রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সম্পাদকীয়: প্রসঙ্গ: উন্নয়ন প্রকল্পের নামে দীর্ঘমেয়াদি দুর্ভোগ কাম্য নয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়: প্রসঙ্গ: উন্নয়ন প্রকল্পের নামে দীর্ঘমেয়াদি দুর্ভোগ কাম্য নয়

খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নেওয়া ‘কেবিএস’ প্রকল্পের বর্তমান স্থবিরতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ীÑপ্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং নির্মাণসামগ্রীর (বিশেষ করে বালু) তীব্র অভাবের কারণে কাজ মাঝপথে থমকে গেছে। রাস্তা খুঁড়ে রাখা ও সেতুর সংযোগ সড়ক অসম্পূর্ণ থাকায় বর্ষার শুরুতেই তিন জেলার কয়েক লাখ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত এখন চরম দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। উন্নয়ন যেখানে আশীর্বাদ হওয়ার কথা ছিল, সেখানে তা এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একটি টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য সঠিক পরিকল্পনা এবং উপাদানের নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ অপরিহার্য। কেবিএস প্রকল্পের ক্ষেত্রে এর বড় অভাব দেখা যাচ্ছে। একদিকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন ও যন্ত্রপাতি চালানোর খরচ বেড়েছে, অন্যদিকে নদী থেকে বালু উত্তোলনে বিধিনিষেধের কারণে দেবহাটাসহ বিভিন্ন এলাকায় কাজ প্রায় বন্ধ। এর ওপর যোগ হয়েছে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রশাসনিক চাপ। ঠিকাদারদের দাবি অনুযায়ী, লোকসানের আশঙ্কায় কাজ বন্ধ রাখা বা ধীরগতি করার প্রবণতা কোনো সুসংবাদ নয়। কারণ, তাড়াহুড়ো করে বা লোকসান ঠেকাতে গিয়ে কাজের গুণগত মানের সঙ্গে আপস করার একটি বড় ঝুঁকি থেকে যায়। উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয় জনগণের সুবিধার জন্য। কিন্তু সেই কাজ অনির্দিষ্টকাল ঝুলে থাকলে জনভোগান্তি চরমে পৌঁছায়, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এই বাস্তবতায় নতুন কোনো বিলাসী বা বড় প্রকল্প হাতে নেওয়ার চেয়ে চলমান অসমাপ্ত কাজগুলো দ্রুত শেষ করাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। সংশ্লিষ্ট জেলার সংসদ সদস্যরা যে স্থানীয় সরকার বিভাগে ডিও লেটার (আধা সরকারি পত্র) দিয়ে অসমাপ্ত কাজ আগে শেষ করার দাবি জানিয়েছেন, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও যৌক্তিক।
এলজিইডি কর্তৃপক্ষ যে জ্বালানি ও নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে সময় বাড়ানোর কথা ভাবছে, তা ইতিবাচক। তবে কেবল সময় বাড়ানোই সমাধান নয়, বরং নির্মাণসামগ্রীর সরবরাহ কীভাবে স্বাভাবিক করা যায়, সেই সংকটও দ্রুত সমাধান করতে হবে।
আমরা মনে করি, শুধু প্রশাসনিক চাপ দিয়ে বা চোখ বন্ধ করে নিয়ম রক্ষার কাজ শেষ করলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও বাস্তব সংকটগুলোকে সমন্বয় করে একটি মধ্যপন্থা বের করতে হবে। জনভোগান্তি আর এক দিনও না বাড়িয়ে, কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত কেবিএস প্রকল্প সম্পন্ন করতে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও এলজিইডি কার্যকর পদক্ষেপ নেবেÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা।

Ads small one

শ্যামনগরের কৈখালীতে রাস্তা নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরের কৈখালীতে রাস্তা নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের বোশখালী কোলুনীপাড়ার ইসলাম গাজীর বাড়ী হতে মিজান গাজীর বাড়ী পযন্ত ইটের সোলিং রাস্তা নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ রাস্তাটিতে ১ নম্বর ইটের পরিবর্তে ২ ও ৩ নং ইট, বালুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে বালু মিশ্রিত কাদা-মাটি। রাস্তার পাশের মাটি কেটে দেওয়া হচ্ছে রাস্তায়। এ নিয়ে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

