বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

বিশ্ব হ্রদ দিবস: মিঠাপানির ভাণ্ডার রক্ষায় বৈশ্বিক অঙ্গীকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
বিশ্ব হ্রদ দিবস: মিঠাপানির ভাণ্ডার রক্ষায় বৈশ্বিক অঙ্গীকার
সাকিবুর রহমান বাবলা 
২৭ আগস্ট পালিত হয় ‘বিশ্ব হ্রদ দিবস’। পৃথিবীর হ্রদ, জলাধার ও মিঠাপানির বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্ব তুলে ধরতে এবং এর সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়াতে জাতিসংঘ এই দিবস ঘোষণা করেছে। ​২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সর্বসম্মত রেজোলিউশন (এ/আর‌ইএস/৭৯/১৪২)-এর মাধ্যমে ২৭ আগস্টকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর আগে, ২০২৪ সালের মে মাসে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত ১০ম বিশ্ব জল ফোরামে এই সুপারিশ উত্থাপিত হয়েছিল। দিবসটির কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি।
হ্রদ পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এগুলো শুধু জলাধার নয়; বরং পরিবেশ, জলবায়ু, জীববৈচিত্র্য, অর্থনীতি ও মানবজীবনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত একটি জটিল বাস্তুতন্ত্র। পৃথিবীতে বর্তমানে ১১ কোটি ৭০ লক্ষেরও বেশি হ্রদ রয়েছে, যা বিশ্বের স্থলভাগের প্রায় ৪ শতাংশ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। পৃথিবীর অধিকাংশ মিঠাপানি হিমবাহ ও ভূগর্ভে সঞ্চিত থাকলেও বরফমুক্ত ভূপৃষ্ঠে বিদ্যমান তরল মিঠাপানির প্রায় ৯০ শতাংশই হ্রদে সংরক্ষিত রয়েছে। ফলে পানীয় জল, কৃষি, শিল্প, মৎস্যসম্পদ এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রার জন্য হ্রদের গুরুত্ব অপরিসীম।
প্রকৃতির অমূল্য রত্ন হ্রদগুলো অতিরিক্ত পানি ধারণ করে বন্যা রোধ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর সমৃদ্ধ এবং বাষ্পীভবনের মাধ্যমে আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত বাড়িয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। একই সঙ্গে, এগুলো অতিরিক্ত তাপ শোষণ ও কার্বন সংরক্ষণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায়, বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এবং পর্যটন ও মৎস্য শিকারের মতো কার্যক্রমে লাখো মানুষের জীবিকার উৎস হিসেবে অনন্য ভূমিকা পালন করে। এবং এর জলজ ও তীরবর্তী পরিবেশ নানা ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণীর খাদ্যশৃঙ্খল টিকিয়ে রাখে।
তবে এই গুরুত্বপূর্ণ জলসম্পদ বর্তমানে বহুমাত্রিক সংকটের মুখোমুখি। দ্রুত নগরায়ন, শিল্পায়ন, কৃষিতে রাসায়নিক সার ও অতিরিক্ত কীটনাশক  ব্যবহার, অপরিশোধিত বর্জ্য নির্গমন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বের অনেক হ্রদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন মূল্যায়নে দেখা যায়, বিশ্বব্যাপী উৎপাদিত বর্জ্যজলের প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত অপরিশোধিত অবস্থায় নদী, হ্রদ ও অন্যান্য জলাশয়ে প্রবেশ করে। এর ফলে পানির গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে, জলজ প্রাণীর মৃত্যু ঘটছে এবং মানবস্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
জলবায়ু পরিবর্তন হ্রদগুলোর জন্য আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে হ্রদের পানির তাপমাত্রা বাড়ছে, বাষ্পীভবনের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অনেক হ্রদের আয়তন সংকুচিত হচ্ছে। বিভিন্ন অঞ্চলে বরফে আচ্ছাদিত হ্রদগুলোর বরফস্তর দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। ফলে জলচক্রের স্বাভাবিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে এবং খরা ও বন্যার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে অস্থিতিশীল ভূমি ব্যবহার ও বন উজাড়ের কারণে অনেক হ্রদের স্বাভাবিক পুনর্ভরণ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে।
