মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় জমি নিয়ে বিবাদে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জমি নিয়ে বিবাদে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের পরানদাহ গ্রামে জমিজমা নিয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে এক ব্যবসায়ীর বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে শিবপুর কারিগরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এতে গৃহকর্তা আব্দুল আজিজের বসতবাড়ির আসবাব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী মো. আনারুল ইসলাম ঝন্টু ও রুহুল কুদ্দুস মন্টুর সঙ্গে জমিজমা নিয়ে আব্দুল আজিজের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে আদালতে মামলাও বিচারাধীন। অভিযোগ রয়েছে, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে বসতবাড়ির সামনে সরকারি রাস্তায় এসে গালিগালাজ ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন। পরে রুহুল কুদ্দুস, মাসুদা বেগম ও বিলকিছ নাহার আচমকা বাড়িতে ঢুকে অগ্নিসংযোগ করে কেটে পড়েন।

আগুনে ঘরবাড়ির সব আসবাব পুড়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীরা ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ক্ষতিগ্রস্ত আব্দুল আজিজের ছোট ছেলে শামীম জানান, এর আগে গত ১৫ দিন আগেও তাঁদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। সে সময় প্রায় ৭০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছিল। মঙ্গলবারের আগুনে প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

অভিযোগে আরও জানানো হয়, প্রতিপক্ষের লোকজন আব্দুল আজিজের ক্রয়কৃত জমি দখলের পাঁয়তারা করছেন এবং পরিবারটির সদস্যদের খুনজখম ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে আসছেন। ঘটনার সময় স্থানীয় আব্দুর রশিদ ও তানিয়া সুলতানাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তবে ঘটনার বিষয়ে কথা বলতে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

Ads small one

গৃহযুদ্ধের ঝুঁকিতে ইসরায়েল: সিআইএ’র গোপন প্রতিবেদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ণ
গৃহযুদ্ধের ঝুঁকিতে ইসরায়েল: সিআইএ’র গোপন প্রতিবেদন

তীব্র অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দল ও সামাজিক মেরুকরণের কারণে চরম অস্থিতিশীলতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ইসরায়েল। এমনকি দেশটি গৃহযুদ্ধ বা অভ্যন্তরীণ ধসের ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র একটি প্রতিবেদন। ড্রপ সাইট নিউজ-এর এক প্রতিবেদনে সোমবার সিআইএ’র গত আগস্টের এই গোপনীয় মূল্যায়নের বিষয়টি সামনে আনা হয়।

‘ফ্র্যাকচার ফ্রম উইদিন’ (ভেতর থেকে ভাঙন) শীর্ষক প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৭ অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসরায়েলে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাঁচানোর লড়াইয়ে নেমেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলিদের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিভাজনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে কট্টর অর্থোডক্স খ্রিষ্টানদের সামরিক পরিষেবা থেকে ছাড় পাওয়ার বিষয়টি। গাজা, লেবানন, সিরিয়া ও ইরানে যুদ্ধের জন্য লাখ লাখ রিজার্ভ সেনাকে তলব করা হলেও ইয়েশিভায় ধর্মীয় শিক্ষার অজুহাতে আল্ট্রা-অর্থোডক্স পুরুষরা ঐতিহ্যগতভাবেই এই বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পেয়ে আসছেন। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় এ ছাড় বাতিলের চাপ বেড়েছে। তবে নেতানিয়াহুর জোট সরকার তাদের সামরিক নিয়োগ সংক্রান্ত আইন পাসে ব্যর্থ হয়েছে, যা সামরিক পরিষেবা এড়ানোর অভিযোগে একাধিক তরুণকে আটক ও বিশাল বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এতে নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের মিত্র ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম (ইউটিজে) ও শাস পার্টি ক্ষুব্ধ হয়েছে।

সিআইএ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধ শেষে হাজার হাজার সশস্ত্র সেনা ও রিজার্ভ সদস্যের বেসামরিক জীবনে ফিরে আসা অস্থিতিশীলতা বাড়াতে পারে। কারণ ইসরায়েলে রিজার্ভে থাকা সেনারা বাড়িতেও অস্ত্র রাখতে পারেন এবং প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন সেখানে স্বাভাবিক ঘটনা। এ ছাড়া দখলকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধি, খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ও সামরিক ব্যয়ের কারণে অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়ে তুলছে।

সিআইএ’র ‘রেড সেল’ নামে একটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত ইউনিট এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে, যার কাজ মূলধারার ধারণার বাইরে গিয়ে বিকল্প ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা। প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনে নেতানিয়াহু বা তার বিরোধী জোট কেউই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন নাও পেতে পারে। বিদেশি প্রযুক্তি ও এআই প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কমানো কিংবা আঞ্চলিক দেশগুলোর ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক না করার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে।

তবে প্রতিবেদনে ২০ শতাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিকের ভেতরের অসন্তোষের বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এদিকে গত শুক্রবার ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্ট প্রার্থিতা বাতিলের আভাস দেওয়ায় এক ফিলিস্তিনি রাজনীতিক নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, যদিও অন্য চারটি দলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে আদালত।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

২০২৭ সালে স্বর্ণের দাম নিয়ে ওয়াল স্ট্রিট ও বাবা ভাঙ্গার পূর্বাভাসে কী আছে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ণ
২০২৭ সালে স্বর্ণের দাম নিয়ে ওয়াল স্ট্রিট ও বাবা ভাঙ্গার পূর্বাভাসে কী আছে?

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম অব্যাহতভাবে বেড়ে চলায় সাধারণ ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের নজর এখন এই মূল্যবান ধাতুর দিকে। বাজার বিশ্লেষকদের পাশাপাশি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে বুলগেরিয়ার প্রয়াত অন্ধ জ্যোতিষী বাবা ভাঙ্গার এক কথিত বার্তা। দাবি করা হচ্ছে, ২০২৭ সালে বিশ্বজুড়ে চরম নগদ অর্থসংকট ও আর্থিক মন্দা দেখা দেবে, যার ফলে ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা কমে যাবে এবং বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের দিকে ঝুঁকবেন।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া পোস্ট অনুযায়ী, এই বৈশ্বিক সংকটকালে স্বর্ণের দাম ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। ভারতভিত্তিক কয়েকটি অনলাইন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৭ সালে ভারতে প্রতি ১০ গ্রাম স্বর্ণের দাম হতে পারে ২ লাখ ৬২ হাজার থেকে ২ লাখ ৮২ হাজার রুপি (২,৭৩৩ থেকে ২,৯৪২ ডলার)। আরেকটি সংস্করণে এই দাম ২ লাখ ১০ হাজার রুপির কাছাকাছি হতে পারে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এগুলো কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পূর্বাভাস নয়। বুলগেরিয়ার এই রহস্যদর্শীর নামে প্রচারিত আনুমানিক হিসাব মাত্র। কারণ বাবা ভাঙ্গা নিজে কোনও লিখিত নথি রেখে যাননি; তার অধিকাংশ ভবিষ্যতবাণীই দ্বিতীয় ব্যক্তির মাধ্যমে বা পরে প্রকাশিত বইয়ের মাধ্যমে সামনে এসেছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থাগুলোও ২০২৭ সালের জন্য স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির আভাস দিয়েছে। জেপি মরগান গ্লোবাল রিসার্চ-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শেষ প্রান্তিকে স্বর্ণের গড় দাম দাঁড়াতে পারে আউন্স প্রতি ৬,০০০ ডলারে (প্রতি ১০ গ্রামে ২,১১৬.৪৪ ডলার বা ১,৮৪,৮৮৩ রুপি)। আর ২০২৭ সালের শেষের দিকে তা আরও বেড়ে আউন্স প্রতি ৬,৩০০ ডলার (প্রতি ১০ গ্রামে ২,২২২ ডলার বা ২,১৩,১২৫ রুপি) ছুঁতে পারে।

ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, মূল্যস্ফীতি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর চাহিদাকে এর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া ইউবিএস জানিয়েছে, ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে স্বর্ণের দাম আউন্স প্রতি ৫,০০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে এবং ডয়চে ব্যাংক ২০২৬ সালের শেষ প্রান্তিকের জন্য আউন্স প্রতি ৪,৬০০ ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ধরে রেখেছে।

১৯১১ সালে জন্ম নেওয়া ভাংগেলিয়া প্যান্ডেভা দিমিত্রোভা বা বাবা ভাঙ্গা ১২ বছর বয়সে এক টর্নেডোর কবলে পড়ে দৃষ্টিশক্তি হারান। ৯/১১ হামলা, চেরোনবিল দুর্ঘটনা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু, ২০০৪ সালের সুনামির মতো ঘটনার আগাম আভাস দেওয়ার জন্য তার সমর্থকরা দাবি করেন, তার ৮৫ শতাংশ ভবিষ্যতবাণীই সত্যি হয়েছে; যদিও এর কোনও স্বাধীন সত্যায়ন মেলেনি।

সূত্র: উইয়ন নিউজ

সম্পাদকীয়/ বেওয়ারিশ প্রাণীর উপদ্রব ও জলাতঙ্ক ঝুঁকি: কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ বেওয়ারিশ প্রাণীর উপদ্রব ও জলাতঙ্ক ঝুঁকি: কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি

খুলনার পাইকগাছাসহ বিভিন্ন এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর কামড় ও আঁচড়ে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত মাত্র দুই মাসে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন নিতে বাধ্য হয়েছেন ৭৩৯ জন লোক। প্রতিদিন গড়ে বেশ কয়েকজন মানুষÑবিশেষ করে শিশু ও প্রবীণরা বেওয়ারিশ প্রাণীর আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বাভাবিক চলাচলে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

পরিস্থিতি কেবল আতঙ্কজনকই নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্য এক মারাত্মক হুমকির ইঙ্গিত বহন করে। জলাতঙ্ক একটি অত্যন্ত মারণব্যাধি, যা সময়মতো প্রতিরোধ বা চিকিৎসা না করালে পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আক্রান্তদের চিকিৎসা প্রদান এবং জলাতঙ্কের প্রতিষেধক সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করলেও মূল সমস্যার কোনো সমাধান হচ্ছে না। বেওয়ারিশ কুকুর ও বিড়ালের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং এদের মাধ্যমে জলাতঙ্ক ছড়ানো রোধে কার্যকর উদ্যোগের অভাব স্পষ্ট।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেওয়ারিশ প্রাণীদের বন্ধ্যাত্বকরণ কিংবা সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমন্বিত কর্মসূচি দেখা যাচ্ছে না। অন্যদিকে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের মতে, সরকারি পর্যায়ে প্রাণীদের প্রয়োগের জন্য জলাতঙ্ক প্রতিষেধক টিকা তৈরির সুযোগ না থাকায় পোষা প্রাণীর দায়িত্ব মালিকদের ওপরই বর্তায়। কিন্তু মাঠপর্যায়ে সড়ক বা পাড়া-মহল্লায় ঘুরে বেড়ানো হাজার হাজার বেওয়ারিশ প্রাণীর টিকার ব্যবস্থা কে করবেÑসেই প্রশ্নের উত্তর মিলছে না।
এই সংকট কাটিয়ে উঠতে স্থানীয় পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে। জাতীয় জলাতঙ্ক নির্মূল কর্মসূচির আওতায় এনে বেওয়ারিশ কুকুরদের গণ-টিকা প্রদান এবং বন্ধ্যাত্বকরণ কর্মসূচি জোরদার করা অত্যন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে গৃহপালিত ও পোষা প্রাণীদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

যেকোনো প্রাণীর আক্রমণের শিকার হলে অবহেলা না করে ক্ষতের স্থান অন্তত ১৫ মিনিট সাবান ও পানি দিয়ে ধোয়া এবং দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সম্পূর্ণ মেয়াদের ভ্যাকসিন গ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। পাইকগাছার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী পদক্ষেপে এগিয়ে আসবেÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা।