বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

বায়ুদূষণজনিত রোগে প্রতিবছর বাংলাদেশে এক লাখ মারা যাচ্ছে: ড. আহমেদ কামরুজ্জামান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
বায়ুদূষণজনিত রোগে প্রতিবছর বাংলাদেশে এক লাখ মারা যাচ্ছে: ড. আহমেদ কামরুজ্জামান

পত্রদূত ডেস্ক: বায়ুদূষণজনিত রোগে প্রতিবছর বাংলাদেশে এক লাখ ২ হাজার ৪৫৬ জন মারা যাচ্ছে জানিয়ে বায়ুমণ্ডলীয় দুষণ অধ্যায়ন কেন্দ্র (ক্যাপস)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেছেন, বায়ুদূষণ অদৃশ্য সংক্রামক ও জীবনঘাতী সংকট। বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু প্রায় ৫ দশমিক ৫ বছর কমছে। তাই এই দুষণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ব্রিদ কোলিশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সূর্যোদয় ইয়ুথ সোসাইটির পরিচালক রায়হান নোমান নূরনবীর সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে যুব ও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইন ও নীতির কার্যকর বাস্তবায়ন, নিয়মিত পরিবীক্ষণ, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা এবং নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিতসহ ১৫ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্রের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন একশনএইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার মো. মাসুদ পারভেজ অভি, স্মার্ট এয়ার বাংলাদেশের অপারেশন ম্যানেজার মো. আশরাফুল ইসলাম প্রমূখ।

মূল বক্তব্যে ড. আহমেদ কামরুজ্জামান বলেন, বায়ু ছাড়া আমরা এক মিনিটও বাঁচতে পারি না। অথচ সেই বায়ু নিয়ে গবেষণা খুবই কম। গবেষণা ছাড়া সঠিক নীতিনির্ধারণ সম্ভব নয়। তাই সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়ু গবেষণা সেল গঠন করতে হবে। আইনের কঠোর প্রয়োগ, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা ও নাগরিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সবার জন্য নিরাপদ ও পরিষ্কার বায়ু নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত ১৫ দফায় বলা , বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২’সহ বিদ্যমান সব নীতি ও কর্মপরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়ন; সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সমন্বয়ে কার্যকর যৌথ টাস্কফোর্স গঠন; বায়ুদূষণের অভিযোগ জানাতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বা হটলাইন চালু এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি। আরো বলা হয়েছে, ‘পলিউটার পেইজ প্রিন্সিপল’ অনুযায়ী দূষণকারী শিল্প ও স্থাপনার বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ আদায়, প্রয়োজন অনুযায়ী লাইসেন্স স্থগিত; ঢাকা ও সব বিভাগীয় শহরে পর্যাপ্ত বায়ুমান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বা ক্যাম্প স্থাপন ও কার্যকর রাখতে হবে। এছাড়া জনবহুল স্থানে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডে রিয়েল-টাইম এ কিউ আই প্রদর্শন এবং দৈনিক বায়ুমান বুলেটিন প্রকাশেরও দাবি জানানো হয়েছে।

দাবিনামায় নির্মাণ এলাকায় ধুলা নিয়ন্ত্রণ, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নিয়মিত পানি ছিটানো এবং ফিটনেসবিহীন ও কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। খোলা জায়গায় বর্জ্য ও প্লাস্টিক পোড়ানো বন্ধে কার্যকর নজরদারি, চরম দূষণের সময়ে জনস্বাস্থ্য সতর্কতা জারি এবং ট্রাফিক পুলিশ ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য উপযুক্ত মাস্ক সরবরাহের পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দূষণ নিয়ন্ত্রণে বাজেট ও সরঞ্জাম বৃদ্ধি, গণমাধ্যম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বছরব্যাপী সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা এবং সরকারি নীতি প্রণয়ন ও মূল্যায়নে তরুণ গবেষক ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

Ads small one

আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালানো পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালানো পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় দুটি মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামি আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়ার তিন ঘণ্টা পর আবার গ্রেপ্তার হয়েছেন। বুধবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম প্রথম আদালতের বারান্দা থেকে তিনি পালিয়ে যান। গ্রেপ্তার আসামির নাম শফিকুল ইসলাম (৩২)। তিনি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার রাড়িপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ শফিকুলকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। জামিনে মুক্তির পর ২০২৫ সাল থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। এ ছাড়া পাটকেলঘাটা থানার অপর একটি মাদক মামলায় তাঁর দুই বছরের সাজা হয়। মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার দুপুরে আদালতের ভবনে নেওয়ার সময় হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান শফিকুল।
সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল হক জানান, পালিয়ে যাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের পাশের একটি অটোস্ট্যান্ড থেকে বিকেল চারটার দিকে শফিকুলকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। সাড়ে পাঁচটার দিকে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

আশাশুনিতে সড়কের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ মরা গাছ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে সড়কের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ মরা গাছ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের মানিকখালী ব্রিজ থেকে বড়দল সড়কের ফকরাবাদ এলাকায় রাস্তার পাশে একটি বড় শিশু-চটকা গাছ দীর্ঘদিন ধরে শুকিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফকরাবাদ শ্যামা মিস্ত্রীর মিলের মোড় সংলগ্ন ওই সড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, পথচারী ও যানবাহন চলাচল করে। মরা গাছটির বড় দুটি ডাল হেলে থাকায় যেকোনো সময় তা ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক ও ইটভাটা ব্যবসায়ী এস এম শরিফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জেলা পরিষদকে জানানো হলেও গাছটি অপসারণ করা হয়নি। আশাশুনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় দ্রুত গাছটি কেটে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন।

উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মারধর, গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মারধর, গ্রেপ্তার ২

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার চিলেডাঙ্গা গ্রামে এক তরুণীকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে জখম ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ মে চিলেডাঙ্গা মাঠে স্থানীয় এক তরুণীকে উত্ত্যক্তের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সাইমুন ও রফিকুল ঘটনার প্রতিবাদ করলে তাঁদের সঙ্গে হামলাকারীদের বাকবিত-া হয়। বিষয়টি সমাধানের জন্য সালিশের উদ্দেশে যাওয়ার পথে রবিউল ইসলামের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা তাঁকে লাঠিপেটা করে এবং টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেয়।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফ জানান, ৬ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।