সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে হুথিদের হামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে হুথিদের হামলা

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধের জেরে অঞ্চলে অস্থিতিশীলতার মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের দুই দিন পর সৌদি আরামকোর জাজান তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথিরা।

রবিবার এই হামলার পর সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানায়, শোধনাগারটিতে আগুন লাগলেও কোনও হতাহতের ঘটনা ছাড়াই তা নিভিয়ে ফেলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সামাল দিচ্ছে বলে জানানো হলেও হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তবে হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক্সে দেওয়া পোস্টে জানান, তারা ড্রোন ব্যবহার করে এই শোধনাগারে হামলা চালিয়েছেন।

পৃথক এক বিবৃতিতে সারি জানান, হুথিরা লোহিত সাগরের ইয়েমেনি বন্দরনগরী মোখাতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তারা ওই এলাকায় থাকা সৌদি সেনা ও অস্ত্রের ডিপো লক্ষ্য করে হামলা চালায়। ইয়েমেনি সরকারি সূত্র জানিয়েছে, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বাণিজ্যিক জেটি ও গুদামের দিকে ধেয়ে আসা ড্রোনগুলো প্রতিহত করেছে। তবে ইয়েমেনে এ ধরনের হামলার বিষয়ে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সমর্থিত এডেন সরকার সমর্থিত বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা মোখা বন্দরটি এর আগে গত ২৭ জুলাই হুথি হামলার শিকার হয়েছিল। আইআইআর কনসালটেন্সির তথ্য অনুযায়ী, সেই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জাজান শোধনাগারটি বন্ধ রাখা হয়েছিল।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার শর্ত নিয়ে আলোচনার মধ্যে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গত মাসে লোহিত সাগরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধ ঘোষণা করে হুথিরা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও তার মিত্র শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে শুক্রবার সুন্নিপ্রধান তিন দেশ সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করে। ন্যাটোর ধাঁচে তৈরি এই চুক্তিতে যেকোনও একটি দেশের ওপর আক্রমণকে তিন দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করার কথা বলা হয়েছে।

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান স্পষ্ট করেছেন, এই চুক্তি ইরান বা অন্য কোনও দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং এটি একটি সাধারণ যৌথ নিরাপত্তা অঙ্গীকার। তবে সাম্প্রতিক হুথি হামলার জবাবে পাকিস্তান বা তুরস্ক কীভাবে সৌদি আরবকে সহায়তা করবে তা যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে ঠিক করা হবে।

সূত্র: রয়টার্স

Ads small one

লালন শাহের মাজার থেকে পেট্রোল ও টাইম বোমা উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
লালন শাহের মাজার থেকে পেট্রোল ও টাইম বোমা উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক: কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের মাজারের ভিতরে মূল ফটকের পাশ থেকে একটি সাদা ব্যাগে রাখা ২টি বোতলভর্তি পেট্রোল ও টাইম বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাজার ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

 

রোববার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে লালন শাহের মাজারের মূল ফটকের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় সাদা ব্যাগটি উদ্ধার করা হয়।

অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে মাজার এলাকা ফাঁকা করে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মাজারে প্রবেশের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে পুলিশ, র‍্যাব ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাতে মাজার কমপ্লেক্সের মূল প্রবেশদ্বারের পাশে একটি সাদা ব্যাগে মোড়ানো সন্দেহজনক বস্তু পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় সাধুরা। পরে তারা সেখানে দায়িত্বে থাকা কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিনকে বিষয়টি জানান। ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাগের ভেতরে পেট্রোল ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের মতো কিছু দেখতে পান তিনি। এরপর বিষয়টি পুলিশ সুপারকে জানানো হয়।

পরে মাজার এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে ব্যাগটি পাহারায় রাখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ সুপারের মাধ্যমে ঢাকায় যোগাযোগ করা হলে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের ৪ সদস্যের একটি দল সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে কুষ্টিয়ায় পৌঁছায়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্যাগের ভেতরে দুটি বোতলভর্তি পেট্রোল ও একটি টাইম বোমা থাকার বিষয়টি শনাক্ত করা হয়।

 

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, রাতে সাধুরা পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা একটি ব্যাগ দেখে আমাকে জানালে আমি তাৎক্ষণিক সেখানে গিয়ে ব্যাগ দেখে পুলিশ সুপার মহোদয়কে জানাই। পরে ঢাকা থেকে ৪ সদস্যবিশিষ্ট বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট সকালে এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। তাদের মাধ্যমে জানতে পারি, সেটি টাইম বোমা।

ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। খুব দ্রুতই তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তারা।

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, কমতে পারে তাপমাত্রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, কমতে পারে তাপমাত্রা

অনলাইন ডেস্ক: উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকা পর্যন্ত লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে। তবে আগামী পাঁচ দিনে সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে এবং পাঁচ দিন পর বঙ্গোপসাগরে নতুন করে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

 

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসার দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বর্তমানে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত অবস্থান করছে। এর প্রভাবে আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

 

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টাতেও আবহাওয়া পরিস্থিতি একই রকম থাকবে। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে এবং দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

 

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

 

