শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

পর্যটন মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চালিকাশক্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
পর্যটন মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চালিকাশক্তি

প্রকাশ ঘোষ বিধান

বিশ্ব পর্যটন মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চালিকাশক্তি। এটি কেবল এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ভ্রমণ নয়, বরং বিভিন্ন সংস্কৃতি ও মানুষের মধ্যে বন্ধন সৃষ্টির এক শক্তিশালী মাধ্যম। বিশ্বব্যাপী পর্যটনের উন্নয়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা বিশ্ব পর্যটন সংস্থা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস প্রতি বছর ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালন করা হয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে পর্যটনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মূল্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। ১৯৭০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার সংবিধি বা সংবিধিবদ্ধ আইন গৃহীত হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই পরবর্তীতে ২৭ সেপ্টেম্বরকে পর্যটন দিবস হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা এর উদ্যোগে ১৯৮০ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এবং বিভিন্ন পর্যটন ভিত্তিক সংগঠন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করে থাকে।

পর্যটন খাত বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। বহু দেশ তাদের জাতীয় আয়ের একটি বড় অংশ পর্যটকদের মাধ্যমে অর্জন করে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, গাইড এবং স্থানীয় হস্তশিল্পের মতো অসংখ্য খাতে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে কেন্দ্র করে রাস্তাঘাট, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং স্থানীয় সুযোগ-সুবিধার দ্রুত আধুনিকায়ন ঘটে, যা সামগ্রিক অঞ্চলের অর্থনীতিকে গতিশীল করে।

পর্যটন মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ড, যা মানবসভ্যতার বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব ফেলে আসছে। পর্যটন শিল্পের বিকাশের ফলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধি পায়, যা তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সাথে মেলামেশার ফলে পারস্পরিক কুসংস্কার দূর হয় এবং মানুষের মধ্যে সহানুভূতি ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে।

পর্যটকদের আকর্ষণের জন্য স্থানীয় প্রাচীন স্থাপত্য, লোকশিল্প, উৎসব এবং ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো সংরক্ষণ করা হয়। এর ফলে বিলুপ্তপ্রায় অনেক ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত হয়। পর্যটনের মাধ্যমে এক দেশের সংস্কৃতি, খাদ্যাভ্যাস, ভাষা ও শিল্পকলা অন্য দেশের মানুষের কাছে পৌঁছায়, যা বিশ্বজুড়ে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করে।

ভ্রমণের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মানুষ একে অপরের ঐতিহ্য, খাবার ও ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে। স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক স্থানগুলো সংরক্ষণে পর্যটন জনসচেতনতা ও আর্থিক সহায়তা জোগায়। দেশের কৃষ্টি ও পরিচিতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়ে।

পর্যটন খাতের টানে সরকার ও বেসরকারি উদ্যোগে রাস্তাঘাট, বিমানবন্দর ও আধুনিক হাসপাতাল গড়ে ওঠে। পর্যটকদের খরচ করা অর্থ সরাসরি স্থানীয় ও জাতীয় অর্থনীতিতে যুক্ত হয়ে মোট দেশজ উৎপাদনে বড় ভূমিকা রাখে। পর্যটন মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চালিকাশক্তি, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে শতভাগ এর বেশি অবদান রাখে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করার ক্ষমতা রাখে। পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুকাময় সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার এবং বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন এ দেশের প্রধান আকর্ষণ। এছাড়া সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চল, রাঙামাটি-বান্দরবানের ভূ-প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং এ দেশের প্রাচীন প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।

অজানাকে জানার স্বভাবজাত আকাঙ্খা থেকে পর্যটন একটি বৃহৎ বৈশ্বিক শিল্পে রূপ নিয়েছে। উত্তর গোলার্ধে যখন পর্যটনের প্রধান মৌসুম শেষ হয়, ঠিক তখনই দক্ষিণ গোলার্ধে পর্যটন মৌসুমের শুরু হয়। ফলে বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের মাঝে এটি একটি দারুণ সংযোগ তৈরি করে। তবে বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, তেলের দামের ওঠানামা, বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি এবং আবাসন ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়া পর্যটন খাতের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করছে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

পাটকেলঘাটা প্রেস ক্লাবের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত, নতুন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
পাটকেলঘাটা প্রেস ক্লাবের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত, নতুন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেস ক্লাবের কার্যালয়ে সভাপতি শেখ আব্দুল মমিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন সরদারের সঞ্চালনায় এ সভা হয়।

সভায় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শেখ জোরুল হক, সহসভাপতি নাজমুল হক খান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জামান মনি, মো. মুজিবুর রহমান, প্রভাষক ফিরোজ আহমেদ, আতাউর রহমান বক্তব্য দেন।

আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রেস ক্লাবের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ক্লাব পরিচালনায় নতুন নির্বাচন আয়োজনের উদ্দেশ্যে একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সম্পাদকীয়/ উপকূলের বাঁচার লড়াই: প্রতিশ্রুতি ও সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ উপকূলের বাঁচার লড়াই: প্রতিশ্রুতি ও সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে সাতক্ষীরা জেলা এখন এক চরম বাস্তবতার মুখোমুখি। বারবার আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, লবণাক্ততার আগ্রাসন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এখানকার মানুষের জীবন-জীবিকাকে প্রতিদিন বিপন্ন করছে। সম্প্রতি কপোতাক্ষ নদের তীরে ৫ হাজার ম্যানগ্রোভ ও ৮০০ নিম গাছের চারা রোপণ, ‘কমিউনিটি অ্যাকশন ফর ক্লাইমেট জাস্টিস’ প্রকল্পের সমাপনী সভা এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু সপ্তাহকে কেন্দ্র করে শ্যামনগরে তরুণদের ‘ক্লাইমেট স্ট্রাইক’-এর খবরগুলো উপকূলের একই অখ- বাস্তবতার চিত্র আমাদের সামনে তুলে ধরে।

প্রতাপনগরের রুইয়ারবিলে কপোতাক্ষ নদের পাড়ে ম্যানগ্রোভ চারা রোপণের উদ্যোগটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল কেবল পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, বরং তা নদীভাঙন প্রতিরোধে একটি প্রাকৃতিক ও শক্ত প্রাচীর হিসেবে কাজ করে। বেসরকারি সংস্থা ‘উত্তরণ’-এর এ পদক্ষেপে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা প্রমাণ করে যে, টেকসই সুরক্ষার জন্য স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা ও উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।

তবে কেবল চারা রোপণই শেষ কথা নয়; সেই চারাগুলোকে টিকিয়ে রেখে পূর্ণাঙ্গ বনে রূপান্তর করাই আসল চ্যালেঞ্জ। প্রায়শই দেখা যায়, প্রকল্প শেষ হওয়ার পর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এমন অনেক প্রশংসনীয় উদ্যোগ ভেস্তে যায়। ঠিক এই জায়গাতেই আলোকপাত করা হয়েছে সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত জলবায়ু ন্যায়বিচার সংক্রান্ত সমাপনী অনুষ্ঠানে। বক্তারা যথার্থই বলেছেনÑপ্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও জলবায়ুঝুঁকি মোকাবিলা ও স্থানীয়দের সুরক্ষার কাজ থেমে থাকা চলবে না। সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, গণমাধ্যম এবং তরুণ সমাজকে একযোগে এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে।

শ্যামনগরের পদ্মপুকুরে তরুণদের ক্লাইমেট স্ট্রাইক আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর এই দুর্বিষহ পরিবেশগত সংকটের পেছনে তাদের নিজেদের দায় সামান্যই। জলবায়ু অর্থায়ন, ন্যায্য রূপান্তর এবং পরিবেশগত ন্যায়বিচারের দাবি আজ আর কেবল বৈশ্বিক মঞ্চের আলোচনার বিষয় নয়, তা উপকূলের তৃণমূল যুবসমাজের কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে। এই তরুণরা স্থানীয় সুরক্ষার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিচ্ছে, যা এক আশাব্যঞ্জক দিক।

জলবায়ু সংকটের হাত থেকে উপকূলকে বাঁচাতে হলে টুকরো টুকরো উদ্যোগের পাশাপাশি প্রয়োজন সমন্বিত কৌশলগত পরিকল্পনা। ম্যানগ্রোভ সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা, নদীর বাঁধ টেকসই করা এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের স্থানীয় ও বৈশ্বিক দাবিগুলোকে জোরদার করার ক্ষেত্রে সরকার, এনজিও এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কার্যকর অংশীদারিত্বই হতে পারে একমাত্র পথ। দুর্যোগের অপেক্ষা না করে উপকূল রক্ষায় এখন থেকেই ধারাবাহিক ও টেকসই পদক্ষেপে জোর দেওয়ার সময় এসেছে।

 

সাতক্ষীরায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন শাখা কার্যালয় উদ্বোধন ও কমিটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন শাখা কার্যালয় উদ্বোধন ও কমিটি

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সার্কিট হাউস মোড় শাখার নতুন কার্যালয় উদ্বোধন ও ৩ বছর মেয়াদি নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সার্কিট হাউস সংলগ্ন স্থানে নতুন কার্যালয় উদ্বোধন করেন ইউনিয়নের জেলা সভাপতি আব্দুল বারী।

সার্কিট হাউস মোড় শাখার সভাপতি মাজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সিকদার। অনুষ্ঠানে সংগঠনের উপদেষ্টা মো. জিল্লুর রহমান, মো. আতিকুর রহমান খান, আলমগীর হোসেন, জেলা কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আসাদুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে মো. মাজহারুল ইসলামকে সভাপতি ও সফিকুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৮ সদস্যবিশিষ্ট সার্কিট হাউস মোড় শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটির অন্যান্য পদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. সালাম গাজী, সহসভাপতি মো. হাফিজুল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন, মো. হারুন বিশ্বাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. তাজেল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফজলু সরদার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু গাজী, অর্থ সম্পাদক নাজমুল ও দফতর সম্পাদক শিমুল মনোনীত হয়েছেন।