বিশ্বব্যাপী পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক দেশের নদী, হ্রদ ও জলাধারের মতো মিঠাপানির বাস্তুতন্ত্রগুলো দ্রুত অবক্ষয়ের দিকে যাচ্ছে, যা পরিবেশগত সংকটের পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে এক বড় বাধা। এই বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রায় তিন দশক ধরে ইউএনইপি-ডিএইচআই সেন্টার ইন্টিগ্রেটেড ওয়াটার রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট ও টেকসই হ্রদ ব্যবস্থাপনার প্রসারে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি নীতিগত পরামর্শ প্রদান, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সক্ষমতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে মিঠাপানির টেকসই ও কার্যকর ব্যবস্থাপনায় বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক অর্থে বড় আকারের হ্রদ তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও দেশের অসংখ্য বিল, হাওর, বাঁওড়, দিঘি, জলাধার, জলাভূমি এবং কৃত্রিম লেক একই ধরনের পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক ভূমিকা পালন করে। কাপ্তাই হ্রদ দেশের বৃহত্তম কৃত্রিম মিঠাপানির জলাধার হিসেবে মৎস্যসম্পদ, পর্যটন ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এছাড়া সিলেট অঞ্চলের হাওরসমূহ, গোপালগঞ্জের বিলাঞ্চল, খুলনা-সাতক্ষীরার বাঁওড়সমূহ এবং দেশের বিভিন্ন জেলার দিঘি ও জলাধার স্থানীয় জীববৈচিত্র্য সম্পদ সংরক্ষণ ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
কিন্তু বাংলাদেশের জলাশয়গুলোও নানা সমস্যার সম্মুখীন। দখল, ভরাট, দূষণ, অপরিকল্পিত নগরায়ন, প্লাস্টিক বর্জ্য, কৃষিজ রাসায়নিকের ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বহু জলাশয় হারিয়ে যাচ্ছে বা পরিবেশগত সক্ষমতা হারাচ্ছে। নগরাঞ্চলের অনেক লেক ও খাল দূষণের চাপে তাদের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য হারিয়েছে। ফলে জীববৈচিত্র্য হ্রাস, জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পরিবেশের অবনতি ঘটছে। যদিও বাংলাদেশ পরিবেশ আইন, ১৯৯৫, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য আইন, ২০১৭’সহ সংশ্লিষ্ট আরো কয়েকটি প্রচলিত আইন থাকার শর্তেও এসব প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে।
পৃথিবীর সুন্দর প্রাকৃতিক লেকগুলোর মধ্যে কানাডার লেক মোরাইন তার বরফঢাকা পাহাড় ও নীল পানির জন্য, ক্রোয়েশিয়ার প্লিতভিসে লেক জলপ্রপাতসমৃদ্ধ ১৬টি লেকের দলের জন্য এবং স্লোভেনিয়ার লেক ব্লেড মাঝের দ্বীপ ও আল্পস পর্বতের সুন্দরের জন্য বিখ্যাত। এছাড়া গুয়াতেমালার লেক আতিতলান আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে তৈরি হওয়ার কারণে এবং নিউজিল্যান্ডের লেক টেকাপো স্বচ্ছ নীল পানি ও ফুলের তীরের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
বিশ্ব হ্রদ দিবসের মূল বার্তা হলো—মিঠাপানির এই অমূল্য ভাণ্ডারকে রক্ষা করা এখন আর শুধু পরিবেশগত দায়িত্ব নয়; এটি মানবজাতির টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার পূর্বশর্ত। হ্রদ ও জলাশয় সংরক্ষণে কার্যকর আইন প্রয়োগ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, টেকসই কৃষি চর্চা, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণাভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জরুরি। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৬.৬ নম্বর লক্ষ্য অনুযায়ী জল-সম্পর্কিত বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

Ads small one

রোববার সাতক্ষীরা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
রোববার সাতক্ষীরা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

তালা প্রতিনিধি: আগামী ৩০ আগস্ট (রোববার) সাতক্ষীরা জেলা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সফরসূচি অনুযায়ী, এদিন তিনি তালা উপজেলার ইসলামকাটিতে অবস্থিত মিনি স্টেডিয়াম পরিদর্শন, পাটকেলঘাটা বলফিল্ড মাঠে পথসভায় যোগদান এবং সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল ৯টায় ঢাকার পল্লবীতে নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে সাতক্ষীরার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন প্রতিমন্ত্রী। দুপুর ২টায় তিনি তালার ইসলামকাটিতে অবস্থিত মিনি স্টেডিয়াম পরিদর্শন করবেন। একই সময়ে পাটকেলঘাটা বলফিল্ড মাঠে অনুষ্ঠিত পথসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

বেলা ৩টায় সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রতিমন্ত্রী। সন্ধ্যা ৬টায় সাতক্ষীরা ত্যাগ করে সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন তিনি। রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকার পল্লবীতে নিজ বাসভবনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব, সহকারী একান্ত সচিব ও সিনিয়র সহকারী সচিব মো. তাছবীর হোসেন স্বাক্ষরিত মন্ত্রণালয়ের পাঠানো নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি সরকারি সফর। জনসংযোগ কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তাসহ দাপ্তরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সড়কপথে তাঁর সফরসঙ্গী হবেন।

এদিকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের তালায় সফরকে সফল করতে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তিনি প্রতিমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি সর্বাত্মক সহযোগিতা এবং উপস্থিতির আহ্বান জানান।

সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবলের ফাইনাল উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবলের ফাইনাল উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক ও জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সংস্থার সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, ডা. আবুল কালাম বাবলা, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম টুটুল, জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান, সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মিনিসহ সংস্থার অন্যান্য সদস্য ও স্থানীয় ক্রীড়ানুরাগী ব্যক্তিবর্গ।

 

সভায় জেলা প্রশাসক কাপের ফাইনাল ম্যাচটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন করতে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ বলেন, জেলা প্রশাসক কাপ সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনের একটি অন্যতম বড় উৎসব। আমরা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে ফাইনাল খেলাটি আয়োজন করতে চাই।

 

এজন্য প্রশাসন, ক্রীড়া সংস্থা এবং ক্রীড়ামোদী জনতাসহ সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। আশা করি, সবার প্রচেষ্টায় আমরা একটি সফল টুর্নামেন্ট উপহার দিতে পারব। এছাড়া সাতক্ষীরার ক্রীড়া ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করতে এই টুর্নামেন্ট বড় ভূমিকা রাখছে। খেলা দেখতে আসা দর্শক এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া।

 

স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা টুর্নামেন্টের প্রচার-প্রসার এবং জেলার ক্রীড়া মান উন্নয়নে বিভিন্ন গঠনমূলক পরামর্শ তুলে ধরেন।

 

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় প্রস্তুতি সভা

পত্রদূত ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির পাঠ কক্ষে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমাতুল্লাহ পলাশ এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলুর সঞ্চালনায় প্রস্তুতি সভায় ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করার লক্ষ্যে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুর রউফ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম ফারুক, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান হাদী, সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, তাজকিন আহমেদ চিশতী, শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহিন, শাহ মো. কামরুজ্জামান কামু, অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. আব্দুস সামাদ প্রমুখ।

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ১ সেপ্টেম্বর বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল আলম বাবু, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম, জেলা তাঁতী দলের সভাপতি হাসান শাহরিয়ার রিপন, সুমন রহমানসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।