শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঈদে কত খরচ করলেন? সব হিসাব চাইতে পারে এনবিআর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
ঈদে কত খরচ করলেন? সব হিসাব চাইতে পারে এনবিআর

 

ঈদ এলেই সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের হাতে বাড়তি টাকা আসে উৎসব বোনাস হিসেবে। সেই টাকায় নতুন পোশাক কেনা, পরিবার-পরিজনের জন্য উপহার, আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে যাওয়া, ঘোরাঘুরি কিংবা নানা ধরনের কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন অনেকেই। সারা বছরের অপেক্ষার পর ঈদের এই অতিরিক্ত আয় যেন কিছুটা স্বস্তি এনে দেয় মধ্যবিত্ত পরিবারে।

তবে অনেক করদাতা এখনো জানেন না—ঈদের বোনাস বা উৎসব ভাতাও আয় হিসেবে গণ্য হয় এবং সেটি আয়কর রিটার্নে দেখাতে হয়। শুধু তাই নয়, ঈদ উপলক্ষে কত টাকা খরচ করা হয়েছে, সেই তথ্যও জীবনযাত্রার ব্যয়ের অংশ হিসেবে আয়কর নথিতে উল্লেখ করতে হয়।

কর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল বেতনের বাইরে উৎসব বোনাস, বৈশাখী ভাতা, ইনসেনটিভ, চিকিৎসা ভাতা, যাতায়াত ভাতা কিংবা অন্য যেকোনো আর্থিক সুবিধা আয় হিসেবেই বিবেচিত হয়। ফলে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এসব তথ্য গোপন করা বা বাদ দেওয়া ঠিক নয়। কারণ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এখন করদাতার আয় ও ব্যয়ের সামঞ্জস্যও গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ ঈদের বোনাসের তথ্য

বাংলাদেশে প্রতিবছর লাখো চাকরিজীবী ঈদ উপলক্ষে এক বা একাধিক উৎসব বোনাস পান। সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়মে উৎসব ভাতা দেওয়া হয়। একইভাবে বেসরকারি খাতের কর্মীরাও প্রতিষ্ঠানভেদে ঈদ বোনাস পান। অনেকে আবার কর্মদক্ষতা বা বিশেষ পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেও অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা পান।

কর কর্মকর্তারা বলছেন, একজন ব্যক্তি বছরে যত আয় করেন, তার সবকিছুই আয়কর রিটার্নে প্রতিফলিত হওয়া উচিত। অনেকেই মনে করেন, উৎসব বোনাস আলাদা সুবিধা হওয়ায় সেটি না দেখালেও সমস্যা নেই। বাস্তবে এটি ভুল ধারণা।

কারণ, বোনাসের টাকা ব্যাংক হিসাবে জমা হয়, মোবাইল ব্যাংকিং বা ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন হয় এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা নথিভুক্ত থাকে। ফলে ভবিষ্যতে আয় ও ব্যয়ের অসামঞ্জস্য দেখা দিলে কর কর্মকর্তাদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে।

আয় আর খরচ—দুটোই দেখাতে হবে

কর বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুধু আয় দেখালেই দায়িত্ব শেষ হয় না। একজন করদাতা বছরে কী পরিমাণ খরচ করছেন, সেটিও আয়কর রিটার্নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ঈদ উপলক্ষে পোশাক কেনা, আত্মীয়স্বজনকে উপহার দেওয়া, কোরবানির পশু কেনা, ভ্রমণ, দাওয়াত, ঘর সাজানো কিংবা অন্যান্য উৎসব ব্যয়—সবকিছুই জীবনযাত্রার খরচের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

আয়কর রিটার্নের সঙ্গে জমা দেওয়া আইটি-১০বি ফরমে জীবনযাত্রার ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য দিতে হয়। সেখানে “উৎসব ও অন্যান্য বিশেষ ব্যয়” নামে একটি আলাদা অংশ রয়েছে। ওই অংশে ঈদকেন্দ্রিক ব্যয়ের তথ্য উল্লেখ করতে হয়।

