সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

ফুটবল নিয়ে বাংলা সিনেমার যত গান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
ফুটবল নিয়ে বাংলা সিনেমার যত গান

বাঙালি আর ফুটবল—এই দুইয়ের সম্পর্ক রক্তের। মাঠের সবুজ ঘাসে চামড়ার গোলকটি যখনই গড়ায়, বাঙালির বুকে তখন ঝড় ওঠে। এই ফুটবল আবেগকে শুধু গ্যালারির গণ্ডিতেই আটকে রাখা যায়নি; তা যুগে যুগে স্থান করে নিয়েছে বাংলা চলচ্চিত্রে এবং তার কালজয়ী সংগীতে। সিনেমার সেলুলয়েডে ফুটবল মাঠের দৃশ্যকে জীবন্ত করতে, চরিত্রের আবেগ বা দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তুলতে কিংবা পুরো একটি দলকে অনুপ্রেরণা জোগাতে সৃষ্টি হয়েছে চমৎকার সব গান।

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ফুটবল নিয়ে গান তৈরির ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। কখনো তা সত্তর দশকের নস্টালজিয়া আর ঐতিহ্যের স্মারক, কখনো আবার একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক স্পোর্টস ড্রামার রক অ্যান্থেম। দুই বাংলার চলচ্চিত্রে ফুটবলের সেই কালজয়ী সুর ও উন্মাদনা নিয়ে নিউজপোর্টালের পাঠকদের জন্য আজকের এই বিশেষ আয়োজন। সরাসরি গানগুলো শুনতে শিরোনামগুলোর নিচে দেওয়া লিংকগুলোতে ক্লিক করুন।

সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল (চলচ্চিত্র: ধন্যি মেয়ে, ১৯৭১)
বাংলা চলচ্চিত্রে ফুটবল নিয়ে তৈরি হওয়া সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কালজয়ী গান এটি। ১৯৭১ সালের বিখ্যাত ‘ধানী মেয়ে’ চলচ্চিত্রে গানটি ব্যবহার করা হয়। সুধীন দাশগুপ্তের সুর ও কথায় এই গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মান্না দে। সিনেমার পর্দায় জয়া ভাদুড়ী ও অনুপ কুমারের ফুটবল খেলার দৃশ্যে গানটি এক অদ্ভুত দোলা দিয়েছিল, যা আজও যেকোনো ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধনী আবহে বাঙালির প্রথম পছন্দ।

 

খেলা ফুটবল খেলা (চলচ্চিত্র: ধন্যি মেয়ে, ১৯৭১)
ফুটবল মাঠের ভেতরের উত্তেজনা, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ, ড্রিবলিং আর গ্যালারির দর্শকদের উদ্দীপনাকে ছন্দের জাদুতে ফুটিয়ে তুলতে একই চলচ্চিত্রে (ধানী মেয়ে) মান্না দে গেয়েছিলেন আরেকটি চমৎকার গান। এই গানটি মূলত মাঠের ভেতরের গতিশীল খেলাটিকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলে।

 

জাগো বাংলাদেশ (চলচ্চিত্র: জাগো, ২০১০)

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ফুটবলকে কেন্দ্র করে নির্মিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস ড্রামা সিনেমা ‘জাগো’। স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস থেকে অনুপ্রাণিত এই চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকায় থাকা এই গানটি ছিল মূলত একটি খাঁটি স্টেডিয়াম অ্যান্থেম। গ্যালারির দর্শকদের চিৎকার, ড্রামের গর্জন এবং দলকে চিয়ার-আপ করার চমৎকার আবহ নিয়ে গানটি তৈরি করা হয়। অরূপ ও একঝাঁক তরুণ শিল্পীর কণ্ঠে গানটি সিনেমাটির প্রতিটি ফুটবল ম্যাচে ব্যাকগ্রাউন্ডে দারুণ উত্তেজনা তৈরি করেছিল।

 

দামাল – টাইটেল ট্র্যাক (চলচ্চিত্র: দামাল, ২০২২)
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ফুটবল নিয়ে নির্মিত সবচেয়ে আলোচিত সিনেমা রায়হান রাফি পরিচালিত ‘দামাল’। ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’-এর সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত এই ছবিতে দেশাত্মবোধ, মুক্তিযুদ্ধ এবং ফুটবলের এক অনন্য মেলবন্ধন দেখানো হয়েছে। প্রীতম হাসানের সুর ও সংগীতে মমতাজ বেগমের গাওয়া এই টাইটেল ট্র্যাকটি খেলোয়াড়দের মাঠের উন্মাদনা ও লড়াইয়ের মানসিকতাকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে যায়।

 