সিডিউল অনুযায়ী ১ নং ইট দিয়ে রাস্তা করার কথা থাকলেও সরেজমিনে দেখা গেছে পুরো রাস্তা জুড়েই বিছানো হচ্ছে অত্যন্ত নিম্নমানের ২ ও ৩ নম্বর ইট। সামান্য আঘাতেই যা গুঁড়ো হয়ে যাচ্ছে। ইটের সাথে ইটের ফাকগুলো পূরণ করতে বালু দেওয়ার কথা, সেখানে ঠিকাদারের লোকজন নামমাত্র মূল্যে কেনা বালু মিশ্রিত কাঁদা মাটি ব্যবহার করছে। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই এই রাস্তা নষ্ট হয়ে যাবে।

 

রাস্তার স্থায়িত্ব ধরে রাখার জন্য দুই পাশে মাটি ভরাট করার কথা রয়েছে। কিন্তু ঠিকাদার সেই খরচ বাঁচিয়ে পকেটস্থ করতে দুই পাশে কোনো মাটিই ভরাট না করে রাস্তা থেকে মাটি কেটে সীমিত পরিমান দিচ্ছে। স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কাজের এই অনিয়ম নিয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে গেলেই স্থানীয় ইউপি সদস্য সামনে এসে বাধা দিচ্ছেন। ইউপি সদস্য তার প্রভাব খাটিয়ে এলাকাবাসীর মুখ বন্ধ রাখার চেষ্টা করছেন এবং কাজের পুরো দায়ভার নিজের কাঁধে নিচ্ছেন।

স্থানীয় আব্দুর রহিমের পুত্র মোঃ আলিম গাজী, মোঃ আজগার আলী সরদারের পুত্র আবু হানিফ, দাউদ শেখের পুত্র নাজমুল শেখ, মোঃ ইউনুস গাজীর স্ত্রী মোছাঃ নুরনেছা বেগম, লুৎফর বাউলিয়ার স্ত্রী সুফিয়া বেগম, আমিরুল সরদারের স্ত্রী কহিনুর বেগম প্রতিবেদককে জানান, কাউকে তোয়াক্কা না করে নি¤œমানের ইট, বালি দিয়ে কাজ করছে। রাস্তায় যে পরিমান বালি দেওয়ার নিয়ম সেটাও দিচ্ছে না।

 

তাছাড়া রাস্তা নির্র্মাণের পরে রাস্তার পাশে মাটি ভরাট করার কথা থাকলেও রাস্তা থেকে মাটি কেটে দিচ্ছে। অনেক স্থানে মাটি দিচ্ছে না। যার ফলে আমরা নিজেরা মাটি দিতে বাধ্য হচ্ছি। এ বিষয়ে মেসার্স তাহরিমা এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার মহিবুল্লাহ বলেন, রাস্তার কাজটি আমাদের নিকট থেকে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ সমশের ঢালী গ্রহণ করছেন। তিনি কাজটি সম্পন্ন করবেন।

 

ইউপি সদস্য মোঃ সমশের ঢালী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। মাটি যুক্ত বালি ব্যবহার করতে নিষেধ করেছি। এলজিইডির শ্যামনগর উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। আমি সরজমিনে তদন্তে যাব। কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিমের নিকট বার বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক বিষয়টি দেখবে বলে জানান।

 

 

 

জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে বাজেট বৃদ্ধির দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে বাজেট বৃদ্ধির দাবি

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে আসন্ন অর্থবছরের বাজেট প্রস্তুতি সভায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সহনশীলতা বৃদ্ধির জন্য বাজেট বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। প্রাকটিক্যাল এ্যাকশনের সহযোগিতায় ‘উত্তরণ’ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন জুরিখ ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রামের অধীনে রবিবার (১৭ মে) সকালে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

