সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩

এটিই আমার শেষ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে: রোনালদো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
এটিই আমার শেষ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে: রোনালদো

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো নিশ্চিত করেছেন ২০২৬ আসরই হতে যাচ্ছে তার শেষ বিশ্বকাপ। আগামী সোমবার টেক্সাসের আর্লিংটনে পর্তুগালের হয়ে স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে ৪১ বছর বয়সী তারকা সংবাদ সম্মেলনে এমন ঘোষণা দেন।

৪১ বছর বয়সী রোনালদো এ পর্যন্ত বিশ্বকাপের ছয়টি আসরে অংশ নিয়েছেন— ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং বর্তমানের ২০২৬ আসর। গ্রুপ পর্বে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গোল করে তিনি ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়েন।

রবিবার সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে রোনালদো বলেন, মূল বিষয় হলো যতটা সম্ভব এই সময়টা উপভোগ করা। এটিই আমার শেষ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে, তবে আশা করি আগামীকালই যেন আমার শেষ ম্যাচ না হয়।

তিনি আরও যোগ করেন, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার দিনটি একদিন আসবেই। তবে আমি সত্যিটা বলছি। আগামীকাল যাই ঘটুক না কেন, ক্রিশ্চিয়ানো একদম পরিষ্কার মন নিয়ে বিদায় নেবে— ১০০% নয়, ১০০০% পরিষ্কার মন নিয়ে। কারণ ফুটবলের জন্য আমি আমার সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। ফুটবল আমার আর্থিক বা অন্য কোনও প্রয়োজনে খেলতে হয় না, আমার জীবন বেশ ভালোই কাটছে। এটা আসলে স্রেফ আবেগের জায়গা থেকে। আমি ফুটবল খেলি, কারণ আমি এটিকে ভালোবাসি… আপনাকে প্রতিটি দিন উপভোগ করতে হবে। আর আমি এই বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই তিনটি গোল করেছি, খুব একটা খারাপ করছি না, তাই না?

গ্রুপ পর্বে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে দুটি গোল করার পর, রাউন্ড অফ ৩২-এর ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করেন রোনালদো। এটি ছিল বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে করা তার প্রথম গোল।

এই টুর্নামেন্টের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এটি দুর্দান্ত এক অভিজ্ঞতা ছিল। মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়েও এর প্রভাব অনেক গভীর… মানুষের আবেগের কারণে এই বিশ্বকাপটিই আমার সবচেয়ে বেশি মনে থাকবে। কেন জানি না, এবার আবেগটা আরও অনেক বেশি। আবেগঘন দিক থেকে এটিই আমার জীবনের সেরা বিশ্বকাপ। আমি এটি দারুণভাবে উপভোগ করেছি।

পর্তুগালের হয়ে ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা রোনালদো জোর দিয়ে বলেন যে, তার ক্যারিয়ারের অর্জন পূর্ণ করতে এই বিশ্বকাপ জয়ের কোনও বাড়তি প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, জীবনে আমার কোনও কিছুরই অভাব নেই। আমি বিশ্বকাপ জিতলে আরও বড় ক্রিশ্চিয়ানো হয়ে যাবো না, আবার না জিতলেও আমার অবস্থান ছোট হয়ে যাবে না। আমাদের দলটির জেতার মতো যোগ্যতা আছে, তবে বিশ্বকাপ তো কেবল একটি দেশই জিততে পারে… বয়স আপনাকে পরিপক্বতা আর অভিজ্ঞতা দেয়।

রোনালদো বলেন এমনকি ৪০ বছর পার করার পরও আমি যেসব সমালোচনার মুখোমুখি হই, সেগুলোর জন্যও আমি কৃতজ্ঞ— এবং আমি আশা করি আরও ৪০ বছর বেঁচে থাকব। কারণ সমালোচনা থেকেই একজন মানুষ হিসেবে সবচেয়ে বেশি শেখা ও বড় হওয়া যায়, আর সেজন্য আমি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে তাকে স্পেনের ১৮ বছর বয়সী উদীয়মান তারকা লামিন ইয়ামাল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। রোনালদো বলেন, সে দারুণ ভবিষ্যতের একজন খেলোয়াড়। তবে আমার কাছে, আমি সবসময় স্পেনকে একটি দল হিসেবে দেখি, তারা সবাই দুর্দান্ত… আপনি যত বেশি প্রস্তুত থাকবেন, ফুটবল ক্যারিয়ার তত দীর্ঘ করতে পারবেন, যদি আপনি সত্যিই সেটি চান। আপনি যদি সব সমালোচনা গায়ে মাখেন, তবে আপনি হারিয়ে যাবেন।