কর কর্মকর্তারা মূলত দেখতে চান—একজন করদাতার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে তাঁর জীবনযাত্রার ধরন ও ব্যয়ের মিল আছে কি না। যদি দেখা যায়, আয় তুলনামূলক কম দেখানো হয়েছে কিন্তু ব্যয় অনেক বেশি, তাহলে কর বিভাগ বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করতে পারে।

এনবিআর কেন জীবনযাত্রার তথ্য জানতে চায়

আয়কর কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমানে কর ব্যবস্থায় শুধু আয় নয়, একজন মানুষের আর্থিক জীবনধারাও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। একজন ব্যক্তি কত আয় করেন, কোথায় থাকেন, কীভাবে জীবনযাপন করেন, কী পরিমাণ খরচ করেন—এসব তথ্য কর বিশ্লেষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

এনবিআরের দৃষ্টিতে একজন করদাতার জীবনযাত্রা তাঁর আয়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কেউ যদি রিটার্নে সীমিত আয় দেখান কিন্তু ঈদে বড় অঙ্কের কেনাকাটা করেন, দামি গাড়ি ব্যবহার করেন বা উচ্চ ব্যয়সম্পন্ন জীবনযাপন করেন, তাহলে কর বিভাগ তাঁর আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

কর প্রশাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ডিজিটাল আর্থিক লেনদেন বাড়ার ফলে এখন আয়-ব্যয়ের তথ্য যাচাই আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে। ব্যাংক হিসাব, ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার, সম্পদ ক্রয়, ভ্রমণ ব্যয়সহ নানা তথ্য কর বিভাগের নজরদারির আওতায় আসছে।

কোন বছরের বোনাস কখন দেখাবেন

কর বিশেষজ্ঞদের মতে, যে অর্থবছরে বোনাস পাওয়া হবে, পরবর্তী রিটার্নে সেটি দেখাতে হবে। অর্থাৎ ২০২৬ সালের ঈদে কেউ যে বোনাস পেলেন, সেটি ২০২৬-২৭ করবর্ষের রিটার্নে আয় হিসেবে যুক্ত হবে। একইভাবে ওই ঈদে করা ব্যয়ও জীবনযাত্রার খরচের অংশ হিসেবে দেখাতে হবে।

অনেকে ভুল করে মনে করেন, ছোটখাটো উৎসব ব্যয় দেখানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু কর কর্মকর্তারা বলছেন, বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য রিটার্ন দাখিলের জন্য আয় ও ব্যয়ের সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য দেওয়া জরুরি।

বাড়ছে টিআইএনধারী, বাড়ছে নজরদারিও

বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) রয়েছেন। তবে প্রতিবছর নিয়মিত রিটার্ন জমা দেন প্রায় ৪০ থেকে ৪২ লাখ করদাতা।

কর প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকার করজাল বাড়ানোর পাশাপাশি রিটার্নের তথ্য বিশ্লেষণেও গুরুত্ব দিচ্ছে। শুধু টিআইএন নেওয়া নয়, সঠিক তথ্য দিয়ে নিয়মিত রিটার্ন জমা দেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চায় এনবিআর।

তাদের মতে, স্বচ্ছ আয়-ব্যয়ের তথ্য দিলে ভবিষ্যতে করদাতাদের অপ্রয়োজনীয় জটিলতায় পড়তে হবে না। বরং আয় ও ব্যয়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরলে কর ব্যবস্থার ওপর আস্থা বাড়বে এবং করদাতাও নিরাপদ থাকবেন।

Ads small one

শ্যামনগরে বজ্রপাতে যুবক নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বজ্রপাতে যুবক নিহত

নিজস্ব প্রতিনিধি: শ্যামনগরে বজ্রপাতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (৬ জুন) বেলা ২ টার দিকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম আব্দুল হাকিম। আনুমানিক ২৯ বছর বয়সী এই যুবকের বাড়ি শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালি কলোনীপাড়ায়। তার পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

