রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

মন্ত্রিত্ব হারানোর গুঞ্জন, ইশরাক বললেন ‘গুজব’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৬ পূর্বাহ্ণ
মন্ত্রিত্ব হারানোর গুঞ্জন, ইশরাক বললেন ‘গুজব’

মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে অংশ নেওয়া নিয়ে বিতর্কের মুখে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। তবে এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বলছেন, ‘গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে পাঠান প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলেও খবরে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে রাতে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমি সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি, এ বিষয়টিকে আপনারা অবশ্যই গুজব হিসেবে ধরবেন। এর কোনও সত্যতা এখন পর্যন্ত নেই। এরকম যদি কোনও সিদ্ধান্ত আমরা দল থেকে নেয়, তাহলে আপনাদের জানানো হবে।’

এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ‘গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের প্রতিবাদ’ শীর্ষক একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠান ইশরাক হোসেনের প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা। এতে বলা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইশরাক হোসেনের ‘পদত্যাগ’ বা ‘তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে’ মর্মে যে সংবাদটি প্রচারিত হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এতে আরও বলা হয়, প্রকৃত সত্য এই যে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তার সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাকে পদত্যাগের কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এবং তার পদত্যাগের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং জনসাধারণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে এই ধরনের কাল্পনিক ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।

শনিবার নিজ সংসদীয় আসনে মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কেবল আত্মরক্ষার্থে আইনসম্মতভাবে অস্ত্র প্রদর্শনের যে ঘটনাটি ঘটেছিল, তা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইতিপূর্বেই তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন উল্লেখ করে এতে আরও বলা হয়, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার পদত্যাগ সংক্রান্ত যেকোনও খবর ছড়ানো সম্পূর্ণ বেআইনি ও সাংবাদিকতার নীতিমালা পরিপন্থি। আমরা সংশ্লিষ্ট সব গণমাধ্যম ও দেশবাসীকে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

একইসঙ্গে, যেসব মাধ্যম এই বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করেছে, তাদের অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে। তা না হলে ‘অপপ্রচারকারীদের’ বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ইশরাকের

এদিকে রাত সোয়া ৮টার দিকেও এ ঘটনা নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক। তিনি এবার বাঁশের লাঠি নিয়ে মাদকের আস্তানা ধ্বংস করার ঘোষণা দিয়েছেন। একইসঙ্গে মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা কয়েকটি গণমাধ্যমের সমালোচনা করে বলেছেন, মাদকের সব আস্তানা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হবে।

ফেসবুক পোস্টে ইশরাক হোসেন আরও লেখেন, ‘কিছু নামকরা গণমাধ্যমের নামকরা আইনজীবী প্যানেল দিয়ে আইনের ধারা স্পষ্ট করে ব‍্যাখ্যা নেওয়ার সামর্থ্য আছে এবং আমার বিশ্বাস তারা সে চর্চা করেও। সব জেনে শুনে বুঝেও তাদের খবরের ধরন দেখে মনে হচ্ছে ঘুন্টিঘরে মাদকের এক্সক্লুসিভ সাপ্লায়ার ছিল এরা। তাই আমার অভিযানের পর বন্য পশুর মতো আচরণ করছে। ওয়েট অ্যান্ড সি। সব মাদকের আখড়া (যারা হয়তো এই পেপারগুলোকে অর্থায়ন করে), সেগুলো মাটির সঙ্গে মেশানো হবে।’

নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য বৈধ লাইসেন্স করা অস্ত্র ছিল উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, ‘আমার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্যে বৈধ লাইসেন্স করা অস্ত্র ছিল। এখন থেকে এই আস্তানাগুলো বাঁশের লাঠি দিয়ে ধ্বংস করবো। পুলিশ দাঁড়ায়ে দাঁড়ায়ে দেখবে, ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে করে গ্রেফতার করে নিয়ে যাবে। মাদকবিরোধী সংগ্রামের ১৬ কলা পূর্ণ করা হবে ইনশাআল্লাহ।’

এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে এক হাতে হ্যান্ডমাইক ও অন্য হাতে পিস্তল নিয়ে কয়েকজনকে তাড়া করতে দেখা যায় তাকে। একপর্যায়ে পিস্তলের স্লাইড টেনে অস্ত্র তাক করে তাদের দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি। তার সঙ্গে থাকা অন্য ব্যক্তিদের হাতেও অস্ত্র দেখা যায়।

ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেই এভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করা যায় কিনা এবং একজন জনপ্রতিনিধি নিজে অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করতে পারেন কিনা, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

রবিবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান, অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দিতে সংশ্লিষ্ট ডিসিকে বলা হয়েছে। আইনের ব্যত্যয় হয়ে থাকলে পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন অবশ্য তার বিবৃতিতে দাবি করেন, মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি তাদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন। সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে তিনি ও তার নিরাপত্তারক্ষীরা সাময়িকভাবে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন। তার দাবি, স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় চার-পাঁচটি মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার এবং ছয় জনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

Ads small one

ফিফা সভাপতিকে ঢাকায় স্বাগত জানালেন বাফুফে সভাপতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
ফিফা সভাপতিকে ঢাকায় স্বাগত জানালেন বাফুফে সভাপতি

মরক্কো থেকে ভুটান যাওয়ার পথে ঢাকায় সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করেছেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। রবিবার দুপুরের পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

ভুটানে যাওয়ার পথে ঢাকাকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করেছেন ইনফান্তিনো। তার যাত্রাপথে সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় ঢাকায় এই যাত্রাবিরতি।

এ সময় ঘণ্টাখানেক তারা বাংলাদেশ ও সামগ্রিক ফুটবল নিয়ে আলোচনা করেন। বাফুফে সহ-সভাপতি ও গভর্নমেন্ট রিলেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরি হ্যাপি বলেন, ‘সভাপতি ও আমরা সবাই বাংলাদেশের ফুটবলের নানা বিষয় তুলে ধরেছি। কক্সবাজারে ফিফার অর্থায়নে টেকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণের বিষয়টি তাকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজনে ফিফার আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে প্রাথমিক আশ্বাসও মিলেছে। ’

 

বিমানবন্দরে ইনফান্তিনোর ট্রানজিট সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করেছিল বাফুফে।

তবে ফিফা সভাপতির বাংলাদেশে এই সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে কিছু জানায়নি দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এমনকি জাতীয় দল কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা নিয়েও কোনও তথ্য জানানো হয়নি। অথচ নারায়ণগঞ্জে সম্ভাব্য ফুটবল অ্যাকাডেমির জন্য জায়গা পরিদর্শনের আগাম আমন্ত্রণপত্র প্রচারে গুরুত্ব দিয়েছে বাফুফে।

বাফুফের মিডিয়া বিভাগে দুজন উচ্চ বেতনে কর্মরত থাকলেও সংস্থাটির গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনা ও তথ্য সরবরাহ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের একজন জাতীয় নারী দলের ম্যানেজার হিসেবে ভারতের গোয়ায় সাফে বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন; তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া আমিরুল ইসলাম বাবুর নেতৃত্বে মিডিয়া কমিটি থাকলেও কার্যকারিতা নিয়ে আছে প্রশ্ন।

 

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের নতুন অধিনায়ক নাহিদা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ পূর্বাহ্ণ
টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের নতুন অধিনায়ক নাহিদা

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি নেতৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। নিগার সুলতানার জায়গায় নতুন অধিনায়ক করা হয়েছে নাহিদা আক্তারকে। তার সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সোবহানা মোস্তারি।

এশিয়ান গেমসের পর টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিগার সুলতানা। নিজের খেলায় আরও মনোযোগ দিতেই নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান তিনি। এর আগে ক্রিকবাজ জানিয়েছিল, নিগারের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন নাহিদা-ই।