ক্যারিয়ার নিয়ে রোনালদো আরও বলেন, কিছু সমালোচনা থাকে গঠনমূলক, আবার কিছু সমালোচনা থাকে আপনাকে শেষ করে দেওয়ার জন্য। আপনি যদি দীর্ঘ ক্যারিয়ার গড়তে চান, তবে আপনাকে মানিয়ে নিতে শিখতে হবে এবং ভক্তদের ভালোবাসা ও আবেগের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমি শিখেছি কীভাবে সেইসব মানুষদের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হয় যারা আপনাকে ভালোবাসে এবং আপনি যা করছেন তার প্রতি যাদের আবেগ আছে।

Ads small one

ভারতের ‘কাঁঠাল রাজধানী’ পানরুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
ভারতের ‘কাঁঠাল রাজধানী’ পানরুটি

মুচমুচে চিপস, সুগন্ধি তরকারি থেকে শুরু করে জিভে জল আনা মিষ্টি কিংবা স্মুদি; সবখানেই ভারতীয় রান্নাঘরে কাঁঠালের কদর বহু পুরোনো। গাছের সবচেয়ে বড় ফল হিসেবে পরিচিত এই কাঁঠাল ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে উৎপাদিত হলেও একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল তার বিশাল উৎপাদন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কারণে এক অনন্য স্বীকৃতি পেয়েছে। স্থানটি হলো তামিলনাড়ুর কুড্ডালোর জেলার পানরুটি শহর, যাকে বলা হয় ভারতের ‘কাঁঠাল রাজধানী’।

যদিও এটি কোনও প্রাতিষ্ঠানিক খেতাব নয়, তবুও ব্যাপক চাষাবাদ ও জমজমাট বাণিজ্যের কারণে পানরুটি ভারতের কাঁঠাল রাজধানী হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত। এখানকার উষ্ণ আবহাওয়া ও উর্বর মাটি কাঁঠাল চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। পানরুটির কাঁঠালের বিশেষত্ব হলো এর প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ, শক্ত ও রসালো কোয়া, তীব্র সুগন্ধ এবং বিশাল আকৃতি। এখানকার কাঁঠাল শুধু কাঁচা বা পাকা ফল হিসেবেই বিক্রি হয় না, বরং এটি দিয়ে চিপস ও হরেক রকমের মিষ্টিও তৈরি করা হয়।

ভরা মৌসুমে পানরুটির পাইকারি বাজার, রাস্তার ধারের দোকানগুলো কাঁঠালে ভরে ওঠে এবং তা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করা হয়। কেরালা, কর্ণাটক বা আসামের মতো রাজ্যেও প্রচুর কাঁঠাল উৎপাদিত হয়, তবে পানরুটি তার সুনির্দিষ্ট চাষ পদ্ধতি এবং শক্তিশালী বাজার নেটওয়ার্কের কারণে আলাদা। এখানকার বহু কৃষক পরিবারের কাছে কাঁঠাল চাষের ঐতিহ্য প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসছে। কাঁঠালের পাশাপাশি পানরুটি কাজুবাদাম চাষের জন্যও বিখ্যাত, যা তামিলনাড়ুর অন্যতম প্রধান কৃষি কেন্দ্র হিসেবে এই অঞ্চলের পরিচয়কে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে রাস্তায় ১৩ ‘চারপেয়ে’ ফুটবল ভক্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে রাস্তায় ১৩ ‘চারপেয়ে’ ফুটবল ভক্ত

বিশ্বকাপ ফুটবলের জ্বরে কাঁপছে পুরো আর্জেন্টিনা। শুক্রবার শেষ ৩২-এর ম্যাচে কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে জিতে শেষ ষোলতে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল মেসির দল। শিরোপা ধরে রাখার এই মিশনকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসের রাস্তায় দেখা মিললো এক অদ্ভুত ফুটবল ভক্ত দলের। তবে এই ১৩ জন ভক্ত দুই পায়ে হাঁটে না, তারা চার পায়ে চলে এবং মাঝে মাঝে ঘেউ ঘেউ করে ডাক ছাড়ে!

