মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

আলোচনায় না এলে ‘সমস্যায়’ পড়বে ইরান: ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
আলোচনায় না এলে ‘সমস্যায়’ পড়বে ইরান: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসবে বলে দৃঢ় আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরান যদি আলোচনায় না আসে, তবে দেশটিকে এমন ‘সমস্যার’ মুখোমুখি হতে হবে যা তারা আগে কখনও দেখেনি বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

রেডিও প্রোগ্রাম ‘দ্য জন ফ্রেডরিকস শো’-তে এক ফোনালাপের সময় ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ইরান আলোচনায় আসবে। আর যদি না আসে, তাহলে তারা এমন সমস্যার মুখে পড়বে, যা তারা আগে কখনও দেখেনি।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, একটি ন্যায্য চুক্তিতে পৌঁছালে ইরান নিজেদের দেশ পুনর্গঠনের সুযোগ পাবে। তবে সেই প্রক্রিয়ায় ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের কোনও সুযোগ থাকবে না বলে জোর দেন ট্রাম্প।

ইরান ইস্যুতে কড়া পদক্ষেপের বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে ট্রাম্প আরও বলেন, আমাকে বলতেই হচ্ছে, ইরান নিয়ে আমাদের আর কোনও বিকল্প ছিল না। এমন নয় যে আমাদের হাতে বিকল্প ছিল।

Ads small one

এসএসসির প্রথম দিনে ২৫ হাজারের বেশি অনুপস্থিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
এসএসসির প্রথম দিনে ২৫ হাজারের বেশি অনুপস্থিত

সারাদেশে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। মোট ২৫ হাজার ৪০৮ জন পরীক্ষার্থী এদিন পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

৯ শিক্ষা বোর্ডে উপস্থিতি বেশি

৯টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১১ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১১ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন। অনুপস্থিত ছিল ১১ হাজার ৮৯০ জন। এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ২ হাজার ৭৪৬ জন, রাজশাহীতে ১ হাজার ৭৫৯ জন, কুমিল্লায় ১ হাজার ৪২৫ জন, যশোরে ১ হাজার ৪৪১ জন এবং চট্টগ্রামে ১ হাজার ৩ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

এছাড়া সিলেটে ৬৭৪ জন, বরিশালে ৯১১ জন, দিনাজপুরে ১ হাজার ১৭৮ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ৭৫৩ জন।

মাদ্রাসা বোর্ডে অনুপস্থিতি তুলনামূলক বেশি

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯০৩ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৪৩ হাজার ৬৯২ জন। অনুপস্থিত ছিল ১১ হাজার ২১১ জন।

কারিগরি বোর্ডের চিত্র

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ১৯ হাজার ২৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৪৩ জন অংশ নেয়, অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৩০৭ জন।

ইরান যুদ্ধের মধ্যে ছায়াযুদ্ধে লিপ্ত সৌদি আরব ও ইরাক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
ইরান যুদ্ধের মধ্যে ছায়াযুদ্ধে লিপ্ত সৌদি আরব ও ইরাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরাকি মিলিশিয়াদের ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো এখন সরাসরি সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে। গত পাঁচ সপ্তাহের লড়াইয়ে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে কয়েক ডজন বিস্ফোরকবাহী ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। বিশ্লেষকরা একে দেখছেন যুদ্ধের ভেতরে আরেকটি ‘ছায়াযুদ্ধ’ হিসেবে।

সৌদি আরবের একটি মূল্যায়ন অনুযায়ী, দেশটিতে চালানো প্রায় ১ হাজার ড্রোন হামলার অর্ধেকই এসেছে ইরাকি ভূখণ্ড থেকে। এই তালিকায় রয়েছে লোহিত সাগরের ইয়ানবু তেল শোধনাগার এবং সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের তেলক্ষেত্রগুলোতে চালানো হামলা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু থেকে রেহাই পায়নি কুয়েতের একমাত্র বেসামরিক বিমানবন্দরও। এমনকি এ মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পরও বাহরাইনে হামলা চালানো হয়েছে। মিলিশিয়ারা ইরাকের ভেতরেও উপসাগরীয় দেশগুলোর সম্পদে হামলা চালাচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে বসরায় অবস্থিত কুয়েতি কনস্যুলেট এবং কুর্দিস্তানে অবস্থিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের কনস্যুলেট।

এই সংঘাত মূলত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধেরই একটি ছায়া অংশ। ইরান নিজেও তার উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর পাশাপাশি ইসরায়েল ও এই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হাজার হাজার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ বাহিনীও এই যুদ্ধে ইসরায়েলের দিকে রকেট ছুড়েছে। এই মিলিশিয়া বাহিনীগুলো ইরানের জন্য শত্রুপক্ষকে আক্রমণ করার সুযোগ এবং শক্তির পরিধি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করে জানিয়েছে, মিলিশিয়ারা আরও হামলার পরিকল্পনা করছে। নাগরিকদের ইরাকে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বারবার হামলার শিকার হওয়ায় সেখানকার বেশিরভাগ কর্মীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