রমজাননগর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ বলেন, হাকিম পেশায় মাছ চাষী। দুপুরে ঝড় বৃষ্টির সময় হঠাৎ বজ্রপাতে তার মৃত্যু হওয়ায় পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ফকিরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‌্যালি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
ফকিরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‌্যালি

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: “সবাই মিলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করি, নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বাগেরহাটের ফকিরহাটে ডেঙ্গুৃ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলায় উদ্যোগে র‌্যালি বের হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যৌথ শনিবার (৬ জুন) বেলা ১১টায় র‌্যালি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্ত্বর থেকে শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

র‌্যালিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রোকনুজ জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: আসাদুজ্জামান সাগর, আরএমও ডা: সরদার তানভীর মাহমুদ অনিক, মেডিকেল অফিসার ডা: মিসকাতুস সালেহীন, ডা: মৃনাল কান্তি সাহা, ডা: মনোজ মালাকার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: গোলাম মোস্তফা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, সহকারী প্রোগ্রামার মো: আলমগীর হোসেন, উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর দেবরাজ মিত্র ও বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, ডাক্তার, নার্স, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: আসাদুজ্জামান সাগর বলেন. আমাদের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা কিংবা যেকোনো পাত্রে যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে নিয়মিত নজর দেওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রোকনুজ জামান বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সর্বস্তরের মানুষকে নিয়মিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আশেপাশে ও বাড়ির আঙিনায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিস্কার রাখার আহবান জানান।

কলারোয়ায় আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এর বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযাগে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এর বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযাগে মানববন্ধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে গ্রাহকের দুইকোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা হওয়া আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার এবং টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টায় কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ওই প্রতিষ্ঠানে টাকা রেখে প্রতারিত হওয়া শতাধিক গ্রাহক এ অভিযোগ করেন।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক, জাহানারা খাতুন, আব্দুস সাত্তার, সাবিনা খাতুন প্রমুখ।

বেশি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে ২০১২ সাল থেকে কলারোয়া থেকে ১৩৬ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় দুইকোটি ২৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক সবুজ। ২০১৩ সাল থেকে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও গ্রাহকদের একটি টাকাও ফেরত না দিয়ে চম্পট দেয় প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে ছোটাছুটি করেও কোন টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী জাহানারা খাতুন বলেন, মেয়ের বিয়ের জন্য তীল তীল করে ৪লক্ষ টাকা জমিয়েছিলাম। সে সময় প্রতারক ওমর ফারুক সবুজ অন্যান্য কর্মকর্তাদের প্রলোভনে পড়ে সমুদয় টাকা আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টের প্রতিষ্ঠানে জমা রেখেছিলাম। কিন্তু ওই প্রতারক প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিনেও টাকাগুলো ফেরত দেয়নি।

হোটেলের কর্মচারী স্বামী বিধবা সাবিনা খাতুন বলেন, হোটেল শ্রমিকের কাজ করে জমানো ৬৩ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে ওই প্রতারক প্রতিষ্ঠান। আমি পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছি। অসুস্থ্য হওয়ার পরেও ঔষধ কিনে খেতে পারি না। আমি আমার টাকা ফেরত চাই। সাথে সাথে ওই প্রতারকদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এবিষয়ে অভিযুক্ত ওমর ফারুক সবুজের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ওই টাকা হেড অফিসে জমা হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি চালু আছে না বন্ধ হয়ে গেছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন জমি ক্রয় করতে গিয়ে বন্ধ করে দিয়েছি। তবে এটার দায় স্থানীয় কর্মচারী আবু সাঈদ সবুজের।

তবে আবু সাঈদ সবুজ বলেন গ্রাহক টাকা পাবে। কিন্তু পাওনা টাকার অংকটা কম। এত টাকা হওয়ার সুযোগ নেই। গ্রাহক পাবে ২৬ লক্ষ টাকা। ইতোমধ্যে কিছু টাকা পরিশোধও করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া আমি তো কর্মচারী ছিলাম মাত্র।