রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেরো লক্ষ টাকার মাদকসহ চোরাচালানীর মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেরো লক্ষ টাকার মাদকসহ চোরাচালানীর মালামাল জব্দ

পত্রদূত ডেস্ক: রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ তলুইগাছা, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকসহ চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, মদ ও উইনক্রেক্স সিরাপ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, তলুইগাছা বিওপির আভিযানে নটিজংগল এলাকা হতে ৩ লাখ ৬৩ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে ভাদিয়ালি হতে ৫০ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় মদ ও উইনক্রেক্স সিরাপ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে বড়ালি হতে ৬ লাখ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের আভিযানে কামারবাইসা হতে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ১২ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

Ads small one

তালা কামেল মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন ইউএনও জান্নাতুল আফরোজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
তালা কামেল মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন ইউএনও জান্নাতুল আফরোজ

তালা প্রতিনিধি: রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি ও তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নিয়মিত পড়াশোনা, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং বড় স্বপ্ন দেখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ, মাদকের কুফল ও স্মার্ট ফোনের অপব্যবহার নিয়েও কথা বলেন।

 

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, গান, ছবি আঁকা ও স্কাউটিংয়ের মতো সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়ার কথা বলেন। এতে যেমন তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটবে, তেমনি নেতৃত্বের গুণাবলী তৈরি হবে। এছাড়া মন দিয়ে পড়ালেখা করা এবং স্কুলে নিয়মিত উপস্থিত থাকা, শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করা, পিতা-মাতাসহ বড়দের মান্য করা, নিয়মমতো চলা, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, অসদুপায় বর্জন করা, সত্য কথা বলা, ভালো মানুষ হয়ে গড়ে ওঠা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং দেশের একজন সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করার কথা তুলে ধরেন।

 

পরে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সহযোগিতায় পরিচালিত স্কুলের ‘সততা স্টোর’ ঘুরে দেখেন এবং কিছু পরামর্শ প্রদান করেন। এদিকে ইউএনও মহোদয়ের এমন অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি করে। তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক গাজী জাহিদুর রহমানসহ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।

ধামরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ধামরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ধামরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সাকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিদ্যালয়টির ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ সাকিবুর রহমান বলেন, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের শতভাগ পাসের লক্ষ্য নিয়ে অভিভাবকদের এগিয়ে আসতে হবে। অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চমৎকার একটি সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে। বিগত বছরের তুলনায় আগামী বছরগুলোতে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও এসএসসি পরীক্ষায় সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন।

অনুষ্ঠানে গত আগস্ট মাসে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে ৮৫ শতাংশ উপস্থিতি নিশ্চিত করা ১৪ জন শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী উপহার দেন সভাপতি।

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিএম মফিজুল ইসলাম ও সিনিয়র শিক্ষক মো. আবুল বাশার। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে মো. হাসানুজ্জামান, প্রতিষ্ঠাতার পক্ষে তারকনিষ্ঠ পুত্র সালমান হাবিব চয়ন এবং অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শ্যামনগরে খোলপাটুয়া নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, আটক ১, পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে খোলপাটুয়া নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, আটক ১, পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার খোলপাটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে বাল্কহেডসহ দুইজনকে আটক করেছে নীলডুমুর ১৭ বিজিবি। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খোলপাটুয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলনকালে বাল্কহেডসহ একজনকে আটক করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের নীলডুমুর এর সদস্যরা। আটক ব্যক্তিরা হলেন-শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের মৃত সাত্তার গাজীর ছেলে জাহাঙ্গীর গাজী (৩০)।

পরে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ খানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে তাদের কাছ থেকে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। জরিমানা পরিশোধের পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের দলীয় প্রভাব খাটিয়ে উপকূলীয় এলাকার নদ-নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রবণতা বেড়েছে। দিনের বেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা থাকলেও রাতের আঁধারে বিভিন্ন নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন চলছে বলে অভিযোগ তাদের।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, খোলপাটুয়া নদীসহ উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর তলদেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নদীর তীরবর্তী এলাকা ও বেড়িবাঁধ ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীর তীব্র স্্েরাতের সময় এর ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়।

এদিকে সচেতন মহল মনে করছেন, উপকূলীয় এলাকার নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে বেড়িবাঁধ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তাদের মতে, উপকূলের নদ-নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয়রা আরও জানান, বিজিবি মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে বাল্কহেড আটক করলেও অভিযান শেষ হওয়ার পর আবারও রাতের আঁধারে বালু উত্তোলন শুরু হয়। ফলে শুধু বিচ্ছিন্ন অভিযান নয়, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

উপকূলের পরিবেশ, নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ও গুরুত্বপূর্ণ বেড়িবাঁধ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসন, বিজিবি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত ও নিয়মিত অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।