পেশায় ডগ ওয়াকার ৩৩ বছর বয়সী নাহুয়েল মেনেঘিনি (যিনি ‘নানো’ নামে পরিচিত) আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের জার্সি, কলার ও লিশ (কুকুর বাঁধার দড়ি) পরিয়ে একদল কুকুরকে নিয়ে প্রতিদিন রাজধানীর সান ক্রিস্তোবাল এলাকার রাস্তায় বের হচ্ছেন। নানো বলেন, দেশ, বিশ্বকাপ এবং এই কুকুরগুলোর প্রতি ভালোবাসা থেকেই আমি এটি করেছি।

ডগ ওয়াকারের নিজের পরনেও ছিল ভক্তদের মতো পোশাক। সরু ফুটপাত দিয়ে একসঙ্গে এতগুলো কুকুরকে দক্ষ হাতে সামলে নিয়ে যাওয়ার সময় পথচারীরা হেসে উঠছেন এবং মুঠোফোনে ছবি তুলছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই দলটিকে ডাকা হচ্ছে ‘লা পেরোনেতা’ নামে। নামটির মাধ্যমে মূলত কোচ লিওনেল স্কালোনির অধীনে থাকা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ডাকনাম ‘লা স্ক্যালোনেতা’কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। দলটির এই কাণ্ড দেখে ৮০ বছর বয়সী এদগার্দো পেরেস ছবি তুলতে তুলতে বলেন, শ্রমিক বা পেনশনভোগী আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জীবনে এখন কোনও কিছুই ঠিকঠাক চলছে না। আমাদের ভালো থাকার একমাত্র আনন্দ এখন এগুলোই।

গত সপ্তাহে আর্জেন্টিনা গ্রুপ পর্ব পার হওয়ার পর নানোর মাথায় এই ভাবনা আসে। তিনি নিয়মিত যে কুকুরগুলোকে নিয়ে হাঁটেন, তাদের মধ্যে ‘সিরিও’ ও ‘রবার্তা’ নামের দুটি কুকুরের মালিক মেসির ১০ নম্বর জার্সি কিনে দিয়েছিলেন। তা দেখে নানো অনুপ্রাণিত হয়ে একটি পোষা প্রাণীর দোকান থেকে বিভিন্ন আকারের আর্জেন্টিনার জার্সি কিনে বাকি কুকুরগুলোকেও পরিয়ে দেন। শুধু তা-ই নেই, আর্জেন্টিনার পতাকার সঙ্গে মিলিয়ে হালকা নীল ও সাদা রঙের লিশ এবং কলারও তৈরি করেন তিনি। লিশের মধ্যে তিনি তিনটি রিভেট বা বোতাম যুক্ত করেছেন, যা যথাক্রমে ১৯৭৮, ১৯৮৬ এবং ২০২২ সালের তিনটি বিশ্বকাপ জয়ের প্রতীক। আর কলারে ঝুলিয়ে দিয়েছেন ‘নানোর কুকুর’ লেখা ট্যাগ।

প্রতিদিন প্রায় ৬০টি ব্লক চষে বেড়ানো এই কুকুরগুলো এখন স্থানীয় সেলিব্রিটি। ৭৩ বছর বয়সী দোরা মাইসানো এদের দেখে বলেন, সবাই ১০ নম্বর জার্সি পরে আছে। একেই বলে দেশপ্রেম! দেখতে ভীষণ মিষ্টি লাগছে।

