শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

পাটকেলঘাটায় মাছ-মাংসের বাজার চড়া, সবজিতেও স্বস্তি নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় মাছ-মাংসের বাজার চড়া, সবজিতেও স্বস্তি নেই

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা বাণিজ্য কেন্দ্রে গত দুই সপ্তাহ ধরে মাছ, মাংস, ডিম ও সবজির দাম আকাশছোঁয়া হয়ে উঠেছে। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সাধারণ ও সীমিত আয়ের ক্রেতারা। বাজারে পর্যাপ্ত নজরদারি ও মূল্য তালিকা না থাকায় বিক্রেতারা যে যার মতো দাম নিচ্ছেন বলে অভিযোগ সাধারণ মানুষের।
সপ্তাহের প্রতি বুধ ও শনিবার পাটকেলঘাটায় বড় হাট বসে। দূরদূরান্ত থেকে পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা এখানে কাঁচামাল কিনতে আসেন। তবে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ক্রেতা ও সাধারণ ব্যবসায়ী উভয় পক্ষই হতাশ। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সবজির বাজারেও স্বস্তি নেই। প্রতি কেজি বেগুন ও পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের বাজারে প্রতি হালি সাদা ডিম ৬০ টাকা এবং লাল ডিম ৫০ টাকায় ঠেকেছে। মাছের বাজারে রুই মাছ প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, মৃগেল ২২০ টাকা এবং তেলাপিয়া ও নাইলোটিকা ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে বাগদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজিতে। সাধারণ মানুষের জন্য ইলিশ এখন ‘স্বপ্নের মতো’, বাজারে ছোট আকারের ইলিশও বিক্রি হচ্ছে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা কেজি দমে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, আড়তেই মাছ-সবজির দাম চড়া থাকায় খুচরা বাজারে দাম বেড়ে গেছে। অন্যদিকে বাজারে আসা একাধিক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কাঁচাবাজারে তদারকি না থাকায় সাধারণ মানুষের পকেট খালি হয়ে যাচ্ছে। দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান তারা।

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় জলাবদ্ধতা নিরসন ও নদী-খাল পুনরুদ্ধারে নাগরিক পরামর্শ সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জলাবদ্ধতা নিরসন ও নদী-খাল পুনরুদ্ধারে নাগরিক পরামর্শ সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসন, নদী-খাল দখলমুক্ত ও পুনরুদ্ধার এবং টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শনিবার (১ আগস্ট) সাতক্ষীরা শহরের পাবলিক লাইব্রেরিতে এক নাগরিক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সহযোগিতা করে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি) এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। এতে পরিবেশকর্মী, নদী ও পানি বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিক, শিক্ষক, কৃষক প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের সদস্য এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, নদী-খালের নাব্যতা সংকট, অবৈধ দখল, অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ এবং প্রাকৃতিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণে সাতক্ষীরায় জলাবদ্ধতা দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। এর ফলে কৃষি, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য, জনস্বাস্থ্য ও স্থানীয় অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে।

তারা বলেন, শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে এ সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা, প্রাকৃতিক পানি ধারণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুন:প্রতিষ্ঠা, টেকসই নদী ব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা, নদী-খাল পুনঃখনন, টিআরএম-এর কার্যকারিতা, আইন বাস্তবায়ন, নাগরিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনার সঙ্গে পানি ব্যবস্থাপনাকে সমন্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভা থেকে ১০ দফা নাগরিক সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-জেলার সকল নদী ও খালের সীমানা নির্ধারণ ও ডিজিটাল মানচিত্র প্রণয়ন, অবৈধ দখল উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান, নদী-খাল পুনঃখননের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বৈজ্ঞানিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন ছাড়া বড় অবকাঠামো নির্মাণ না করা, নদী ও খাল সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা এবং প্রতি বছর নাগরিক পর্যবেক্ষণ সভার আয়োজন।

সভা শেষে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাছে উপস্থাপনের জন্য একটি ‘সাতক্ষীরা নাগরিক সুপারিশপত্র’ প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভার আয়োজকদের ভাষ্য, নদী বাঁচলে সাতক্ষীরা বাঁচবে, জলপ্রবাহ ফিরলে জলাবদ্ধতা কমবে”-এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নাগরিক পরামর্শ সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাড. আজাদ হোসেন বেলাল। বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম, সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, দৈনিক দক্ষিণের মশালের  সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, কবি ও লেখক কিশোরী মোহন সরকার, দুদকের আইনজীবী অ্যাড. আসাদুজ্জামান দুলু, মানবাধিকারকর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, বেলার বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল, সংগীতশিল্পী আবু আফফান রোজবাবু, নারীনেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, বাংলাদেশ জাসদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ইদ্রিস আলী, সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মিলটন, সুশীলনের উপ-পরিচালক জি এম মনিরুজ্জামান, উত্তরণের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার অ্যাড. মনির উদ্দীন, সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক আহসান রাজীব, সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, গোলাম সরোয়ার, রঘুনাথ খাঁ, সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি কওছার আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস ছামাদ, নদী-খাল ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম, উদীচী সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, হেডের পরিচালক রানা গাইন, সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের পরিচালক আফজাল হোসেন, জলাবদ্ধতায় কবলিত ক্ষতিগ্রস্ত ফিংড়ী এলাকার জিল্লুর রহমান, বাকাল এলাকার মো. কামরুজ্জামান কামু, ইটাগাছা এলাকার রেশমা খাতুন, কামালনগরের বায়জিদ হোসেন প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল।

কলারোয়ায় পারিবারিক অর্থায়নে গৃহহীন কৃষিশ্রমিকের নতুন ঘর, প্রশংসায় চেয়ারম্যান পরিবার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় পারিবারিক অর্থায়নে গৃহহীন কৃষিশ্রমিকের নতুন ঘর, প্রশংসায় চেয়ারম্যান পরিবার
কলারোয়া প্রতিনিধি: দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল নিজের জমিতে একটি নিরাপদ পাকা ঘর। কিন্তু দারিদ্র্য সেই স্বপ্নকে বারবার অধরাই রেখেছিল। অবশেষে কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের খলসী গ্রামের গৃহহীন কৃষিশ্রমিক আবিদুল হক মোড়ল (৬১) পেলেন নতুন পাকা ঘর। হেলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, তাঁর ভাই শিল্পপতি ইমাম হোসেন এবং পরিবারের সদস্যদের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত এই ঘর পেয়ে নতুন আশার আলো দেখছেন তিনি।
শনিবার (১ আগস্ট) সরেজমিনে খলসী গ্রামে গিয়ে নতুন ঘরের সামনে আবিদুল হক মোড়লের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি অন্যের জমিতে কৃষিশ্রমিক হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। নিজের এক টুকরো জমি থাকলেও সেখানে একটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন। এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক আবিদুল জানান, ছেলে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঢাকায় থাকেন এবং বাবা-মায়ের খোঁজ তেমন রাখেন না। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। বার্ধক্যের কারণে আগের মতো কাজ করতে পারেন না। শারীরিক সক্ষমতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি নানা রোগ-ব্যাধিও এখন তাঁর নিত্যসঙ্গী।
এমন অসহায় পরিস্থিতির কথা জানতে পেরে তাঁর পাশে দাঁড়ান চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেনের পরিবার। শুধু ঘর নির্মাণই নয়, প্রয়োজনে ওষুধসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতাও করে আসছে তাঁরা।
নতুন ঘর পেয়ে আবিদুল হক মোড়ল বলেন, “এখন আর ঝড়-বৃষ্টির রাতে ঘর ভেঙে পড়ার ভয় থাকবে না। জীবনের শেষ বেলায় মাথা গোঁজার একটি নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছি। আল্লাহ যেন চেয়ারম্যান ও তাঁর পরিবারের সবাইকে ভালো রাখেন।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, শুধু আবিদুল নন, এর আগে একই পরিবারের অর্থায়নে অসহায় কৃষিশ্রমিক রবিউল ইসলামও পাকা ঘর পেয়েছেন। হেলাতলা ইউনিয়নের আরও অনেক দরিদ্র, অসহায় ও বিপন্ন মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে নীরবে কাজ করে যাচ্ছে চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেনের পরিবার।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, “সম্পূর্ণ পারিবারিক উদ্যোগে আমরা এলাকায় ২২টি ঘর নির্মাণ করছি। যেসব ঘরের কাজ শেষ হচ্ছে, সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে উপকারভোগীদের বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটি একটি চলমান মানবিক উদ্যোগ। অসহায় মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে আমাদের পরিবার ভবিষ্যতেও পাশে থাকবে।”
তিনি আরও জানান, গণপতিপুর গ্রামে ৮ কোটির বেশি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজ তাদের পারিবারিক অর্থায়নে চলমান রয়েছে। আবাসন সুবিধাসহ নান্দনিক এই কমপ্লেক্সটি এলাকার অন্যতম দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এছাড়া বেত্রবতী নদীর ওপর কোঠাবাড়ি-রায়টা অভিমুখী প্রায় ৫ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ে একটি সুদৃশ্য ভাসমান পথচারী সাঁকোও নির্মাণ করেছে তাদের পরিবার, যা স্থানীয় মানুষের চলাচলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে বছরের পর বছর ধরে দরিদ্র মানুষের জন্য ঘর নির্মাণ, চিকিৎসা সহায়তা, ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক অবকাঠামো নির্মাণের মতো কর্মকাণ্ড সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মানবিক এই উদ্যোগ অন্য বিত্তবানদেরও সমাজসেবায় এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে বলে তারা মনে করেন।

গড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণ সংঘের পরিচিতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
গড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণ সংঘের পরিচিতি সভা

গড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাংণ সংঘের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৫টায় সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি রাজু আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজু।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, ৫নং ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর শাহীনুর রহমান, সদর থানার এস আই আলমগীর হোসেন, এ এস আই রাজু আহমেদ, ৫নং ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি আমিরুল ইসলাম, জামায়াত নেতা আবুল কাশেমসহ অন্যরা। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন।

বক্তারা বলেন, মাদক থেকে যুব সমাজকে রক্ষার্থে প্রশাসনের পাশাপাশি অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। অভিভাবকের সচেতনতা ছাড়া কোন ভাবেই মাদক মুক্ত সমাজ গঠন করা যাবে না। সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। তবেই মাদক মুক্ত করা সম্ভব হবে। বক্তারা এমন মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে এধরনের কাজ অব্যহত রাখার আহ্বান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি