বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

কেশবপুরে জমি দখলে নিতে প্রতিপক্ষকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি দখলে নিতে প্রতিপক্ষকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মাটিতে কেশবপুরে বিরোধপূর্ণ জমি দখলে নিতে প্রতিপক্ষকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ফতেপুর গ্রামের ফজর আলী শেখের ছেলে গোলাম রসুলের পৈতৃক সুত্রে পাওয়া ২০ শতক জমির হিস্যা অনুযায়ী ১০.৫০ শতক জমি ভোগ দখল করে আসছিলেন। বাকি অংশ একই গ্রামের মনিরুল ইসলাম, হাসানুজ্জামান ও আক্তারুল ইসলাম ভোগদখল করে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি মনিরুল ইসলাম গং সম্পূর্ণ জমির মালিকানা দাবি করে আসছে। এনিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

 

প্রতিদিনের ন্যায় সোমবার গোলাম রসুল তার জমিতে রোপনকৃত ফসলের পরিচর্যা করতে আসলে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা মনিরুল ইসলাম, হাসানুজ্জামান ও আক্তারুল ইসলামসহ একদল সন্ত্রাসী হাতে চাইনিজ কুড়াল, হাতুড়ি, লোহার রড, বেকিসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গোলাম রসুলকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার উপর এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে রক্তাত্ত জখম করে।

 

খবর পেয়ে ঠেকাতে আসলে গোলাম রসুলের পিতা ফজর আলী শেখ, চাচাতো ভাই আবুল কাশেম ও হাসান শেখ এবং চাচাতো ভাবি রেহেনা বেগমকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এলাকাবাসী গুরুতর আহত ফজর আলী, আবুল কাশেম, রেহেনা ও নাছিমা খাতুনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় অসুস্থ গরু এনে মাংস বিক্রির চেষ্টার সময় ৫ জন আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় অসুস্থ গরু এনে মাংস বিক্রির চেষ্টার সময় ৫ জন আটক

সংবাদদাতা: রোগাক্রান্ত ও পোকাধরা গরু গোপনে জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে ৫ জনকে আটক করেছে সাতক্ষীরা থানা পুলিশ। এ সময় তাদের ব্যবহৃত ১টি পিকআপ ভ্যান, ১টি মোটরসাইকেল এবং ১টি অসুস্থ গরু উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে সাতক্ষীরা ১৩নং লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা বৌবাজার এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর আনুমানিক ৪টার সময় একটি লাল-কালো রঙের বোলেরো চার চাকার পিকআপ গাড়িতে (রেজিঃ নং- খুলনা-ল-১১-১৭৪১) করে একটি রোগাক্রান্ত ফ্রিজিয়ান গরু নিয়ে আসা হয়। মাগুরা বৌবাজারের রাস্তার ধারে গরুটি নামানোর সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। গরুটির মুখ দিয়ে ক্রমাগত ফেনা ও লালা ঝরছিল এবং এটি নড়াচড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার সমাজসেবক এম সোহেল আহমেদ মানিকসহ স্থানীয়দের খবর দেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতপ্রায় গরুটি দেখতে পান এবং তৎক্ষণাৎ সাতক্ষীরা থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গরু নিয়ে ব্যক্তিদের আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি বোলেরো পিকআপ এবং ১টি বাজাজ পালসার মোটরসাইকেল (রেজিঃ নং- সাতক্ষীরা-ল-১১-৭৯৪০) জব্দ করা হয়।

দুপুর ১২:৪০ মিনিটের সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, সাতক্ষীরা সদরের উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ অফিসার শেখ সালাহউদ্দীন সাতক্ষীরা থানায় উপস্থিত হয়ে গরুটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন এবং গরুটি মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা পরস্পর যোগসাজশে বিভিন্ন এলাকা থেকে কম দামে মারাত্মক অসুস্থ ও রোগাক্রান্ত গরু সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে এসব গরু গোপনে জবাই করে সুস্থ মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল।

আটককৃতরা হলেন সাতক্ষীরার মাছখোলা শিবতলা এলাকার আনসার আলী কারিগরের ছেলে আবুল বাশার কারিগর (৩০), একই এলাকার জিয়ারুল ইসলামের ছেলে তৈয়েবুর রহমান (১৯), একই এলাকার মৃত আরশাদ আলীর ছেলে মোঃ শাহিন ইসলাম (২০), খুলনার ডুমুরিয়া থানার সাহাপুর গ্রামের হাফিজুর শেখ এর ছেলে মোঃ ইব্রাহীম শেখ (২৫) এবং যশোরের কেশবপুর থানার মঙ্গলকোট গ্রামের মতলেব মোড়লের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম (৩৫)।

এ বিষয়ে এম সোহেল আহমেদ মানিক বাদী হয়ে সাতক্ষীরা থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। সাতক্ষীরা থানা পুলিশ জানায়, এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত ডেস্ক: মঙ্গলবার ও বুধবার (২৫ ও ২৬ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ মাদরা ও কুশখালি বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, শাড়ি ও বাংলাদেশী পাট আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সদর থানার চৌরঙ্গী হতে ৪ লাখ ১১ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, মাদরা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি ও চান্দা হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি ও বাংলাদেশী পাট আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

সাতক্ষীরা সদরের কাশেমপুর রাস্তা জনগনের মরণফাঁদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সদরের কাশেমপুর রাস্তা জনগনের মরণফাঁদ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশেমপুর সিটি কলেজ মোড় হতে সাংবাদিক সেলিম হোসেনের বাড়ির সামনে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পিচ ও ইটের খোয়া উঠে গিয়ে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ফলে প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় ধীরে ধীরে এর অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে গর্তে পানি জমে পথচারী ও যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যানচালকদের প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, কাশেমপুরের এই সড়কটি স্থানীয়দের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

স্থানীয়রা দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ ও চলাচল উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সংস্কার করা না হলে আগামী দিনে সড়কটির দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। দ্রুত সংস্কারের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য সহ সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।