নানো জানিয়েছেন, আর্জেন্টিনা যদি বিশ্বকাপ থেকে বাদও পড়ে, তবুও এই কুকুরগুলো ‘চিরকাল’ এই জার্সি পরে থাকবে। তবে তার বিশ্বাস দল এবার চতুর্থ ট্রফি জিতবে এবং সেটি হলে তিনি কুকুরের দড়িতে আরেকটি বোতাম যুক্ত করবেন।

সূত্র: এপি

১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ সাবাড়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ সাবাড়

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে নিউ ইয়র্কের কোনি আইল্যান্ডে বসেছিল ঐতিহ্যবাহী হটডগ খাওয়ার প্রতিযোগিতা। তীব্র দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরম উপেক্ষা করে হাজারো মানুষের সামনে মাত্র ১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ সাবাড় করে আবারও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের মুকুট ধরে রেখেছেন বিখ্যাত প্রতিযোগী জোয়ি ‘জজ’ চেস্টনাট। নারীদের বিভাগেও নিজের শিরোপা ধরে রেখেছেন মিকি সুডো।

টেলিভিশনে সম্প্রচারিত নাথানস ফেমাস ফোর্থ অব জুলাই প্রতিযোগিতায় ২১ বার অংশ নিয়ে ৪২ বছর বয়সী চেস্টনাট এ নিয়ে ১৮ বারের মতো চ্যাম্পিয়নের প্রতীক ‘মাস্টার্ড বেল্ট’ জিতলেন। চেক প্রজাতন্ত্র, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ১৩ জন প্রতিযোগীকে হারিয়েছেন তিনি। প্রতিযোগিতা শেষে স্পোর্টস বেটিং কোম্পানি পলিমার্কেট-এর লোগোযুক্ত জমকালো নেকলেস গলায় জড়িয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে চেস্টনাট বলেন, এটি একটি স্বপ্ন, অসাধারণ অনুভূতি। পৃথিবীর আর কোথাও এর চেয়ে ভালো জায়গা নেই।

প্রতিযোগিতার আগে ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক ভিডিওতে একে তিনি ‘সবচেয়ে দেশপ্রেমমূলক খেলা’ বলে আখ্যা দেন।

প্রতিযোগিতায় চেস্টনাট দ্বিতীয় স্থান অধিকারী ৪১ বছর বয়সী প্যাট্রিক বার্টোলেত্তিকে (যিনি ৫০টি হটডগ খেয়েছেন) সহজেই পরাজিত করেন। তবে তিনি ২০২১ সালে নিজের গড়া ৭৬টি হটডগ খাওয়ার রেকর্ডটি ভাঙতে পারেননি।

অন্যদিকে, নারীদের বিভাগে ফ্লোরিডার ৪০ বছর বয়সী মিকি সুডো ৩৮টি হটডগ খেয়ে দ্বাদশবারের মতো গোলাপি রঙের মাস্টার্ড বেল্টটি নিজের করে নেন। ২০২৪ সালে তিনি রেকর্ড ৫১টি হটডগ খেয়েছিলেন। খেলা শেষে সুডো তার স্বামীর পারফরম্যান্স দেখতে দর্শকদের সঙ্গে যোগ দেন। উল্লেখ্য, তার স্বামী ২০২১ সালে মাত্র ৩ মিনিটে ৫০টি সেদ্ধ ডিম খেয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার পর সুডোকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

ব্রুকলিনের প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং তীব্র আর্দ্রতার কারণে হটডগের নরম ভাব পরিবর্তন হয়ে যাওয়ায় এবার প্রতিযোগিতা বেশ কঠিন ছিল বলে জানান দুই চ্যাম্পিয়নই। ১৯৭২ সাল থেকে কোনি আইল্যান্ডে থাকা মূল নাথানস ফেমাস রেস্তোরাঁর বাইরে মাথায় ফোমের হটডগ আকৃতির ক্যাপ পরে ভক্তরা ভিড় করেছিলেন। মঞ্চের সবচেয়ে কাছে থাকা অতি-উৎসাহী ভক্তরা আবার রেইনকোট পরে এসেছিলেন, যাতে কোনও প্রতিযোগী বমি করে দিলে গা বেঁচে যায়।

সূত্র: এপি