 

দুই দশকের বেশি সময় আগে মার্কিন আগ্রাসনের পর ইরাকের শিয়া মিলিশিয়াদের উত্থান ঘটে। তারা শিয়া এলাকাগুলোকে সুন্নি জঙ্গিদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এবং মার্কিন বাহিনীকে ‘দখলদার’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামে। ইরান এসব গোষ্ঠীকে অস্ত্র সরবরাহ শুরু করে, যারা পরবর্তীতে ২০১৪ সালে সিরিয়া থেকে আসা ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রধান ভূমিকা পালন করে।

বর্তমানে প্রায় আড়াই লাখ সদস্য, কয়েক বিলিয়ন ডলারের তহবিল এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল ভাণ্ডার রয়েছে এই মিলিশিয়াদের। এদের মধ্যে কাতাইব হিজবুল্লাহ এবং আসাইব আহল আল-হক সবচেয়ে শক্তিশালী। ইরাকি ও ইরানি উভয় সরকারের ওপরই তাদের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।

তারা দীর্ঘদিন ধরেই সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কুয়েতকে হুমকি দিয়ে আসছে। ২০২১ সালে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে রাজ কমপ্লেক্স এবং রাজ পরিবারের ব্যবহৃত মরুভূমির একটি ক্যাম্পে ড্রোনের সাহায্যে তারা সফল হামলা চালিয়েছিল।

গত বছরের জুন মাসে ইরানের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধে ইরাকি মিলিশিয়া বা হিজবুল্লাহর তেমন কোনও ভূমিকা ছিল না। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির পার্থক্য হলো, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে, যা মিলিশিয়াদের জন্যও ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মিলিশিয়ারা এখন আগের চেয়ে অনেক কম সংযত এবং কিছু ক্ষেত্রে তারা সরাসরি ইরানি সামরিক কমান্ড কাঠামোর অধীনে কাজ করছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের শীর্ষ কর্মকর্তা জেনারেল ইসমাইল কানি বিদেশে মিলিশিয়া তৈরির দায়িত্বে রয়েছেন। তিনিও সপ্তাহান্তে বাগদাদ সফর করেছেন।

উপসাগরীয় দেশগুলো মনে করছে, সরাসরি ইরানের ভূখণ্ডে আক্রমণ না করে ইরাকের মাটিতেই এর জবাব দেওয়া সম্ভব, যাতে বড় কোনও প্রতিশোধের মুখে না পড়তে হয়।

কৌশলগত উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান হরাইজন এনগেজ-এর প্রধান এবং ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের অ্যাডজাঙ্কট ফেলো মাইকেল নাইটস বলেন, ইরাকই হলো সেই জায়গা যেখানে তারা সবাই পাল্টা আঘাত করতে পারে এবং এটি তাদের জন্য ন্যায্য ক্ষেত্র।

নাইটস মনে করেন, সৌদি আরব সতর্কবার্তা হিসেবে ইরাকে প্রতীকী হামলা শুরু করতে পারে। অন্যদিকে, কুয়েত ও বাহরাইন ইরাকি মিলিশিয়াদের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দিতে পারে।

উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থার (জিসিসি) রাজনীতি ও আলোচনা বিষয়ক সহকারী মহাসচিব আবদেল আজিজ আল-উয়াইশেগ জানিয়েছেন, মিলিশিয়াদের এই হামলা ইরাক ও তার উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের মধ্যকার সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন, লেবাননের হিজবুল্লাহর মতো অনেক ক্ষেত্রেই এই মিলিশিয়ারা এখন জাতীয় সরকারের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য সমস্যা তৈরি করছে।

আল-উয়াইশেগ জোর দিয়ে বলেন, ইরাকি সরকারকে অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

 

ইরাকের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে একটি অশান্ত ইতিহাস রয়েছে। ১৯৯০ সালে তৎকালীন স্বৈরশাসক সাদ্দাম হোসেন কুয়েত আক্রমণ করেন এবং সৌদি আরব দখলের হুমকি দেন। সেই সময় ইরাক কুয়েতে হামলা ও সৌদি আরবের দিকে কয়েক ডজন স্কাড ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। পরবর্তীতে ২০০৩ সালে সাদ্দাম সরকারের পতন ঘটাতে মার্কিন বাহিনী কুয়েতকে মূল ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে ইরাকে প্রবেশ করে।

