বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

পাইকগাছায় জালিয়াতি করে গ্রাম পুলিশের চাকরি, ৬ বছরের কারাদন্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় জালিয়াতি করে গ্রাম পুলিশের চাকরি, ৬ বছরের কারাদন্ড

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: তথ্য জালিয়াতি করে গ্রাম পুলিশের চাকরিতে থাকা এবং বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি অর্থ আত্মসাতের দায়ে খুলনার পাইকগাছায় বিমল বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তিকে ৬ বছরের সশ্রম কারাদ- দিয়েছেন আদালত। কারাদ-ের পাশাপাশি তাঁকে ৫ লাখ ৪১ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তাঁকে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- ভোগ করতে হবে।
রবিবার খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি বিমল বিশ্বাস আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি পাইকগাছা উপজেলার হিতামপুর গ্রামের যতিন্দ্র নাথ বিশ্বাসের ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিমল বিশ্বাস ১৯৯৮ সালের ১ নভেম্বর পাইকগাছা উপজেলার ৭ নম্বর গদাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ পদে যোগদান করেন। তাঁর প্রকৃত জন্ম তারিখ ১৯৫৮ সালের ৩ আগস্ট। কিন্তু জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে তিনি জন্ম তারিখ ১৯৬৯ সালের ২৫ জুন দেখিয়ে একটি ভুয়া স্কুল সার্টিফিকেট তৈরি করেন। পরবর্তীতে সেই সনদ ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করেন এবং চাকরিতে বাড়তি সময় থেকে সরকারি ৫ লাখ ৪১ হাজার ৫৫০ টাকা বেতন-ভাতা হিসেবে গ্রহণ করেন।
এই প্রতারণার বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে একই গ্রামের নির্মল চন্দ্র অধিকারী সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) খুলনার উপসহকারী পরিচালক মো. ফয়সাল কাদের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়াছিন আলী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ক্ষমতার অপব্যবহার ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় দিয়েছেন। আত্মসাৎ করা অর্থ জরিমানার মাধ্যমে আদায়েরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Ads small one

হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নতুন দায়িত্বে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নতুন দায়িত্বে

দেশের ৬৪ জেলার প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর রাজনৈতিক পর্যায়ে নতুন একটি তদারকি ও সমন্বয় কাঠামো তৈরি করলো সরকার। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিলিয়ে ৩০ জনকে এক থেকে তিনটি করে জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওইসব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন, স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা এবং সরকারি উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তারা তদারকি করবেন। এমনকি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, সেটিও তাদের নজরদারির আওতায় থাকবে।

প্রজ্ঞাপনের বিস্তারিত কার্যপরিধিতে তাদের জন্য মূলত ‘তদারকি’, ‘সমন্বয়’, ‘পরামর্শ প্রদান’ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জেলা পর্যায়ের সভায় অংশ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কোনও কর্মকর্তাকে সরাসরি নির্দেশ দেওয়া, বদলি-পদায়ন করা বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাতিল করার ক্ষমতার কথা সেখানে নেই। ফলে নতুন ব্যবস্থাটি জেলা প্রশাসনের প্রচলিত ‘চেইন অব কমান্ড’ বদলে দেওয়ার চেয়ে তার ওপর একটি উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক তদারকি ব্যবস্থা চালু করা হলো।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসনের সংযোগ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর গঠিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করছে যে, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের বরাদ্দ কাগজে-কলমে লেখা থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট সংগঠিত হয়েছে এবং এ সব লুটপাটের অর্থের একাংশ বিদেশে পাচার করা হয়েছে; যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে এবং লুটপাটের অর্থের অন্য অংশ দেশের অভ্যন্তরে মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। যা রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।’

এতে বলা হয়, যেহেতু, সরকার তথা মন্ত্রিপরিষদ দেশে উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় নিরাপত্তাসহ রাষ্ট্র পরিচালনার সব কার্যাবলির জন্য সমষ্টিগতভাবে জাতীয় সংসদ ও জনগণের কাছে দায়বদ্ধ।

যেহেতু, টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নির্মূল নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক জরুরি কর্মসূচি।

যেহেতু, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ (২) অনুচ্ছেদে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে, প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃক বা তার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা।

যেহেতু, রুলস অব বিজনেসের চেপ্টার ৫ এর রুল ৩৩-অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনও ক্ষেত্রে বা ক্ষেত্রসমূহে এই রুলস থেকে বিচ্যুতির অনুমতি দিতে বা তা মঞ্জুর করতে পারেন।

যেহেতু, রুলস অব বিজনেসের চেপ্টার ১-এর রুল ৪(ii) এবং চেপ্টার ২-এর রুল ১৬(ix) (ই) এবং রুল ১৬(xii)- অনুযায়ী উল্লিখিত বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মন্ত্রিসভায় আলোচিত হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

যেহেতু, মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত রিট পিটিশন মামলা নং ৩৫১২/২০০৩-এর রায়ের মর্মমতে এ ধরনের দায়িত্ব বণ্টন সরকারের এখতিয়ারের মধ্যেই পড়ে।

সেহেতু, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং অন্যান্য সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার আইনগত ক্ষমতা খর্ব না করে সংবিধান প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত ক্ষমতা এবং রুলস অব বিজনেসের বিধান অনুসরণপূর্বক মন্ত্রিসভার উল্লিখিত সিদ্ধান্তের আলোকে, সরকার নিম্নবর্ণিত মাননীয় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপরা নিম্নলিখিত জেলা/জেলাসমূহের আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলি তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দিলো।’’

