মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

ঐতিহ্যের গুড়পুকুর মেলায় উপচে পড়া ভিড়, বিকেল হলেই নামে জনস্রোত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
ঐতিহ্যের গুড়পুকুর মেলায় উপচে পড়া ভিড়, বিকেল হলেই নামে জনস্রোত

0-0x0-0-0#

মিলন বিশ্বাস: দুই বছর পর আবার ফিরেছে সাতক্ষীরার প্রায় তিনশত বছরের ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলার উৎসবমুখর আমেজ। ১ অক্টোবর থেকে শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে শুরু হওয়া এই মেলাকে ঘিরে প্রতিদিন জমছে নানা বয়সী মানুষের উপচে পড়া ভিড়। কেনাকাটা, ঘুরতে আসা আর তরুণ-তরুণীদের বাঁধভাঙা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে উঠলেও, শুরুর মাত্র চার দিনের মাথায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত ও নিরাপত্তা সংকট নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে দর্শনার্থীদের মধ্যে। বিকেল হলেই নামে জন¯্রােত।

মেলা চলাকালে পার্কজুড়ে দর্শনার্থী ও তরুণ-তরুণীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি চোখ পড়ার মতো। নানা রঙের স্টল ঘুরে দেখা এবং ঐতিহ্যবাহী খাবার উপভোগ করার মাধ্যমে মেলা প্রাঙ্গণ ফিরে পেয়েছে তার পুরোনো প্রাণচাঞ্চল্য। আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে এই উৎসবমুখর পরিবেশের আড়ালে দ্রুত দানা বাঁধছে বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাহীনতার আতঙ্ক। মেলার প্রথম চার দিনেই নারীঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে দুটি পৃথক হেনস্তা ও মারামারির অভিযোগ উঠেছে।

১ অক্টোবর মেলা শুরুর দিনই এক নববিবাহিত দম্পতি কিশোর গ্যাংয়ের হাতে হেনস্তা ও মারধরের শিকার হন। স্টল ঘুরে দেখার সময় কয়েকজন বখাটে তরুণ তাদের পথরোধ করে পরিচয় জানতে চায়। স্ত্রী পরিচয় দেওয়ার পরও ফোন কল করা এবং জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে ওই তরুণকে শারীরিকভাবে প্রহার করা হয়, যার একটি দৃশ্যচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভুক্তভোগী তরুণের ভাষ্য, নিরুপায় হয়ে অন্যায়ের শিকার হতে হয়েছে তাদের; এভাবে চলতে থাকলে পরিবার নিয়ে মেলায় আসা বন্ধ হয়ে যাবে।

এর পর ৩ অক্টোবর রাতে মেলা প্রাঙ্গণে নারীঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিশোরদের দুপক্ষের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এসব ঘটনার পর সন্তান ও পরিবার নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের মধ্যে তীব্র নিরাপত্তার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। মেয়ের নিরাপত্তার চিন্তায় মেলায় আসার আগ্রহ কমে যাওয়ার কথা জানান ঘুরে দেখতে আসা অভিভাবক কিরণময় সরকার। একইভাবে ধারালো অস্ত্রের উপস্থিতি ও সংঘর্ষের ভয়ে মেলায় ঢুকতে সংকোচ প্রকাশ করেন কলেজশিক্ষার্থী চয়ন মন্ডল।

স্থানীয় সমাজচিন্তক ও সচেতন মহল মেলার এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো বখাটেদের নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে শতবর্ষী এই ঐতিহ্যবাহী মেলার সুনাম ক্ষুণœ হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল বৃদ্ধি ও অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার তাগিদ দিয়েছেন সমাজকর্মীরা। একই সঙ্গে ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে আসা পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলেছেন স্থানীয় নাগরিক নেতারা।

সামগ্রিক নিরাপত্তার বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মেলা উপলক্ষে পোশাকধারী পুলিশ ছাড়াও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরা নজরদারি চালাচ্ছেন। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কিশোর গ্যাং দমনে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।

মেলা প্রাঙ্গণে ফিরে আসা প্রাণোচ্ছলতা ও তরুণ-তরুণীদের আনন্দ যেন বখাটেদের অপতৎপরতায় ভেস্তে না যায়, সে জন্য বাকি দিনগুলোতে প্রশাসন সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করবেÑএমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় দর্শনার্থীদের।

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সূচি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সূচি

দেশব্যাপী চলমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পরবর্তী ধাপগুলোর নতুন সময়সূচী প্রকাশ করেছে সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিস। জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার সময়সূচী নি¤œরূপ: প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডার গার্টেন স্কুল, মাধ্যমিক ও কারিগরি বিদ্যালয়: ৭ ও ৮ অক্টোবর। মাদ্রাসা (এবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল): ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। কলেজ (উচ্চমাধ্যমিক, সমমান, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর): ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। বিভাগীয় পর্যায়:প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, মাধ্যমিক ও কারিগরি বিদ্যালয়: ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। মাদ্রাসা: ২৫ ও ২৬ অক্টোবর। কলেজ: ২৭ ও ২৮ অক্টোবর। বিশ্ববিদ্যালয়: পরবর্তীতে সময়সূচী নির্ধারণ করা হবে। জাতীয় পর্যায়:প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, মাধ্যমিক ও কারিগরি বিদ্যালয়: ২৭, ২৮ ও ২৯ অক্টোবর। মাদ্রাসা: ৩০ ও ৩১ অক্টোবর। কলেজ: ৩০ ও ৩১ অক্টোবর। বিশ্ববিদ্যালয়: পরবর্তীতে সময়সূচী নির্ধারণ করা হবে। প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য জেলা তথ্য অফিস, সাতক্ষীরার ওয়েবসাইট (www.info.satkhira.gov.bd) অথবা ফোন নম্বরে (০২৪৭৭৭৪০০৯৩) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

একাধিকবার নোবেল পেয়েছিলেন কারা?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
একাধিকবার নোবেল পেয়েছিলেন কারা?

একবার নোবেল পুরস্কার পাওয়াই যেকোনো বিজ্ঞানী, লেখক বা গবেষকের জন্য জীবনের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি হিসেবে গণ্য হয়। তবে মেধার এমন কিছু অনন্য ও বিস্ময়কর ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত রয়েছে, যেখানে একই ব্যক্তি বা সংস্থা একাধিকবার এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

নোবেল কমিটির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত মাত্র পাঁচজন ব্যক্তি এবং দুটি সংস্থা একাধিকবার নোবেল পুরস্কার পাওয়ার নজিরবিহীন গৌরব অর্জন করেছেন।

দুইবার নোবেলজয়ী পাঁচ অনন্য বিজ্ঞানী ও ব্যক্তিত্বব্যক্তিগত যোগ্যতায় বিজ্ঞানের ভিন্ন ভিন্ন শাখায় বা একই শাখায় দুইবার নোবেল পেয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন পাঁচ কিংবদন্তি:

মারি ক্যুরি (পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন)
ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে দুইবার নোবেল জয়ের রেকর্ড গড়েন ফরাসি বিজ্ঞানী মারি ক্যুরি। ১৯০৩ সালে তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণার জন্য পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে এবং ১৯১১ সালে বিশুদ্ধ রেডিয়াম পৃথকীকরণের জন্য এককভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি। দুটি ভিন্ন বিজ্ঞান শাখায় নোবেল পাওয়ার এই অনন্য রেকর্ড আজ পর্যন্ত কেউ ভাঙতে পারেনি।

লিনাস পলিং (রসায়ন ও শান্তি)
মার্কিন রসায়নবিদ লিনাস পলিং ইতিহাসের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি দুটি ভিন্ন বিভাগে এককভাবে (কারো সঙ্গে ভাগ না করে) নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৫৪ সালে রাসায়নিক বন্ধনের প্রকৃতির ওপর গবেষণার জন্য তিনি রসায়নে নোবেল পান। পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার বিরুদ্ধে জোরালো আন্দোলনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬২ সালে তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

জন বারডিন
মার্কিন এই পদার্থবিজ্ঞানী ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি, যিনি একই বিভাগে (পদার্থবিজ্ঞান) দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৫৬ সালে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য এবং ১৯৭২ সালে অতিপরিবাহিতা বা সুপারকন্ডাক্টিভিটির মৌলিক তত্ত্ব প্রমাণের জন্য তিনি দুইবারই পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পান।