ইরাকে নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনের পর বর্তমানে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। সরকার গঠন নিয়ে দলীয় কোন্দল ইরাকি নেতাদের মিলিশিয়াদের নিরস্ত্রীকরণ এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামো থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়ার সক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নুরি আল-মালিকির সঙ্গে মিলিশিয়া ও ইরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তিনি সরকার গঠনের দৌড়ে এগিয়ে থাকলেও বছরের শুরুতে ট্রাম্প তার ওপর আপত্তি জানিয়েছিলেন।

চ্যাথাম হাউসের ইরাক ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের পরিচালক রেনাড মানসুর মনে করেন, এখনকার মিলিশিয়ারা আগের তুলনায় অনেক বেশি সাহসী। তিনি বলেন, তেহরানে শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ার বা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা, বিশেষ করে এই প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর জন্য একটি অস্তিত্বের সংকট। কারণ এটিই তাদের শক্তির প্রধান উৎস।

মানসুর আরও বলেন, ইরানের ও কমান্ডের অধীনে থাকা এই গোষ্ঠীগুলোর কৌশল হলো, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধকে ব্যাহত করা এবং এই যুদ্ধের পরিণাম কী হতে পারে তা প্রদর্শন করা।

সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ও কুরুচিপুর্ণ বক্তব্য দেয়া নারী জামায়াতের কেউ নয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ও কুরুচিপুর্ণ বক্তব্য দেয়া নারী জামায়াতের কেউ নয়

শ্যামনগর প্রতিনিধি: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ও কুরুচিপুর্ণ বক্তব্য দেয়া নারী জামায়াত ইসলামীর কেউ নয়- বলে দাবি করেছেন শ্যামনগর উপজেলা জামায়াত। একই সাথে জামায়াতের সাথে তার কোন সাংগঠনিক, আদর্শিক এমনকি ব্যক্তিগত সম্পর্ক নেই বলেও জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াত নেতৃবৃন্দ। ‘সুমাইয়া বন্যা’ নামে ফেসবুক আইডি থেকে প্রচার বক্তব্যকে নাক্কারজনক, অশোভন ও শালীনতাবিবর্জিত আখ্যা দিয়ে এ ঘটনায় তারা নিন্দা ও ঘৃনা জ্ঞাপন করছেন বলেও দাবি করেছেন।

আজ মঙ্গলবার বিকালে উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমান তার লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন, ভিন্নমত প্রকাশেরও একটি শালীন ও গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি রয়েছে। কিন্তু ব্যক্তি আক্রমণ ও গালিগালাজ কোন সভ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না।

লিখিত বক্তব্যে জামায়াত আমির আরও বলেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া উক্ত ভিডিও তিনদিন পুর্বে তাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে অনুসন্ধান চালিয়ে নেতৃবৃন্দ নিশ্চিত হয়েছে স্থানীয় জামায়াত নেতার মেয়ে হলেও ‘সুমাইয়া বন্যা’ নামের ফেসবুক আইডি ব্যবহারকারী নারী পরিবার বিচ্ছিন্ন। স্বামী পরিত্যক্তা ঐ নারীর শ^শুর বাড়ির লোকজন প্রতিশোধ নিতে গত জানুয়ারী মাসে প্রচার হওয়া অশালীন ভাষ্যযুক্ত বক্তব্যটি নুতন করে সামনে এনেছে।

মাওলানা আব্দুর রহমান আরও বলেন, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই গত ১৯ এপ্রিল স্থানীয় বিএনপির একাংশ প্রতিবাদ মিছিল করে জামায়াত ইসলামীর নামে অত্যন্ত নোংরা ও অশ্লীল স্লোগান দিয়েছে। যা রাজনৈতিক শিষ্ঠাচার ও সহনশীলতার পরিপন্থী। শান্তিপুর্ণ, ন্যায়নিষ্ঠ রাজনীতিতে বিশ^াসী সংগঠন সম্পর্কে বিএনপি নেতাদের অশালীন ও নোংরা বক্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বিচ্ছিন্ন কোন ব্যক্তির কর্মকান্ডের দায়ভার জামায়াতের উপর চাপিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা উদ্দেশ্যমুলক এবং অনভিপ্রেত। যা রাজনৈতিক সহাবস্থান ও পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধকে ক্ষুন্নসহ সমাজে বিভ্রান্তি তৈরী করে। যাচাই-বাছাই না করেই জামায়াত ইসলামী সম্পর্কে ভবিষ্যতে নোংরা ভাষা ব্যবহারে সতর্ক হওয়ারও আহবান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা মঈনুদ্দীন মাহমুদ, উপজেলা সেক্রেটারী গোলাম মোস্তফা, সহকারী সেক্রেটারী আব্দুল হামিদ, সাঈদী হাসান বুলবুল, শহিদুল ইসলাম, ডাঃ ইমাম হাসান প্রমুখ।