মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে ৭ শিক্ষক-কর্মচারীকে বিদায় সংবর্ধনা
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার সংবাদ অঙ্গনের পরিচিত মুখ, দৈনিক পত্রদূতের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সাতক্ষীরা জেলা ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল আলিম আর নেই। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) মাগরিবের নামাজের পর রাজধানী ঢাকার ডক্টর সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।
ফুসফুসে বাতাস প্রবেশের জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। প্রথমে তাঁকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে দ্রুত ঢাকায় নেওয়া হয়। শুক্রবার সকাল ১০টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল তাঁর ফুসফুসে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে। তবে অস্ত্রোপচার-পরবর্তী নিবিড় পরিচর্যায় থাকা অবস্থায় সন্ধ্যায় হঠাৎ খিঁচুনি উঠে তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
দীর্ঘ পেশাগত জীবনে শেখ আব্দুল আলিম দৈনিক পত্রদূতের পাশাপাশি দৈনিক সদ্যখবর ও দৈনিক সাতক্ষীরা চিত্র পত্রিকায় সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সাংবাদিকতা করেছেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি মানুষের শিক্ষা ও চিকিৎসায় নিঃস্বার্থ সহায়তা প্রদান করে তিনি বহুজনের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছিলেন।
তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে সাতক্ষীরার সাংবাদিক সমাজ, ব্যবসায়ী মহল ও সুশীল সমাজের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন ও সহকর্মীরা এক গভীর বেদনাবিধুর পরিবেশে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) মালিকানায় অংশীদারিত্ব কিনতে চেয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি- সম্প্রতি এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ভারতের সাবেক অধিনায়ক চেন্নাইয়ের শেয়ার কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে তার প্রস্তাবিত শর্তে রাজি হয়নি ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
অবশ্য এমন খবর প্রকাশের পর সেসব দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছে চেন্নাই। সিএসকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ধোনির সঙ্গে তাদের কোনো আলোচনাই হয়নি। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এমএস (ধোনি) কখনো আমাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেননি। আমরা বিষয়টি নিয়ে কখনো আলোচনা করিনি। শ্রীনিবাসনের সঙ্গে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেছেন, এমন কোনো তথ্যও আমাদের কাছে নেই।’
তবে সিএসকের সঙ্গে ধোনির কোনো শেয়ারের সম্পর্ক নেই- বিষয়টি এমন নয়। চেন্নাই থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেয়ার কেনার সুযোগ থাকাকালে কিছু শেয়ার কিনেছিলেন সাবেক এই অধিনায়ক।
সিএসকে একটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি নয়। ফলে এর শেয়ার সাধারণ শেয়ারবাজারে কেনাবেচা হয় না। তবে ব্যক্তিগতভাবে বা অফ-মার্কেট লেনদেনের মাধ্যমে এসব শেয়ার কেনা সম্ভব।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ধোনির হাতে এক লাখের বেশি সিএসকে শেয়ার রয়েছে। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মোট শেয়ার কাঠামোর তুলনায় এটি খুবই সামান্য অংশ। জনসাধারণের হাতে রয়েছে ৩০ কোটির বেশি শেয়ার, যা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মোট শেয়ার মূলধনের প্রায় ৪০ শতাংশ। ফলে ধোনির এক লাখের বেশি শেয়ার পাবলিক শেয়ারহোল্ডিংয়েরও খুব ছোট একটি অংশ।
অন্যদিকে সিএসকের নিয়ন্ত্রণমূলক মালিকানা রয়েছে শ্রীনিবাসন পরিবারের হাতে। তাদের হাতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ৫৫ শতাংশের বেশি শেয়ার রয়েছে।
বর্তমান আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজির বাজারমূল্য বিবেচনায় ধোনির হাতে থাকা শেয়ারের মূল্যও খুব বেশি নয়। সর্বশেষ একটি আইপিএল দল ১৬ হাজার ৬০০ কোটি রুপির বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। সেই মূল্যায়ন ধরে ধোনির শেয়ারের আনুমানিক মূল্য হতে পারে ২ কোটি ৬০ লাখ থেকে ৩ কোটি রুপি।
অবশ্য ধোনির ২১ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ার, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও আইপিএল থেকে আয় এবং বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া বিপুল অর্থের তুলনায় এই অঙ্ক বেশ সামান্য। ধোনিকে বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি রুপি।
সারা দেশে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৯০ জন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৭২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৬ জন, খুলনা বিভাগে ৬০ জন, রংপুর বিভাগে ৩৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩৩ জন এবং বরিশাল বিভাগের ১৮ জন। তবে এই সময়ে সিলেট বিভাগে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি।
আরও জানানো হয়, চলতি বছরের শুরু থেকে আজকে পর্যন্ত সারা দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৯ হাজার ২২০ জন। এদের মধ্যে ৪৫ হাজার ৬৪৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। আর বর্তমানে হাসপাতালে ৩ হাজার ৪৩৪ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ১৪১ জন।