ: ভারত থেকে পুশইনের শিকার এক ভারতীয় নারীর বর্তমানে ঠায় হয়েছে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় একটি কৃষক পরিবারে। ওই ভারতীয় নারীর নাম সাহিদা ফকির। তিনি ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা।

বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাদিয়ালি গ্রামের কৃষক আবুল বাশারের বাড়িতে অবস্থান করছেন। গত কয়েকদিন ধরে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।

সাহিদার স্বামী জুম্মান ফকির পেশায় মোটরগাড়ির মেকানিক। শ্বশুরের নাম ইনছান ফকির। তার দুই ছেলের মধ্যে বড় ছেলে গোবিন্দপুরে থাকেন এবং ছোট ছেলে পরিবার-পরিজন নিয়ে গত ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতের মুম্বাইয়ে বসবাস করছেন।

সাহিদা ফকির জানান, গত ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের সানপাড়া এলাকায় সবজি কিনে সেখানকার ভাড়া বাসায় ফেরার পথে ভারতের সিআইবি সদস্যরা তাঁকে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করে। এ সময় তার কাছে থাকা ভারতীয় আই কার্ড (পরিচয়পত্র), প্যান কার্ড দেখালেও তারা আমলে নেননি। পরে ২দিন আটক রাখার পর প্লেনে করে আসাম সীমান্তে নিয়ে যায়। সেখানে আরো কয়েকদিন আটক রাখার পর তাকে আরো দুইজন ছেলে ও চারজন মেয়েসহ ফেনী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশইন করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, পরে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরির একপর্যায়ে বেনাপোলে আবুল বাশার নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। মানবিক কারণে আবুল বাশার তাকে নিজের বাড়ি কলারোয়ার সোনাবাড়িয়তে নিয়ে আসেন।

সাহিদা ফকির বলেন, আমি আমার স্বামী-সন্তানের কাছে, আমার দেশে ফিরে যেতে চাই। আই কার্ড, প্যান কার্ড দেখানোর পরও আমার কথা শোনা হয়নি।

ভারতীয় নারীর আশ্রয়দাতা কৃষক আবুল বাশার জানান, চিকিৎসার জন্য তিনি বেনাপোল গিয়েছিলেন। ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার সময় ওই নারীর সঙ্গে তার দেখা হয়। সাহিদা ফকির তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বর্ণনা দিলে মানবিক বিবেচনায় তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন।

আবুল বাশারের স্ত্রী আরিফা খাতুন বলেন, আমার স্বামী ওই নারীকে সঙ্গে করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে তার পুরো ঘটনা শুনেছি। তিনি এখন আমাদের বাড়িতেই আছেন। আমরা চাই তিনি নিরাপদে তার স্বামী-সন্তানের কাছে ফিরে যেতে পারেন।
এদিকে, গত কয়েকদিন সেখানে বিজিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ওই বাড়িতে তাকে নজরদারিতে রেখেছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

তারা জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাঁর নিজ দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা উচিত।

ভারতের মুম্বাই শহর যারা চেনেন ও জানেন এমন কয়েকজন জানান, ভারতীয় নারী সাহিদা ফকির আটকের স্থান নবীমুম্বাইয়ের সানপাড়ার সেক্টর ৫ এলাকাটি যৌনপল্লী, বার ও বাঙালি এলাকা হিসেবে চিহ্নিত।

সাতক্ষীরায় কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় অনুদানের চেক বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় অনুদানের চেক বিতরণ

সংবাদদাতা: নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এ সাতক্ষীরা জেলার কোচ ও কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা এবং ট্রাউজার ও ট্রাকসুট বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস সাতক্ষীরার আয়োজনে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ এঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

 

এসময় জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আজকের কৃতি ক্ষুদে খেলোয়াড়রা আগামীর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। তারা একদিন দেশের হাল ধরবে। ভালো ক্রীড়া নৈপুণ্যের মাধ্যমে সাতক্ষীরার সুনাম বয়ে আনবে এবং জাতীয় দলে নেতৃত্ব দেবে ইনশাল্লাহ।”

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান প্রমুখ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আলতাফ হোসেন, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ প্রতিযোগিতায় ১০০ মিটার দৌড়ে প্রথম হয়ে দ্রুততম মানব হওয়া সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের জাকির হোসেন’র পিতা মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

 

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এ সাতক্ষীরা জেলার কোচ ও কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাউজারও ট্রাকসুট বিতরণ করা হয়। এসময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জেলা ক্রীড়া অফিসের কর্মকর্তা, কৃতি খেলোয়াড় ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান।

এদিকে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ হতে সাধারণ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অনুকূলে এককালীন অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয় সাতক্ষীরার আয়োজনে জেলা সমাজসেবা কার্যালয় সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক এস এম রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে চেক বিতরণ করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শেখ আবুল কালাম আজাদ ও সুশান্ত কুমার মল্লিক প্রমুখ। এসময় জেলা সমাজসেবা কার্যালয় সাতক্ষীরার পক্ষ থেকে ২৭টি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের মাঝে প্রায় ১৪ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
এসময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান।

সাতক্ষীরায় সড়কের দুই ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সড়কের দুই ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় সড়কের দুই ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় সদর উপজেলার কুশখালী ইউনিয়নের ভাদড়া সড়কের দুই ধারে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসময় হাবিব বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সামাজিক বনায়নের অংশ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ বছরে যে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন এরই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার বিভিন্ন সড়ক, গ্রাম ও বেড়িবাঁধ এলাকায় বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজ সাতক্ষীরা গড়তে সদর উপজেলার কদমতলা মোড় থেকে বৈকারী অভিমুখী সড়কের দুই ধারে প্রায় ৫ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চলতি বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীতে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম মধুসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।