রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

কয়রার ১নং কয়রা তরুণ সংঘের নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি শামিম সম্পাদক মুছা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
কয়রার ১নং কয়রা তরুণ সংঘের নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি শামিম সম্পাদক মুছা

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: কয়রা উপজেলার ১নং কয়রা তরুণ সংঘের ২ বছর মেয়াদী কার্য-নির্বাহী কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

 

নির্বাচনে সভাপতি পদে ২৮ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ শামীম হোসেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী কোহিনূর ইসলাম পেয়েছেন ২৪ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আবু মুছা। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন পেয়েছেন ২৩ ভোট। অপরদিকে সহ-সভাপতি পদে মোঃ আল আমিন ২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাংগঠনিক পদে নির্বাচিত হয়েছেন জয়নুল আবেদীন। তিনি ২৭ ভোট পেয়েছেন।

 

এর আগে ৭ টি পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী না থাকায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ১নং কয়রা তরুন সংঘের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছেন। নিবিঘেœ ভোটরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সকলের সহযোগিতায় একটি ভাল ভোট করায় তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এদিকে নব নির্বাচিত কমিটির সকল নেতৃবৃন্দরকে সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

Ads small one

শ্যামনগরে খোলপাটুয়া নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, আটক ১, পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে খোলপাটুয়া নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, আটক ১, পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার খোলপাটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে বাল্কহেডসহ দুইজনকে আটক করেছে নীলডুমুর ১৭ বিজিবি। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খোলপাটুয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলনকালে বাল্কহেডসহ একজনকে আটক করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের নীলডুমুর এর সদস্যরা। আটক ব্যক্তিরা হলেন-শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের মৃত সাত্তার গাজীর ছেলে জাহাঙ্গীর গাজী (৩০)।

পরে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ খানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে তাদের কাছ থেকে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। জরিমানা পরিশোধের পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের দলীয় প্রভাব খাটিয়ে উপকূলীয় এলাকার নদ-নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রবণতা বেড়েছে। দিনের বেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা থাকলেও রাতের আঁধারে বিভিন্ন নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন চলছে বলে অভিযোগ তাদের।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, খোলপাটুয়া নদীসহ উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর তলদেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নদীর তীরবর্তী এলাকা ও বেড়িবাঁধ ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীর তীব্র স্্েরাতের সময় এর ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়।

এদিকে সচেতন মহল মনে করছেন, উপকূলীয় এলাকার নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে বেড়িবাঁধ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তাদের মতে, উপকূলের নদ-নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয়রা আরও জানান, বিজিবি মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে বাল্কহেড আটক করলেও অভিযান শেষ হওয়ার পর আবারও রাতের আঁধারে বালু উত্তোলন শুরু হয়। ফলে শুধু বিচ্ছিন্ন অভিযান নয়, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

উপকূলের পরিবেশ, নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ও গুরুত্বপূর্ণ বেড়িবাঁধ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসন, বিজিবি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত ও নিয়মিত অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

সাতক্ষীরার আবাদেরহাটে জমি দখল-পাল্টা দখলের প্রতিযোগিতা, থানায় অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার আবাদেরহাটে জমি দখল-পাল্টা দখলের প্রতিযোগিতা, থানায় অভিযোগ

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদরের আবাদেরহাট বাজারের পাশে ১৭ শতক জমি দখল ও পাল্টা দখল নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। রবিবার ভোর তিনটার দিকে সদ্য দখলে নেওয়া জমিতে নির্মাণাধীন বেড়া ও ঘর ভাংচুর করাসহ আমেনা খাতুন দম্পতিকে মারপিটের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদরের বাঁশদহ গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী আমেনা খাতুন জানান, তার বাবা আবাদেরহাটের ইসমাইল হোসেন পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৫৮ শতক জমি মা রউফুৃন্নেছার নামে লিখে দেন। বর্তমানে তার মা রউফুন্নেছার নামে হাল ৩৫ দাগে ১৭ শতক জমি রয়েছে। ওই জমি নামজারি করে নিয়মিত খাজনা দিয়ে যাচ্ছেন তারা। ওই জমির বড় অংশ জালজালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে শিয়ালডাঙা গ্রামের শওকত হোসেন, তার ভাই মাহাবুর রহমান পটল, শাজাহান আলী, কওছার আলী, মুজিবর রহমান, মাহাবুবর রহমানের স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা তার মায়ের জমি জবরদখল করার চেষ্টা চালিয়ে আসছিলো।

 

একপর্যায়ে ফারাজি অংশে ঘর ও দোকান বানিয়ে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে ছিলেন। ২০১৩ সালের শেষের দিকে দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে শওকত হোসেন, মাহাবুবর রহমন, রাজিয়া সুলতানা দলীয় ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে তার মা রউফুন্নেছাকে বাড়ি থেকে বের করে চুল দিয়ে গাছের ডালে বেঁধে নির্যাতন করে দোকান ও বাড়ি ভাংচুর করে জমি দখলে নেন। এ ঘটনায় তিনি মামলা করতে সাহস পাননি।

আমেনা খাতুন আরো জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর তিনি তার তিনটি দোকানঘরসহ জমি দখলে নেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে কয়েকবার শালিসি সভা বসে। মাহাবুবর রহমান ও তার ভাইয়েরা কাগজপত্র দেখানোর জন্য সময় নিয়ে আর আসেন না।

 

সর্বশেষ তারা(আমেনা) ওই জমি মাপ জরিপ করে মাহাবুবর রহমান ও তার শরীকদের চলাচলের জন্য রাস্তা ছেড়ে দিয়ে জমিতে সিমেন্টের পিলার দিয়ে বেড়া দেন। গত ২ সেপ্টেম্বর ওই ঘেরা ও বেড়া ভেঙে দেয় মাহাবুবর রহমান ও তার লোকজন। পরবর্তীতে শনিবার তারা আবারো ঘেরা-বেড়া দিয়ে টিনের চাল নির্মাণ করে বসবাস করা শুরু করলে রবিবার ভোর তিনটার দিকে মাহাবুবর ও তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা ওই ঘর ও বেড়া ভেঙে দেন। ভাংচুর ও লুটপাট করা হয় তাদের দোকান। লুটপাট করা হয় দোকানের মালামাল। ভাংচুর ও লুটপাটে বাধা দেওয়ায় তাকে (আমেনা) ও স্বামী আব্দুল হামিদকে পিটিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ব্যাপারে মুজিবর রহমান জানান, বিহারীপুর মৌজায় ইসমাইল হোসেন ও তার ভাই ইসহাক যাদের কাছে জমি বিক্রি করেছেন তাদের কাছ থেকে ২০০৯ সালে তিনটি দলিল মূলে এবং ২০১৪ সালে ও ২০২০ সালে দুটি দলিল মূলে তারা হাল ৩৫. ৩৬ ও ৩০৫ দাগে প্রায় ৫৮ শতক জমি কিনেছেন। বর্তমানে রউফউন্নেছার নামে ১৭ শতক জমি বর্তমান মাপে রেকর্ড হলেও তিনি তার বড় জামাতা মনিরুলের সঙ্গে তালাক হওয়া বড় মেয়ের নতুন করে বিয়ে দিতে কাছে সোয়া আট শতক জমি দিয়েছেন।

 

পরবর্তীতে ওই জমি ফেরৎ নিতে আদালতে মামলা করলে রায় রউফউন্নেছার বিপক্ষে যায়। বর্তমানে রফিউন্নেছার পৌনে চার শতক জমি থাকলেও তিনি একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের ব্যবহার করে রেকর্ড অনুযায়ি ১৭ শতক জমি জবরদখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন। তারা(মুজিবর) জবরদখলকে প্রতিহত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তারা রেকর্ড সংশোধনের জন্য দেওয়ানী মামলা করেছেন আদালতে।

তবে মুজিবর রহমানের কাছে শনিবার বিকেলে তাদের জমির সমর্থনে দলিল ও নামজারি সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখতে চাইলে রবিবার দেখাবার কথা বলে চলে যান। পরে তারা আর যোগাযোগ করেননি।

সরেজমিনে শনিবার ও রবিবার সকালে আবাদেরহাট এলাকায় যেয়ে দেখা গেছে দখল ও পাল্টা দখলকে ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাহামুদুর রহমান জানান, রবিবার ভোরে বাড়ি, বেড়া ও দোকানঘর ভাংচুরের অভিযোগে বাঁশদহা গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী আমেনা খাতুন বাদি হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেবহাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
দেবহাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযান

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার দেবহাটা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচারাভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর থেকে এ প্রচারাভিযানের উদ্বোধন করা হয়। দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে এবং সুশীলন ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে. বাপ্পা, সাংগঠনিক সম্পাদক কে.এম. রেজাউল করিম, ইউপি সদস্য আজগার আলী, ইউপি সদস্যা রেহেনা পারভিন, সুশীলনের কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মিজানুর রহমান, গ্রাম কমিটির সভাপতি ফিরোজ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

পরে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণ, টাউনশ্রীপুর বাজারসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে প্রচারাভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় আয়োজকরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে জনসাধারণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি বাজার ও জনসমাগমস্থলে ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং নিজ নিজ এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।