যুদ্ধং দেহি (চলচ্চিত্র: গোলন্দাজ, ২০২১)
ওপার বাংলার (কলকাতা) ব্লকবাস্টার স্পোর্টস ড্রামা চলচ্চিত্র ‘গোলন্দাজ’। ভারতীয় ফুটবলের জনক নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারীর জীবন এবং ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ফুটবলকে হাতিয়ার করে বাঙালির লড়াইয়ের সত্য গল্প নিয়ে এটি নির্মিত হয়, যেখানে মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন অভিনেতা দেব। বিক্রম ঘোষের সংগীতে এই সিনেমার “যুদ্ধং দেহি” ট্র্যাকটি ফুটবল ম্যাচের দৃশ্যগুলোতে দর্শকদের গায়ের লোম খাড়া করে দেওয়ার মতো উদ্দীপনা তৈরি করেছিল।

 

খেলা ফুটবল খেলা (চলচ্চিত্র: সাহেব, ১৯৮১)
নস্টালজিক বাংলা সিনেমার কথা বললে তাপস পাল অভিনীত কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘সাহেব’-এর নাম আসবেই। একান্নবর্তী পরিবারের এক তরুণ ফুটবলারের সংগ্রাম ও আবেগ নিয়ে এটি নির্মিত হয়েছিল। বাপ্পি লাহিড়ীর দুর্দান্ত সংগীতে এই ছবির ফুটবলার হয়ে ওঠার পেছনের আবহ ও গানগুলো সরাসরি সাহেবের জীবনের উত্থান-পতনের সাথে জড়িয়ে ছিল।

ফুটবল ফুটবল (চলচ্চিত্র: অগ্নিপরীক্ষা)
পেছনে তাকালে দেখা যায়, পঞ্চাশের দশকের কালজয়ী চলচ্চিত্রেও ফুটবলের আবহ ছিল। মহানায়ক উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেন অভিনীত বিখ্যাত ‘অগ্নিপরীক্ষা’ চলচ্চিত্রে ফুটবল ও খেলার মাঠের উল্লেখ সংবলিত গান ব্যবহার করা হয়েছিল। অনুপম ঘটকের সুরে তৈরি এই গানটি সেই সময়ে দুই বাংলার সিনেমা হলগুলোতে দারুণ সাড়া ফেলেছিল।

রূপালি পর্দার ফ্রেমে বলের গতি যেমন দর্শকদের চোখ আটকে রাখে, তেমনি চলচ্চিত্রের এই গানগুলোও প্রজন্ম ধরে বাঁচিয়ে রাখছে বাঙালির আসল ফুটবল স্পিরিটকে। মাঠ আর সিনেমা—দুই জগতের এই মেলবন্ধন বাংলা সংস্কৃতির এক অনন্য দলিল।

Ads small one

প্রধানমন্ত্রীর সাথে অ্যাডভোকেট ইফতেখার আলীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪২ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সাথে অ্যাডভোকেট ইফতেখার আলীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে রোববার রাতে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী।

শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থার কমিটি গঠন ও নির্বাচন সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থার কমিটি গঠন ও নির্বাচন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্বচ্ছ, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সাতক্ষীরার সামাজিক সংগঠন ‘শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থা’-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ২১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন ও নির্বাচন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ উপস্থিতি এবং সংস্থার সাধারণ সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটিতে মো. সিহাব সিদ্দিকী সভাপতি, আজমিরা খাতুন সহ-সভাপতি এবং মো. রিপন হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন-কোষাধক্ষ পাপিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহীদ হোসেন এবং ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. হাফিজ।
নির্বাচনী সভায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস. এম. আজিজুর রহমান উপস্থিত থেকে নির্বাচন পরিচালনা ও সার্বিক কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। সংস্থাসংশ্লিষ্ট মোট ৩০জন সদস্যের উপস্থিতিতে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।

ডিবি গার্লস স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
ডিবি গার্লস স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ

oplus_0

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর (ডিবি) গার্লস স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অভিভাবক সমাবেশ এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) স্কুলের হলরুমে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবুল হোসেন এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. এমাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক প্রতিনিধি মো. হাফিজুল ইসলাম, অভিভাবক সদস্য রবীন্দ্র কর্মকার, সিনিয়র শিক্ষক মো. নজিবুল ইসলাম, গীতা রাণী সাহা, শামীমা আক্তার, অরুন কুমার মন্ডল, দেবব্রত ঘোষ, কনক কুমার ঘোষ, মৃনাল কুমার বিশ্বাস, ভানুবতী সরকার, খালেদা খাতুন, আসমাতারা জাহান, আজহারুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করে সিনিয়র শিক্ষক এসএম শহীদুল ইসলাম।