মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

দেবহাটার নওয়াপাড়াকে আদর্শ, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় রাজুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
দেবহাটার নওয়াপাড়াকে আদর্শ, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় রাজুর

দীপঙ্কর বিশ্বাস: দেবহাটা উপজেলা ৪ নং নওয়াপাড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত স্বপ্নের ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার দৃপ্ত অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট সমাজসেবক রাজীব হোসাইন রাজু। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত নওয়াপাড়ার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার অভিজ্ঞতায় বলীয়ান হয়ে তিনি এবার সমাজ পরিবর্তনের এক নতুন বার্তা নিয়ে এসে দাঁড়িয়েছেন এলাকাবাসীর দ্বারে।

একটি স্বনির্ভর ও আদর্শ ইউনিয়ন গড়ে তুলতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সামাজিক নিরাপত্তার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন রাজু। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদ হবে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। সাধারণ মানুষকে সেবা নিতে এসে যেন কোনোভাবেই দালাল চক্রের হাতে হয়রানির শিকার হতে না হয় এবং প্রতিটি সরকারি সুযোগ-সুবিধা যেন বিনা বাধার সরাসরি সুফলভোগীদের কাছে পৌঁছায়, সে ব্যাপারে তিনি কঠোর পদক্ষেপ নেবেন।

ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় সামাজিক ব্যাধি মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান তিনি। রাজীব হোসাইন রাজু বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের নির্মূল করতে কঠোর অবস্থানে আছি। তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করা না গেলে কোনো উন্নয়নই টেকসই হবে না। তাই সমাজকে পুরোপুরি মাদকমুক্ত করতে কঠোর আইনগত পদক্ষেপের পাশাপাশি ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকান্ড বৃদ্ধির মাধ্যমে যুব সমাজকে ইতিবাচক ধারায় যুক্ত করার রূপরেখা তৈরি করেছেন তিনি।

হয়রানিমুক্ত নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা, অবহেলিত অবকাঠামোর সংস্কার এবং ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্য সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করাই রাজুর রাজনীতির মূল দর্শন। নওয়াপাড়ার আমূল পরিবর্তন ও একটি আদর্শ ইউনিয়ন গড়ার এই আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করতে তিনি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা, আশীর্বাদ ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন।

Ads small one

কেশবপুর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৩ নেতাসহ ৫ জন গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৩ নেতাসহ ৫ জন গ্রেপ্তার

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুর থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের তিন নেতাসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ২নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য সুভাষ দেবনাথ (৬৪), ২নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সবুর শেখ (৬০) এবং ৯নং গৌরিঘোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা মোসলেম উদ্দিন ফকির (৫৫)। এছাড়াও মাদকবিরোধী অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার পাশ্ববর্তী মনিরামপুর উপজেলার চালকিডাঙ্গা গ্রামের ইব্রাহিম হোসেন (২৬) এবং একই উপজেলার হাজরাকাটি গ্রামের মাদক সেবনকারী দিপু (২৮)।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে কেশবপুর থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাগরদাঁড়ি গ্রামের মৃত শিবপদ দেবনাথ এর ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং ইউপি সদস্য সুভাষ দেবনাথ (৬৪) এবং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের শেখপুরা গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ শেখের ছেলে ২নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সবুর শেখ (৬০) এবং ৯নং গৌরিঘোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মোসলেম উদ্দিন ফকির (৫৩) কে গ্রেপ্তার করে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২২ আগস্ট উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়নের ভাদুড়িয়া মোড় এলাকায় নাশকতা মামলায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যার মামলা নং-১৪।

অপরদিকে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন এর দিক-নির্দেশনায় ভাল্লুকঘর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পুলিশ পরিদর্শক দেব কুমার দাস, সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক নারোদ বিশ্বাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পৌর শহরের গাজীর মোড় এলাকা থেকে ৭০ পিচ ইয়াবা-সহ ইব্রাহিম হোসেন (২৮) নামে এক মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করে। সে পাশ্ববর্তী মনিরামপুর উপজেলার চালকিডাঙ্গা গ্রামের আবু কাসেম গাজীর ছেলে।

 

মাদকসহ গ্রেপ্তারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। যার মামলা নং-১৪। এছাড়াও আরেক অভিযানে উপজেলার সাতবাড়িয়া এলাকা থেকে মনিরামপুর উপজেলার হাজরাকাঠি গ্রামের মফিজ দফাদারের ছেলে দিপু (২৮) কে গ্রেপ্তার করে সামারি ট্রায়াল আইনে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন বলেন গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামিদের মঙ্গলবার দুপুরে যশোর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। চুরি, ছিনতাই, মাদকমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত উপজেলা গড়তে থানা পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে ৪ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে ৪ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা উদ্ধার

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে পুলিশের পৃথক অভিযানে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, রবিবার দিবাগত গভীর রাতে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে এসআই কে এম নাসির উদ্দিন, দীপ্তিস ঢালী, এএসআই ইমদাদুল হক, আনজির, অমিত হাসানসহ সঙ্গীয় ফোর্স উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানের একপর্যায়ে বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদ গ্রামের মো. রফিকুল বিশ্বাস (আঙ্গুর)-এর ছেলে মো. রমজান বিশ্বাস (৩০) কে তার নিজ বাড়ি থেকে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় আশাশুনি থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।

এছাড়া শ্যামনগর থানার সিআর-১৬১/২৬ মামলার আসামি আশাশুনি উপজেলার গোকুলনগর গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে মো. ইমদাদুল হক (৩০), সিআর-১১৯০/২৫ মামলার আসামি পাইথালী গ্রামের গফফার গাইনের ছেলে কামরুল ইসলাম এবং সিআর-১২৫/২৪ মামলার আসামি বালিয়াপুর গ্রামের সামছের সরদারের ছেলে ছালেক সরদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আশাশুনি থানার ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

 

আশাশুনিতে পটকা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৪ জন অসুস্থ, প্রাণ গেল গৃহকর্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে পটকা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৪ জন অসুস্থ, প্রাণ গেল গৃহকর্তার

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে টিপা (পটকা) মাছের তরকারি খেয়ে একই পরিবারের চারজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় আজহারুল ইসলাম (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বড়দল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

অসুস্থ তিনজন ও নিহতের মাকে সাতক্ষীরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়দল গ্রামের মৃত মজিদ গাজীর ছেলে মুদি ব্যবসায়ী আজহারুল ইসলাম সোমবার সকালে বড়দল বাজারের মাছ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলামের কাছ থেকে কাটা মাছ কেজি দরে কিনে বাড়িতে পাঠান। দুপুরে পরিবারের সদস্যরা ওই মাছের তরকারি দিয়ে ভাত খান। খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন।

প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে তাদের সাতক্ষীরায় নেওয়া হয়। সেখানে রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসক আজহারুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।
অসুস্থরা হলেন আজহারুল ইসলামের মেয়ে সোনালী (১১), ছেলে রমিম (৭), স্ত্রী ময়না ও মা রাশিদা (৬৫)। তারা বর্তমানে সাতক্ষীরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত টিপা/পটকা মাছ খাওয়ার কারণেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ চিকিৎসকের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।