অন্তর্বর্তী বাসনা
আমিনুল ইসলাম
বহুদিন মনে সাধ-বলতে পারো জেদও
তোমার নৈঃশব্দ্যের বাগানে ঝুলে আছে
যে-সকল কমলা
আঙুর
আপেল
বাতাসের হাতে তাদের ছুঁয়ে দেখবো একবার।
বেদনার ঘরে তালা মেরে
তুমি ঘুরো পথে পথে
সবুজ আঁচলে ঝোলে
প্রভাতি রঙের একগোছা চাবি;
ইচ্ছে করে-
দুষ্টবালকের মতো ছোঁ মেরে
তোমার চাবির গোছাটা নিই
হুড়মুড় করে খুলে দেখি ওই ঘর।
তোমার কণ্ঠে মাধবকু-ের জলপ্রপাতের শব্দ
শুনে শুনে বিমোহিত কান;
কিন্তু কেন যেন মনে হয়-
সেসব কারো অশ্রু ঝরার অনুবাদ;
আমি একবার-
শুধু একবার-
ওই ঝর্ণার জলে অঞ্জলি ভরে নিতে চাই।
তুমি হাসলে মনে হয় যে-
কোথাও কোনো জলসাঘরের-
ঝাড়বাতি ভেঙে পড়ার শব্দ হলো
এই বুঝি থেমে যায় ঘুঙুর-
নড়ে ওঠে হিমাদ্রীর গোড়া!
আমি একবার-
শুধু একবার-
ওই হাসির উৎসে পৌঁছাতে চাই।
অর্ন্তর্বতী বাসনা
বহুদিন মনে সাধ-বলতে পারো জেদও
তোমার নৈঃশব্দ্যের বাগানে ঝুলে আছে
যে-সকল কমলা
আঙুর
আপেল
বাতাসের হাতে তাদের ছুঁয়ে দেখবো একবার।
বেদনার ঘরে তালা মেরে
তুমি ঘুরো পথে পথে
সবুজ আঁচলে ঝোলে
প্রভাতি রঙের একগোছা চাবি;
ইচ্ছে করে-
দুষ্টবালকের মতো ছোঁ মেরে
তোমার চাবির গোছাটা নিই
হুড়মুড় করে খুলে দেখি ওই ঘর।
তোমার কণ্ঠে মাধবকু-ের জলপ্রপাতের শব্দ
শুনে শুনে বিমোহিত কান;
কিন্তু কেন যেন মনে হয়-
সেসব কারো অশ্রু ঝরার অনুবাদ;
আমি একবার-
শুধু একবার-
ওই ঝর্ণার জলে অঞ্জলি ভরে নিতে চাই।
তুমি হাসলে মনে হয় যে-
কোথাও কোনো জলসাঘরের-
ঝাড়বাতি ভেঙে পড়ার শব্দ হলো
এই বুঝি থেমে যায় ঘুঙুর-
নড়ে ওঠে হিমাদ্রীর গোড়া!
আমি একবার-
শুধু একবার-
ওই হাসির উৎসে পৌঁছাতে চাই।






