সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় গণপূর্ত কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি, দ্রুত নিয়মিতকরণের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় গণপূর্ত কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি, দ্রুত নিয়মিতকরণের দাবি

সংবাদদাতা: গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়ন ও দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানের দাবিতে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ গণপূর্ত কর্মচারী ইউনিয়ন ১৬৪৭নং সাতক্ষীরা গণপূর্ত বিভাগ।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা গণপূর্ত ভবন প্রাঙ্গণে এ অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে গণপূর্ত বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা অংশ নেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন আবু দাউদ আলম, শেখ মেহদী হাসান, মো. জুবায়দুর রহমান ও মোছা. ফাতেমা খাতুন।

এ সময় বক্তারা বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে এলেও তাদের চাকরি নিয়মিতকরণসহ বেশ কিছু দাবি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের রিভিউয়ের রায়, আইন মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রবিধি শাখার মতামত কর্মচারীদের নিয়মিতকরণের পক্ষে থাকার পরও বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নিয়ন্ত্রণ শাখায় অপেক্ষমাণ রয়েছে।

তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ থাকা নিয়মিতকরণের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের মধ্যে কর্মস্থলে স্থিতিশীলতা ও কর্মস্পৃহা বাড়বে। তাই কোনো ধরনের বিলম্ব না করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের চাকরি নিয়মিত করার দাবি জানান বক্তারা।

এ ছাড়া ভাউচার, দৈনিকভিত্তিক ও মাস্টাররোল কর্মচারীদের অবিলম্বে কার্যভিত্তিক করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি আউটসোর্সিং কর্মচারীদের ঠিকাদারের মাধ্যমে নিয়োগের প্রচলিত প্রথা বিলুপ্ত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে নিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার দাবিও তুলে ধরেন তারা।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, কর্মচারীদের ন্যায্য দাবিগুলো দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকলেও এখনো কার্যকর সমাধান হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে দাবিগুলো বাস্তবায়ন করবে-এমন প্রত্যাশা করেন তারা।

অবস্থান কর্মসূচিতে বাংলাদেশ গণপূর্ত কর্মচারী ইউনিয়ন ১৬৪৭নং সাতক্ষীরা গণপূর্ত বিভাগের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি থেকে দ্রুত দাবি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

Ads small one

সাতক্ষীরায় কৃষক জিতেন হত্যার ঘটনায় ৪ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার-এক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় কৃষক জিতেন হত্যার ঘটনায় ৪ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার-এক

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা সদরের গড়িয়াডাঙা গ্রামে জমির আইল কেটে পানি বের করে নেওয়াকে কেন্দ্র করে ভাতিজার লাঙ্গলের ঈশ এর আঘাতে জিতেন্দ্র নাথ ম-ল নামের এক কৃষকের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার রাতে নিহতের ছেলে হাজেরা ম-ল বাদি হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় সোমবার সকালে বাড়িতে ক্ষমা চাইতে আসা বৃদ্ধা সীতা রানী ম-লকে বাড়িতে আটকে রেখে পরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

মামলার আসামীরা হলেন, গড়িয়াডাঙা গ্রামের একই পরিবারের ভবেন ম-ল, তপন ম-ল, তাদের বাব বৃদ্ধ পাঁচু ম-ল ও মা সীতা রানী ম-ল। নিহত জিতেন্দ্র নাথ ম-লের (৫৬) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গড়িয়াডাঙা গ্রামের ছিরু ম-লের ছেলে।

মামলা ও ঘটনার বিবরণে জানা যায়, জিতেন ম-লের ধানের ক্ষেতের নীচে বড় ভাই পাঁচু ম-লের কৃষি জমি রয়েছে। জিতেনের জমিতে ধান লাগানো হলেও পাঁচু ম-লের জমিতে পানির অভাবে ধান লাগাতে পারেনি। একপর্যায়ে শুক্রবার সকালে পাঁচু ম-লের ছেলে ভগেন ম-ল ও তপন ম-ল কাউকে না জানিয়ে জমির আইল কেটে সমস্ত পানি পাঁচু জমিতে নামিয়ে নিলে নিতেন ম-লের ক্ষেত জলশূন্য হয়ে যায়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জিতেন ম-ল এসে আইল কাটার প্রতিবাদ করায় পাঁচু ম-ল ও শিখা রানী ম-লের নির্দেশে লাঙ্গলের ঈশ দিয়ে ভবেন ম-ল ও তপন ম-ল বাবার মাথায় আঘাত করে। শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে খুলনা ৫০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শনিবার চারাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ভবেন ও তপন ভারতের আমুদিয়া বিএসএফ ক্যাম্পের টহলরত সদস্যদের হাতে আটক হয়ে কারাগারে রয়েছে।

