Header Top Small Advertisement

17158135 - online internet banner with text your ad here on a web page web page with all pictures and informations are created by contributor himself
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩

পাইকগাছায় হাম-রুবেলা ভ্যাক্সিন ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় হাম-রুবেলা ভ্যাক্সিন ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা

পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় হাম-রুবেলা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯ এপ্রিল রোববার বেলা ১১ টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহসানারা বিনতে আহমদ। প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো: ফজলে রাব্বী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাজান আলী শেখ, থানা অফিসার ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া, উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় দেবনাথ, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।

 

মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাকিলা আফরোজ হাম -রুবেলার উপর বিস্তারিত উপস্থাপন করেন। স্বাস্থ্য কর্মী জাহাঙ্গীর আলমের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সভাপতি প্রকাশ ঘোষ বিধান,পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি জিএম মিজানুর রহমান, সাংবাদিক আব্দুল আজিজ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা মোঃ শাখায়ৎ হোসেন, ডিজিএফ আই প্রতিনিধি মো: শাহীন, আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।

 

২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত মোট ১১টি কর্মদিবস এই ক্যাম্পেইন চলবে। এর মধ্যে প্রথম ৮ দিন কমিউনিটি পর্যায়ের কেন্দ্রগুলোতে এবং শেষ ৩ দিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকাদান চলবে। নির্ধারিত কেন্দ্রসমূহ ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্থায়ী কেন্দ্রে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টিকা দেওয়া হবে। ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী মোট ২০ হাজার ৫৪০ জন শিশুকে এই টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আহসানারা জানান, অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা সকল শিশু এই টিকা গ্রহণ করতে পারবে। কর্মসূচির শেষ দিন পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া উন্মুক্ত থাকবে। তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হাম ও রুবেলার মতো মারাত্মক রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে এই টিকার কোনো বিকল্প নেই। কোনো শিশু যেন এই টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সেজন্য আমরা ব্যাপক প্রচার চালিয়েছি। টিকা নিয়ে কোনো ধরনের গুজব বা অপপ্রচারে কান দেবেন না। সভায় কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে প্রশাসনিক ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

Ads small one

সাতক্ষীরায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ফিলিং স্টেশনে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ফিলিং স্টেশনে জরিমানা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় মজুদ থাকা জ্বালানি তেল নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে দুইটি ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার (১৯ এপ্রিল) শহরের পৃথক দুটি ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা শহরের এ বি খান ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা এবং লস্কর ফিলিং স্টেশনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ১১টা এবং দুপুর ১২টার দিকে পৃথক সময়ে অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা আরোপ করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নতুন মূল্য ঘোষণার পর জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার জেলার সকল ফিলিং স্টেশনকে নির্দেশ দেন, আগে থেকে মজুদ থাকা তেল পুরোনো দামে বিক্রি করতে হবে। শুধুমাত্র নতুন করে ডিপো থেকে সরবরাহকৃত তেল বর্তমান নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার কথা বলা হয়। তবে নির্দেশনা অমান্য করে বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশন সকালে থেকেই বাড়তি দামে তেল বিক্রি শুরু করে।

 

এ সময় স্টেশনগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসাররা বাধা দিলে কিছু সময়ের জন্য তেল বিক্রি বন্ধ রাখে মালিকরা। পরে আবারও নতুন দামে বিক্রি শুরু করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে।
অভিযানের শুরুতেই শহরের দুটি ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।

এদিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দৈনিক জ্বালানি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ২৯টি ফিলিং স্টেশনে বর্তমানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ ১ হাজার ৪৩২ লিটার ডিজেল, ৫৪ হাজার ৪৮৫ লিটার পেট্রোল এবং ২২ হাজার ৬৮৩ লিটার অকটেন রয়েছে।

জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার শাহেদ হোসেন জানান, মজুদকৃত তেল অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ফিলিং স্টেশনগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য ফিলিং স্টেশনগুলোকেও সতর্ক করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় জেলাব্যাপী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

 

 

 

আশাশুনিতে ট্রাকলোডে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ট্রাকলোডে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে ট্রাকে তরমুজ লোড করতে দাবীকৃত চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় ব্যবসায়ীকে বেদম মারপিট করে আহত করা হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৭.৩০ টার দিকে বড়দল ইউনিয়নের বামনডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বামনডাঙ্গা গ্রামের মৃত নিতাই পদ মন্ডলের ছেলে ভবতোষ কুমার মন্ডল জানান, তিনি বামনডাঙ্গা বিলে ২২ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। উৎপাদিত তরমুজসহ এলাকা থেকে ক্রয়কৃত তরমুজ ট্রাকে ভরে কুষ্টিয়া, ঢাকা, রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে থাকেন।

 

তারসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা এখানের রাস্তার পাশে ট্রাক থামিয়ে মাল লোড করে থাকেন। ঘটনার সময় তার একটি ট্রাক বামনডাঙ্গায় চেয়ারম্যানের বাড়ির দক্ষিণ পাশে রাস্তায় দাড় করানো হয়। এসময় পঞ্চরাম সানা সেখানে ট্রাক সরিয়ে দিলে মিন্টুর বাড়ির কাছে নেয়া হয়।

 

তারপরও অমল সানা চাঁদা না পাওয়ায় বাধ সাধেন এবং কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পঞ্চরাম সানা, অমল সানা ও তার স্ত্রী শিউলী দত্ত একযোগে তার উপর হামলা চালায় এবং গাছের ডাল ও কচা নিয়ে হামলা চালালে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেও রক্ষা পায়নি। তাদের মারপিটে ভবতোষ অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। এসময় তার কাছে থাকা আড়াই লক্ষ টাকার বান্ডেল খোয়া যায়।

 

পরে এক লক্ষ টাকার একটি বান্ডেল পাওয়া গেলেও বাকী টাকার হদিছ মেলেনি বলে তিনি জানান। পাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে মাথায় পানি দিয়ে জ্ঞান ফিরলে আশাশুনি হাসপাতালে নেয়া হয়। এ ব্যাপারে এলাকার মানুষ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানিয়েছেন। অভিযুক্ত প্রতিপক্ষের বক্তব্য পেতে যোগাযোগ করেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

 

 

 

আশাশুনি বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিবের বিবৃতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
আশাশুনি বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিবের বিবৃতি

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন সলুয়া ও হাড়িয়ার খাল নিয়ে কাদা ছড়াছড়ির ব্যাপারে বিবৃতি প্রদান করেছেন। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি বিবৃতি প্রদান করেন।

আশাশুনি উপজেলা সদরের মৌজা ও বিলের চিত্র তুলে ধরে বিবৃতিতে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইনে সদরের সলুয়া ও হাড়িয়ার খাল নিয়ে আমাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালান হয়েছে। এর সাথে আমার কোন প্রকার সম্পৃক্ততা নেই, আগেও ছিলনা, ভবিষ্যতেও থাকবেনা। আমি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করবো, আমার প্রতিপক্ষ আমার সুনাম নষ্ট ও হেয় প্রতিপন্ন করতে আমাকে জড়িয়েছে।

 

সংবাদের সূত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাকে কোন সাংবাদিক ফোন করেননি। কেউ রিং করলে কথা হতো, ধরতে না পারলের ফোন ব্যাক করতাম। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খালের দু’পাশে মাছ চাষের কারনে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এলাকার জনগণ জলাবদ্ধতা নিরসন কল্পে নেটপাটা অপসারন করেছে বলে জেনেছি। সেখানে কেই দখল করেনি বলে তিনি জানান।