৩০ জনের হাতে ৬৪ জেলা

গেজেটের তালিকা অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত ৩০ জনের মধ্যে ১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী, ১৪ জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন জাতীয় সংসদের হুইপ। ১৩ মন্ত্রীর অধীনে পড়েছে ২৩ জেলা। ১৪ প্রতিমন্ত্রীর অধীনে ৩৩ জেলা এবং তিন হুইপের অধীনে আট জেলা। সাতজনকে একটি করে, ১২ জনকে দুটি করে এবং ১১ জনকে তিনটি করে জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রীদের মধ্যে ইকবাল হাসান মাহমুদকে রাজশাহী ও নাটোর, ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনকে লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড়, আবদুল আউয়াল মিন্টুকে লক্ষ্মীপুর, নিতাই রায় চৌধুরীকে চুয়াডাঙ্গা, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে হবিগঞ্জ, আরিফুল হক চৌধুরীকে মৌলভীবাজার, মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে চট্টগ্রাম, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা, আসাদুল হাবিব দুলুকে ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর, মো. আসাদুজ্জামানকে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট, জাকারিয়া তাহেরকে ফেনী ও নোয়াখালী, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ এবং সাচিং প্রু কে কক্সবাজার জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে মো. শরীফুল আলমকে টাঙ্গাইল ও নরসিংদী, শামা ওবায়েদ ইসলামকে মাদারীপুর ও শরীয়তপুর, অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ, আব্দুল বারীকে বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ঢাকা, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটি, হাবিবুর রশিদকে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ, মো. রাজিব আহসানকে বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর, মীর শাহে আলমকে রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম, ফারজানা শারমিনকে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা, শেখ ফরিদুল ইসলামকে যশোর, মাগুরা ও নড়াইল, ইয়াসের খান চৌধুরীকে জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ, আহমেদ সোহেল মঞ্জুরকে বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি, এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সারকে জয়পুরহাট ও নওগাঁর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হুইপদের মধ্যে জি কে গউসকে সিলেট ও সুনামগঞ্জ, মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদকে রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কী কী তদারকি করবেন তারা

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ, গুরুতর অপরাধ দমনসহ জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরমূহকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের তদারকি ও পরামর্শ প্রদান। দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপগণ প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সভায় অংশগ্রহণ এবং পরামর্শ প্রদান করতে পারবেন।

রোববার সাতক্ষীরা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
রোববার সাতক্ষীরা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

তালা প্রতিনিধি: আগামী ৩০ আগস্ট (রোববার) সাতক্ষীরা জেলা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সফরসূচি অনুযায়ী, এদিন তিনি তালা উপজেলার ইসলামকাটিতে অবস্থিত মিনি স্টেডিয়াম পরিদর্শন, পাটকেলঘাটা বলফিল্ড মাঠে পথসভায় যোগদান এবং সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল ৯টায় ঢাকার পল্লবীতে নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে সাতক্ষীরার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন প্রতিমন্ত্রী। দুপুর ২টায় তিনি তালার ইসলামকাটিতে অবস্থিত মিনি স্টেডিয়াম পরিদর্শন করবেন। একই সময়ে পাটকেলঘাটা বলফিল্ড মাঠে অনুষ্ঠিত পথসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

বেলা ৩টায় সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রতিমন্ত্রী। সন্ধ্যা ৬টায় সাতক্ষীরা ত্যাগ করে সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন তিনি। রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকার পল্লবীতে নিজ বাসভবনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব, সহকারী একান্ত সচিব ও সিনিয়র সহকারী সচিব মো. তাছবীর হোসেন স্বাক্ষরিত মন্ত্রণালয়ের পাঠানো নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি সরকারি সফর। জনসংযোগ কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তাসহ দাপ্তরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সড়কপথে তাঁর সফরসঙ্গী হবেন।

এদিকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের তালায় সফরকে সফল করতে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তিনি প্রতিমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি সর্বাত্মক সহযোগিতা এবং উপস্থিতির আহ্বান জানান।

সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবলের ফাইনাল উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবলের ফাইনাল উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক ও জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সংস্থার সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, ডা. আবুল কালাম বাবলা, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম টুটুল, জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান, সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মিনিসহ সংস্থার অন্যান্য সদস্য ও স্থানীয় ক্রীড়ানুরাগী ব্যক্তিবর্গ।

 

সভায় জেলা প্রশাসক কাপের ফাইনাল ম্যাচটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন করতে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ বলেন, জেলা প্রশাসক কাপ সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনের একটি অন্যতম বড় উৎসব। আমরা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে ফাইনাল খেলাটি আয়োজন করতে চাই।

 

এজন্য প্রশাসন, ক্রীড়া সংস্থা এবং ক্রীড়ামোদী জনতাসহ সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। আশা করি, সবার প্রচেষ্টায় আমরা একটি সফল টুর্নামেন্ট উপহার দিতে পারব। এছাড়া সাতক্ষীরার ক্রীড়া ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করতে এই টুর্নামেন্ট বড় ভূমিকা রাখছে। খেলা দেখতে আসা দর্শক এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া।

 

স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা টুর্নামেন্টের প্রচার-প্রসার এবং জেলার ক্রীড়া মান উন্নয়নে বিভিন্ন গঠনমূলক পরামর্শ তুলে ধরেন।