সোমবার সকালে সরেজমিনে গড়িয়াডাঙা গ্রামে গেলে দেবহাটা উপজেলার চাঁদখালি গ্রামের পরিমল ম-লের স্ত্রী ফুলঝুরি ম-ল জানান, কাকা জিতেন ম-লের মৃত্যুর সঙ্গে তার দুই ভাই জড়িত থাকার অভিযোগ করে হাজেরা ম-ল প্রথমে সাংবাদিকদের জানালেও রবিবার রাতে তার বাবা পাঁচু ম-ল ও মা সীতা রানী ম-লকে জড়িয়ে দুই ভাইসহ চার জনের নামে মামলা করেছে। পুরুষশূন্য বাড়িতে রবিবার সন্ধ্যায় তিনি মা ও ভাইয়ের স্ত্রীদের সাথে দেখা করতে যান। বাবা জখম হওয়ায় তাকে দেখতে যাওয়ায় ভাই তপনের স্ত্রী অঞ্জলিকে বাড়িতে পাননি। একপর্যায়ে সোমবার সকাল ৬টার দিকে মাকে নিয়ে তিনি কাকিমা জিতেন ম-লের স্ত্রীর কাছে যান। তার পায়ে ধরে ক্ষমা চান তিনি ও মা। একপর্যায়ে হাজেরা ম-ল তাদেরকে উঠান থেকে ঘরে ডেকে নিয়ে আটক রাখে।

 

খবর পেয়ে এলাকার বহু মানুষ ওই বাড়িতে চলে আসে। একপর্যায়ে খবর পেয়ে পুলিশ আসামী হিসেবে মাকে সকাল ১০টার দিকে থানায় নিয়ে যায়। তাকে বাড়িতে যেতে বলা হয়। নতুন করে হামলার আশঙ্কায় ভবেনের স্ত্রী প্রতিবেশি গোবিন্দ ম-ল ও বিশ^জিৎ ম-লের বাড়িতে গেলে হাজেরা ম-লের লোকজন তাদেরকেও হুমকি দিচ্ছে। ১০০ আঁটিরও বেশি ভেজানো পাট না ধোয়ার জন্য সোমবার সকালে শ্রমিকদের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহামুদুর রহমান জানান, জিতেন ম-ল হত্যার ঘটনায় ছেলে হাজেরা ম-ল বাদি হয়ে রবিবার রাতে ভবেন ম-লসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। বাদির বাড়িতে আটককৃত আসামী সীতা রানী ম-লকে উদ্ধার করে সোমবার বিকেলে আদালতের মধ্যেমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। যে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নজরদারি রয়েছে।

খুলনায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য এঁর জন্মশতবর্ষ পালন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
খুলনায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য এঁর জন্মশতবর্ষ পালন

‘চলে যাব তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ, প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল’- দ্রোহের কবি, সাম্যের কবি, কবিতায় উল্কা- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য এর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে খুলনা রাইটার্স ক্লাবের উদ্যোগে রবিবার বিকেল পাঁচটায় ক্লাব কক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।
কবি নজরুল খন্দকার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, ড. সন্দীপক মল্লিক। প্রধান বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট সংস্কৃতিকর্মী এড. মিনা মিজানুর রহমান। বক্তব্য রাখেন কবি শেখ অলিয়ার রহমান, কবি বেনজির আহমেদ জুয়েল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কবি লেখক ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ডি কে মন্ডল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ছিলেন কবি সুকান্ত জন্মশতবর্ষ উদযাপন কমিটির আহবায়ক লেখক-গবেষক অরবিন্দ মৃধা।
শুরুতে অতিথিবৃন্দ কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। পরে ‘অভিবাদন’ শিরোনামে প্রকাশিত ভাঁজপত্র’র মোড়ক উন্মোচন শেষে বাংলা কবিতায় কবি সুকান্ত উল্কা শীর্ষক আলোচনায় বক্তাগণ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য এঁর একুশ বছরের কাব্য সাহিত্য জীবনের নানাদিক তুলে ধরেন।
তৎপর স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন কবি মিনু পাল, কবি দীপু মন্ডল, কবি গৌরদাস বিশ্বাস, কবি নিরঞ্জন রায়, কবি নীলরতন মন্ডল, কবি অসিত মন্ডল, বাচিক শিল্পী-মুকুট মেহেদী।
পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গণসংগীত পরিবেশন করেন- শিল্পী সন্দীপক মল্লিক, মিনা মিজানুর রহমান, অরবিন্দ মৃধা, এমদাদ আলী, মিনু পাল প্রমুখ। ক্লাবের সদস্যবৃন্দ সহ আমন্ত্রিত অতিথিবন্দ মুগ্ধতার সহিত অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
সাম্যের কবি দ্রোহের-তারণ্যের কবি, কবিতায় উল্কা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য এর জন্ম ১৫ আগষ্ট-১৯২৬, মৃত্যু ১৩ মে ১৯৪৭। মাত্র পঁচিশ বছর জীবৎকালের ক্ষণজন্মা এই কবির জন্মশতবর্ষকে খুলনা রাইটার্স ক্লাব যথাযথ মর্যদায় পালন করে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

সাতক্ষীরায় পিয়ারলেস হাসপাতালের ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় পিয়ারলেস হাসপাতালের ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালের ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে শহরের সঙ্গীতা মোড় কামালনগর এলাকায় এ ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কলকাতা পিয়ারলেস হসপিটালের গ্রুপ মার্কেটিং হেড অফিসার মি. ইন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি, পিয়ারলেস হসপিটালের আন্তর্জাতিক মার্কেটিং ম্যানেজার নির্ঝর ঘোষ, ফ্রেন্ডশিপ কম্পিউটার-২ পরিচালক রাজু ঘোষ, আর এমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সদরের সেক্রেটার আব্দুল মোমেনসহ আরো অনেকে।

অনুষ্ঠানে পিয়ারলেস হাসপাতালের বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসকদের পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ, হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সম্পর্কে উপস্থিতদের অবহিত করা হয়।
আয়োজকরা জানান, সাতক্ষীরার রোগীদের কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যেই এ ইনফরমেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে।