সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

তালায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
তালায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

সংবাদদাতা: দুর্নীতি বিরোধী শপথের প্রদীপ্ত স্বাক্ষরে নতুন সূর্য শিখা জ্বলবেই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সততা চর্চায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তালা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় সজেকা খুলনার আয়োজনে ও তালা উপজেলা প্রশাসন ও তালা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অচিন্ত্য কুমার সাহার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সকলকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আজকের এই নতুন প্রজন্মকে সততার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। দেশের উন্নয়নে দুর্নীতি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি দমন কমিশন সজেকা খুলনার উপসহকারী পরিচালক মোঃ রুবেল হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিছুর রহমান প্রমুখ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক গাজী জাহিদুর রহমান, সহ-সভাপতি বিএম জুলফিকার রায়হান, উপজেলা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম, তালা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য রহিমা খাতুন ও এস এম নাহিদ হাসান প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন তালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার প্রভাষ কুমার দাস, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জিএম শাওন ও ইউআরসি ইন্সটাক্টর ইমান উদ্দীন প্রমুখ। ফাইনালে বিতর্কের বিষয় ছিল- দেশের সার্বিক উন্নয়নে বাধাগ্রস্থ হওয়ার মূল কারণই দুর্নীতি। ফাইনালে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় পক্ষে অংশ নেয় সমকাল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বিতর্কের বিপক্ষে অংশ নেয় কুমিরা পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনালে উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে কুমিরা পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিতর্কের ফাইনালে শ্রেষ্ঠ বক্তার পুরস্কার লাভ করেন বিজয়ী দলের বক্তা রিয়া ঘোষ।

রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় তালা উপজেলার ১৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এ সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, তালা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সহ তালা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

Ads small one

অপূর্বর সততায় মুগ্ধ তটিনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
অপূর্বর সততায় মুগ্ধ তটিনী

বিয়ের আগে নিজের জীবনের বাস্তবতা ও দায়িত্বের কথা স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন অপূর্ব। তার সেই সততাই মুগ্ধ করে তটিনীকে। এমন গল্প নিয়েই নির্মিত হয়েছে ‘তুমি এসেছিলে বলে’ শিরোনামের নতুন নাটক।

সাম্প্রতিক সময়ে পারিবারিক গল্পের নাটকের দিকে ঝুঁকেছেন নির্মাতারা ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। তারই ধারাবাহিকতায় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্ট নির্মাণ করেছে নাটকটি। রুবেল হাসানের পরিচালনায় এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন অপূর্ব ও তটিনী। নাটকটি রচনা করেছেন মেজবাহ উদ্দীন সুমন।

গল্পে অপূর্বকে দেখা যাবে, একটি যৌথ পরিবারের বড় ছেলের চরিত্রে। বাবা মারা যাওয়ার পর পুরো পরিবারের দায়িত্ব এসে পড়ে তার কাঁধে। সকাল থেকে অফিস, এরপর পরিবারের নানা সমস্যা সামলানো—এভাবেই কাটে তার জীবন। ফলে বিয়ে নিয়ে কোনো আগ্রহ নেই তার। তবে একসময় মায়ের জোরাজুরিতে বিয়েতে রাজি হতে বাধ্য হন।

অন্যদিকে পাত্রী মেহরিনের (তটিনী) সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার দিনই নিজের জীবনের বাস্তবতা স্পষ্ট করে দেন অপূর্ব। তিনি মেহরিনকে বলেন, ‘আমি আপনাকে সুখের স্বপ্ন দেখাতে পারবো না। আমার জীবন খুব সাধারণ নয়। আমার একটা সংসার আছে, অনেক দায়িত্ব আছে। আপনি যদি আমার জীবনে আসেন, আপনাকে আমার জীবনের একটা অংশ নয়, পুরো বাস্তবতাটাই গ্রহণ করতে হবে।’

অপূর্বর এই সততাই মেহরিনকে মুগ্ধ করে। তার কথায় আস্থা রেখে বিয়েতে রাজি হয়ে যান তিনি। কিন্তু বিয়ের পর দুজনের দাম্পত্য জীবন কতটা সুখের হয়, আর যৌথ পরিবারের নানা টানাপোড়েন কীভাবে তাদের সম্পর্কে প্রভাব ফেলে—সেই গল্প জানতে অপেক্ষা করতে হবে নাটকটি মুক্তি পাওয়া পর্যন্ত।

৯ বছর পর জাপানের প্রেক্ষাগৃহে আমির, মুক্তি পাবে কোন ছবি৯ বছর পর জাপানের প্রেক্ষাগৃহে আমির, মুক্তি পাবে কোন ছবি
প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্টের জামাল হোসেন বলেন, ‘নাটক আমাদের সমাজ ও চারপাশের প্রতিচ্ছবি। আমাদের আশপাশের অনেক পরিবারের গল্প নানা ভাবে নাটকে উঠে আসে। আমি সব সময় চেষ্টা করি, বিনোদনের পাশাপাশি নাটকে সমাজের বাস্তবতা তুলে ধরার জন্য।’

নির্মাতা রুবেল হাসান বলেন, ‘এটি পুরোপুরি একটি পারিবারিক গল্পের নাটক। একটি যৌথ পরিবারের টানাপোড়েন দর্শক এ নাটকের গল্পে দেখতে পাবেন। আমাদের চারপাশে অনেক পরিবার আছে, বাইরে থেকে দেখতে সুন্দর। কিন্তু ভেতরের খবর কেউ জানে না। এটি সে রকমই একটি গল্পের নাটক।’

নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন লুৎফর রহমান জর্জ, মনিরা আক্তার মিঠুসহ অনেকে।

 

ছয় বছর পর সুশান্তের ময়নাতদন্ত নিয়ে বোন শ্বেতার নতুন দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ
ছয় বছর পর সুশান্তের ময়নাতদন্ত নিয়ে বোন শ্বেতার নতুন দাবি

মৃত্যুর ছয় বছর পর বলিউডের প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের ময়নাতদন্ত নিয়ে নতুন দাবি সামনে আনলেন তার বোন শ্বেতা সিং কীর্তি। সম্প্রতি এক ভিডিওবার্তায় শ্বেতা দাবি করেছেন, সুশান্তের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সঙ্গে কয়েক দিন আগে তার যোগাযোগ হয়েছে।

শ্বেতা জানান, ওই চিকিৎসকের কাছ থেকেই তিনি জানতে পেরেছেন, অভিনেতার মৃত্যুর ঘটনায় বন্দুক ব্যবহার, শারীরিক নির্যাতন ও তার পা ভেঙে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছিল।

২০২০ সালের ১৪ জুন প্রয়াত হন সুশান্ত। তার মৃত্যুর পর অভিযোগের তীর ওঠে বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর দিকে। তবে পরে তদন্তের ক্লোজার রিপোর্টে বলা হয়, সুশান্তকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করার মতো কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে শুরু থেকেই সুশান্তের পরিবার দাবি করে আসছে, তিনি আত্মহত্যা করেননি।

ভিডিওবার্তায় শ্বেতা বলেন, ‘সম্প্রতি জানতে পেরেছি, যিনি আমার ভাইয়ের ময়নাতদন্ত করেছিলেন, তিনি বলেছেন ঘটনার সময় বন্দুক ব্যবহার করা হয়েছিল। তার পা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল এবং অকথ্য অত্যাচার করা হয়েছিল। চোখেও আঘাত ছিল।’

সুশান্তের মৃত্যুর সময় শ্বেতা বিদেশে ছিলেন। কোভিড পরিস্থিতির কারণে ভাইয়ের শেষযাত্রায়ও উপস্থিত থাকতে পারেননি তিনি। তবে এরপর থেকে সুশান্তের মৃত্যুর সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছেন শ্বেতা।

বেস্ট ড্যান্সার চ্যাম্পিয়ন রিতেশ পাল, কত টাকা পেলেন তিনিবেস্ট ড্যান্সার চ্যাম্পিয়ন রিতেশ পাল, কত টাকা পেলেন তিনি
ভাইয়ের মৃত্যুর পরের দিনগুলোর কথা স্মরণ করে শ্বেতা বলেন, ‘আপনাদের মধ্যে অনেকেই আমার কাছে এসেছেন। ভাইয়ের জন্য কেঁদেছেন। কারণ সবারই মনে হয়েছিল, ওর সঙ্গে যা ঘটেছে, তা মোটেই ঠিক ছিল না। যা হয়েছে, তা গুরুতর অন্যায়।’

প্রিয়জনকে হারানোর কষ্টের কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘আমি ওর বোন এবং আমি বুঝি, প্রিয়জনের সঙ্গে এমন কিছু ঘটলে কেমন লাগে। এই পৃথিবীতে অনেক অন্যায় হয়। ভালো মানুষদেরও অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু কষ্টই আপনাকে পরিবর্তনের পথে নিয়ে যায়। ভালোবাসার মধ্য দিয়েই সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব।’

ভালো খেলেও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে পিছিয়ে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
ভালো খেলেও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে পিছিয়ে বাংলাদেশ