ফ্রেডরিক সেঙ্গার
ব্রিটিশ প্রাণরসায়নবিদ ফ্রেডরিক সেঙ্গার রসায়ন শাস্ত্রে দুইবার নোবেল জয়ের বিরল কৃতিত্ব দেখান। ১৯৫৮ সালে ইনসুলিনের গঠন আবিষ্কারের জন্য তিনি প্রথমবার রসায়নে নোবেল পান। এরপর ১৯৮০ সালে ডিএনএ সিকোয়েন্সিং বা নিউক্লিক অ্যাসিডের বেস সিকোয়েন্স নির্ধারণের পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য দ্বিতীয়বার রসায়নে নোবেল লাভ করেন।

ব্যারি শার্পলেস
তালিকার সর্বশেষ সংযোজন মার্কিন রসায়নবিদ কে. ব্যারি শার্পলেস। ২০০১ সালে চিরল অনুঘটক জারণ বিক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য তিনি প্রথম রসায়নে নোবেল পান। এর দীর্ঘ ২১ বছর পর, ২০২২ সালে ‘ক্লিক কেমিস্ট্রি’ এবং বায়োঅর্থোগোনাল রসায়নের অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

ব্যক্তিগত রেকর্ডের বাইরে বৈশ্বিক মানবিক সংকটে অবদানের জন্য দুটি আন্তর্জাতিক সংস্থাকে একাধিকবার নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে:

রেড ক্রস
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি নোবেল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৩ বার (১৯১৭, ১৯৪৪ এবং ১৯৬৩ সালে) বিশ্ব শান্তিতে অনন্য অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করে। বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধবন্দী ও আহতদের সেবায় নিয়োজিত থাকার কারণে সংস্থাটিকে এই সম্মান দেওয়া হয়।

জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার
বিশ্বজুড়ে বাস্তুচ্যুত ও শরণার্থীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সংস্থাটি দুইবার (১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
সূত্র: বিএসএস

দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ভারতকে নিয়ে খেলল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ভারতকে নিয়ে খেলল

দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে ভারতকে নিয়ে ছেলেখেলা করেছে । প্রীতি ম্যাচে আজ তারা গুনে গুনে ৬বার বল জড়িয়েছে ভারতের জালে। শেষ পর্যন্ত লাতিন আমেরিকার শক্তিশালী দেশটি ৬-১ গোলে হারিয়েছে ভারতকে। তবে ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণভাবে লড়াই করেছে স্বাগতিক শিবির। এই সময়ে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের জালে একবার বলও পাঠিয়েছে তারা। দুর্দান্ত লড়াই করে ভারত প্রথমার্ধে ২-১ গোলে পিছিয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই হাফ-ডজন গোল হজম করে বসে স্বাগতিক শিবির।

পানামা ম্যাচে ড্র এবং ব্রাজিল ম্যাচের লড়াকু ফলাফল ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের উরুগুয়ে ম্যাচে ভালো ফলের যে স্বপ্ন দেখিয়েছিল, সেই স্বপ্ন বাস্তবের রূপ নিল না। বরং বড় হারের লজ্জায় তা রুক্ষ মাটিতে আছড়ে পড়ল।

তবে চেষ্টার কোনও কমতি ছিল না। লড়াই করার মানসিকতাও প্রশংসনীয়। ৯০ মিনিট মাঠে নিজেদের নিংড়ে দিয়েছেন মনবীর, আপুইয়া, অনিরুদ্ধ থাপা। কিন্তু দিনের শেষে দুই দলের মধ্যে দক্ষতার ফারাক যে আকাশ-পাতাল। সেই ফারাক চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আজকের যুবভারতী।

ম্যাচের প্রথমার্ধে অনিরুদ্ধ থাপা ইতিহাস গড়ে একটি গোল করলেন বটে। কিন্তু শেষমেশ ৬-১ গোলের বড় পরাজয়ই সঙ্গী হলো স্বাগতিক ভারতের।