সভায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সালেহ বাবু বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। জনগণের মতামতের ভিত্তিতে জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন কার্যক্রমকে বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হবে।” সভায় ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা কার্তিক চন্দ্র মন্ডল জলবায়ু ঝুঁকি হ্রাস কর্ম্পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

 

উপস্থিত জুরিখ ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম-উত্তরণের ফিল্ড সুপারভাইজার জাহিদ হাসান উল্লেখ করেন- উপকূলীয় এই অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, তীব্র তাপপ্রবাহ ও জলাবদ্ধতার কারণে সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষি, সুপেয় পানি সংকট, স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং জীবিকার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। তাই স্থানীয় সরকার পর্যায়ে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো, নিরাপদ পানি ব্যবস্থা, টেকসই কৃষি, বৃক্ষরোপণ, ও দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমে বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা প্রয়েজন।

 

উপস্থিত বক্তারা আরও বলেন, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করলে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা সহজ হবে। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের বাজেটে জলবায়ু অভিযোজন ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এ সময় বিভিন্ন উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

সুন্দরবনে বাঘে-মানুষে লড়াই, বাঘকে কাবু করে হাসপাতালে বাবলু গাজী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে বাঘে-মানুষে লড়াই, বাঘকে কাবু করে হাসপাতালে বাবলু গাজী

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সুন্দরবনের গহীনে জীবিকার সন্ধানে গিয়ে এবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের সাহসী মৌয়াল বাবলু গাজী (৫০)। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাবলু গাজীর অস্ত্র পাচার সঠিক ভাবে হয়েছে, এবং তার চিকিৎসা চলমান রয়েছে খুব দ্রুত তিনি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জীবিকার তাগিদে সুন্দরবনে মধু আহরণে গিয়েছিলেন বাবলু গাজী। বনজীবীদের ভাষায়, সুন্দরবনের প্রতিটি মুহূর্তই অনিশ্চয়তায় ভরা। কখন কোথা থেকে বাঘের আক্রমণ আসবে, তা কেউ বলতে পারে না। সেই ভয়ংকর বাস্তবতার মুখোমুখি হন বাবলু।

ঘটনার বর্ণনায় জানা যায়, হঠাৎ পেছন দিক থেকে একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাবলুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে জীবন বাঁচাতে সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন তিনি। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বাঘ যখন তাকে ধরার চেষ্টা করছিল, তখন বাবলু বাঘের দাড়ি শক্ত করে ধরে টান দেন এবং পাশে থাকা একটি ড্রামের ভেতরে বাঘের মাথা ঢুকিয়ে দেন।

এরপর শুরু হয় ভয়ংকর পরিস্থিতি। বাঘটি ড্রামের মধ্যে আটকা পড়ে লাফালাফি ও ছটফট করতে থাকে। এতে ড্রামে বিকট শব্দ সৃষ্টি হয়। বনজীবীরা জানান, সেই শব্দে বাঘটি আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে বাবলুকে ছেড়ে সরে যায়। ওই সুযোগে প্রাণে রক্ষা পান বাবলু গাজী।

স্থানীয়রা বলছেন, “বাঘ তারে জব্দ করবে কি, সে-ই বাঘরে জব্দ করছে।” এমন সাহসিকতার ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গাবুরা ও আশপাশের এলাকায় এখন বাবলুর বীরত্বের গল্প ছড়িয়ে পড়েছে মুখে মুখে।
বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর অর্থোপেডিক্স ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বাবলু গাজী। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরে আঘাত থাকলেও তিনি এখন শঙ্কামুক্ত আছেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা করছেন চিকিৎসকরা।

উপকূলীয় অঞ্চলের জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের জীবনের ঝুঁকিপূর্ণ বাস্তবতার আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকলো এই ঘটনা। জীবিকার প্রয়োজনে প্রতিনিয়ত মৃত্যুকে সঙ্গে নিয়েই সুন্দরবনে যেতে হয় তাদের। তবে অসীম সাহস, উপস্থিত বুদ্ধি আর জীবন বাঁচানোর তাগিদে এবার বাঘের মুখ থেকেও ফিরে এলেন বাবলু গাজী।