মালয়েশিয়ার কাছে হারের পর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ছিল বাংলাদেশের। সেই লক্ষ্যেই একাদশে চার পরিবর্তন এনে শুরু থেকেই আগ্রাসী ও গোছানো ফুটবল খেলেছে থমাস ডুলির দল। বল দখল ও আক্রমণে আশাজাগানিয়া পারফরম্যান্সের পরও শেষ হাসি হাসতে পারেনি বাংলাদেশ। গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার খেসারত দিয়ে বিরতির আগে এক গোলে পিছিয়ে গেছে লাল-সবুজের দল।

সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে সোহেল রানাসহ বাংলাদেশ দলে চার পরিবর্তনসিঙ্গাপুরের বিপক্ষে সোহেল রানাসহ বাংলাদেশ দলে চার পরিবর্তন
গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে জায়গা হয়নি মিডফিল্ডার সোহেল রানার। তার সঙ্গে একাদশের বাইরে রাখা হয়েছে ফারহান আলী ওয়াহিদ, ফাহমিদুল ইসলাম ও শাকিল আহাদ তপুকে। তাদের পরিবর্তে ফিরেছেন নিয়মিত অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া, জিদান ইউসুফ, শুকি ইতোফুসা ও শেখ মোরসালিন।

পরিবর্তিত একাদশ নিয়ে শুরু থেকেই আগের ম্যাচের চেয়ে গোছানো ফুটবল উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ। ৪-৪-২ ছকে খেলা ডুলির দল শুরু থেকেই আগ্রাসী মনোভাব দেখিয়েছে। বিল্ডআপ ফুটবলের মাধ্যমে সমন্বয় করে আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টাও ছিল। কিন্তু আক্রমণভাগে গিয়ে সেই ধারটা দেখা যায়নি। অবস্থা এমন ছিল যে বিরতির আগে বাংলাদেশের কোনো শটই লক্ষ্যে থাকেনি।

রাকিব হোসেন ও শেখ মোরসালিন কয়েকবার বল পেলেও গোলমুখে কার্যকর শট নিতে পারেননি। বিপরীতে সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে গেছে সিঙ্গাপুর। প্রথমার্ধে তিনটি শট লক্ষ্যে রেখে একটি থেকে গোল পেয়েছে তারা।

শুরুর দিকেই হলুদ কার্ড দেখেন শমিত সোম। এরপর ১৭ মিনিটে বাংলাদেশকে বড় বিপদ থেকে বাঁচান গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ। আব্দুল্লাহ নূরের ক্রস থেকে ইলহান ফান্দির প্লেসিং ডান দিকে ঝাঁপিয়ে এক হাত দিয়ে ঠেকিয়ে দেন তিনি।

কুলিং ব্রেকের পর কিছুটা পিছিয়ে গিয়ে খেলতে শুরু করে বাংলাদেশ। আর তাতেই সিঙ্গাপুরের আক্রমণের চাপ বাড়ে। ৩২ মিনিটে হ্যারিস স্টুয়ার্টকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন জিদান ইউসুফ। সেই ফ্রি-কিক থেকেই গোলের খুব কাছে চলে এসেছিল সিঙ্গাপুর।

জ্যাকব উইলিয়ামের হেড দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে আবারও বাংলাদেশকে বাঁচান শ্রাবণ। পরে বক্সের ভেতর থেকে ফিরতি শটও প্রতিহত করেন তারিক কাজী।

তবে বাংলাদেশের প্রতিরোধ বেশিক্ষণ টেকেনি। ৩৫ মিনিটে গোল পেয়ে যায় সিঙ্গাপুর। ডান দিক থেকে নূর আব্দুল্লাহর ক্রসে ফাঁকায় থাকা হ্যারিস স্টুয়ার্ট জোরালো হেডে বল জালে পাঠান। এবার আর কিছুই করার ছিল না শ্রাবণের।

দুই মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিল সিঙ্গাপুর। ইলহান ফান্দির শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। অল্পের জন্য দ্বিতীয় গোল হজম থেকে বেঁচে যায় বাংলাদেশ।

এরপর বল নিজেদের দখলে রেখে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু আক্রমণের শেষ মুহূর্তে গিয়ে সেই কার্যকারিতা দেখা যায়নি। ফলে সিঙ্গাপুরের গোলরক্ষককে আর তেমন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি ডুলির শিষ্যরা।

বাংলাদেশ একাদশ: মেহেদী হাসান শ্রাবণ, সাদ উদ্দিন, তারিক কাজী, জিদান ইউসুফ, জায়ান আহমেদ, হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়া, শমিত সোম, শুকি ইতোফুসা, শেখ মোরসালিন ও রাকিব হোসেন।