শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় জলবায়ু অভিবাসীদের সুরক্ষা প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জলবায়ু অভিবাসীদের সুরক্ষা প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাস্তুচ্যুত ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ‘বিল্ডিং রেজিলিয়েন্ট ফিউচারস: কম্প্রিহেনসিভ ক্লাইমেট অ্যাডাপ্টেশন ফর ক্লাইমেট মাইগ্রেন্টস অ্যান্ড ভালনারেবল পপুলেশন’ শীর্ষক প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সাতক্ষীরা পৌরসভার হলরুমে ‘উত্তরণ’-এর আয়োজনে এবং ‘হ্যাবিট্যাট ফর হিউম্যানিটি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’-এর সহযোগিতায় এই পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রবীণ শিক্ষাবিদ প্রফেসর আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ মঈনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি ও কামরুজ্জামান, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শরিফুল ইসলাম, পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, শহর সমাজসেবা অফিসার মোর্শেদুল হক এবং হ্যাবিট্যাট ফর হিউম্যানিটির প্রোগ্রাম অফিসার ওমর সেরনিয়াবাত।

অনুষ্ঠানে প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন উত্তরণের ওভিজি ক্লাইমেট প্রকল্পের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মো. বেলাল হোসেন, প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান এবং ইসিএমএআরসি প্রকল্পের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর নাজমা খাতুন। এ সময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা উপকূলীয় জেলা হওয়ায় এখানকার মানুষ প্রতিনিয়ত জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের শিকার হচ্ছে। এই প্রকল্পটি নদী ভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তাদের আবাসন ও জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

Ads small one

এই শীতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
এই শীতে

মকবুল মাহ্ফুজ
উলের সোয়েটার পরে আছে ওষুধের দোকান
নতুন বছরের ক্যালেন্ডারের গায়ে শীতের চাদর।

এই শীতে গাছেরা কুঁজো হয়ে আছে।
হাড় কাঁপানো শীত এ বছর
আগুনে সেঁকতে হচ্ছে হাত। পা রোজ।
কার যেন কবিতায় পড়েছিলাম
‘কথা বললেই শীত কম লাগে।’
ইস্, এরা যদি কথা বলতে পারত!

মিছামিছি লোভ দেখাচ্ছে
বাবুর আলী গোলদার
কিছু ইতর প্রাণী মলমূত্র ত্যাগ করছে,
দুর্গন্ধ নাকে আসছে।
নারী কী পুরুষ চেনা দায় হচ্ছে,

সর্বাঙ্গ ঢাকা আছে।
বিরতিহীন হাঁটছে,
এপাড়া-ওপাড়া যাচ্ছে।
ফিসফিসিয়ে বলছেÑ
অনন্তকাল সুখভোগের লোভ দেখাচ্ছে।
বাহ্! সুখ যেন ওদের হাতে,
মিছামিছি লোভ দেখাচ্ছে।
সরলমনা মানুষগুলো কি বুঝতে পারছে?

 

আমি তোমার বন্ধু হতে চাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
আমি তোমার বন্ধু হতে চাই

জহুরুল হক জুলু
সকালের রোদের চিকমিক সোনা গায়ে মেখে
যে নতুন দিনের জন্ম দেয়,
আর সন্ধ্যার আকাশে
আবিরের রঙ ছড়িয়ে

অস্তাচলে রেখে যাওয়া শেষ স্বাক্ষরÑ
শিল্পীর তুলিতে আঁকা রঙিন স্বপ্নের মতো;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
শীতের ভোরে
ঘাসের ডগায় জেগে থাকা শিশিরকণা

টুপটাপ ঝরে পড়ে নীরবে,
যেন একান্ত আপন ভেবে
বেদনার ভাষা জানাতে চায়Ñ
হৃদয় নিংড়ানো স্বচ্ছ সে কথা;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
সৌন্দর্যের ডালি সাজিয়ে, সুগন্ধ বিলিয়ে
যে নীরবে পৌঁছে যায় হৃদয়ের মনিকোঠায়,

অবশেষে একদিন
ঝরে পড়ে নিঃশব্দে,
নিজেকে নিঃশেষ করে দিয়েÑ
আমি সেই ফুলটিকে ধরে রাখতে চাই
সযতেœ স্মৃতির পাতায়;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
ঘুম ভাঙে কিচিরমিচির ডাকে,

হৃদয়ে জাগে অচেনা আলোড়ন।
কেউ দূর নীল আকাশে ভেসে যায়,
খাদ্যের সন্ধানে ব্যস্ত উড়াল;
সন্ধ্যা নামলে আবার
কুলায় ফেরে তৃপ্ত হৃদয়ে।
তাদের এই সহজ জীবনযাত্রা
কার না মন কাড়ে?
আমি সেই পাখিদের বন্ধু হতে চাই।

সবুজ ফসলের মাঠ মনকে ভুলিয়ে দেয়,
আলো-ছায়ার লুকোচুরি খেলায়
বাতাস দোলে ছন্দে ছন্দে;
তার ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে
আমার হৃদয়ের তীরে।
আমি তারও বন্ধু হতে চাই।
তুমিও তবে হাত বাড়াওÑ
দিগন্ত-বিস্তৃত উন্মুক্ত হাত।

এসো, আমরা বন্ধু হই

এই সৌন্দর্যের, এই জীবনের,

এই অনন্ত মমতার।

শীতল বাতাসের এক অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
শীতল বাতাসের এক অনুরোধ

শাহাবুদ্দীন
সবকিছুর বিনিময়ে তুমি ভালো থেকোÑ
যেমন ভোরের কুয়াশা তার অদৃশ্য আঙুল দিয়ে
ঘাসের ডগায় হেঁটে যায়,
শুধু নিঃশব্দে কিছু নরম আলো রেখে যায়।
আমি যত দিইÑ
শব্দ, সময়, স্মৃতি, অদৃশ্য আঙুলের স্পর্শÑ
সবই যেন মাটির নিচে সরে যায়;
কিন্তু তুমি ভালো থাকো,
এটাই আমার প্রার্থনা।
যেমন ঝড়ের পর একা পাতার ওপর
সন্ধ্যার আলো নেমে আসে,
তেমনি তোমার মুখে যেন
শান্তির নরম ছাপ থাকেÑ

যেখানে কেউ আহত হয় না, কেউ হারায় না।
আমি জানি, আমার দেওয়া সবকিছু
অদৃশ্য নদীর মতো বয়ে যাবে;
শুধু তুমি ভালো থেকো,
এই ভেবে নদীও থেমে যায়,
এক মুহূর্তের জন্য নিজেকে দাঁড় করায়।
তুমি ভালো থেকোÑ
যেমন হেমন্তের শেষে
শিশিরের নিচে একাকী ফুল;
শুধু নিজের উপস্থিতি দিয়ে
সমস্ত মাঠকে ভরিয়ে রাখে।
সবকিছুর বিনিময়ে,
যদি এই পৃথিবীর সমস্ত শব্দ,
সমস্ত নীরবতা, সমস্ত আকাশ
আমার হাতে এসে গলে যায়Ñ
তবু একটাই চাওয়া থাকবে:
তুমি ভালো থেকো,
যেমন নক্ষত্র নিজের আলো দিয়ে
রাত্রিকে আলোকিত রাখে,
অচল, অমোঘ, অদূর।