ক্রিকবাজকে বিসিবির নারী বিভাগের প্রধান রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচক প্যানেলের সদস্যদেরসহ অন্যদের সঙ্গে আমরা বসেছিলাম। এরপর টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব নাহিদার হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সোবহানা মোস্তারি তার সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।’

নাহিদাকে দায়িত্ব দেওয়ার উপযুক্ত সময় এখনই বলে মনে করছে বিসিবি। ২০২২ সালে নিগার টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই দলের সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে আসছেন নাহিদা।

রফিকুল বলেন, ‘নাহিদা বেশ দীর্ঘ সময় ধরে সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এখন আমরা মনে করছি, টি-টোয়েন্টি দলের দায়িত্ব তার হাতে তুলে দেওয়ার সঠিক সময় এসেছে।’

টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়লেও ওয়ানডেতে অধিনায়ক থাকছেন নিগার। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও তার নেতৃত্বেই খেলেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ নারী দলের পরবর্তী সূচি আইসিসি উইমেন্স এমার্জিং নেশনস ট্রফি। থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় এই প্রতিযোগিতায় আগামী ১২ নভেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে দলটি।

 

ব্যাটিংয়ে বারবার একই ধরনের ভুল হচ্ছে: তাসকিন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪০ পূর্বাহ্ণ
ব্যাটিংয়ে বারবার একই ধরনের ভুল হচ্ছে: তাসকিন

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। অন্তত আবুধাবির ব্যাটিং-সহায়ক উইকেটে ২৭০ রান জয়ের মতো সংগ্রহই ছিল- এমনটা মনে করেন তাসকিন আহমেদ। কিন্তু ব্যাটাররা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারেননি। ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানের বড় হারের পর ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের এই পেসার।

শনিবার শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৩.৪ ওভারে মাত্র ১৭২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। অথচ বল হাতে ভালো শুরুর পর ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছিল তাদের সামনে। তাসকিন নিজে তিনটি উইকেটও নিয়েছিলেন। কিন্তু ব্যাটিংয়ের বেহাল দশায় সেই লড়াই শেষ পর্যন্ত কাজে আসেনি।

লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ব্যর্থতাও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে সর্বশেষ ১০ ইনিংসের আটটিতেই ২৪০ বা তার বেশি রান তাড়া করতে পারেনি দলটি। পূর্ণকালীন ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে তাওহীদ হৃদয়ের প্রথম ম্যাচেও সেই চিত্রের পরিবর্তন হয়নি। টুর্নামেন্ট থেকে চোটের কারণে ছিটকে গেছেন লিটন দাস। তবে অভিজ্ঞ এই ব্যাটারের অনুপস্থিতিকে হারের অজুহাত হিসেবে দেখাতে রাজি নন তাসকিন।

ম্যাচের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘২৭২ রান অবশ্যই তাড়া করা সম্ভব ছিল, অন্তত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।’

তাসকিনের মতে, একটি জুটি গড়তে পারলেই ম্যাচের চিত্র বদলে যেতে পারত। তিনি বলেন, ‘আমরা আসলে ভালো খেলিনি। এই রান তাড়া করা উচিত ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা একটিও জুটি গড়তে পারিনি। একটি জুটি হলে ম্যাচটা বের করে আনতে পারতাম। কিন্তু ব্যাটিংয়ে বারবার একই ধরনের ভুল হচ্ছে।’

বোলিংয়ে কিছুটা ধারাবাহিকতা ফিরলেও ব্যাটিংয়ে সেই উন্নতি দেখা যাচ্ছে না বলে মনে করেন তাসকিন। তার ভাষায়, ‘বোলিংয়ে অন্তত কিছুটা ধারাবাহিকতা এসেছে বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু আমার মনে হয়, এই ম্যাচটা আমাদের ব্যাটারদেরই জেতানো উচিত ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা পারেনি। তারপরও একটি ম্যাচ বাকি আছে। আশা করি, আমরা ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারব এবং ফাইনালে খেলতে পারব।’