বিবাহবিচ্ছেদের পর মদ্যপানে আসক্তি, ২৬ দিন পুনর্বাসন কেন্দ্রে ছিলেন চাহাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ
বিবাহবিচ্ছেদের পর মদ্যপানে আসক্তি, ২৬ দিন পুনর্বাসন কেন্দ্রে ছিলেন চাহাল

ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা আর মানসিক চাপ- কঠিন এক সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল ভারতের লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহালকে। ধনশ্রী বার্মার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর উদ্বেগ, প্যানিক অ্যাটাক এবং ক্রিকেট থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়ার অভিজ্ঞতার কথা এবার প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি। এমনকি পরিস্থিতি সামাল দিতে ২৬ দিন পুনর্বাসন কেন্দ্রেও কাটিয়েছেন এই স্পিনার।

ভারতের সাবেক ওপেনার আকাশ চোপড়ার পডকাস্ট ‘বেইথ অ্যান্ড বল’-এ নিজের কঠিন সময়ের কথা তুলে ধরেন চাহাল। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জনসমক্ষে আলোচনা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্য তার মানসিক অবস্থার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল বলে জানান তিনি। সেই চাপ একপর্যায়ে মাঠের পারফরম্যান্সেও প্রভাব ফেলতে শুরু করে।

৩৬ বছর বয়সী চাহালের ভাষায়, পরিচিত মুখ হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ক্রমাগত আলোচনা চলছিল। এসব মন্তব্যে কষ্ট পেতেন তিনি। মানসিক চাপ বাড়তে থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাপন ও ক্রিকেটে মনোযোগ ধরে রাখাও কঠিন হয়ে পড়ে।

উদ্বেগের তীব্রতা বোঝাতে গিয়ে প্যানিক অ্যাটাকের সময় নিজের শারীরিক অবস্থার বর্ণনাও দিয়েছেন চাহাল। তার হৃদস্পন্দন দ্রুত বেড়ে যেত, মুখের পেশি শক্ত হয়ে আসতো। কখনও ঠোঁট একদিকে বেঁকে যেত, এমনকি কথা বলাও কঠিন হয়ে পড়তো।

চাহাল বলেন, ‘প্যানিক অ্যাটাকের সময় আমার মুখটা কুঁচকে যেত। আমি কথাও বলতে পারতাম না।’

এ ধরনের অভিজ্ঞতা তার জীবনে আগে কখনও হয়নি বলেও জানিয়েছেন এই স্পিনার। পরে তিনি বুঝতে পারেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষ তার সম্পর্কে কী বলছে, তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তাই অন্যদের মন্তব্য নিয়ে পড়ে না থেকে জীবনকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ব্যক্তিগত জীবনের এই কঠিন সময় ক্রিকেট থেকেও সাময়িকভাবে দূরে সরিয়ে দিয়েছিল চাহালকে। তিনি জানান, ওই পর্যায়ে বিরতি নেওয়ার আগে সাদা বলের ক্রিকেটে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছিলেন। মানসিকভাবে প্রতিযোগিতায় নামার মতো প্রস্তুত ছিলেন না বলেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।

নিজের সেরা অবস্থায় নেই, এমন অনুভূতি হচ্ছিল তার। একই সঙ্গে নিজের সমস্যার প্রভাব যেন দলের ওপর না পড়ে, সেটিও ভাবনায় ছিল। এ কারণে বিসিসিআই’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ অনিরুদ্ধ চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। চাহালের সিদ্ধান্তে সমর্থন দিয়েছিলেন অনিরুদ্ধ।

কোরিওগ্রাফার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখ ধনশ্রী বার্মার সঙ্গে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে বিয়ে হয়েছিল চাহালের। ২০২৫ সালের মার্চে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়। বিচ্ছেদের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল, যা সামলানো তার জন্য সহজ ছিল না বলে জানিয়েছেন চাহাল।

পডকাস্টে নিজের জীবনের আরেকটি কঠিন দিকও তুলে ধরেছেন তিনি। বিবাহবিচ্ছেদের সময় ব্যক্তিগত সংকটের মধ্যে তার মদ্যপানের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল বলে স্বীকার করেছেন তিনি।

আইপিএলে খেলার শুরুর দিকে বন্ধুদের সঙ্গে সামাজিক পরিসরে মদ্যপান করতেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে থাকে। একপর্যায়ে তিনি বুঝতে পারেন, এভাবে চলতে থাকলে জীবনের সবচেয়ে প্রিয় বিষয় ক্রিকেটই হারিয়ে ফেলতে পারেন।

এরপর পেশাদার একজনের সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ২৬ দিন একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে কাটান এই স্পিনার। তার মতে, সেই অভিজ্ঞতা নিজের জীবন ও আবেগের ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে সাহায্য করেছে।

কঠিন সময়ে পরিবার ও সবচেয়ে কাছের বন্ধুও পাশে ছিলেন বলে জানিয়েছেন চাহাল। তাদের সমর্থন তার ঘুরে দাঁড়ানোর পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এখন মানসিকভাবে অনেক ভালো আছেন বলে জানিয়েছেন ভারতের এই ক্রিকেটার। নিজের ফিটনেস ও ব্যক্তিগত সুস্থতার দিকেও মনোযোগ দিচ্ছেন তিনি। চাহালের কাছে ঘুরে দাঁড়ানোর অর্থ শুধু আবার উইকেট নেওয়া নয়; বরং নিজের জীবনকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা।