শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে আটকা শতাধিক, উদ্ধারে সেনাবাহিনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে আটকা শতাধিক, উদ্ধারে সেনাবাহিনী

 

নেপালে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বিধ্বংসী বন্যায় একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা পড়া প্রায় ১০০ মানুষকে উদ্ধারে শুক্রবার (আগস্ট ২৮) অভিযান শুরু করেছে দেশটির সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার টিম। ভয়াবহ এই ঘটনার দুই দিন পর উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি।

নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজারাম বাসনেত এএফপিকে বলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে আটকে পড়া মানুষদের খুঁজে বের করা ও উদ্ধার করা। ত্রিশূলি ৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে কিছু মানুষ আটকা পড়েছেন।

তিনি আরও বলেন, দুটি হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে। কিন্তু সুড়ঙ্গের প্রবেশপথগুলো খুঁজে পাওয়াও অত্যন্ত কঠিন হওয়ায় এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া উদ্ধার হওয়া মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে ত্রাণ কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

নেপালে ফের বন্যার আতঙ্ক: রুদ্ধ হ্রদ কী এবং এটি ভাঙলে কতটা ভয়াবহ হতে পারেনেপালে ফের বন্যার আতঙ্ক: রুদ্ধ হ্রদ কী এবং এটি ভাঙলে কতটা ভয়াবহ হতে পারে
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয় যে, অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে কাজ করছে সেনাবাহিনী। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিকূল আবহাওয়া ও তীব্র গতিসম্পন্ন বানের পানির মধ্যেও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সেনাসদস্যদের একটি দল সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ৩৫০ জন শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দাকে সফলভাবে উদ্ধার করেছে। এতে আরও জানানো হয়, একই সুড়ঙ্গে আটকে থাকা আরও শতাধিক মানুষকে নিরাপদে বের করে আনতে সেনাবাহিনী এখনও কাজ করে যাচ্ছে। তবে উদ্ধার হওয়া বা আটকে থাকা ব্যক্তিদের জাতীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এদিকে ত্রিশূলি উপত্যকার অন্যান্য বাঁধ প্রকল্প থেকে উদ্ধার হওয়া শ্রমিকেরা জানান, দুর্যোগটি দ্রুত গতিতে আঘাত হানে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে আকাশপথে উদ্ধার হওয়া দেব শ্রেষ্ঠ নামের এক শ্রমিক এএফপিকে বলেন, প্রকল্প এলাকায় অন্তত ৪০০ শ্রমিক ছিলেন। যাদের উদ্ধার করা হয়েছে, তার চেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

অর্জুন কুমার তামাং নামে অপর এক শ্রমিক যে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে ছিলেন, সেখানকার ‘ব্যাপক ক্ষতির’ কথা উল্লেখ করে বলেন, কতজন মানুষ মারা গেছেন তা আমি জানি না, তবে পানির স্রোত সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।

ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, হিমবাহ ধসে প্রচুর পরিমাণে বরফাচ্ছন্ন ধ্বংসাবশেষের তীব্র প্রবাহ তৈরি হওয়ার কারণে গত বুধবার এই বিপর্যয় ঘটে। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে হিমবাহ গলে যাচ্ছে, যা হিমবাহের হ্রদ ভাঙা বন্যা এবং হিমবাহ ধসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

Ads small one

হরমুজ মাইনমুক্ত ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের, ট্রাম্পের দাবি ‘প্রণালি খোলা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
হরমুজ মাইনমুক্ত ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের, ট্রাম্পের দাবি ‘প্রণালি খোলা’

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সেই চ্যানেলটি এখন উন্মুক্ত রয়েছে।

ইরানের সাম্প্রতিক প্রতিক্রিয়াকে ‘খুবই মৃদু’ উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, তারা চায় না আমরা তাদের ওপর আবার হামলা করি। পুরো বিষয়টাই এটাই। বাকি কিছু গুরুত্বপূর্ণ নয়।

এর আগে রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপার এক ভিডিও বার্তায় জানান, হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নৌপথগুলো ইরানের সমুদ্র মাইন থেকে মুক্ত রয়েছে। তিনি এটিকে একটি ‘বড় মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

অ্যাক্সিওস মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করা জাহাজের তুলনায় বর্তমানে প্রায় অর্ধেক সংখ্যক জাহাজ চলাচল করছে। প্রতি রাতে ২০ থেকে ৩০টি তেলবাহী জাহাজ প্রণালি অতিক্রম করছে।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, গত এক মাসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোর প্রায় ২ শতাংশে ইরান হামলা চালিয়েছে। তবে ইরান এখনও জাহাজে হামলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হচ্ছে।

তবে রয়টার্সের প্রাথমিক জাহাজ চলাচলের তথ্য বলছে, গতকাল হরমুজ প্রণালি দিয়ে সাতটি পণ্যবাহী জাহাজ গেছে। এর আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ১৭টি। গত ১০ দিনের দৈনিক গড় ১৫টির তুলনায়ও গতকালের সংখ্যা কম।

রয়টার্স জানিয়েছে, এই পরিসংখ্যান পরিবর্তিত হতে পারে। কারণ, যাত্রাপথে কিছু জাহাজ তাদের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে দেয়।

সূত্র: অ্যাক্সিওস

ভালোবাসার গল্পে জীবন রক্ষার বার্তা, এলো ‘মিতু জিতুর গল্প’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
ভালোবাসার গল্পে জীবন রক্ষার বার্তা, এলো ‘মিতু জিতুর গল্প’

ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রকাশিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী মিউজিক ভিডিও মিতু জিতুর গল্প। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বেলাল খান-এর কণ্ঠে গাওয়া এই গানটির কথা লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী চিকিৎসক কাজী সালেহীন। গানটির সুরসংগীত পরিচালনামিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্টমিক্সিংমাস্টারিং এবং সার্বিক তত্ত্বাবধান করেছেন এস কে সমীর। গানটি প্রকাশিত হয়েছে ডক্টর কাজী প্লানেটের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল থেকে।

এটি শুধুমাত্র একটি রোমান্টিক গান নয়, বরং ভালোবাসার গল্পের মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধসময়মতো স্ক্রিনিং এবং জনসচেতনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরা হয়েছে।

গানটির ভিডিও পরিচালনা ও চিত্রগ্রহণ করেছেন মাহদী আল মুজাহিদ। অভিনয়ে রয়েছেন শেখ রাতুল রহমান ও অহি ইসলাম অথৈ। বিশেষ উপস্থিতিতে রয়েছেন রুনা হক। গানের গুরুত্বপূর্ণ বার্তাগুলোকে আরও আবেগঘন করে তুলতে বিশেষ অংশে ভয়েস ওভার দিয়েছেন হাসান মাহাদী

গানটির মূল গল্পে দেখানো হয়েছে, ভালোবাসায় পূর্ণ দুটি মানুষের জীবন কীভাবে হঠাৎ কোলন ক্যান্সারের কারণে বদলে যেতে পারে। একই সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা, সঠিক সময়ে ক্যান্সার স্ক্রিনিং করলে অনেক ক্ষেত্রেই ক্যান্সার প্রতিরোধ বা প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করা সম্ভব।

গানের উল্লেখযোগ্য বার্তাগুলোর মধ্যে রয়েছে—

আপনজনকে ধরে থাকতে হলে ক্যান্সার স্ক্রিনিং খুব জরুরি।

ভালোবাসাকে ধরে রাখতে হলে ক্যান্সার স্ক্রিনিং খুব জরুরি।

এছাড়াও গানটিতে সচেতনতামূলকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—

  • কোলন ক্যান্সার স্ক্রিনিং : ৪৫ বছর বয়স থেকে।
  • স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং : ৪০ বছর বয়স থেকে নারীদের জন্য।
  • প্রস্টেট ক্যান্সার স্ক্রিনিং : ৫০ বছর বয়স থেকে পুরুষদের জন্য।
  • সার্ভিক্যাল ক্যান্সার স্ক্রিনিং : ২১ বছর বয়স থেকে নারীদের জন্য।

পাশাপাশি স্ক্রিনিংয়ের আগে ও পরে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়েছে।

কণ্ঠশিল্পী বেলাল খান বলেন

“গান মানুষের বিনোদনের পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনও আনতে পারে। ‘মিতু জিতুর গল্প’ এমনই একটি ব্যতিক্রমী কাজ, যেখানে গান ও সচেতনতার সুন্দর সমন্বয় হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এই গানটি শুধু শ্রোতাদের ভালো লাগবে না, বরং অনেক মানুষকে ক্যান্সার স্ক্রিনিং সম্পর্কে সচেতন হতেও উদ্বুদ্ধ করবে। এমন একটি অর্থবহ কাজের সঙ্গে থাকতে পেরে আমি আনন্দিত।”

গীতিকার  প্রযোজক কাজী সালেহীন  বলেন

“আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে প্রতিদিনই ক্যান্সারের কারণে অসংখ্য পরিবারের কষ্টের গল্প দেখি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই ‘মিতু জিতুর গল্প’ লেখার অনুপ্রেরণা পাই। আমাদের উদ্দেশ্য মানুষকে ভয় দেখানো নয়, বরং জানানো যে সময়মতো স্ক্রিনিং করলে অনেক ক্ষেত্রেই ক্যান্সার প্রতিরোধ বা প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করা সম্ভব। যদি এই গানটি একজন মানুষকেও সময়মতো স্ক্রিনিং করাতে উদ্বুদ্ধ করতে পারে, তাহলেই আমাদের এই প্রচেষ্টা সফল হবে।”

ভিডিও পরিচালক মাহদী আল

ফকিরহাটে এলাকাবাসীর ঝাড়ু মিছিল ও মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
ফকিরহাটে এলাকাবাসীর ঝাড়ু মিছিল ও মানববন্ধন

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের ফকিরহাটে ভুয়া মামলা, ভূমিদস্যুতা এবং হয়রানির অভিযোগে টিকটকার নাজমা বেগম ও তার স্বামী মো. কুদ্দুসের বিরুদ্ধে ফুসে উঠেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝাড়ু মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বেলা ৩টায় উপজেলার নলধা মৌভোগ ইউনিয়নের কামটা গ্রামে ভুক্তভোগী ও সাধারণ এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

​মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত নাজমা বেগম ও তার স্বামী ‘মাতাল’ কুদ্দুস দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানাবিধ অপকর্ম চালিয়ে আসছেন। নির্দোষ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপবাদ ছড়িয়ে তারা মানুষকে বিপদে ফেলে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। পাশাপাশি জোরপূর্বক সাধারণ মানুষের জমি দখলের অভিযোগও রয়েছে এই দম্পতির বিরুদ্ধে।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তফা শেখ বলেন, নাজমা বেগম ও কুদ্দুস এলাকার প্রায় সব মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে বিপদে ফেলার চেষ্টা করেন। তারা নিয়মিত অর্থ আত্মসাৎ ও মানুষের জমি দখল করে চলছেন। আমরা জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এর সঠিক বিচার দাবি করছি।

​ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তাঁর ও তাঁর স্বামীর নামে মাতাল কুদ্দুস এবং নাজমা বেগম একাধিকবার মিথ্যা মামলা দিয়ে মারাত্মক হয়রানি করেছে। বিভিন্ন মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে অর্থ আদায় করাই এখন তাদের মূল পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

​আরেক ভুক্তভোগী আওয়াল শেখ বলেন, নাজমা আমার নামেও একটি মিথ্যা মামলা দিয়েছিল। সাধারণ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া এবং পরবর্তীতে টাকার বিনিময়ে তা আপস-মীমাংসা করাই এদের মূল কাজ। আমরা এলাকাবাসী একত্রিত হয়েছি যাতে এদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

​নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক নারী অভিযোগ করে বলেন, আমাদের জমি নাজমা বেগম ও মাতাল কুদ্দুস জোর করে দখল করে ভোগ করছে। আমরা আমাদের জমি ফেরত চাইতে গেলে তারা আমাদের ওপর উল্টো মিথ্যা মামলার ভয়ভীতি দেখায়। এমনকি নাজমা নিজের আপন ভাইয়ের নামেও একটি মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়েছে, যা এলাকার সবাই জানে। আমরা এই জুলুম থেকে নিস্তার চাই এবং এদের উপযুক্ত বিচার চাই।

​মানববন্ধন শেষে একটি প্রতিবাদী ঝাড়ু মিছিল কামটা গ্রামের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। কর্মসূচি থেকে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার শত শত নারী-পুরুষ অংশ নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় জেলা প্রশাসন ও পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।